রাতের আঁধারে জমি দখলে বাধা দেয়ায় একই পরিবারের তিন গৃহবধূকে এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। আহতদের মধ্যে দু’জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানাধীন আন্দারমানিক ইউনিয়নের পূর্ব ভোঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আহরা হলেন- ওই গ্রামের বাসিন্দা রাজিব আকনের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৩০), মিলন আকনের স্ত্রী সিমা বেগম (৩০) ও জাকির আকনের স্ত্রী কহিনুর বেগম। আহতরা সম্পর্কে ‘জা’ হন।
এদের মধ্যে হাজেরা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলার ঘটনা মৌখিকভাবে শুনেছি।
ভুক্তভোগীদের থানায় মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আহত হাজেরা বেগমের স্বামী রাজিব আকন জানিয়েছেন, দীর্ঘ বছর ধরে জমি নিয়ে তাদের আকন পরিবার ও পার্শ্ববর্তী বিশ্বাস পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বাস পরিবারের সদস্যরা বিরোধপূর্ণ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে।
এর ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে প্রতিপক্ষের মৃত নাজেম আলী বিশ্বাসের ছেলে লিটন বিশ্বাস ও ফারুক বিশ্বাস তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর তুলতে যায়। এতে বাধা দেন আকন পরিবারের তিন গৃহবধূ। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা করে বিশ্বাস পরিবারের লোকেরা। তারা এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ওই তিনজনকে।
রাজিব আকনের অভিযোগ, লিন ও ফারুক বিশ্বাসের নেতৃত্বে বারেক বিশ্বাস, তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম, লিটনের স্ত্রী তানিয়া বেগম, নূর বিশ্বাসের ছেলে রিয়াদ ও রিফাত বিশ্বাস, স্ত্রী রিনা বেগম, হযরত আলী বিশ্বাসের ছেলে আলাউদ্দিন বিশ্বাস, ঘেসু বিশ্বাস, মাইদুল বিশ্বাস এবং মেয়ে রেশমা বিশ্বাসসহ অন্তত ২০-২৫ জন মিলে আকন পরিবারের তিন গৃহবধূর ওপর হামলা করে।
এদিকে হামলাকারি লিটন বিশ্বাস হচ্ছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সজিব বিশ্বাসের চাচা। তারা এতদিন আওয়ামীলীগের রাজনীতি করলেও ৫ আগষ্টের পর ভাইর ছেলে সজিব বিশ্বাসের ছত্রছায়ায় চলে যান।
এমনকি লিটন বিশ্বাস সম্প্রতি তার মাকে লাঞ্চিত করে। সেসময় মসজিদের ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে। লিটন বিশ্বাস ইমামকে বেশ করেকটি থাপ্পর মেরে লাঞ্চিত করেন বলে অভিযোগ করেন ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক।
মেহেন্দিগঞ্জের কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, জমি দখল নিয়ে তিন গৃহবধূর ওপর হামলার খবর পেয়েছি। আহতদের মধ্যে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে। তাদেরকে থানায় মামলা করতে বলা হয়েছে। মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:১১
বরিশালের বানারীপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই শ্রমিক। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এসএস প্রি-ক্যাডেট স্কুলসংলগ্ন ব্যবসায়ী রিয়াজ হোসেনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এবং পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ (৪২)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সৃষ্টি শিক্ষা একাডেমির শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, দুপুরে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকের বাঁশ খুলতে গিয়ে দুই শ্রমিক ভেতরে পড়ে যান। ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণে তাঁরা বিপদে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই শ্রমিককে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্যাস অপসারণের পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
পরে তাঁদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করার সময় দুই শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লুৎফুর আজিজের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বরিশালের বানারীপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন দুই শ্রমিক। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এসএস প্রি-ক্যাডেট স্কুলসংলগ্ন ব্যবসায়ী রিয়াজ হোসেনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে জামাল হোসেন (৫০) এবং পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. সোহাগ (৪২)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সৃষ্টি শিক্ষা একাডেমির শিক্ষক জাকির হোসেন জানান, দুপুরে নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকের বাঁশ খুলতে গিয়ে দুই শ্রমিক ভেতরে পড়ে যান। ট্যাংকের ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতির কারণে তাঁরা বিপদে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা পৌনে ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই শ্রমিককে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্যাস অপসারণের পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
পরে তাঁদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, সেপটিক ট্যাংকে সেন্টারিংয়ের কাজ করার সময় দুই শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লুৎফুর আজিজের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৭
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটকবাহী একটি বাস বরগুনার আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়েছে। এতে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ইমরান পরিবহনের বাসটি বুধবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে একটি বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৪ থেকে ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাসটির বেশির ভাগ যাত্রীই কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসের চালক নেমে যান। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন তাঁর সহকারী (হেলপার)। সড়কের একটি বাঁক ঘোরার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসের চালক ও সহকারী পলাতক থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৪৭
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
বরিশাল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে এক ঠিকাদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে তার ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে। প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে রক্ষা পান ভুক্তভোগী। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠি গ্রামে গনি হাওলাদারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার ঠিকাদার সুলতান আহমেদ নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার সালাম হাওলাদারের ছেলে। তার ‘নুসরাত এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীতে জুতা, কালি, বেল্টসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করে।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনাকারী সুলতান তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মাগুরা জেলার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ওরফে সোহেল রানার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পান।
ফরিদ আহমেদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় পাওনা টাকা পরিশোধ করতে সোহেল রানা সেখানে আসেন। তবে টাকা না দিয়ে চেক দেওয়ার পর একটি স্ট্যাম্পে সুলতানকে স্বাক্ষর করতে বললে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সুলতানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় আত্মরক্ষায় খালে ঝাঁপ দিয়ে চিৎকার শুরু করেন সুলতান। পরে মাইক্রোবাস নিয়ে আসা সোহেল রানা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন সাবেক এই কাউন্সিলর।
হামলার শিকার সুলতান আহমেদ বলেন, তাঁরা খারাপ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে বিস্তারিত বলার আগেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন সুলতান।
বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

১৭ জুন, ২০২৫ ১২:২৫
রাতের আঁধারে জমি দখলে বাধা দেয়ায় একই পরিবারের তিন গৃহবধূকে এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। আহতদের মধ্যে দু’জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানাধীন আন্দারমানিক ইউনিয়নের পূর্ব ভোঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আহরা হলেন- ওই গ্রামের বাসিন্দা রাজিব আকনের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৩০), মিলন আকনের স্ত্রী সিমা বেগম (৩০) ও জাকির আকনের স্ত্রী কহিনুর বেগম। আহতরা সম্পর্কে ‘জা’ হন।
এদের মধ্যে হাজেরা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলার ঘটনা মৌখিকভাবে শুনেছি।
ভুক্তভোগীদের থানায় মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আহত হাজেরা বেগমের স্বামী রাজিব আকন জানিয়েছেন, দীর্ঘ বছর ধরে জমি নিয়ে তাদের আকন পরিবার ও পার্শ্ববর্তী বিশ্বাস পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বাস পরিবারের সদস্যরা বিরোধপূর্ণ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে।
এর ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে প্রতিপক্ষের মৃত নাজেম আলী বিশ্বাসের ছেলে লিটন বিশ্বাস ও ফারুক বিশ্বাস তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর তুলতে যায়। এতে বাধা দেন আকন পরিবারের তিন গৃহবধূ। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা করে বিশ্বাস পরিবারের লোকেরা। তারা এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ওই তিনজনকে।
রাজিব আকনের অভিযোগ, লিন ও ফারুক বিশ্বাসের নেতৃত্বে বারেক বিশ্বাস, তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম, লিটনের স্ত্রী তানিয়া বেগম, নূর বিশ্বাসের ছেলে রিয়াদ ও রিফাত বিশ্বাস, স্ত্রী রিনা বেগম, হযরত আলী বিশ্বাসের ছেলে আলাউদ্দিন বিশ্বাস, ঘেসু বিশ্বাস, মাইদুল বিশ্বাস এবং মেয়ে রেশমা বিশ্বাসসহ অন্তত ২০-২৫ জন মিলে আকন পরিবারের তিন গৃহবধূর ওপর হামলা করে।
এদিকে হামলাকারি লিটন বিশ্বাস হচ্ছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সজিব বিশ্বাসের চাচা। তারা এতদিন আওয়ামীলীগের রাজনীতি করলেও ৫ আগষ্টের পর ভাইর ছেলে সজিব বিশ্বাসের ছত্রছায়ায় চলে যান।
এমনকি লিটন বিশ্বাস সম্প্রতি তার মাকে লাঞ্চিত করে। সেসময় মসজিদের ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে। লিটন বিশ্বাস ইমামকে বেশ করেকটি থাপ্পর মেরে লাঞ্চিত করেন বলে অভিযোগ করেন ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক।
মেহেন্দিগঞ্জের কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, জমি দখল নিয়ে তিন গৃহবধূর ওপর হামলার খবর পেয়েছি। আহতদের মধ্যে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে। তাদেরকে থানায় মামলা করতে বলা হয়েছে। মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮