
১৬ জুন, ২০২৬ ১৩:২৮
সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে।
সোমবার (১৫ জুন) উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের।
তিনি জানান, তার বিদ্যালয় দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।
পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান।
তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি।
তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।’ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে।
চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?’ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্কবিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’
সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে।
সোমবার (১৫ জুন) উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের।
তিনি জানান, তার বিদ্যালয় দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।
পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান।
তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি।
তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।’ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে।
চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?’ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্কবিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:৪১
শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিনোদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সি। তবে তার মুক্তির দাবিতে ইউনিয়ন বিএনপির একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের গয়াতলা বাজার এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউনিয়ন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা অংশ নেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সির মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিয়ে মিছিল করছেন বিএনপির কিছু নেতাকর্মী। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে জোরালো বিতর্ক শুরু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সিকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মিছিল এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে সোমবার (১৫ জুন) আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা পদ্মা সেতু সংলগ্ন এলাকায় গুপ্ত মিছিল ও সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার আওতায় রয়েছেন। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির একাংশের মিছিল করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শরীয়তপুর জেলার সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির।
তিনি বলেন, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া একজন আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের মিছিল করা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ একটি ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, যদি আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়, তখন তারা রাজনীতি করতে পারবে। অন্যথায় এ ধরনের কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয়।
তবে এ মিছিলকে বিএনপির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে অস্বীকার করেছেন বিনোদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাদবর। তিনি দাবি করেন, এটি ইউনিয়ন বিএনপির কোনো কর্মসূচি ছিল না। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু ব্যক্তি দলকে বিতর্কিত করতে এ মিছিল করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
ঘটনাটি ঘিরে শরীয়তপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে স্থানীয় রাজনীতির অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী চিত্র হিসেবে উল্লেখ করছেন।
শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিনোদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সি। তবে তার মুক্তির দাবিতে ইউনিয়ন বিএনপির একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের গয়াতলা বাজার এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউনিয়ন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা অংশ নেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সির মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিয়ে মিছিল করছেন বিএনপির কিছু নেতাকর্মী। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে জোরালো বিতর্ক শুরু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন মুন্সিকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মিছিল এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে সোমবার (১৫ জুন) আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা পদ্মা সেতু সংলগ্ন এলাকায় গুপ্ত মিছিল ও সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার আওতায় রয়েছেন। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির একাংশের মিছিল করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শরীয়তপুর জেলার সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির।
তিনি বলেন, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া একজন আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের মিছিল করা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ একটি ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, যদি আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়, তখন তারা রাজনীতি করতে পারবে। অন্যথায় এ ধরনের কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয়।
তবে এ মিছিলকে বিএনপির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে অস্বীকার করেছেন বিনোদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাদবর। তিনি দাবি করেন, এটি ইউনিয়ন বিএনপির কোনো কর্মসূচি ছিল না। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু ব্যক্তি দলকে বিতর্কিত করতে এ মিছিল করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
ঘটনাটি ঘিরে শরীয়তপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে স্থানীয় রাজনীতির অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী চিত্র হিসেবে উল্লেখ করছেন।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৮:৫৬
পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব তার মায়ের নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি ইস্যু করা হয়।চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার। চিঠিটি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
চিঠির তথ্যানুযায়ী, পাবনার বেড়া উপজেলার ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘জাকিয়া হাবিব নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের জন্য এমপি এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব নিজেই আবেদন জমা দেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, উল্লিখিত প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ১৩.০৭.২০২৩ তারিখের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২ (সংশোধিত-২০২৩) এর অনুচ্ছেদ ১৪.৫ অনুযায়ী উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে সুস্পষ্ট মতামত ও যৌক্তিকতাসহ স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব সুপারিশসহ প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
প্রশাসনিক নথি অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন নামই ছিল ‘জাকিয়া হাবিব নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ । পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৬/০২/২০১০ খ্রি: স্মারক নং- শিম/শা: ১১/৫-১/২০১০/১২৫ এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ করা হয়।
পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব তার মায়ের নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি ইস্যু করা হয়।চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার। চিঠিটি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
চিঠির তথ্যানুযায়ী, পাবনার বেড়া উপজেলার ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘জাকিয়া হাবিব নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের জন্য এমপি এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব নিজেই আবেদন জমা দেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, উল্লিখিত প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ১৩.০৭.২০২৩ তারিখের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২ (সংশোধিত-২০২৩) এর অনুচ্ছেদ ১৪.৫ অনুযায়ী উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে সুস্পষ্ট মতামত ও যৌক্তিকতাসহ স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব সুপারিশসহ প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
প্রশাসনিক নথি অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকালীন নামই ছিল ‘জাকিয়া হাবিব নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ । পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৬/০২/২০১০ খ্রি: স্মারক নং- শিম/শা: ১১/৫-১/২০১০/১২৫ এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ করা হয়।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৭:০১
গাজীপুরের টঙ্গীতে পোশাক শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা মাজহারুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ছাত্রদল নেতা রাতুল শিকদার অমিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অমি গাজীপুর মহানগরের ৫১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান মিরন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল সোমবার ছাত্রদল নেতা রাতুল শিকদার অমির চাঁদাবাজির একটি কলরেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে তাকে সুস্পষ্টভাবে চাঁদা চেয়ে একজনকে হুমকি দিতে শোনা যায়। পরে এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেডিং ফ্যাডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ছাত্রদলের সভাপতি রাতুলসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে টঙ্গী পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, গাজীপুর সাতাইশ এলাকায় শ্রমিক ফেডারেশন অফিসে বিভিন্ন সময় তারা চাঁদা নিতে আসতেন। এক পর্যায়ে ওই অফিস অন্যত্র সরিয়ে নিলে সেখানেও গিয়ে তারা চাঁদা আদায় করছেন।
প্রত্যাশা অনুযায়ী চাঁদা না দেওয়ায় কয়েক মাস পূর্বে শ্রমিকনেতা মাজহারুলকে আটক করে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে ৬৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ নেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর প্রতিনিয়ত মোবাইল ফোনে বিকাশের মাধ্যমে চাঁদার টাকা গ্রহণ করতেন ছাত্রদল নেতা রাতুল শিকদার। আর চাঁদা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে তাকে হুমকি দেওয়া হতো। এমনি একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয় গতকাল সোমবার।
ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডে রাতুল শিকদার বলেন, ‘আপনি আমাকে একদিন দিয়েছেন এক হাজার টাকা, আরেক দিন দিয়েছেন পাঁচশ টাকা। আজকা ভাই দুই-তিন হাজার টাকা দিয়েন। আপনি টাকাটা পাঠান না কেন বুঝলাম না।
অফিসের কিন্তু কিছুই বার করতে পারবেন না। আপনি টাইম দিয়েছেন পাঁচটা সাড়ে-পাঁচটা। সাড়ে ৫টার পর কয়ডা ফোন দিলাম, ফোন ধরেন নাই বা ব্যাকও করলেন না। আমারে বুঝান ফোন ধরেন নাই কেন।
আপনার এত বড় ক্ষমতা, ফোন ধরেন দেহি। ফোন ধরেন না, আবার আরেকজনের নাম ভাঙ্গান মিয়া। এখানে স্বয়ং তারেক রহমান আইলেও কাম হইব না। আপনি তো পাপ্পু সরকারের নাম বেচেন মিয়া।
আপনি সুমন লস্কররে কইয়েন তারেক রহমানের নাম কইলেও কাজ হইবো না। বুঝেন নাই, এইডা আমার বাড়ির রোড। এখানে প্রাইম মিনিস্টার আইলেও কাজ হইবো না, বুঝেন নাই। এইডা সবই আমার জানা আছে, ফাঁপরে আছে কাম কাজে নাই, আমি ফাঁপরে ডরাই না। আপনি পাপ্পু সরকার, সুমন লস্কর আর কেডা কেডা আছে লইয়া বসেন এবং কন আমি আইতাছি।’
এ বিষয়ে জানতে ৫১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি রাতুল শিকদার অমির ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ছাত্রদলের নেতা রাতুল শিকদারের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গাজীপুরের টঙ্গীতে পোশাক শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা মাজহারুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ছাত্রদল নেতা রাতুল শিকদার অমিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অমি গাজীপুর মহানগরের ৫১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান মিরন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল সোমবার ছাত্রদল নেতা রাতুল শিকদার অমির চাঁদাবাজির একটি কলরেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে তাকে সুস্পষ্টভাবে চাঁদা চেয়ে একজনকে হুমকি দিতে শোনা যায়। পরে এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেডিং ফ্যাডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ছাত্রদলের সভাপতি রাতুলসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে টঙ্গী পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, গাজীপুর সাতাইশ এলাকায় শ্রমিক ফেডারেশন অফিসে বিভিন্ন সময় তারা চাঁদা নিতে আসতেন। এক পর্যায়ে ওই অফিস অন্যত্র সরিয়ে নিলে সেখানেও গিয়ে তারা চাঁদা আদায় করছেন।
প্রত্যাশা অনুযায়ী চাঁদা না দেওয়ায় কয়েক মাস পূর্বে শ্রমিকনেতা মাজহারুলকে আটক করে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে ৬৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ নেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর প্রতিনিয়ত মোবাইল ফোনে বিকাশের মাধ্যমে চাঁদার টাকা গ্রহণ করতেন ছাত্রদল নেতা রাতুল শিকদার। আর চাঁদা দিতে অনীহা প্রকাশ করলে তাকে হুমকি দেওয়া হতো। এমনি একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয় গতকাল সোমবার।
ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডে রাতুল শিকদার বলেন, ‘আপনি আমাকে একদিন দিয়েছেন এক হাজার টাকা, আরেক দিন দিয়েছেন পাঁচশ টাকা। আজকা ভাই দুই-তিন হাজার টাকা দিয়েন। আপনি টাকাটা পাঠান না কেন বুঝলাম না।
অফিসের কিন্তু কিছুই বার করতে পারবেন না। আপনি টাইম দিয়েছেন পাঁচটা সাড়ে-পাঁচটা। সাড়ে ৫টার পর কয়ডা ফোন দিলাম, ফোন ধরেন নাই বা ব্যাকও করলেন না। আমারে বুঝান ফোন ধরেন নাই কেন।
আপনার এত বড় ক্ষমতা, ফোন ধরেন দেহি। ফোন ধরেন না, আবার আরেকজনের নাম ভাঙ্গান মিয়া। এখানে স্বয়ং তারেক রহমান আইলেও কাম হইব না। আপনি তো পাপ্পু সরকারের নাম বেচেন মিয়া।
আপনি সুমন লস্কররে কইয়েন তারেক রহমানের নাম কইলেও কাজ হইবো না। বুঝেন নাই, এইডা আমার বাড়ির রোড। এখানে প্রাইম মিনিস্টার আইলেও কাজ হইবো না, বুঝেন নাই। এইডা সবই আমার জানা আছে, ফাঁপরে আছে কাম কাজে নাই, আমি ফাঁপরে ডরাই না। আপনি পাপ্পু সরকার, সুমন লস্কর আর কেডা কেডা আছে লইয়া বসেন এবং কন আমি আইতাছি।’
এ বিষয়ে জানতে ৫১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি রাতুল শিকদার অমির ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, ছাত্রদলের নেতা রাতুল শিকদারের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:৪১
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০২
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭