Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৫
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি- সংগৃহীত
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১২ জুন, ২০২৬ ১৪:১৯
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহিন্দ্রা) চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ৫ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন।স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কয়েক দফায় দফায় বৈঠকের পরও দাবিগুলো পূরণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে রোববার থেকে তারা এ ধর্মঘটে যাচ্ছেন। ধর্মঘট শুরু হলে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলা-বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি এবং বরিশালে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে, জানিয়েছেন বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ৩ দফা দাবিগুলো হল-
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ করা।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
শ্রমিক নেতা শহীদুল ইসলাম বলেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে সরকারি ১৮টি বিআরটিসি বাস চলাচলের কথা থাকলেও বাস্তবে চলছে তার চেয়ে বেশি। মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রিহুইলারগুলো নিয়মিত চলাচল করছে। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ২০২৪ সাল থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সাতটি বাস মালিক সমিতি ও সাতটি শ্রমিক ইউনিয়নের কয়েক দফা সভা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রশাসন বারবার শুধু আশ্বাসের বাণীই শুনিয়েছে, কোনো সুরাহা করতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলার মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে গত ২০ মে একটি জরুরি সভা করে ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরে চিঠি দিয়ে স্ব স্ব জেলার প্রশাসনকেও জানানো হয়।
“আমরা আশা করেছিলাম ১১ জুনের আগে প্রশাসন সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু প্রশাসন আমাদের দাবির বিষয়গুলো সমাধান না করায় আগামী ১৪ জুন ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহণ ধর্মঘটে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছি।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, বাস মালিক সমিতির তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন সম্পূর্ণ অবগত রয়েছেন। ইতোমধ্যে তাদের সঙ্গে একটি বৈঠকও হয়েছে।
তিনি বলেন, “আগামী ১৪ জুন থেকে মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের পরিবহণ ধর্মঘট যাতে না হয় তার উদ্যোগ নিচ্ছি। আশা করছি আগেই সমাধান হয়ে যাবে।”

১২ জুন, ২০২৬ ১৩:১৮
ক্রমাগত ব্যবসায়িক লোকসান, কাঁচামাল এবং এলসি সংকটের কারণে বরিশাল অলিম্পিক সিমেন্ট লিমিটেডের উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক নোটিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
নোটিসে বলা হয়, উৎপাদন বন্ধের কারণে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত সব শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব শ্রমিক তাদের প্রাপ্য পাওনা যথাযথ সময় পেয়ে যাবেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের বরিশালের সমন্বয়ক ড. মনীষা চক্রবর্তী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মূলত প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে। এ কারণে উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অলিম্পিক সিমেন্ট লিমিটেডের কর্মচারীদের আন্দোলনের এই নেতা আরও বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০০ শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন।
তাই আমাদের দাবি, মালিকানা পরিবর্তন হলে পরবর্তী মালিককে ওই সব শ্রমিককে কাজে নিযুক্ত করার নিশ্চয়তা দিতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা কতদিনের মধ্যে পরিশোধ করা হবে সে বিষয়েও নিশ্চয়তাও দিতে হবে।’
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহিন্দ্রা) চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ৫ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন।স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কয়েক দফায় দফায় বৈঠকের পরও দাবিগুলো পূরণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে রোববার থেকে তারা এ ধর্মঘটে যাচ্ছেন। ধর্মঘট শুরু হলে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলা-বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি এবং বরিশালে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে, জানিয়েছেন বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ৩ দফা দাবিগুলো হল-
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ করা।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
শ্রমিক নেতা শহীদুল ইসলাম বলেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে সরকারি ১৮টি বিআরটিসি বাস চলাচলের কথা থাকলেও বাস্তবে চলছে তার চেয়ে বেশি। মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রিহুইলারগুলো নিয়মিত চলাচল করছে। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ২০২৪ সাল থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সাতটি বাস মালিক সমিতি ও সাতটি শ্রমিক ইউনিয়নের কয়েক দফা সভা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রশাসন বারবার শুধু আশ্বাসের বাণীই শুনিয়েছে, কোনো সুরাহা করতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলার মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে গত ২০ মে একটি জরুরি সভা করে ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরে চিঠি দিয়ে স্ব স্ব জেলার প্রশাসনকেও জানানো হয়।
“আমরা আশা করেছিলাম ১১ জুনের আগে প্রশাসন সমস্যার সমাধান করবে। কিন্তু প্রশাসন আমাদের দাবির বিষয়গুলো সমাধান না করায় আগামী ১৪ জুন ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহণ ধর্মঘটে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছি।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, বাস মালিক সমিতির তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন সম্পূর্ণ অবগত রয়েছেন। ইতোমধ্যে তাদের সঙ্গে একটি বৈঠকও হয়েছে।
তিনি বলেন, “আগামী ১৪ জুন থেকে মহাসড়কে অনির্দিষ্টকালের পরিবহণ ধর্মঘট যাতে না হয় তার উদ্যোগ নিচ্ছি। আশা করছি আগেই সমাধান হয়ে যাবে।”
ক্রমাগত ব্যবসায়িক লোকসান, কাঁচামাল এবং এলসি সংকটের কারণে বরিশাল অলিম্পিক সিমেন্ট লিমিটেডের উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক নোটিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
নোটিসে বলা হয়, উৎপাদন বন্ধের কারণে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত সব শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব শ্রমিক তাদের প্রাপ্য পাওনা যথাযথ সময় পেয়ে যাবেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের বরিশালের সমন্বয়ক ড. মনীষা চক্রবর্তী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মূলত প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে। এ কারণে উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অলিম্পিক সিমেন্ট লিমিটেডের কর্মচারীদের আন্দোলনের এই নেতা আরও বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০০ শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন।
তাই আমাদের দাবি, মালিকানা পরিবর্তন হলে পরবর্তী মালিককে ওই সব শ্রমিককে কাজে নিযুক্ত করার নিশ্চয়তা দিতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের পাওনা কতদিনের মধ্যে পরিশোধ করা হবে সে বিষয়েও নিশ্চয়তাও দিতে হবে।’