বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া বাজার এলাকায় রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে সরকারি দুস্থদের জন্য বরাদ্দ শত শত কম্বল পড়ে থাকার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হলেও টানা বৃষ্টিতে কম্বলগুলো ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের উত্তর পাশে রাস্তার ধারে বিপুল পরিমাণ কম্বল পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৃত বাদশা হাওলাদারের ছেলে শাওন সজলের ব্যবহৃত একটি গোডাউন থেকে কম্বলগুলো বের করে সেখানে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কম্বলগুলোর গায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম এবং সরকারি সিল থাকায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে শাওন সজল বলেন, “ঘরটি আমার ছোট ভাই আতিকুরের। তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন ঘরটি পরিত্যক্ত ছিল। স্থানীয় একটি ক্লাবের সংস্কারকাজ চলাকালে ক্লাবের সদস্যরা সেখানে কম্বলগুলো রেখেছিলেন। সম্প্রতি ঘরটি ভাড়া দেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা কম্বলগুলো বের করে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখে যান। এগুলোর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, গত বছরের ৫ আগস্টের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার মাধ্যমে কম্বলগুলো সরকারি গুদাম থেকে সরিয়ে ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।
এই বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে আলোচনায় এলে উপজেলা প্রশাসন তা গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়।
উজিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, “বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা পেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বলেন, ‘গত ৫ আগস্টের আগে কার মাধ্যমে বা কী কারণে কম্বলগুলো ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল এবং পরে কেন সেগুলো রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। সরকারি সম্পদ দ্রুত উদ্ধার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।
এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।
এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫১
বরিশালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ সংসদের ১৯তম সম্মেলন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে কাজী মারজানকে সভাপতি, অর্ণব রায়কে সাধারণ সম্পাদক এবং তন্নি দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) "নব নবীণের লাগি, প্রদীপ ধরিয়া আধারের বুকে আমরা রয়েছি জাগি" স্লোগানকে ধারণ করে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
কাউন্সিল অধিবেশনের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিষা ওয়াহিদ। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষকনেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উন্মেষ রায়।
এ সময়ে বক্তারা বলেন, শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণের ফলে এটি একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির পণ্যে পরিণত হয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে একই ধারার বিজ্ঞানভিত্তিক, গণমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। তারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষার সাম্প্রদায়িকীকরণ চলছে এবং দেশে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সমাজের অগ্রসর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে কাজী মারজান, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অর্ণব রায় এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তন্নি দাস নির্বাচিত হন।
নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা মমতাজ, কোষাধ্যক্ষ সাদমান ইশরাক, দপ্তর সম্পাদক হাসিবুল হাসান, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেবুবুল বাশার নিভান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অর্পিতা দেবনাথ এবং সদস্য তরিকুল ইসলাম শোভন এবং সুজয় সরকার। কমিটির দুটি সদস্যপদ কো-অপ্টের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা সংসদের সভাপতি সুজয় সরকার নবনির্বাচিত নেতাদের শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে নবনির্বাচিত নেতারা বৈষম্যমূলক, অগণতান্ত্রিক ও সাম্প্রদায়িক শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বরিশালে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ সংসদের ১৯তম সম্মেলন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে কাজী মারজানকে সভাপতি, অর্ণব রায়কে সাধারণ সম্পাদক এবং তন্নি দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে ১৩ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) "নব নবীণের লাগি, প্রদীপ ধরিয়া আধারের বুকে আমরা রয়েছি জাগি" স্লোগানকে ধারণ করে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
কাউন্সিল অধিবেশনের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সমাবেশের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিষা ওয়াহিদ। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষকনেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উন্মেষ রায়।
এ সময়ে বক্তারা বলেন, শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণের ফলে এটি একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির পণ্যে পরিণত হয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে একই ধারার বিজ্ঞানভিত্তিক, গণমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। তারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষার সাম্প্রদায়িকীকরণ চলছে এবং দেশে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সমাজের অগ্রসর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে কাজী মারজান, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অর্ণব রায় এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তন্নি দাস নির্বাচিত হন।
নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা মমতাজ, কোষাধ্যক্ষ সাদমান ইশরাক, দপ্তর সম্পাদক হাসিবুল হাসান, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেবুবুল বাশার নিভান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অর্পিতা দেবনাথ এবং সদস্য তরিকুল ইসলাম শোভন এবং সুজয় সরকার। কমিটির দুটি সদস্যপদ কো-অপ্টের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা সংসদের সভাপতি সুজয় সরকার নবনির্বাচিত নেতাদের শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ শেষে নবনির্বাচিত নেতারা বৈষম্যমূলক, অগণতান্ত্রিক ও সাম্প্রদায়িক শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি রহস্যজনক বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। ভোরের নীরবতা ভেঙে বিকট শব্দে ঘটে যাওয়া এ বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। কী ধরনের বিস্ফোরক থেকে এ ঘটনা ঘটেছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি এবং নাতি ফাহিম। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালবেলায় হঠাৎ বিকট শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখতে পান বাড়ির পাশে আগুনে দগ্ধ অবস্থায় তিনজন ছটফট করছেন। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে জামাল জানান, বাড়ির পাশে রাখা একটি বালুভর্তি বস্তার মধ্যে থাকা বিস্ফোরক সদৃশ কোনো বস্তু হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে তার মা, বোন ও ভাগনের শরীরে আগুন ধরে যায়। জীবন বাঁচাতে তারা বাড়ির সামনের তুলাতলা নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
তিনি বলেন, ওই বিস্ফোরকটি সেখানে কীভাবে এলো বা কে রেখে গেছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমরা নিজেরাও হতবাক।
খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা বিস্ফোরণের ধরন, ব্যবহৃত উপকরণ এবং এর উৎস শনাক্তে কাজ করছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কী ধরনের বিস্ফোরক থেকে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় দুধলমৌ গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় একটি রহস্যজনক বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। ভোরের নীরবতা ভেঙে বিকট শব্দে ঘটে যাওয়া এ বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। কী ধরনের বিস্ফোরক থেকে এ ঘটনা ঘটেছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি এবং নাতি ফাহিম। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালবেলায় হঠাৎ বিকট শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখতে পান বাড়ির পাশে আগুনে দগ্ধ অবস্থায় তিনজন ছটফট করছেন। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে জামাল জানান, বাড়ির পাশে রাখা একটি বালুভর্তি বস্তার মধ্যে থাকা বিস্ফোরক সদৃশ কোনো বস্তু হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে তার মা, বোন ও ভাগনের শরীরে আগুন ধরে যায়। জীবন বাঁচাতে তারা বাড়ির সামনের তুলাতলা নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
তিনি বলেন, ওই বিস্ফোরকটি সেখানে কীভাবে এলো বা কে রেখে গেছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমরা নিজেরাও হতবাক।
খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা বিস্ফোরণের ধরন, ব্যবহৃত উপকরণ এবং এর উৎস শনাক্তে কাজ করছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কী ধরনের বিস্ফোরক থেকে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় দুধলমৌ গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া বাজার এলাকায় রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে সরকারি দুস্থদের জন্য বরাদ্দ শত শত কম্বল পড়ে থাকার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হলেও টানা বৃষ্টিতে কম্বলগুলো ভিজে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের উত্তর পাশে রাস্তার ধারে বিপুল পরিমাণ কম্বল পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৃত বাদশা হাওলাদারের ছেলে শাওন সজলের ব্যবহৃত একটি গোডাউন থেকে কম্বলগুলো বের করে সেখানে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, কম্বলগুলোর গায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম এবং সরকারি সিল থাকায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে শাওন সজল বলেন, “ঘরটি আমার ছোট ভাই আতিকুরের। তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন ঘরটি পরিত্যক্ত ছিল। স্থানীয় একটি ক্লাবের সংস্কারকাজ চলাকালে ক্লাবের সদস্যরা সেখানে কম্বলগুলো রেখেছিলেন। সম্প্রতি ঘরটি ভাড়া দেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা কম্বলগুলো বের করে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখে যান। এগুলোর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, গত বছরের ৫ আগস্টের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার মাধ্যমে কম্বলগুলো সরকারি গুদাম থেকে সরিয়ে ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।
এই বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে আলোচনায় এলে উপজেলা প্রশাসন তা গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়।
উজিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, “বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা পেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বলেন, ‘গত ৫ আগস্টের আগে কার মাধ্যমে বা কী কারণে কম্বলগুলো ওই গোডাউনে রাখা হয়েছিল এবং পরে কেন সেগুলো রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে। সরকারি সম্পদ দ্রুত উদ্ধার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৬