
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। এরপর সংসদে সরকারি দলের জন্য নির্ধারিত সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই বিজয়ী দল হিসেবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শপথ গ্রহণ উপলক্ষে সংসদ ভবন এলাকায় সকাল থেকেই ভিড় দেখা যায়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড়ও লক্ষণীয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা গেছে।
ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টায় শুরুতে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন সিইসি। এরপর বিএনপি জোটের নির্বাচিত তিনজনকে শপথ পাঠ করানোর পর দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন সিইসি। এরপর জামায়াতের জোটের শরিক দলগুলোর সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।
শপথ শেষে সংসদ ভবনের তৃতীয় তলায় রাখা শপথ বইয়ে সই করবেন সংসদ সদস্যরা। এরপর পরিচয়পত্রের জন্য ছবি, আঙুলের ছাপ, ডিজিটাল স্বাক্ষর করবেন তারা। এ জন্য ১০টি বুথ রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য সংসদ ভবনের নিচতলার শপথকক্ষ এবং সংসদ ভবনের ৯ তলায় সরকারি ও বিরোধী দলের সভাকক্ষ গতকালই প্রস্তুত করা হয়েছে।
শপথের কার্যক্রম শেষে বিএনপির সংসদীয় দল বেলা সাড়ে ১১টায় বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা, উপনেতা, চিফ হুইপ নির্বাচন করা হতে পারে। একই সভায় আগামী জাতীয় সংসদের স্পিকার বাছাই করা হতে পারে, যা সংসদের প্রথম অধিবেশনে কণ্ঠভোটে পাস হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা নির্বাচনের পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হবে। এর ভিত্তিতে বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা প্রস্তুত করা হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে থাকবে আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার চেয়ার। সংসদ ভবন এলাকায় সাজসজ্জা করা হয়েছে। রীতি অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যদের পরিবারের এক বা একাধিক সদস্য মূল ভবনে প্রবেশ করেন। তবে এবার নিরাপত্তার কারণে শুধু নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন। অবশ্য দু-একটি ব্যতিক্রম বিবেচনা করা হতে পারে।
বিগত জাতীয় সংসদগুলোর শপথ অনুষ্ঠানের দিন সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যস্ত সময় কাটাতেন। সূত্র বলেছে, এবার সংসদের প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৬৫ জন ছাড়া বাকি সবাইকে সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে কয়েকজন বাদ পড়তে পারেন।
অতীতে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় সংসদ সচিবালয় এলাকায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের প্রবেশে বাধা না থাকলেও এবার ব্যতিক্রম। সংসদ সচিবালয় বলেছে, বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। সেখান থেকে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে মন্ত্রিসভার শপথের সময় আমন্ত্রিত ও নির্ধারিত সাংবাদিকেরা প্রবেশ করতে পারবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের এমপিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই শপথেরও প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। এরপর সংসদে সরকারি দলের জন্য নির্ধারিত সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই বিজয়ী দল হিসেবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শপথ গ্রহণ উপলক্ষে সংসদ ভবন এলাকায় সকাল থেকেই ভিড় দেখা যায়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড়ও লক্ষণীয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা গেছে।
ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টায় শুরুতে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন সিইসি। এরপর বিএনপি জোটের নির্বাচিত তিনজনকে শপথ পাঠ করানোর পর দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন সিইসি। এরপর জামায়াতের জোটের শরিক দলগুলোর সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।
শপথ শেষে সংসদ ভবনের তৃতীয় তলায় রাখা শপথ বইয়ে সই করবেন সংসদ সদস্যরা। এরপর পরিচয়পত্রের জন্য ছবি, আঙুলের ছাপ, ডিজিটাল স্বাক্ষর করবেন তারা। এ জন্য ১০টি বুথ রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য সংসদ ভবনের নিচতলার শপথকক্ষ এবং সংসদ ভবনের ৯ তলায় সরকারি ও বিরোধী দলের সভাকক্ষ গতকালই প্রস্তুত করা হয়েছে।
শপথের কার্যক্রম শেষে বিএনপির সংসদীয় দল বেলা সাড়ে ১১টায় বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা, উপনেতা, চিফ হুইপ নির্বাচন করা হতে পারে। একই সভায় আগামী জাতীয় সংসদের স্পিকার বাছাই করা হতে পারে, যা সংসদের প্রথম অধিবেশনে কণ্ঠভোটে পাস হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা নির্বাচনের পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হবে। এর ভিত্তিতে বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা প্রস্তুত করা হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে থাকবে আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার চেয়ার। সংসদ ভবন এলাকায় সাজসজ্জা করা হয়েছে। রীতি অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যদের পরিবারের এক বা একাধিক সদস্য মূল ভবনে প্রবেশ করেন। তবে এবার নিরাপত্তার কারণে শুধু নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন। অবশ্য দু-একটি ব্যতিক্রম বিবেচনা করা হতে পারে।
বিগত জাতীয় সংসদগুলোর শপথ অনুষ্ঠানের দিন সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যস্ত সময় কাটাতেন। সূত্র বলেছে, এবার সংসদের প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৬৫ জন ছাড়া বাকি সবাইকে সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে কয়েকজন বাদ পড়তে পারেন।
অতীতে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় সংসদ সচিবালয় এলাকায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের প্রবেশে বাধা না থাকলেও এবার ব্যতিক্রম। সংসদ সচিবালয় বলেছে, বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। সেখান থেকে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে মন্ত্রিসভার শপথের সময় আমন্ত্রিত ও নির্ধারিত সাংবাদিকেরা প্রবেশ করতে পারবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের এমপিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই শপথেরও প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:২১
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ (রোববার) সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীন সফরে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দুই দেশের সফরকে সামনে রেখে শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক, চুক্তি, কর্মপরিকল্পনা ও প্রোটোকল সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক দলিলে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা তিস্তা প্রকল্পও আলোচনার অন্যতম বিষয় হবে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। তিনি জানান, সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলকে সীমিত রাখা হয়েছে এবং এতে প্রায় ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
চীন সফরের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা সামার দাভোস ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’। এতে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া সফরে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২৬ জুন রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আপনারা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছেন। এখন নব্য ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানাতে প্রয়োজন হলে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণের কাছে গিয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরব।
যেখানে কথা বলতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয় না, সেখানে আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলব। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশায় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রশ্নে দেশের জনগণ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে। কোনো বিদেশি আধিপত্য বা আগ্রাসনের সামনে বাংলাদেশ মাথা নত করবে না।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং মাওলানা মামুনুল হক।

২০ জুন, ২০২৬ ১২:২২
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে ৮ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক-সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরেক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টার মধ্যে ৮ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক-সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আরেক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.