
০৫ জুন, ২০২৫ ১২:৪১
পিরোজপুরের নেছারাবাদে সাধন দাস (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীর বিবস্ত্র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ জুন) গভীর রাতে বাড়ির পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন একটি মাল্টা বাগানে কাউফল গাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাধন দাস উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের বিনায়েকপুর গ্রামের ২নং ওয়ার্ডের মৃত শংকর দাসের ছেলে। তিনি নিহতের পরিবার ও স্ত্রী সরস্বতী রানী দাস জানান, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বাসা থেকে তিনি বের হয়ে যান।
দুপুরের বাসায় না ফেরায় তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করা হয়। এরপর রাতেও বাসায় না আসায় প্রতিবেশীরা মিলে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে বাড়ির পিছনে সন্ধ্যা নদীর পাশে একটি মাল্টা বাগানের ভিতরে কাউফল গাছের সঙ্গে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। প্রতিবেশী সুজিত এবং সাগর তার মরদেহ দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে ছুটে এসে সাধনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পুলিশ খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তার মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ দাশ জানান, সাধন দাস বাড়ির পাশে শেয়ারে মুড়ি তৈরি করার ব্যবসা করে। মঙ্গলবার ঘরের কাউকে না বলে ১০টার দিকে বেরিয়ে যায়।
রাতে বাড়িতে না আসলে তার পরিবার প্রতিবেশীকে জানালে এক পর্যায়ে মালটা বাগানে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। মৃতের হাঁটু মাটিতে ও বিবস্ত্র ছিল। এই মৃত্যু রহস্যজনক।
স্থানীয় চৌকিদার মো. ইমরান হাওলাদার বলেন, রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেই। মরদেহ থানায় নিয়ে গেছে। নেছারাবাদ থানার ওসি তদন্ত রাধেশ্যাম সরকার জানান, খবর পেয়ে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, ‘পরনের লুঙ্গি দিয়ে তার গলায় ফাঁস লাগানো ছিল। তার শরীরে আপাতদৃষ্টিতে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। এ ব্যাপারে পারিবারিকভাবে থানায় কোন অভিযোগ আসেনি।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে সাধন দাস (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীর বিবস্ত্র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ জুন) গভীর রাতে বাড়ির পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন একটি মাল্টা বাগানে কাউফল গাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাধন দাস উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের বিনায়েকপুর গ্রামের ২নং ওয়ার্ডের মৃত শংকর দাসের ছেলে। তিনি নিহতের পরিবার ও স্ত্রী সরস্বতী রানী দাস জানান, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বাসা থেকে তিনি বের হয়ে যান।
দুপুরের বাসায় না ফেরায় তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করা হয়। এরপর রাতেও বাসায় না আসায় প্রতিবেশীরা মিলে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে বাড়ির পিছনে সন্ধ্যা নদীর পাশে একটি মাল্টা বাগানের ভিতরে কাউফল গাছের সঙ্গে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। প্রতিবেশী সুজিত এবং সাগর তার মরদেহ দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে ছুটে এসে সাধনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পুলিশ খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তার মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ দাশ জানান, সাধন দাস বাড়ির পাশে শেয়ারে মুড়ি তৈরি করার ব্যবসা করে। মঙ্গলবার ঘরের কাউকে না বলে ১০টার দিকে বেরিয়ে যায়।
রাতে বাড়িতে না আসলে তার পরিবার প্রতিবেশীকে জানালে এক পর্যায়ে মালটা বাগানে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। মৃতের হাঁটু মাটিতে ও বিবস্ত্র ছিল। এই মৃত্যু রহস্যজনক।
স্থানীয় চৌকিদার মো. ইমরান হাওলাদার বলেন, রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেই। মরদেহ থানায় নিয়ে গেছে। নেছারাবাদ থানার ওসি তদন্ত রাধেশ্যাম সরকার জানান, খবর পেয়ে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, ‘পরনের লুঙ্গি দিয়ে তার গলায় ফাঁস লাগানো ছিল। তার শরীরে আপাতদৃষ্টিতে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। এ ব্যাপারে পারিবারিকভাবে থানায় কোন অভিযোগ আসেনি।’
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০০
মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রুবেল খলিফা (৩৫) নামে এক যুবক। স্বজনদের অভিযোগ পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার।
সোমবার দুপুর ১টায় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রুবেল খলিফা মঠবাড়িয়া উপজেলার পাটাকাটা গ্রামের মৃত মনতাজ খলিফার ছেলে।
বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার সুরতহাল সূত্রে জানা যায়, মৃত খলিফা দুবাই প্রবাসী ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নিজ গ্রামে আসেন। আসার পর থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগতে ছিলেন। ৮ মার্চ শ্বশুরবাড়ি থাকা অবস্থায় বসতঘরের বাথরুমে গিয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ বিভাগীয় প্রধান ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের বড় বোন নাজমা সুলতানার দাবি, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে টাকার জন্য হত্যা করেছে। আমার ভাই তার শ্বশুরের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাবে সেই টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। যাতে আমার বাবার থেকে তারা সুবিধা নিতে পারে।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
বরিশাল টাইমস
মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রুবেল খলিফা (৩৫) নামে এক যুবক। স্বজনদের অভিযোগ পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার।
সোমবার দুপুর ১টায় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রুবেল খলিফা মঠবাড়িয়া উপজেলার পাটাকাটা গ্রামের মৃত মনতাজ খলিফার ছেলে।
বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার সুরতহাল সূত্রে জানা যায়, মৃত খলিফা দুবাই প্রবাসী ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নিজ গ্রামে আসেন। আসার পর থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগতে ছিলেন। ৮ মার্চ শ্বশুরবাড়ি থাকা অবস্থায় বসতঘরের বাথরুমে গিয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ বিভাগীয় প্রধান ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের বড় বোন নাজমা সুলতানার দাবি, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে টাকার জন্য হত্যা করেছে। আমার ভাই তার শ্বশুরের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাবে সেই টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। যাতে আমার বাবার থেকে তারা সুবিধা নিতে পারে।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৯
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেছেন, আগামী ৩০ এপ্রিল অথবা ১৫ মে পিরোজপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের চারটি ফ্লোর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। লিফট আসতে সময় লাগছে। আগামী আগস্ট মাসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা লিফট আসার অপেক্ষা না করে চারটি ফ্লোর স্বাস্থ্যসেবার জন্য চালু করে দিতে চাচ্ছি। সে ধরনের কর্মপরিকল্পনা চলছে। সর্বোচ্চ ১৫ মে এর মধ্যে এটি চালু হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক স্বল্পতা বাংলাদেশের প্রতিটি হাসপাতালে রয়েছে তারপরও আমরা আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজন বিবেচনায় চিকিৎসক নিয়োগ এবং যেসব যন্ত্রপাতিতে সমস্যা রয়েছে, তা স্থানান্তর করা হবে। আশা করি, আগামী দুই মাসের মধ্যে আগের থেকে একটি ভালো সেবা নিশ্চিত হবে।
এর আগে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল আউয়াল, পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্যসচিব সাইদুল ইসলাম কিসমতসহ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন সদস্যকে নিয়ে সভা করেন তিনি।
বরিশিাল টাইমস
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেছেন, আগামী ৩০ এপ্রিল অথবা ১৫ মে পিরোজপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের চারটি ফ্লোর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। লিফট আসতে সময় লাগছে। আগামী আগস্ট মাসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা লিফট আসার অপেক্ষা না করে চারটি ফ্লোর স্বাস্থ্যসেবার জন্য চালু করে দিতে চাচ্ছি। সে ধরনের কর্মপরিকল্পনা চলছে। সর্বোচ্চ ১৫ মে এর মধ্যে এটি চালু হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক স্বল্পতা বাংলাদেশের প্রতিটি হাসপাতালে রয়েছে তারপরও আমরা আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজন বিবেচনায় চিকিৎসক নিয়োগ এবং যেসব যন্ত্রপাতিতে সমস্যা রয়েছে, তা স্থানান্তর করা হবে। আশা করি, আগামী দুই মাসের মধ্যে আগের থেকে একটি ভালো সেবা নিশ্চিত হবে।
এর আগে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল আউয়াল, পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্যসচিব সাইদুল ইসলাম কিসমতসহ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন সদস্যকে নিয়ে সভা করেন তিনি।
বরিশিাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.