Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:০৭
বরিশালের অপসো স্যালাইন ফার্মাসিউটিক্যালসে শ্রমিক ছাঁটাইকে ঘিরে টানা চার দিনের অচলাবস্থা চলছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরে বৈঠকে বসে মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষ। কিন্তু বৈঠকেও বিষয়টি সমাধান হয়নি।
ঢাকা থেকে আসা মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ‘ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের আর ফেরত নেওয়া সম্ভব নয়।
’ অন্যদিকে শ্রমিকরা দাবি তুলেছেন, ‘চাকরি ফেরত না পেলে আন্দোলন আরো বিস্তৃত হবে।’
আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে শুরু থেকেই মাঠে থাকা বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের সদস্যসচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘এই কারখানার ৪০ বছরের ইতিহাসে এত বড় ছাঁটাই হয়নি। শ্রমিকরা মাসখানেক আগে ট্রেড ইউনিয়নের অনুমোদন পান, আর তার পরপরই এই ছাঁটাই।’
শ্রমিকদের অভিযোগ, হঠাৎ করেই ৫৭০ জন শ্রমিককে কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তাদের অনেকেই ১০ থেকে ২৫ বছর ধরে এই কারখানায় কাজ করছিলেন।
ছাঁটাই হওয়া শ্রমিক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বেতন পাই না, ঘরে বাজার নাই। মা অসুস্থ, আমি এখন কোথায় যাব?’
অপসোনিন লিমিটেডের এইচআর ও সিএন্ডবি বিভাগের কর্মকর্তা মো. আল মাসুদ বলেন, ‘উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমরা দীর্ঘদিন লোকসান গুনছি। তাই উৎপাদন পুনর্বিন্যাস করতে হয়েছে।
ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত একেবারে ব্যবসায়িক কারণে নেওয়া হয়েছে। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পাওনা ও ক্ষতিপূরণ নিয়ম অনুযায়ী দেওয়া হবে।’
শ্রমিকদের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি একে আজাদ এবং মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন। তারা বলেন, ‘ছাঁটাই করা শ্রমিকদের কাজে ফেরাতে হবে। না হলে এই আন্দোলন শুধু অপসো স্যালাইনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরিশালের সব শিল্প এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
বৈঠক শেষে শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, ‘দুইপক্ষের বক্তব্য শুনে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সমঝোতার চেষ্টা চলছে।’
বরিশালের অপসো স্যালাইন ফার্মাসিউটিক্যালসে শ্রমিক ছাঁটাইকে ঘিরে টানা চার দিনের অচলাবস্থা চলছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরে বৈঠকে বসে মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষ। কিন্তু বৈঠকেও বিষয়টি সমাধান হয়নি।
ঢাকা থেকে আসা মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ‘ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের আর ফেরত নেওয়া সম্ভব নয়।
’ অন্যদিকে শ্রমিকরা দাবি তুলেছেন, ‘চাকরি ফেরত না পেলে আন্দোলন আরো বিস্তৃত হবে।’
আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে শুরু থেকেই মাঠে থাকা বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের সদস্যসচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘এই কারখানার ৪০ বছরের ইতিহাসে এত বড় ছাঁটাই হয়নি। শ্রমিকরা মাসখানেক আগে ট্রেড ইউনিয়নের অনুমোদন পান, আর তার পরপরই এই ছাঁটাই।’
শ্রমিকদের অভিযোগ, হঠাৎ করেই ৫৭০ জন শ্রমিককে কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তাদের অনেকেই ১০ থেকে ২৫ বছর ধরে এই কারখানায় কাজ করছিলেন।
ছাঁটাই হওয়া শ্রমিক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বেতন পাই না, ঘরে বাজার নাই। মা অসুস্থ, আমি এখন কোথায় যাব?’
অপসোনিন লিমিটেডের এইচআর ও সিএন্ডবি বিভাগের কর্মকর্তা মো. আল মাসুদ বলেন, ‘উৎপাদনের ক্ষেত্রে আমরা দীর্ঘদিন লোকসান গুনছি। তাই উৎপাদন পুনর্বিন্যাস করতে হয়েছে।
ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত একেবারে ব্যবসায়িক কারণে নেওয়া হয়েছে। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পাওনা ও ক্ষতিপূরণ নিয়ম অনুযায়ী দেওয়া হবে।’
শ্রমিকদের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি একে আজাদ এবং মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন। তারা বলেন, ‘ছাঁটাই করা শ্রমিকদের কাজে ফেরাতে হবে। না হলে এই আন্দোলন শুধু অপসো স্যালাইনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরিশালের সব শিল্প এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
বৈঠক শেষে শ্রম অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, ‘দুইপক্ষের বক্তব্য শুনে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সমঝোতার চেষ্টা চলছে।’

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।