সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে এমন অভিযোগ এনে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি।
শুক্রবার (০৫ জুন) সকালে দেওয়া এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, পরিবারের বিরুদ্ধে আরও ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চললেও এতদিন তিনি নীরব ছিলেন শুধুমাত্র ভাইয়ের কথা ভেবে।
তবে গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার প্রেক্ষিতে তিনি পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছেন।মাসুমা হাদি জানান, তার ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঢাকায় গিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান এবং সেখানে এক মুহূর্তের জন্যও তিনি ভাইকে ছেড়ে যাননি। তার দাবি, হাসপাতালে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন কেন জাবেরের কাছ থেকে মামলার কাগজে স্বাক্ষর নিল, তা নিয়ে তার প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তাকে জানানো হয়, ওমর ফারুক তখন চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরে দেখা হবে বলে জানিয়েছিলেন। তবে ওই সময় ওমরের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, গুলির ঘটনায় ওমর ফারুক নিজেও রক্তাক্ত ছিলেন এবং একই রিকশায় থাকায় তার জীবনও ঝুঁকির মধ্যে ছিল। ওমরের পোশাক ও ব্যবহৃত সামগ্রীতেও আহত ভাইয়ের রক্তের দাগ ছিল।
মামলার বাদী হওয়া প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি প্রশ্ন তোলেন, পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে কীভাবে জাবের বাদী হলেন। তিনি দাবি করেন, ওসমান হাদির জীবনে তার বড় বোন হিসেবে তার ভূমিকা সবারই জানা, তাই এ বিষয়ে তাকে অবগত না করা অস্বাভাবিক।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমর ফারুকের আর্থিক অবস্থা নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগও করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই ওমর স্বচ্ছল জীবনযাপন করে আসছেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
চিকিৎসা প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি বলেন, শুরুতে পরিবার নিজেরাই বিদেশে চিকিৎসার উদ্যোগ নেয়। প্রথমে সিঙ্গাপুরে পাঠানো নথি গ্রহণ না হলেও পরে থাইল্যান্ডে পাঠানোর সাড়া পাওয়া যায়।
তিনি জানান, ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চিকিৎসার প্রস্তুতি নেন। পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি জেনে চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় এবং শেষে সিঙ্গাপুরে নেওয়া সম্ভব হয়।
স্ট্যাটাসের শেষের দিকে মাসুমা হাদি বলেন, সম্মান করতে না পারলেও, কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
পরে তার মরদেহ দেশে আনা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টার মামলা করেছিলেন। পরে এটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
চলতি বছরের ৮ মার্চ হাদি হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৫
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৩৯
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৮
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’

০৫ জুন, ২০২৬ ১৪:১৯
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে এমন অভিযোগ এনে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি।
শুক্রবার (০৫ জুন) সকালে দেওয়া এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, পরিবারের বিরুদ্ধে আরও ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চললেও এতদিন তিনি নীরব ছিলেন শুধুমাত্র ভাইয়ের কথা ভেবে।
তবে গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার প্রেক্ষিতে তিনি পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছেন।মাসুমা হাদি জানান, তার ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঢাকায় গিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান এবং সেখানে এক মুহূর্তের জন্যও তিনি ভাইকে ছেড়ে যাননি। তার দাবি, হাসপাতালে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন কেন জাবেরের কাছ থেকে মামলার কাগজে স্বাক্ষর নিল, তা নিয়ে তার প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তাকে জানানো হয়, ওমর ফারুক তখন চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরে দেখা হবে বলে জানিয়েছিলেন। তবে ওই সময় ওমরের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, গুলির ঘটনায় ওমর ফারুক নিজেও রক্তাক্ত ছিলেন এবং একই রিকশায় থাকায় তার জীবনও ঝুঁকির মধ্যে ছিল। ওমরের পোশাক ও ব্যবহৃত সামগ্রীতেও আহত ভাইয়ের রক্তের দাগ ছিল।
মামলার বাদী হওয়া প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি প্রশ্ন তোলেন, পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে কীভাবে জাবের বাদী হলেন। তিনি দাবি করেন, ওসমান হাদির জীবনে তার বড় বোন হিসেবে তার ভূমিকা সবারই জানা, তাই এ বিষয়ে তাকে অবগত না করা অস্বাভাবিক।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমর ফারুকের আর্থিক অবস্থা নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগও করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই ওমর স্বচ্ছল জীবনযাপন করে আসছেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
চিকিৎসা প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি বলেন, শুরুতে পরিবার নিজেরাই বিদেশে চিকিৎসার উদ্যোগ নেয়। প্রথমে সিঙ্গাপুরে পাঠানো নথি গ্রহণ না হলেও পরে থাইল্যান্ডে পাঠানোর সাড়া পাওয়া যায়।
তিনি জানান, ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চিকিৎসার প্রস্তুতি নেন। পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি জেনে চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় এবং শেষে সিঙ্গাপুরে নেওয়া সম্ভব হয়।
স্ট্যাটাসের শেষের দিকে মাসুমা হাদি বলেন, সম্মান করতে না পারলেও, কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
পরে তার মরদেহ দেশে আনা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টার মামলা করেছিলেন। পরে এটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
চলতি বছরের ৮ মার্চ হাদি হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২১
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:২০
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৫০