মবসন্ত্রাসের শিকার বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনের পাশে এসে দাঁড়ালেন নাগরিক সমাজ। করোনাযোদ্ধা হিসেবে সুপরিচিত এই চিকিৎসককে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হলে তা নিয়ে আপত্তি তোলেন ড্যাবের একটি অংশ। এবং এই অংশটি নেপথ্যে থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি মোর্চা গঠন করে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর আখ্যায়িত করাসহ তাকে জুলাই আন্দোলনবিরোধী তকমা দেওয়া হয়। পাশাপশি ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে তাকে অপসারণকে একটি সাজানো ছকে আন্দোলনময় পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। ফলে নিরুপায় চিকিৎসক কোনো উপায়ান্ত পাচ্ছিলেন না, আগামীতে কোন দিকে যাবেন এবং কি পদক্ষেপ রাখবেন।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার তার স্বপক্ষে মাঠে নামে নাগরিক সমাজ, যা চিকিৎসকের জন্য স্বস্তিদায়ক। শহরের অশি^নী কুমার হলের সম্মুখে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চিকিৎসক মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে বহুমুখী ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচারের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন।
সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহিনের পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং করোনাকালীন দুর্যোগে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করা হয়। বক্তারা বলেন, ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন একজন পেশাদার ও দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। অথচ দুঃখজনকভাবে, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিগত সরকারের মন্ত্রীদের সাথে দাপ্তরিক কাজের কিছু ছবিকে পুঁজি করে একটি কুচক্রীমহল তাকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যক্তিগত আক্রোশ, ইর্ষা এবং পদ-পদবির লোভ থেকে যাকে তাকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার যে নোংরা মব কালচার দেশে শুরু হয়েছে, তা চরম অন্যায় এবং কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, করোনাকালীন চরম সংকটের সময়ে যখন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন নিজের জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার সেই মানবিক ও নিষ্ঠাপূর্ণ অবদানকে বরিশালের মানুষ আজও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। অথচ আজ একটি মহল চিকিৎসকদের একাংশকে বিভ্রান্ত করে বিক্ষোভের নামে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত নাগরিকরা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উস্কানি ও মিথ্যা অপপ্রচারে কান না দিয়ে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের মতো একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তাকে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। একই সাথে যারা স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে (বরিশাল) মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি, মস্তব্য পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বরিশালের বিভিন্ন পেশাজীবী, সমাজকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অবশ্য আন্দোলনরতদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন ডা মনিরুজ্জামান শাহীন। এমনকি তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সমর্থিতদের আয়োজিত শান্তি সমাবেশেও অংশ নিয়েছেন। তার জুলাই বিরোধী অবস্থানের কারণে ড্যাবে বরিশাল শাখার একটি অংশ তাকে বরিশালে পদায়নে খুশি নয়। তাছাড়া জুলাইয়ের ভ‚মিকা নিয়েও তার ওপর অনেকে সংক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এক্ষেত্রে ডা মনিরুজ্জামান শাহীনের ভাষ্য হচ্ছে, তৎকালীন তিনি শেবাচিমের উপ-পরিচালক ছিলেন, পদাধিকার বলে তাকে শান্তি সমাবেশে অংশ নিতে হয়। কিন্তু সেখানে তিনি জুলাইবিরোধী তেমন কিছু বলেননি। কারণ এই চিকিৎসক ছাত্রজীবনে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ড্যাবের আজীবন সদস্য বলে জানা গেছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, যোগ্যতার কারণে মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পদায়ন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু তিনি যোগদানের একদিন পরেই মবসন্ত্রাসের শিকার হয়েছে, যা উদ্বেগ এবং আতঙ্কের। বিষয়টিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শনিবার মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাগরিক সমাজ।’

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বালিয়াতলী ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম মোল্লা (৬৭), তিনি উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকে গাছের গুঁড়ি দিয়ে পিটিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে।
শাহ আলম মোল্লার পুত্রবধূ রুনা বেগম জানান, ‘রোববার আমার ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী, এ জন্য বাড়িতে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়। আমার শ্বশুর দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য কেনাকাটা করতে বালিয়াতলীর চৌরাস্তা বাজারে যান। এর মধ্যে বিএনপির কর্মী রুম্মান, তৌহিদ এবং দীন ইসলামসহ সাত থেকে আটজন খবর পেয়ে চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে প্রথমে আমার শ্বশুরকে মারধর করেন। এরপর একটি গাছের গুঁড়ি দিয়ে আমার শ্বশুরের ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। মারধরে আমার শ্বশুরের শরীর ও মাথায় জখম হয়েছে।’
অভিযোগ, যারা এই হামলা করেছেন, তারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমানের লোক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মজিবুর রহমান বলছেন,‘আমার কোনো লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা আমি জানি না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য শাহ আলম মোল্লা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা পলি সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই রোগীকে আমরা যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছি। তার শরীর এবং মাথায় জখম হয়েছে। তবে ডান পায়ের আঘাত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে শাহ আলম মোল্লাকে দেখার জন্য পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। শাহ আলমের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বালিয়াতলী ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম মোল্লা (৬৭), তিনি উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকে গাছের গুঁড়ি দিয়ে পিটিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে।
শাহ আলম মোল্লার পুত্রবধূ রুনা বেগম জানান, ‘রোববার আমার ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী, এ জন্য বাড়িতে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়। আমার শ্বশুর দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য কেনাকাটা করতে বালিয়াতলীর চৌরাস্তা বাজারে যান। এর মধ্যে বিএনপির কর্মী রুম্মান, তৌহিদ এবং দীন ইসলামসহ সাত থেকে আটজন খবর পেয়ে চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে প্রথমে আমার শ্বশুরকে মারধর করেন। এরপর একটি গাছের গুঁড়ি দিয়ে আমার শ্বশুরের ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। মারধরে আমার শ্বশুরের শরীর ও মাথায় জখম হয়েছে।’
অভিযোগ, যারা এই হামলা করেছেন, তারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমানের লোক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মজিবুর রহমান বলছেন,‘আমার কোনো লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা আমি জানি না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য শাহ আলম মোল্লা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা পলি সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই রোগীকে আমরা যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছি। তার শরীর এবং মাথায় জখম হয়েছে। তবে ডান পায়ের আঘাত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে শাহ আলম মোল্লাকে দেখার জন্য পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। শাহ আলমের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১১
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩১
মবসন্ত্রাসের শিকার বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনের পাশে এসে দাঁড়ালেন নাগরিক সমাজ। করোনাযোদ্ধা হিসেবে সুপরিচিত এই চিকিৎসককে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হলে তা নিয়ে আপত্তি তোলেন ড্যাবের একটি অংশ। এবং এই অংশটি নেপথ্যে থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি মোর্চা গঠন করে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর আখ্যায়িত করাসহ তাকে জুলাই আন্দোলনবিরোধী তকমা দেওয়া হয়। পাশাপশি ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে তাকে অপসারণকে একটি সাজানো ছকে আন্দোলনময় পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। ফলে নিরুপায় চিকিৎসক কোনো উপায়ান্ত পাচ্ছিলেন না, আগামীতে কোন দিকে যাবেন এবং কি পদক্ষেপ রাখবেন।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার তার স্বপক্ষে মাঠে নামে নাগরিক সমাজ, যা চিকিৎসকের জন্য স্বস্তিদায়ক। শহরের অশি^নী কুমার হলের সম্মুখে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চিকিৎসক মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে বহুমুখী ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচারের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন।
সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহিনের পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং করোনাকালীন দুর্যোগে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করা হয়। বক্তারা বলেন, ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন একজন পেশাদার ও দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। অথচ দুঃখজনকভাবে, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিগত সরকারের মন্ত্রীদের সাথে দাপ্তরিক কাজের কিছু ছবিকে পুঁজি করে একটি কুচক্রীমহল তাকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যক্তিগত আক্রোশ, ইর্ষা এবং পদ-পদবির লোভ থেকে যাকে তাকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার যে নোংরা মব কালচার দেশে শুরু হয়েছে, তা চরম অন্যায় এবং কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, করোনাকালীন চরম সংকটের সময়ে যখন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন নিজের জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার সেই মানবিক ও নিষ্ঠাপূর্ণ অবদানকে বরিশালের মানুষ আজও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। অথচ আজ একটি মহল চিকিৎসকদের একাংশকে বিভ্রান্ত করে বিক্ষোভের নামে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত নাগরিকরা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উস্কানি ও মিথ্যা অপপ্রচারে কান না দিয়ে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের মতো একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তাকে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। একই সাথে যারা স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে (বরিশাল) মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি, মস্তব্য পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বরিশালের বিভিন্ন পেশাজীবী, সমাজকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অবশ্য আন্দোলনরতদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন ডা মনিরুজ্জামান শাহীন। এমনকি তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সমর্থিতদের আয়োজিত শান্তি সমাবেশেও অংশ নিয়েছেন। তার জুলাই বিরোধী অবস্থানের কারণে ড্যাবে বরিশাল শাখার একটি অংশ তাকে বরিশালে পদায়নে খুশি নয়। তাছাড়া জুলাইয়ের ভ‚মিকা নিয়েও তার ওপর অনেকে সংক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এক্ষেত্রে ডা মনিরুজ্জামান শাহীনের ভাষ্য হচ্ছে, তৎকালীন তিনি শেবাচিমের উপ-পরিচালক ছিলেন, পদাধিকার বলে তাকে শান্তি সমাবেশে অংশ নিতে হয়। কিন্তু সেখানে তিনি জুলাইবিরোধী তেমন কিছু বলেননি। কারণ এই চিকিৎসক ছাত্রজীবনে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ড্যাবের আজীবন সদস্য বলে জানা গেছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, যোগ্যতার কারণে মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পদায়ন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু তিনি যোগদানের একদিন পরেই মবসন্ত্রাসের শিকার হয়েছে, যা উদ্বেগ এবং আতঙ্কের। বিষয়টিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শনিবার মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাগরিক সমাজ।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬