
১৪ মে, ২০২৬ ১২:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে দীর্ঘদিন পর ধরা পড়েছে প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। বিরল এ ইলিশ ঘিরে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও আশার সঞ্চার।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাসিয়া এলাকার জেলে খলিল মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় বাজারে ইলিশটি প্রায় ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
জেলে খলিল মাঝি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে তিনি পায়রা নদীতে জাল ফেলেন। কিছুক্ষণ পর জাল তুলতে গিয়ে অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন। পরে জালে বড় আকৃতির একটি ইলিশ দেখতে পেয়ে তিনি বিস্মিত হন। মাছটি ওজন করলে প্রায় ২ কেজি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নদীতে মাছ ধরছি। কিন্তু এত বড় ইলিশ আগে কখনও পাইনি। মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।”
স্থানীয় জেলেরা জানান, পায়রা নদীতে এখন বড় আকারের ইলিশ খুব কমই ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন পর এমন বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তাদের ধারণা, নদীর পরিবেশ ও নাব্যতা অনুকূলে থাকায় ধীরে ধীরে আবারও বড় ইলিশের দেখা মিলতে পারে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরাও জানান, বড় আকৃতির ইলিশের চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে দীর্ঘদিন পর ধরা পড়েছে প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। বিরল এ ইলিশ ঘিরে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও আশার সঞ্চার।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাসিয়া এলাকার জেলে খলিল মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় বাজারে ইলিশটি প্রায় ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
জেলে খলিল মাঝি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে তিনি পায়রা নদীতে জাল ফেলেন। কিছুক্ষণ পর জাল তুলতে গিয়ে অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন। পরে জালে বড় আকৃতির একটি ইলিশ দেখতে পেয়ে তিনি বিস্মিত হন। মাছটি ওজন করলে প্রায় ২ কেজি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নদীতে মাছ ধরছি। কিন্তু এত বড় ইলিশ আগে কখনও পাইনি। মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।”
স্থানীয় জেলেরা জানান, পায়রা নদীতে এখন বড় আকারের ইলিশ খুব কমই ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন পর এমন বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তাদের ধারণা, নদীর পরিবেশ ও নাব্যতা অনুকূলে থাকায় ধীরে ধীরে আবারও বড় ইলিশের দেখা মিলতে পারে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরাও জানান, বড় আকৃতির ইলিশের চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।

১৪ মে, ২০২৬ ১৩:০৬
পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া চার স্কুলছাত্রীকে গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব ও পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা গার্মেন্টসে চাকরি করার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরে পারিবারিক অভিমান ও আবেগের কারণে তারা প্রায় ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গাজীপুরে চলে যায়। সেখানে তারা মৌচাক এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল।
ওসি আরও বলেন, ‘তারা একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সিভি তৈরির জন্য সহযোগিতা চায়। পরে ওই দোকান থেকেই তাদের ফোন নম্বর রেখে দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।’
বর্তমানে উদ্ধার চার শিক্ষার্থীকে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে।
উল্লেখ্য, এর আগে রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নের নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় তারা। এরপর থেকে তারা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের উদ্দার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া চার স্কুলছাত্রীকে গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব ও পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা গার্মেন্টসে চাকরি করার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরে পারিবারিক অভিমান ও আবেগের কারণে তারা প্রায় ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গাজীপুরে চলে যায়। সেখানে তারা মৌচাক এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল।
ওসি আরও বলেন, ‘তারা একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সিভি তৈরির জন্য সহযোগিতা চায়। পরে ওই দোকান থেকেই তাদের ফোন নম্বর রেখে দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।’
বর্তমানে উদ্ধার চার শিক্ষার্থীকে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে।
উল্লেখ্য, এর আগে রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নের নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় তারা। এরপর থেকে তারা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের উদ্দার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৮:২২
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) অপসারণ দাবির আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা বলেন, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। তারা দাবি করেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল্লাহসহ অন্য শিক্ষক নেতারা। এ সময় ডিন কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের এক জরুরি বৈঠকে নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত সোমবার (১১ মে) আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলাকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিভিন্ন সেমিস্টারের ক্লাস, ক্লাস টেস্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জন করে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের অফিস বাসভবন, রেজিস্ট্রার কার্যালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মে ভিসি অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনা ঘটে।
এরপর থেকেই ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা রিসিব হয়নি।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) অপসারণ দাবির আন্দোলনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের লাগাতার কর্মবিরতি তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা বলেন, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। তারা দাবি করেন, শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল্লাহসহ অন্য শিক্ষক নেতারা। এ সময় ডিন কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের এক জরুরি বৈঠকে নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত সোমবার (১১ মে) আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলাকারী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিভিন্ন সেমিস্টারের ক্লাস, ক্লাস টেস্ট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জন করে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের অফিস বাসভবন, রেজিস্ট্রার কার্যালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মে ভিসি অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনা ঘটে।
এরপর থেকেই ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও উপাচার্যের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা রিসিব হয়নি।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৪৪
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.