
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।
ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক দেখিয়েছে বিজয় থালাপতির দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি দলটি। ফলে জোট নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে তার দলের ১০৭ এমপি একযোগে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (ডিএমকে) বা সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম (এআইএডিএমকে) সরকার গঠনের চেষ্টা করলে দলের ১০৭ এমপি পদত্যাগ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে। দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে এবং ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুই দলের জোট হলে সর্বাধিক জনসমর্থন পাওয়া দল টিভিকে পিছিয়ে পড়তে পারে।
১০৭টি আসন জিতে টিভিকে দাবি করছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের জন্য গভর্নরের উচিত তাদের আমন্ত্রণ জানানো। তবে তামিলনাড়ুর গভর্নর আর ভি আর্লেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, বিজয়ের হাতে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, তা-ও তিনি গ্রহণ করেননি।
সূত্র জানিয়েছে, টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকেও গভর্নর জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১১৮ এমপির সমর্থনের চিঠি জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে টিভিকের আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। এরই মধ্যে কংগ্রেসের ৫ এমপি তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাম দল এবং কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে বাকি সমর্থন জোগাড়ে আলোচনা চলছে। সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে টিভিকে।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:২৬
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।
টানা ৫ বছরের আইনি লড়াই, একে অপরের প্রতি একবুক ক্ষোভ আর সম্পর্কের চরম তিক্ততা- সব যেন মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ম্যাজিকে।
যে আদালত চত্বরে রোজ বিচ্ছেদের আর কান্নার গল্প লেখা হয়, সেখানেই তৈরি হল এক সুন্দর মুহূর্ত। বিচারকের সামনেই ডিভোর্স নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী।
দিল্লির একটি পারিবারিক আদালতের এই নজিরবিহীন ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা প্রমাণ করল আইনের হাজারো যুক্তি যেখানে হেরে যায়। সেখানে এক ফোঁটা মানবিকতা আর ভালবাসাই জিতে যায়।
২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল শিখা ও সৌরভের। কিন্তু বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কে চিড় ধরে।
ছোটখাটো অশান্তি থেকে শুরু করে বড় বড় অভিযোগে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। দু'জনেই ঠিক করেন তাঁরা আর একসঙ্গে থাকবেন না এবং ডিভোর্সের মামলা ফাইল করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ পাঁচ বছর। একের পর এক শুনানি, আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব আর কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল দুটি পরিবারই।
বিশেষ করে মেয়েকে আইনি লড়াইয়ে জেতাতে এবং তাঁর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিখার বাবা নিজের জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় শেষ করে ফেলেছিলেন। এই দীর্ঘ টানাপড়েন শুধু আর্থিক ক্ষতিই করেনি, শিখার পরিবারের উপর চরম মানসিক চাপও তৈরি করেছিল।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৬:২৩
ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের তীব্র প্রতিবাদের মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভারত উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ সব বাণিজ্যিক জাহাজকে মেনে চলতে হবে।
শনিবার (১৩ জুন) এক ফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করকে (Subrahmanyam Jaishankar) এই বার্তা দেন। এমন এক সময় এই বার্তা দেওয়া হলো, যখন ভারত সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
চলতি সপ্তাহে ভারত দু’বার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করে। প্রথমবার তলব করা হয় ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি সেট্টেবেলো’তে মার্কিন হামলার পর। ওই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, জাহাজটি মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশনা মানেনি ও চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, ওমান উপসাগরে তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ক্রুরা বারবার নির্দেশ অমান্য করায় জাহাজটিকে অচল করে দেওয়া হয়।
এর কিছুদিন পর একই এলাকায় ২০ ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে ভারত।
পরপর দুইবার তলবের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ফোনে রুবিওর সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভের কথা জানান। এরপর দুই নেতার আলোচনার ভিত্তিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই কর্মকর্তা হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে মার্কিন বাহিনী যে নির্দেশনা দিচ্ছে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে তা অবিলম্বে মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ লঙ্ঘন ও ইরানি তেলের অবৈধ পরিবহন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
এর আগে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন যে, তিনি রুবিওর সঙ্গে কথা বলে মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ভারতের ‘কঠোর প্রতিবাদ’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছি। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের কঠোর প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।
জয়শঙ্কর আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার ফলে এরই মধ্যে তিন ভারতীয় নাগরিকের ‘দুঃখজনক ও এড়ানো সম্ভব ছিল’ এমন মৃত্যু ঘটেছে।
ভারত আরও জানায়, বেসামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ সংবেদনশীল অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষাকে দুর্বল করে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন কূটনীতিক জেসন মিকসকে অনুরোধ করে, তিনি যেন ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের উদ্বেগ পৌঁছে দেন ও অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে বেসামরিক প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এদিকে, মার্কিন বিবৃতি প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। তিনি বলেন, এই সরকারি মার্কিন বিবৃতি পড়ে আমি গভীরভাবে বিস্মিত। এতে নিরীহ ভারতীয়দের প্রাণহানির জন্য সামান্য অনুশোচনা বা সমবেদনাও প্রকাশ করা হয়নি। একজন বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার কীভাবে এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে?
থারুর প্রশ্ন তোলেন, কোনো জাহাজ নির্দেশ না মানলে তাকে থামানোর জন্য প্রাণঘাতী হামলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? জাহাজের ইঞ্জিন বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো করা কি সম্ভব ছিল না, যাতে বেসামরিক নাবিকদের প্রাণহানি এড়ানো যেত?
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচলকারী প্রায় প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজেই ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাহলে কি এখন তারা সবাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু?
সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, এই ধরনের অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়। আমি আশা করি, ড. জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওকে সেটিই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের তীব্র প্রতিবাদের মুখেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভারত উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ সব বাণিজ্যিক জাহাজকে মেনে চলতে হবে।
শনিবার (১৩ জুন) এক ফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করকে (Subrahmanyam Jaishankar) এই বার্তা দেন। এমন এক সময় এই বার্তা দেওয়া হলো, যখন ভারত সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ও তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
চলতি সপ্তাহে ভারত দু’বার যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জ্যাসন মিকসকে তলব করে। প্রথমবার তলব করা হয় ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি সেট্টেবেলো’তে মার্কিন হামলার পর। ওই হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জাহাজটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, জাহাজটি মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশনা মানেনি ও চলমান মার্কিন অবরোধ অমান্য করে ইরান থেকে তেল পরিবহনের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, ওমান উপসাগরে তাদের একটি যুদ্ধবিমান জাহাজটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ক্রুরা বারবার নির্দেশ অমান্য করায় জাহাজটিকে অচল করে দেওয়া হয়।
এর কিছুদিন পর একই এলাকায় ২০ ভারতীয় নাবিক বহনকারী আরেকটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে দ্বিতীয়বারের মতো মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে ভারত।
পরপর দুইবার তলবের পাশাপাশি জয়শঙ্কর ফোনে রুবিওর সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভের কথা জানান। এরপর দুই নেতার আলোচনার ভিত্তিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন। দুই কর্মকর্তা হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে মার্কিন বাহিনী যে নির্দেশনা দিচ্ছে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে তা অবিলম্বে মেনে চলতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ লঙ্ঘন ও ইরানি তেলের অবৈধ পরিবহন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
এর আগে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন যে, তিনি রুবিওর সঙ্গে কথা বলে মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে ভারতের ‘কঠোর প্রতিবাদ’ পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি লেখেন, শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলেছি। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের কঠোর প্রতিবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছি। বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রাণঘাতী পদক্ষেপ কোনোভাবেই ন্যায্য নয়।
জয়শঙ্কর আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো যৌক্তিকতা নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানায়, ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর ধারাবাহিক হামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার ফলে এরই মধ্যে তিন ভারতীয় নাগরিকের ‘দুঃখজনক ও এড়ানো সম্ভব ছিল’ এমন মৃত্যু ঘটেছে।
ভারত আরও জানায়, বেসামরিক জাহাজের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ সংবেদনশীল অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষাকে দুর্বল করে।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন কূটনীতিক জেসন মিকসকে অনুরোধ করে, তিনি যেন ওয়াশিংটনের কাছে ভারতের উদ্বেগ পৌঁছে দেন ও অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে বেসামরিক প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এদিকে, মার্কিন বিবৃতি প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর। তিনি বলেন, এই সরকারি মার্কিন বিবৃতি পড়ে আমি গভীরভাবে বিস্মিত। এতে নিরীহ ভারতীয়দের প্রাণহানির জন্য সামান্য অনুশোচনা বা সমবেদনাও প্রকাশ করা হয়নি। একজন বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার কীভাবে এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে?
থারুর প্রশ্ন তোলেন, কোনো জাহাজ নির্দেশ না মানলে তাকে থামানোর জন্য প্রাণঘাতী হামলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? জাহাজের ইঞ্জিন বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকেজো করা কি সম্ভব ছিল না, যাতে বেসামরিক নাবিকদের প্রাণহানি এড়ানো যেত?
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চলাচলকারী প্রায় প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজেই ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। তাহলে কি এখন তারা সবাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু?
সবশেষে তিনি মন্তব্য করেন, এই ধরনের অবস্থান গ্রহণযোগ্য নয়। আমি আশা করি, ড. জয়শঙ্কর মার্কো রুবিওকে সেটিই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৮
ভারতীয় সেনাবাহিনীর নতুন প্রধান হচ্ছেন বর্তমান উপ-প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি আগামী ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এদিনই বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অবসর নেবেন।
জানা গেছে, ধীরাজ শেঠ ২০২৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। প্রায় চার দশকের সামরিক কর্মজীবনে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বিভিন্ন ধরনের অপারেশনাল পরিবেশে সব স্তরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘সুদর্শন চক্র কোর’-ও নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে তিনি দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক ব্যস্ততা এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ধীরাজ সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড এবং সাউদার্ন কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত পদে ছিলেন, যার মাধ্যমে অপারেশনাল পরিকল্পনা, বাহিনী ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা উন্নয়নে অবদান রাখেন।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর নতুন প্রধান হচ্ছেন বর্তমান উপ-প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ। তিনি আগামী ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এদিনই বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অবসর নেবেন।
জানা গেছে, ধীরাজ শেঠ ২০২৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। প্রায় চার দশকের সামরিক কর্মজীবনে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ বিভিন্ন ধরনের অপারেশনাল পরিবেশে সব স্তরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘সুদর্শন চক্র কোর’-ও নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে তিনি দিল্লি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক ব্যস্ততা এবং আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ধীরাজ সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড এবং সাউদার্ন কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত পদে ছিলেন, যার মাধ্যমে অপারেশনাল পরিকল্পনা, বাহিনী ব্যবস্থাপনা এবং সক্ষমতা উন্নয়নে অবদান রাখেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.