
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। এরপর সংসদে সরকারি দলের জন্য নির্ধারিত সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই বিজয়ী দল হিসেবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শপথ গ্রহণ উপলক্ষে সংসদ ভবন এলাকায় সকাল থেকেই ভিড় দেখা যায়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড়ও লক্ষণীয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা গেছে।
ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টায় শুরুতে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন সিইসি। এরপর বিএনপি জোটের নির্বাচিত তিনজনকে শপথ পাঠ করানোর পর দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন সিইসি। এরপর জামায়াতের জোটের শরিক দলগুলোর সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।
শপথ শেষে সংসদ ভবনের তৃতীয় তলায় রাখা শপথ বইয়ে সই করবেন সংসদ সদস্যরা। এরপর পরিচয়পত্রের জন্য ছবি, আঙুলের ছাপ, ডিজিটাল স্বাক্ষর করবেন তারা। এ জন্য ১০টি বুথ রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য সংসদ ভবনের নিচতলার শপথকক্ষ এবং সংসদ ভবনের ৯ তলায় সরকারি ও বিরোধী দলের সভাকক্ষ গতকালই প্রস্তুত করা হয়েছে।
শপথের কার্যক্রম শেষে বিএনপির সংসদীয় দল বেলা সাড়ে ১১টায় বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা, উপনেতা, চিফ হুইপ নির্বাচন করা হতে পারে। একই সভায় আগামী জাতীয় সংসদের স্পিকার বাছাই করা হতে পারে, যা সংসদের প্রথম অধিবেশনে কণ্ঠভোটে পাস হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা নির্বাচনের পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হবে। এর ভিত্তিতে বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা প্রস্তুত করা হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে থাকবে আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার চেয়ার। সংসদ ভবন এলাকায় সাজসজ্জা করা হয়েছে। রীতি অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যদের পরিবারের এক বা একাধিক সদস্য মূল ভবনে প্রবেশ করেন। তবে এবার নিরাপত্তার কারণে শুধু নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন। অবশ্য দু-একটি ব্যতিক্রম বিবেচনা করা হতে পারে।
বিগত জাতীয় সংসদগুলোর শপথ অনুষ্ঠানের দিন সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যস্ত সময় কাটাতেন। সূত্র বলেছে, এবার সংসদের প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৬৫ জন ছাড়া বাকি সবাইকে সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে কয়েকজন বাদ পড়তে পারেন।
অতীতে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় সংসদ সচিবালয় এলাকায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের প্রবেশে বাধা না থাকলেও এবার ব্যতিক্রম। সংসদ সচিবালয় বলেছে, বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। সেখান থেকে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে মন্ত্রিসভার শপথের সময় আমন্ত্রিত ও নির্ধারিত সাংবাদিকেরা প্রবেশ করতে পারবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের এমপিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই শপথেরও প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। এরপর সংসদে সরকারি দলের জন্য নির্ধারিত সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই বিজয়ী দল হিসেবে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথবাক্য পাঠ করেন। শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শপথ গ্রহণ উপলক্ষে সংসদ ভবন এলাকায় সকাল থেকেই ভিড় দেখা যায়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি সংসদ এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড়ও লক্ষণীয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান দেখা গেছে।
ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টায় শুরুতে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন সিইসি। এরপর বিএনপি জোটের নির্বাচিত তিনজনকে শপথ পাঠ করানোর পর দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন সিইসি। এরপর জামায়াতের জোটের শরিক দলগুলোর সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।
শপথ শেষে সংসদ ভবনের তৃতীয় তলায় রাখা শপথ বইয়ে সই করবেন সংসদ সদস্যরা। এরপর পরিচয়পত্রের জন্য ছবি, আঙুলের ছাপ, ডিজিটাল স্বাক্ষর করবেন তারা। এ জন্য ১০টি বুথ রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর জন্য সংসদ ভবনের নিচতলার শপথকক্ষ এবং সংসদ ভবনের ৯ তলায় সরকারি ও বিরোধী দলের সভাকক্ষ গতকালই প্রস্তুত করা হয়েছে।
শপথের কার্যক্রম শেষে বিএনপির সংসদীয় দল বেলা সাড়ে ১১টায় বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা, উপনেতা, চিফ হুইপ নির্বাচন করা হতে পারে। একই সভায় আগামী জাতীয় সংসদের স্পিকার বাছাই করা হতে পারে, যা সংসদের প্রথম অধিবেশনে কণ্ঠভোটে পাস হবে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা নির্বাচনের পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হবে। এর ভিত্তিতে বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা প্রস্তুত করা হয়েছে। শপথ অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে থাকবে আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার চেয়ার। সংসদ ভবন এলাকায় সাজসজ্জা করা হয়েছে। রীতি অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যদের পরিবারের এক বা একাধিক সদস্য মূল ভবনে প্রবেশ করেন। তবে এবার নিরাপত্তার কারণে শুধু নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রবেশ করতে পারবেন। অবশ্য দু-একটি ব্যতিক্রম বিবেচনা করা হতে পারে।
বিগত জাতীয় সংসদগুলোর শপথ অনুষ্ঠানের দিন সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যস্ত সময় কাটাতেন। সূত্র বলেছে, এবার সংসদের প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৬৫ জন ছাড়া বাকি সবাইকে সাধারণ ছুটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনে কয়েকজন বাদ পড়তে পারেন।
অতীতে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানের সময় সংসদ সচিবালয় এলাকায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের প্রবেশে বাধা না থাকলেও এবার ব্যতিক্রম। সংসদ সচিবালয় বলেছে, বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। সেখান থেকে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে মন্ত্রিসভার শপথের সময় আমন্ত্রিত ও নির্ধারিত সাংবাদিকেরা প্রবেশ করতে পারবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের এমপিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই শপথেরও প্রস্তুতি নিয়েছে সংসদ সচিবালয়।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
চায়ের রাজ্যখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লেবু ও আনারসের জন্যও দেশব্যাপী পরিচিত। তবে সেই ‘লেবুর রাজ্য’ শ্রীমঙ্গলে হঠাৎ করেই লেবুর দাম আকাশচুম্বি হয়ে উঠেছে। বড় সাইজের লেবু খুচরা বাজারে প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এতে রমজানকে সামনে রেখে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শ্রীমঙ্গল বাজার ও বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে লেবুর সরবরাহ তুলনামূলক কম। এক মাস আগেও যেখানে প্রতি হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে বর্তমানে সাইজভেদে দাম দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ২০০ টাকা। বড় সাইজের লেবু ২০০ টাকা, মাঝারি ১৫০-১৭৫ টাকা এবং ছোট সাইজ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি আড়তে লেবুর সংকট রয়েছে। প্রতি পিস লেবু কিনতে হচ্ছে ১৮ থেকে ৪৫ টাকা দরে। পরিবহন, শ্রমিক ও বাজার খরচ যোগ করে খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে বলে তারা আশা করছেন।
শ্রীমঙ্গল বাজারের খুচরা বিক্রেতা রহিম মিয়া বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এক-চতুর্থাংশ। আড়তে লেবু পাওয়া যায় না। বেশি দামে কিনে এনে অল্প লাভে বিক্রি করছি।’
আরেক বিক্রেতা ছালেক মিয়া জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ পিস লেবু বিক্রি হতো, এখন তা নেমে এসেছে ১০০-১৫০ পিসে। ক্রেতারা জানান, রমজানে ইফতারে লেবুর সরবতের চাহিদা বেশি থাকে। দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই লেবু কিনতে পারছেন না।
ক্রেতা মোস্তাক আহমদ বলেন, ‘লেবুর রাজ্যে থেকেও চাহিদামতো লেবু কিনতে পারছি না। এক হালি কিনতে গিয়ে ১৫০-২০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।’ আরেক ক্রেতা মুসলিম মিয়া বলেন, “দাম এত বেশি যে এবার হয়তো বিকল্প পানীয়েই ইফতার করতে হবে।’
স্থানীয় বাগান মালিকরা জানান, এ বছর বৃষ্টিপাত না হওয়ায় লেবুর ফলন কম হয়েছে। হোসনেবাদ এলাকার বাগান মালিক জুয়েল আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘পানির অভাবে ফুল ঝরে গেছে। স্বাভাবিক ফলনের চার ভাগের এক ভাগও হয়নি।’
ব্যবসায়ী মালেক মিয়া বলেন, ‘ভরা মৌসুমে প্রতিটি গাছে ২৫০-৩০০টি লেবু হয়, কিন্তু এখন অনেক গাছে ১০-১৫টির বেশি নেই।’ শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আলাউদ্দিন জানান, উপজেলায় ১ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে লেবু চাষ হয়। বৃষ্টিপাতের অভাবে ফলন কমেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং করা হয়েছে। কিছু দোকানে মূল্যতালিকা না থাকায় জরিমানা করা হয়েছে।’ কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান।
চায়ের রাজ্যখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লেবু ও আনারসের জন্যও দেশব্যাপী পরিচিত। তবে সেই ‘লেবুর রাজ্য’ শ্রীমঙ্গলে হঠাৎ করেই লেবুর দাম আকাশচুম্বি হয়ে উঠেছে। বড় সাইজের লেবু খুচরা বাজারে প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এতে রমজানকে সামনে রেখে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শ্রীমঙ্গল বাজার ও বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে লেবুর সরবরাহ তুলনামূলক কম। এক মাস আগেও যেখানে প্রতি হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে বর্তমানে সাইজভেদে দাম দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ২০০ টাকা। বড় সাইজের লেবু ২০০ টাকা, মাঝারি ১৫০-১৭৫ টাকা এবং ছোট সাইজ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি আড়তে লেবুর সংকট রয়েছে। প্রতি পিস লেবু কিনতে হচ্ছে ১৮ থেকে ৪৫ টাকা দরে। পরিবহন, শ্রমিক ও বাজার খরচ যোগ করে খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে বলে তারা আশা করছেন।
শ্রীমঙ্গল বাজারের খুচরা বিক্রেতা রহিম মিয়া বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এক-চতুর্থাংশ। আড়তে লেবু পাওয়া যায় না। বেশি দামে কিনে এনে অল্প লাভে বিক্রি করছি।’
আরেক বিক্রেতা ছালেক মিয়া জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ পিস লেবু বিক্রি হতো, এখন তা নেমে এসেছে ১০০-১৫০ পিসে। ক্রেতারা জানান, রমজানে ইফতারে লেবুর সরবতের চাহিদা বেশি থাকে। দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই লেবু কিনতে পারছেন না।
ক্রেতা মোস্তাক আহমদ বলেন, ‘লেবুর রাজ্যে থেকেও চাহিদামতো লেবু কিনতে পারছি না। এক হালি কিনতে গিয়ে ১৫০-২০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।’ আরেক ক্রেতা মুসলিম মিয়া বলেন, “দাম এত বেশি যে এবার হয়তো বিকল্প পানীয়েই ইফতার করতে হবে।’
স্থানীয় বাগান মালিকরা জানান, এ বছর বৃষ্টিপাত না হওয়ায় লেবুর ফলন কম হয়েছে। হোসনেবাদ এলাকার বাগান মালিক জুয়েল আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘পানির অভাবে ফুল ঝরে গেছে। স্বাভাবিক ফলনের চার ভাগের এক ভাগও হয়নি।’
ব্যবসায়ী মালেক মিয়া বলেন, ‘ভরা মৌসুমে প্রতিটি গাছে ২৫০-৩০০টি লেবু হয়, কিন্তু এখন অনেক গাছে ১০-১৫টির বেশি নেই।’ শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আলাউদ্দিন জানান, উপজেলায় ১ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে লেবু চাষ হয়। বৃষ্টিপাতের অভাবে ফলন কমেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং করা হয়েছে। কিছু দোকানে মূল্যতালিকা না থাকায় জরিমানা করা হয়েছে।’ কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৫
দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। আর আজ বুধবার বাদ এশা দেশের মসজিদে মসজিদে তারাবির নামাজ শুরু হবে এবং দিবাগত ভোর রাত থেকে সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে রোজা রাখা শুরু করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।
দীর্ঘ এগার মাসের পাপ পঙ্কিল থেকে মুক্ত হওয়ার অপূর্ব সুযোগ এনে দেয় এই রমজান। পবিত্র রমজানের আগমনে মুসলিম সমাজ ও ইসলামী জীবন ধারায় এক বিরাট সাফল্যের সৃষ্টি হয়।
রমজান মাস হলো ইবাদতের বসন্তকাল। আল্লাহপাক ইবাদতপাগল বান্দাদের ক্ষমা করার জন্য সব আয়োজন করে রাখেন। এ মাসে একটি ফরজ আমলের মূল্য অন্য সময় ৭০টি ফরজ আমলের সমপরিমাণ।
দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। আর আজ বুধবার বাদ এশা দেশের মসজিদে মসজিদে তারাবির নামাজ শুরু হবে এবং দিবাগত ভোর রাত থেকে সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে রোজা রাখা শুরু করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা।
দীর্ঘ এগার মাসের পাপ পঙ্কিল থেকে মুক্ত হওয়ার অপূর্ব সুযোগ এনে দেয় এই রমজান। পবিত্র রমজানের আগমনে মুসলিম সমাজ ও ইসলামী জীবন ধারায় এক বিরাট সাফল্যের সৃষ্টি হয়।
রমজান মাস হলো ইবাদতের বসন্তকাল। আল্লাহপাক ইবাদতপাগল বান্দাদের ক্ষমা করার জন্য সব আয়োজন করে রাখেন। এ মাসে একটি ফরজ আমলের মূল্য অন্য সময় ৭০টি ফরজ আমলের সমপরিমাণ।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৭
জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদের স্পিকার, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
আগামী সপ্তাহে রিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান আইনজীবী।
এদিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।
জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটে নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদের স্পিকার, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
আগামী সপ্তাহে রিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান আইনজীবী।
এদিকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.