চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে স্কুলে যাওয়ার পথে পিকআপ ভ্যানচাপায় রবিউল হোসেন ফাহিম নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এদিকে শিক্ষার্থী নিহতের খবরে সবার মাঝে শোকের ছায়া নেমে এলেও শিক্ষক মিলনায়তন কক্ষে শিক্ষকরা মিষ্টি খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের টেরিয়াইর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফাহিম উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের ফেদাইনগর গ্রামের হারুন হোসেনের ছেলে ও টেরিয়াইর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাহিম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে বিদ্যালয়ে প্রবেশের আগ মুহূর্তে একটি পিকআপভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সে লুটিয়ে পড়ে।
স্কুলের শিক্ষক ও স্থানীয়ারা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন চিকিৎসকরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ফাহিম।
সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা গেছে, নিহত ফাহিম স্কুলের সামনে রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটছে। ফাঁকা রাস্তার মধ্যে পিকআপ ভ্যানটি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায়, স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া দেখা গেলেও শিক্ষকদের মাঝে কোনো শোক দেখা যায়নি। শিক্ষক মিলনায়তন কক্ষে চলছে মিষ্টিসহ বিভিন্ন ধরনের খাওয়া-দাওয়া। এতে স্কুল শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে।
শ্রাবন্তী নামের এক শিক্ষার্থী বলে, ফাহিম ভাইয়া বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী। তার মৃত্যুতে শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে প্রধান শিক্ষকের রুমে মিষ্টি খাওয়ার বিষয়টি দেখে ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে।
ফারিয়া নামের আরেক শিক্ষার্থী বলে, শিক্ষকরাই যদি একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে মিষ্টি খাওয়াতে ব্যস্ত থাকে সেটি খুবই দুঃখজনক। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলে, নিহত ফাহিম ব্যবসা বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ও রোল নম্বর ১। সে শুধু পড়ালেখায় নয়, খেলাধুলায়ও ছিল যথেষ্ট পারদর্শী।
স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে নিহত ফাহিমকে নিয়ে আমি হাসপাতালে ব্যস্ত ছিলাম। মিষ্টি খাওয়ার বিষয়টি যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে আমি এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেব।
টেরিয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিন বলেন, স্কুলের তিনজন নতুন শিক্ষক এসেছেন। তারাই মিষ্টি নিয়ে এসেছে। অন্য শিক্ষকরা মিষ্টি খেলেও আমি সকাল থেকে এ পর্যন্ত কিছু খাইনি।
কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির রাব্বানী বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠাই। পরে শিক্ষার্থীদের স্বজনদের মাধ্যমে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে সে। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলাম বলেন, একজন ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি। তাতে আমরা শোকাহত। কিন্তু একটি বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার ঘটনার পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসার কথা। সেখানে যদি শিক্ষকরা মিষ্টি খান সেটা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়টি আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৭
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে স্কুলে যাওয়ার পথে পিকআপ ভ্যানচাপায় রবিউল হোসেন ফাহিম নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এদিকে শিক্ষার্থী নিহতের খবরে সবার মাঝে শোকের ছায়া নেমে এলেও শিক্ষক মিলনায়তন কক্ষে শিক্ষকরা মিষ্টি খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের টেরিয়াইর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফাহিম উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের ফেদাইনগর গ্রামের হারুন হোসেনের ছেলে ও টেরিয়াইর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাহিম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে বিদ্যালয়ে প্রবেশের আগ মুহূর্তে একটি পিকআপভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সে লুটিয়ে পড়ে।
স্কুলের শিক্ষক ও স্থানীয়ারা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন চিকিৎসকরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ফাহিম।
সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা গেছে, নিহত ফাহিম স্কুলের সামনে রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটছে। ফাঁকা রাস্তার মধ্যে পিকআপ ভ্যানটি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায়, স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া দেখা গেলেও শিক্ষকদের মাঝে কোনো শোক দেখা যায়নি। শিক্ষক মিলনায়তন কক্ষে চলছে মিষ্টিসহ বিভিন্ন ধরনের খাওয়া-দাওয়া। এতে স্কুল শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে।
শ্রাবন্তী নামের এক শিক্ষার্থী বলে, ফাহিম ভাইয়া বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী। তার মৃত্যুতে শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে প্রধান শিক্ষকের রুমে মিষ্টি খাওয়ার বিষয়টি দেখে ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে।
ফারিয়া নামের আরেক শিক্ষার্থী বলে, শিক্ষকরাই যদি একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে মিষ্টি খাওয়াতে ব্যস্ত থাকে সেটি খুবই দুঃখজনক। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলে, নিহত ফাহিম ব্যবসা বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ও রোল নম্বর ১। সে শুধু পড়ালেখায় নয়, খেলাধুলায়ও ছিল যথেষ্ট পারদর্শী।
স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে নিহত ফাহিমকে নিয়ে আমি হাসপাতালে ব্যস্ত ছিলাম। মিষ্টি খাওয়ার বিষয়টি যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে আমি এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেব।
টেরিয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিন বলেন, স্কুলের তিনজন নতুন শিক্ষক এসেছেন। তারাই মিষ্টি নিয়ে এসেছে। অন্য শিক্ষকরা মিষ্টি খেলেও আমি সকাল থেকে এ পর্যন্ত কিছু খাইনি।
কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির রাব্বানী বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠাই। পরে শিক্ষার্থীদের স্বজনদের মাধ্যমে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে সে। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলাম বলেন, একজন ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি। তাতে আমরা শোকাহত। কিন্তু একটি বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার ঘটনার পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসার কথা। সেখানে যদি শিক্ষকরা মিষ্টি খান সেটা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয়টি আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫