বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ওপর যাত্রীবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত ও পাঁচজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনার পর চার দফা দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাত গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি হলো—
১. আহত শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাতের সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে।
২. দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের মহাসড়কে পিচ ঢালাই করতে হবে এবং বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর সড়ক সংস্কার করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পাশে দ্রুত ফুটপাত নির্মাণ করতে হবে।
৪. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রূপাতলী পর্যন্ত সার্বক্ষণিক বাস সার্ভিস চালু করতে হবে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মহাসড়কের বেহাল অবস্থা এবং যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বারবার দাবি জানানো হলেও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়ক সংস্কারসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের মহাসড়কের বেহাল দশা। বিভিন্ন মাধ্যমে সড়ক সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এরই কারণে আজ সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা যে চারটি দাবি জানিয়েছি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। না হলে আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে।আরেক শিক্ষার্থী ভূমিকা সরকার বলেন, রাস্তায় রক্ত না ঝরলে কোনো সমাধান হয় না। আমরা যে চারটি দাবি উত্থাপন করেছি, সেগুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন আর রশিদ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের সব দাবি শোনা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করবে। পাশাপাশি রূপাতলী থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধের ফলে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৩
বরিশালে যাত্রীবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাহিন্দ্রার চালকসহ আরও চার যাত্রী আহত হয়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের নগরীর রূপাতলী-দপদপিয়া সেতুর ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহত ব্যক্তি মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন। তার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহত ববি শিক্ষার্থীর নাম ইয়াসির আরাফাত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা গেছেন। তাঁর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জুবায়ের জানান, পটুয়াখালী থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে মাহিন্দ্রাটি বরিশাল নগরীর রূপাতলীর দিকে আসছিল। দপদপিয়া সেতুর টোলঘরসংলগ্ন ঢাল অতিক্রম করার সময় রূপাতলী থেকে যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার দিকে যাওয়া বিআরটিসির একটি বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্রাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রার চালক ও পাঁচ যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার জুয়েল চন্দ্র শীল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের ধীরগতি সৃষ্টি হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে যাত্রীবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাহিন্দ্রার চালকসহ আরও চার যাত্রী আহত হয়েছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের নগরীর রূপাতলী-দপদপিয়া সেতুর ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহতদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহত ব্যক্তি মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন। তার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহত ববি শিক্ষার্থীর নাম ইয়াসির আরাফাত। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা গেছেন। তাঁর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জুবায়ের জানান, পটুয়াখালী থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে মাহিন্দ্রাটি বরিশাল নগরীর রূপাতলীর দিকে আসছিল। দপদপিয়া সেতুর টোলঘরসংলগ্ন ঢাল অতিক্রম করার সময় রূপাতলী থেকে যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার দিকে যাওয়া বিআরটিসির একটি বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্রাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রার চালক ও পাঁচ যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার জুয়েল চন্দ্র শীল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের ধীরগতি সৃষ্টি হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:২৯
বরিশাল শহরের সাপানিয়া এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্রসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম শনিবার সন্ধ্যা রাতে শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের সাপানিয়া গ্রামের বাসিন্দা মজিবুর রহমান সৈকতের (৩২) মালিকানাধীন ঘেরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করাসহ মো. মেহেদী হাসান (২৫) এবং মো. আব্দুর রহমানকে (২৫) আটকে সফলতা পায়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগেই মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত পালিয়ে গেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র মজুতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিহ্নিত অপরাধী সৈকতের ঘেরে হানা দেওয়া হয়। এসময় সৈকত পালিয়ে গেলেও তার দুই সহযোগী মেহেদী হাসান এবং আব্দুর রহমানকে আটকে সফলতা মেলে। এবং তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী টিনের বসতঘরের অভ্যন্তরে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে দুটি ধারালো ছোড়া, একটি হাসুয়া, দুটি ডেগার, পাঁচটি রামদা ও দুটি চাইনিজ কুড়ালসহ মোট ১৪টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আটক মেহেদী হাসান কাউনিয়া থানার নগরের পোল এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জসীম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে এবং আব্দুর রহমান ভাটিখানা এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খলিল মৃধার পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, সাপানিয়ার বাসিন্দা সৈকত তার মালিকানাধীন ঘেরটিকে একটি সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। সন্ধ্যা হলে সেখানে মাদকের আসর বসত এবং মাঝেমধ্যে শহরের বিভিন্ন এলাকার উঠতি বয়সি সন্ত্রাসীদের দেখা যেত। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কানাঘুষা চললেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। আবার কেউ কেউ সৈকতের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেইজ্জতিও হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী সৈকতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ৪টি মামলা চলমান আছে, যা আদালতে বিচারাধীন। এই সন্ত্রাসী সেসব মামলায় জামিনে মুক্ত ছিলেন এবং তার অপরাধকর্ম চলমান ছিল।
সন্ধ্যা রাতে ঘেরে আসর বসানোর বিষয়টি খুঁজতে গিয়ে কাউনিয়া পুলিশ যুবকের অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান লাভ করে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিৎ নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এসময় সহযোগী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হলেও পালিয়ে যান মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে, জানান ওসি।’
বরিশাল শহরের সাপানিয়া এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্রসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম শনিবার সন্ধ্যা রাতে শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের সাপানিয়া গ্রামের বাসিন্দা মজিবুর রহমান সৈকতের (৩২) মালিকানাধীন ঘেরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করাসহ মো. মেহেদী হাসান (২৫) এবং মো. আব্দুর রহমানকে (২৫) আটকে সফলতা পায়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগেই মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত পালিয়ে গেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র মজুতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিহ্নিত অপরাধী সৈকতের ঘেরে হানা দেওয়া হয়। এসময় সৈকত পালিয়ে গেলেও তার দুই সহযোগী মেহেদী হাসান এবং আব্দুর রহমানকে আটকে সফলতা মেলে। এবং তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী টিনের বসতঘরের অভ্যন্তরে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে দুটি ধারালো ছোড়া, একটি হাসুয়া, দুটি ডেগার, পাঁচটি রামদা ও দুটি চাইনিজ কুড়ালসহ মোট ১৪টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আটক মেহেদী হাসান কাউনিয়া থানার নগরের পোল এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জসীম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে এবং আব্দুর রহমান ভাটিখানা এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খলিল মৃধার পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, সাপানিয়ার বাসিন্দা সৈকত তার মালিকানাধীন ঘেরটিকে একটি সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। সন্ধ্যা হলে সেখানে মাদকের আসর বসত এবং মাঝেমধ্যে শহরের বিভিন্ন এলাকার উঠতি বয়সি সন্ত্রাসীদের দেখা যেত। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কানাঘুষা চললেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। আবার কেউ কেউ সৈকতের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেইজ্জতিও হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী সৈকতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ৪টি মামলা চলমান আছে, যা আদালতে বিচারাধীন। এই সন্ত্রাসী সেসব মামলায় জামিনে মুক্ত ছিলেন এবং তার অপরাধকর্ম চলমান ছিল।
সন্ধ্যা রাতে ঘেরে আসর বসানোর বিষয়টি খুঁজতে গিয়ে কাউনিয়া পুলিশ যুবকের অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান লাভ করে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিৎ নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এসময় সহযোগী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হলেও পালিয়ে যান মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে, জানান ওসি।’

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৩
বরিশাল নগরীতে যে মাদকের বিস্তার ঘটেছে তা খোদ নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ নিজেও অনুমান করতে পেরেছেন। এবং এই মাদকের ভয়াবহতা রুখে দিতে তিনি এক ধরনের জিহাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কর্মস্থলে যোগদান পরবর্তী সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় বরিশাল শহরের মাদক ইস্যুটি নিয়ে এই শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খোলামেলা আলোচনা করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কর্মীরা অংশ নেন।
নয়া পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে পুলিশ কমিশনার বলেন, আমি আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা চাই। আজ আপনারা যেভাবে আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন, এই সহযোগিতা যেন ভবিষ্যতে আরও বাড়ে, কমে না সেটাই প্রত্যাশা করি।
পুলিশ ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে পুলিশি কার্যক্রম আরও সহজ হবে। এবং জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদা পূরণ করা সহজতর হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরফুদ্দিন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পলাশ কান্তি নাথ প্রমুখ।’
বরিশাল নগরীতে যে মাদকের বিস্তার ঘটেছে তা খোদ নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ নিজেও অনুমান করতে পেরেছেন। এবং এই মাদকের ভয়াবহতা রুখে দিতে তিনি এক ধরনের জিহাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কর্মস্থলে যোগদান পরবর্তী সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় বরিশাল শহরের মাদক ইস্যুটি নিয়ে এই শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খোলামেলা আলোচনা করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কর্মীরা অংশ নেন।
নয়া পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে পুলিশ কমিশনার বলেন, আমি আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা চাই। আজ আপনারা যেভাবে আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন, এই সহযোগিতা যেন ভবিষ্যতে আরও বাড়ে, কমে না সেটাই প্রত্যাশা করি।
পুলিশ ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে পুলিশি কার্যক্রম আরও সহজ হবে। এবং জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদা পূরণ করা সহজতর হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরফুদ্দিন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পলাশ কান্তি নাথ প্রমুখ।’

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ২২:১৫
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ওপর যাত্রীবাহী বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত ও পাঁচজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনার পর চার দফা দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাত গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি হলো—
১. আহত শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাতের সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে।
২. দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের মহাসড়কে পিচ ঢালাই করতে হবে এবং বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর সড়ক সংস্কার করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পাশে দ্রুত ফুটপাত নির্মাণ করতে হবে।
৪. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রূপাতলী পর্যন্ত সার্বক্ষণিক বাস সার্ভিস চালু করতে হবে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মহাসড়কের বেহাল অবস্থা এবং যানবাহনের বেপরোয়া চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বারবার দাবি জানানো হলেও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়ক সংস্কারসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের মহাসড়কের বেহাল দশা। বিভিন্ন মাধ্যমে সড়ক সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এরই কারণে আজ সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা যে চারটি দাবি জানিয়েছি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। না হলে আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে।আরেক শিক্ষার্থী ভূমিকা সরকার বলেন, রাস্তায় রক্ত না ঝরলে কোনো সমাধান হয় না। আমরা যে চারটি দাবি উত্থাপন করেছি, সেগুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন আর রশিদ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের সব দাবি শোনা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করবে। পাশাপাশি রূপাতলী থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধের ফলে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ২২:১৫
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২০
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৩
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫২