
০৪ জুন, ২০২৫ ২০:১৯
আর মাত্র দুই দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। অনেকেই বাসের ছাদসহ ট্রাক ও পিকআপভ্যানে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট। তবে দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ঘুরে দেখা যায়, ঘরমুখো যাত্রীরা যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন। যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, বিভিন্ন সড়কের লোকাল বাস, লেগুনায় যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।
মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল বেশি দেখা গেছে। এছাড়াও বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে যাত্রীদের। যাত্রী পরিবহন করছে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কার। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপ ও বাসের ছাদে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের গোড়াই থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা ও ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে জেলা পুলিশের প্রায় ৬ শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে।
চন্দ্রা থেকে আসা বাসের যাত্রী নূর মোহাম্মদ রুবেল বলেন, চন্দ্রা থেকে আগে টাঙ্গাইল আসতাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা লাগতো। আজ চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইল আসলাম ২০০ টাকা দিয়ে। অনেক সময় দাঁড়িয়ে থেকে বাস পেয়েছি।
আরেক যাত্রী জিল্লুর রহমান বলেন, টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাসে প্রায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি। কোনো গাড়ি থামছে না। আমি নিজ এলাকা বগুড়া যাব। গাড়ি থামলেও ভাড়া বেশি চাচ্ছে। আগে বগুড়া যেতাম ২০০ টাকা দিয়ে আজ ৩০০ টাকা চাইতেছে।
ঢাকা থেকে আসা যাত্রী রিনা বেগম বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি বগুড়া যাচ্ছি। আজকে ভাড়া বেশি নিচ্ছে। ঢাকা থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে বগুড়া আসতাম। আর আজকে ৬০০ টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের যাত্রী রোজিনা আক্তার বলেন, বাস না পেয়ে ট্রাকে করে যাচ্ছি। পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারব এটাই বড় আনন্দ। অনেকেই বাস না পেয়ে ট্রাক ও পিকআপে করে যাচ্ছেন। বাসে দ্বিগুণ ভাড়া চাচ্ছে। এজন্য ট্রাকে করে যাইতেছি।
মিরপুর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে আসা মোক্তাজুল ইসলাম বলেন, আমি রাজশাহী যাব। এবার আমি মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। বাসে ঈদের সময় ভাড়া বেশি নেয়। যেখানে ৩০০ টাকা ভাড়া বাসে সেখানে ৬০০ টাকা নেয়।
এজন্য মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, এখন পর্যন্ত ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ বাড়ি যেতে পারছে। তবে আগের তুলনায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
আর মাত্র দুই দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ। অনেকেই বাসের ছাদসহ ট্রাক ও পিকআপভ্যানে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট। তবে দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ঘুরে দেখা যায়, ঘরমুখো যাত্রীরা যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন। যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, বিভিন্ন সড়কের লোকাল বাস, লেগুনায় যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।
মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল বেশি দেখা গেছে। এছাড়াও বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে যাত্রীদের। যাত্রী পরিবহন করছে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কার। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপ ও বাসের ছাদে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের গোড়াই থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা ও ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে জেলা পুলিশের প্রায় ৬ শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করছে।
চন্দ্রা থেকে আসা বাসের যাত্রী নূর মোহাম্মদ রুবেল বলেন, চন্দ্রা থেকে আগে টাঙ্গাইল আসতাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা লাগতো। আজ চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইল আসলাম ২০০ টাকা দিয়ে। অনেক সময় দাঁড়িয়ে থেকে বাস পেয়েছি।
আরেক যাত্রী জিল্লুর রহমান বলেন, টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাসে প্রায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি। কোনো গাড়ি থামছে না। আমি নিজ এলাকা বগুড়া যাব। গাড়ি থামলেও ভাড়া বেশি চাচ্ছে। আগে বগুড়া যেতাম ২০০ টাকা দিয়ে আজ ৩০০ টাকা চাইতেছে।
ঢাকা থেকে আসা যাত্রী রিনা বেগম বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি বগুড়া যাচ্ছি। আজকে ভাড়া বেশি নিচ্ছে। ঢাকা থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে বগুড়া আসতাম। আর আজকে ৬০০ টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের যাত্রী রোজিনা আক্তার বলেন, বাস না পেয়ে ট্রাকে করে যাচ্ছি। পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারব এটাই বড় আনন্দ। অনেকেই বাস না পেয়ে ট্রাক ও পিকআপে করে যাচ্ছেন। বাসে দ্বিগুণ ভাড়া চাচ্ছে। এজন্য ট্রাকে করে যাইতেছি।
মিরপুর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে আসা মোক্তাজুল ইসলাম বলেন, আমি রাজশাহী যাব। এবার আমি মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। বাসে ঈদের সময় ভাড়া বেশি নেয়। যেখানে ৩০০ টাকা ভাড়া বাসে সেখানে ৬০০ টাকা নেয়।
এজন্য মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, এখন পর্যন্ত ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ বাড়ি যেতে পারছে। তবে আগের তুলনায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

২৩ মে, ২০২৬ ১৯:২২
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় আরও বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিক মুক্ত রাখতে হবে। বিগত ২০ বছর ক্রীড়াঙ্গন ছিলো রাজনীতির দখলে। আগে ক্রীড়াঙ্গনে কিছু দেওয়ার জন্য ক্রীড়ামোদিরা আসছেন; আর এখন আসেন নিতে। বাংলাদেশে ক্রীড়ামোদীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ক্রীড়ামোদিদের জায়গা রাজনীতি, ব্যবসায়ীরা দখল করেছে। এই ধারা দেখে বেরিয়ে আসা উচিত।
দিনব্যাপী ‘এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে উপলক্ষে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ৮০০ ক্ষুদে ফুটবলারের পদচারণায় রঙিন হয়ে উঠে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে এসে ছোট বাচ্চাদের দেখে আমি আমার তারুণ্যের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম। আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর যশোর। আমি যশোর ক্যান্টমেন্টে যুদ্ধ করেছিলাম। যশোরে আড়াই বছর চাকরি করেছি শুরুতে। শামসুল হুদার নামে স্টেডিয়াম হওয়ায় আমি খুশি। তার নামে এখন একাডেমি হয়েছে বাংলাদেশে এমন নজির নেই।’
‘নাসের জাহেদীর মতো এমন ১০ জন ক্রীড়ামোদি থাকলে আমরা এতদিন বিশ্বকাপের কাছাকাছি থাকতাম। জাহেদী সাহেব এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন প্রত্যাশা এমন। পাকিস্তান এবং আর্জেন্টিনার অতিথি এসেছে তাদের ধন্যবাদ। আশা করি যশোরের ফুটবলের মান উন্নত হবে সঙ্গে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এশিয়ার ফুটবল ম্যাপে আরো এগিয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে সেরা দল হবে বাংলাদেশ।’-মন্তব্য করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।তিনি জানান, দেশের গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে কোচ আনার। যারা ভালো খেলবে, তাদের আর্জেন্টিনায় পাঠানোর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো চার্লোসও একাডেমির সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এখান থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের আগামী দিনের ফুটবল তারকারা। তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও ভবিষ্যৎ ফুটবল তারকাদের গড়ে তুলতে এই ধরণের ব্যকিক্রমধর্মী এই আয়োজন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় আরও বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিক মুক্ত রাখতে হবে। বিগত ২০ বছর ক্রীড়াঙ্গন ছিলো রাজনীতির দখলে। আগে ক্রীড়াঙ্গনে কিছু দেওয়ার জন্য ক্রীড়ামোদিরা আসছেন; আর এখন আসেন নিতে। বাংলাদেশে ক্রীড়ামোদীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ক্রীড়ামোদিদের জায়গা রাজনীতি, ব্যবসায়ীরা দখল করেছে। এই ধারা দেখে বেরিয়ে আসা উচিত।
দিনব্যাপী ‘এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে উপলক্ষে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ৮০০ ক্ষুদে ফুটবলারের পদচারণায় রঙিন হয়ে উঠে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে এসে ছোট বাচ্চাদের দেখে আমি আমার তারুণ্যের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম। আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর যশোর। আমি যশোর ক্যান্টমেন্টে যুদ্ধ করেছিলাম। যশোরে আড়াই বছর চাকরি করেছি শুরুতে। শামসুল হুদার নামে স্টেডিয়াম হওয়ায় আমি খুশি। তার নামে এখন একাডেমি হয়েছে বাংলাদেশে এমন নজির নেই।’
‘নাসের জাহেদীর মতো এমন ১০ জন ক্রীড়ামোদি থাকলে আমরা এতদিন বিশ্বকাপের কাছাকাছি থাকতাম। জাহেদী সাহেব এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন প্রত্যাশা এমন। পাকিস্তান এবং আর্জেন্টিনার অতিথি এসেছে তাদের ধন্যবাদ। আশা করি যশোরের ফুটবলের মান উন্নত হবে সঙ্গে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এশিয়ার ফুটবল ম্যাপে আরো এগিয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে সেরা দল হবে বাংলাদেশ।’-মন্তব্য করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।তিনি জানান, দেশের গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে কোচ আনার। যারা ভালো খেলবে, তাদের আর্জেন্টিনায় পাঠানোর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো চার্লোসও একাডেমির সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এখান থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের আগামী দিনের ফুটবল তারকারা। তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও ভবিষ্যৎ ফুটবল তারকাদের গড়ে তুলতে এই ধরণের ব্যকিক্রমধর্মী এই আয়োজন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

২৩ মে, ২০২৬ ১৪:১০
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উঠে আসে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।
আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।
মামলাটির বিচার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।
উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।
প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানে উঠে আসে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা।
আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময়ে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।
মামলাটির বিচার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসাদুজ্জামান বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।
উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে আরও দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।
প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন সোহেল রানা।

২২ মে, ২০২৬ ১৫:৫৭
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না।
আজ শুক্রবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক কালাম খান বলেন, ‘আজ কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা বারের কোনো আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে লড়বেন না।’
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসায় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সূত্র: বাসস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০