
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৩৯
প্রবাসে থেকেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করে অনুমোদন পেয়েছেন বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ৮৬ হাজার ৭১৬ জন নাগরিক। এদের মধ্যে পুরুষ ৬৭ হাজার ৯১৫ এবং নারী ১৮ হাজার ৮০১ জন। অনুমোদনের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছেন ৩৭৫ জন প্রবাসী।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রথমবার হিসেবে মোটামুটি ভালো সাড়া পেয়েছি। দেশের ইতিহাসের প্রথম পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল জেলা থেকে ২৯ হাজার ৪৭৭ জন প্রবাসীর পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১ হাজার ৮২৮ জন, নারী সাত হাজার ৬৪৯ জন এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন আরও ১৫৮ জন।
ভোলা জেলার মোট ১৪ হাজার ৮২৩ জন প্রবাসীর পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৮৫৪ জন, নারী এক হাজার ৯৬৯ জন এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে আরও ৯৭ জন।
পিরোজপুরের ১১ হাজার ৮৩৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৯ হাজার ৫৬৯ জন এবং নারী দুই হাজার ২৬৫ জনের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন আরও ৪৩ জন।
পটুয়াখালীর ১১ হাজার ৭৫৪ জন প্রবাসীর মধ্যে পুরুষ ৯ হাজার ৪১৭ জন ও নারী দুই হাজার ৩৩৭ জনের নিবন্ধন হয়েছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে ৫৩ জন।
বরগুনা জেলার ১১ হাজার ৩২৭ প্রবাসীর নিবন্ধন শেষ হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ আট হাজার ৩৩২ জন এবং নারী দুই হাজার ৯৯৫ জন। অনুমোদনের অপেক্ষায় আরও ৫২ জন।
ঝালকাঠির মোট সাত হাজার ৫০১ জন প্রবাসীর পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ পাঁচ হাজার ৯১৫ জন এবং এক হাজার ৫৮৬ জন নারী। অনুমোদনের অপেক্ষায় আরও ২৩ জন।
এছাড়া ৫৭ হাজার ২৯৩ জন সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনি কর্মকর্তা, কারাবন্দি এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটার হয়েছেন। এর মধ্যে কারাবন্দি ৩৪৬, আনসার ও ভিডিপি ৭৫৪, নির্বাচনি কর্মকর্তা ১২ হাজার ৪৭৭ এবং সরকারি চাকরিজীবী ৪৩ হাজার ৭১৬ জন।
কোন আসনে কত নিবন্ধন
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে চার হাজার ৫১৬ জন, বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) থেকে পাঁচ হাজার ১০৯ জন, বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) থেকে চার হাজার ৬৭২ জন, বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) থেকে চার হাজার ৪৭৮ জন, বরিশাল-৫ (সদর) থেকে ছয় হাজার ৭৩৭ জন এবং বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসন থেকে তিন হাজার ৮৮৬ জন প্রবাসী ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
এর আগে গত ১৮ নভেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি রাত ১২টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুধু বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা থেকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে পোস্টাল ভোটের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিলেন তারা। এদের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী এবং দেশের কারাবন্দি, নির্বাচন কর্মকর্তা, সরকারি চাকরিজীবী ও আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকায় নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন জানায়, এই ব্যবস্থায় প্রবাসী ভোটার, আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তি এবং নির্বাচনি দায়িত্বরত কর্মকর্তারাও ভোট দিতে পারবেন। পোস্টাল ভোটে নিবন্ধিত ভোটারদের ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানো ব্যালটে ভোট দেওয়া শেষে নির্ধারিত ফিরতি খামে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
প্রবাসে থেকেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধন করে অনুমোদন পেয়েছেন বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ৮৬ হাজার ৭১৬ জন নাগরিক। এদের মধ্যে পুরুষ ৬৭ হাজার ৯১৫ এবং নারী ১৮ হাজার ৮০১ জন। অনুমোদনের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছেন ৩৭৫ জন প্রবাসী।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রথমবার হিসেবে মোটামুটি ভালো সাড়া পেয়েছি। দেশের ইতিহাসের প্রথম পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল জেলা থেকে ২৯ হাজার ৪৭৭ জন প্রবাসীর পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২১ হাজার ৮২৮ জন, নারী সাত হাজার ৬৪৯ জন এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন আরও ১৫৮ জন।
ভোলা জেলার মোট ১৪ হাজার ৮২৩ জন প্রবাসীর পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৮৫৪ জন, নারী এক হাজার ৯৬৯ জন এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে আরও ৯৭ জন।
পিরোজপুরের ১১ হাজার ৮৩৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৯ হাজার ৫৬৯ জন এবং নারী দুই হাজার ২৬৫ জনের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় আছেন আরও ৪৩ জন।
পটুয়াখালীর ১১ হাজার ৭৫৪ জন প্রবাসীর মধ্যে পুরুষ ৯ হাজার ৪১৭ জন ও নারী দুই হাজার ৩৩৭ জনের নিবন্ধন হয়েছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে ৫৩ জন।
বরগুনা জেলার ১১ হাজার ৩২৭ প্রবাসীর নিবন্ধন শেষ হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ আট হাজার ৩৩২ জন এবং নারী দুই হাজার ৯৯৫ জন। অনুমোদনের অপেক্ষায় আরও ৫২ জন।
ঝালকাঠির মোট সাত হাজার ৫০১ জন প্রবাসীর পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ পাঁচ হাজার ৯১৫ জন এবং এক হাজার ৫৮৬ জন নারী। অনুমোদনের অপেক্ষায় আরও ২৩ জন।
এছাড়া ৫৭ হাজার ২৯৩ জন সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনি কর্মকর্তা, কারাবন্দি এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটার হয়েছেন। এর মধ্যে কারাবন্দি ৩৪৬, আনসার ও ভিডিপি ৭৫৪, নির্বাচনি কর্মকর্তা ১২ হাজার ৪৭৭ এবং সরকারি চাকরিজীবী ৪৩ হাজার ৭১৬ জন।
কোন আসনে কত নিবন্ধন
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে চার হাজার ৫১৬ জন, বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) থেকে পাঁচ হাজার ১০৯ জন, বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) থেকে চার হাজার ৬৭২ জন, বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) থেকে চার হাজার ৪৭৮ জন, বরিশাল-৫ (সদর) থেকে ছয় হাজার ৭৩৭ জন এবং বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসন থেকে তিন হাজার ৮৮৬ জন প্রবাসী ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
এর আগে গত ১৮ নভেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি রাত ১২টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শুধু বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা থেকে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে পোস্টাল ভোটের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিলেন তারা। এদের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী এবং দেশের কারাবন্দি, নির্বাচন কর্মকর্তা, সরকারি চাকরিজীবী ও আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকায় নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন জানায়, এই ব্যবস্থায় প্রবাসী ভোটার, আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তি এবং নির্বাচনি দায়িত্বরত কর্মকর্তারাও ভোট দিতে পারবেন। পোস্টাল ভোটে নিবন্ধিত ভোটারদের ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানো ব্যালটে ভোট দেওয়া শেষে নির্ধারিত ফিরতি খামে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩০
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ দিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যাত্রীরা।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজৈরের টেকেরহাট থেকে একটি কাভার্ডভ্যান বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে অপর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে সামনে থেকে চাপা দেয় ওই কাভার্ডভ্যানটি। এতে ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুই ভ্যানযাত্রী নিহত হন। আহত হন দুজন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শহর শয্যা জেলা হাসপাতালে নিলে সেখানে মারা যান এক নারী।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ দিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যাত্রীরা।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজৈরের টেকেরহাট থেকে একটি কাভার্ডভ্যান বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে অপর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে সামনে থেকে চাপা দেয় ওই কাভার্ডভ্যানটি। এতে ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুই ভ্যানযাত্রী নিহত হন। আহত হন দুজন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শহর শয্যা জেলা হাসপাতালে নিলে সেখানে মারা যান এক নারী।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯