অভিনেতা যাহের আলভী ও তার স্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
ছোটপর্দার চলতি সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই অভিনেতার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। এ খবর দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা নিজেও।
আলভী বলেন, ‘আমি নাটকের শুটিংয়ে নেপালে অবস্থান করছি। কী কারণে ইকরা আত্মহত্যা করেছে, ঠিক জানি না। খবরটি পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। আমার একমাত্র সন্তানের জন্য চিন্তা হচ্ছে।’
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর পারিবারিক আয়োজনে ইকরাকে বিয়ে করেন আলভী। এরই মধ্যে তাদের ভালোবাসার সংসার ১৫ বছর পার করেছে।
কয়েক বছর ধরে অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে আলভীর প্রেমের গুঞ্জন চলছে। যদিও বরাবর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তারা। খবর রয়েছে, তিথিকে ঘিরেই অভিনেতার সংসারে অশান্তি।
সর্বশেষ গত শুক্রবার ছিল তিথির জন্মদিন। এদিন অভিনেত্রীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে আলভী ফেসবুকে লিখেন, ‘শুভ জন্মদিন নায়িকা। জীবনে আরও অনেক দূর যেতে হবে। তুমি আমার দেখা এই ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে পরিশ্রমী কো-আর্টিস্ট ও পছন্দেরও। তোমার পরিশ্রম তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেই। সহজ, সরল-সুন্দর হোক তোমার জীবন।’
এর পরের দিনই এলো যাহের আলভীর স্ত্রীর ইকরার আত্মহত্যার খবর। এই মুহূর্তে নেপালে আলভীর সঙ্গে তিথি অবস্থান করছেন।
এই অভিনেতার ক্যারিয়ারের সূচনা ২০১২ সালে। এই সময়ে ছোটপর্দায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন আলভী।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:০৫
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো ২০২৬ অনুমোদন করা হয়েছে। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন বেড়েছে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ। মূল বেতন, ভাতাসহ মোট চার ধাপে এই বেতনকাঠামো বাস্তবায়িত হবে। কার্যকর হবে গত জুলাই থেকে। নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এত দিন চালু থাকা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ ‘বিশেষ সুবিধা’ অবলুপ্ত বা বাতিল হয়ে যাবে।
প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে জুলাই থেকে নতুন বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ কার্যকর হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩০ শতাংশ এবং ২০২৭ সালের জুলাই থেকে তৃতীয় ধাপে বাকি ৩০ শতাংশ কার্যকর হবে। আর বাড়িভাড়াসহ নতুন সব ভাতা যোগ হবে চতুর্থ ধাপে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। তবে এই সময়ে আগের ভাতা থাকবে।
নবম গ্রেডে শুরুতে মূল বেতন কত হবে
ধরুন একজন নতুন চাকরিজীবী চলতি বছরের জুলাইয়ে নবম গ্রেডে যোগ দিয়েছেন। পুরোনো কাঠামোয় এই গ্রেডের মূল বেতন ছিল ২২ হাজার টাকা। নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, তার মূল বেতন প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বেড়ে হবে ৩০ হাজার ৮০০ টাকা।
দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩০ শতাংশ, অর্থাৎ ৬ হাজার ৬০০ টাকা যোগ হবে। তখন মূল বেতন দাঁড়াবে ৩৭ হাজার ৪০০ টাকা। তৃতীয় ধাপে, অর্থাৎ ২০২৭ সালের জুলাই থেকে আরও ৬ হাজার ৬০০ টাকা যোগ হলে তখন মূল বেতন হবে ৪৪ হাজার টাকা। বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা আগের বেতনকাঠামো অনুযায়ী পাবেন।
২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন হারে ভাতাগুলো কার্যকর হবে। তখন ঢাকায় কর্মরত নবম গ্রেডের একজন নতুন কর্মকর্তার ৪৪ হাজার টাকা মূল বেতনের সঙ্গে ৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া হিসেবে ২২ হাজার টাকা যোগ হবে। এর সঙ্গে চিকিৎসা, শিক্ষাসহায়ক, উৎসব ও অন্যান্য ভাতা যুক্ত হবে। সব মিলিয়ে তখন তার মোট বেতন-ভাতা কমবেশি ৭০ হাজার টাকা হতে পারে। ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে এই গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন এক লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা হওয়ার সুযোগ আছে।
সরকারি চাকরিতে সদ্য ঘোষিত বেতনকাঠামোতে নতুন ও পুরোনোদের বেতন কত হবে, সে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে এ–সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারির পর।
বেতনকাঠামোর বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন বেতনকাঠামো–সংক্রান্ত আদেশ অর্থ বিভাগ আজ বা আগামীকাল জারি করবে। তখন সব বিষয় স্পষ্টভাবে জানা যাবে।
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো ২০২৬ অনুমোদন করা হয়েছে। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন বেড়েছে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ। মূল বেতন, ভাতাসহ মোট চার ধাপে এই বেতনকাঠামো বাস্তবায়িত হবে। কার্যকর হবে গত জুলাই থেকে। নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এত দিন চালু থাকা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ ‘বিশেষ সুবিধা’ অবলুপ্ত বা বাতিল হয়ে যাবে।
প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে জুলাই থেকে নতুন বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ কার্যকর হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩০ শতাংশ এবং ২০২৭ সালের জুলাই থেকে তৃতীয় ধাপে বাকি ৩০ শতাংশ কার্যকর হবে। আর বাড়িভাড়াসহ নতুন সব ভাতা যোগ হবে চতুর্থ ধাপে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। তবে এই সময়ে আগের ভাতা থাকবে।
নবম গ্রেডে শুরুতে মূল বেতন কত হবে
ধরুন একজন নতুন চাকরিজীবী চলতি বছরের জুলাইয়ে নবম গ্রেডে যোগ দিয়েছেন। পুরোনো কাঠামোয় এই গ্রেডের মূল বেতন ছিল ২২ হাজার টাকা। নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী, তার মূল বেতন প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বেড়ে হবে ৩০ হাজার ৮০০ টাকা।
দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩০ শতাংশ, অর্থাৎ ৬ হাজার ৬০০ টাকা যোগ হবে। তখন মূল বেতন দাঁড়াবে ৩৭ হাজার ৪০০ টাকা। তৃতীয় ধাপে, অর্থাৎ ২০২৭ সালের জুলাই থেকে আরও ৬ হাজার ৬০০ টাকা যোগ হলে তখন মূল বেতন হবে ৪৪ হাজার টাকা। বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা আগের বেতনকাঠামো অনুযায়ী পাবেন।
২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন হারে ভাতাগুলো কার্যকর হবে। তখন ঢাকায় কর্মরত নবম গ্রেডের একজন নতুন কর্মকর্তার ৪৪ হাজার টাকা মূল বেতনের সঙ্গে ৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া হিসেবে ২২ হাজার টাকা যোগ হবে। এর সঙ্গে চিকিৎসা, শিক্ষাসহায়ক, উৎসব ও অন্যান্য ভাতা যুক্ত হবে। সব মিলিয়ে তখন তার মোট বেতন-ভাতা কমবেশি ৭০ হাজার টাকা হতে পারে। ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে এই গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন এক লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা হওয়ার সুযোগ আছে।
সরকারি চাকরিতে সদ্য ঘোষিত বেতনকাঠামোতে নতুন ও পুরোনোদের বেতন কত হবে, সে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে এ–সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারির পর।
বেতনকাঠামোর বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন বেতনকাঠামো–সংক্রান্ত আদেশ অর্থ বিভাগ আজ বা আগামীকাল জারি করবে। তখন সব বিষয় স্পষ্টভাবে জানা যাবে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩০
'জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন শিল্পের মহারাজ। শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির এমন কোনো অঙ্গন নেই যেখানে তাঁর বিচরণ ছিল না। সেই বিচরণ ছিল দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী এক রাজাধিরাজের মতোই। একই সাথে ইসলামী গজল এবং সনাতনী শ্যামাসঙ্গীত কৃষ্ণসঙ্গীত লেখার মতো গভীর বৈপরীত্যের প্রতিভায় পৃথিবীতে নজরুল ছাড়া দ্বিতীয়জন সৃষ্টি হয়নি। অসাম্প্রদায়িক শব্দটা শুধু তাঁর নামের সাথেই শোভা পায়। কবি হিসেবেও নজরুল ছিলেন প্রেম, দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন মহাকবি।' বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির আয়োজনে নজরুল স্মরণোৎসব-২০২৬'এর আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
গত রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওই স্মরণোৎসবে বক্তারা আরো বলেন, 'বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহ শিখেছিলেন কোনো পাঠশালা কিংবা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে নয়; তিনি বিদ্রোহ শিখেছিলেন নিজের জীবনের কাছ থেকে। অভাব তাঁকে শিখিয়েছে সংগ্রাম করতে। বঞ্চনা তাঁকে শিখিয়েছে প্রতিবাদ করতে। সামাজিক বৈষম্য তাঁকে শিখিয়েছে সাম্যের কথা বলতে। ঔপনিবেশিক শাসন তাঁকে শিখিয়েছে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতে। কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি ছিলেন না; তিনি ছিলেন সৈনিক, সাংবাদিক, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীতজ্ঞ, ধর্মীয় পন্ডিত, শিক্ষক, দার্শনিক, রাজনৈতিক কর্মী এবং মানবতাবাদী একজন অকুতোভয় যোদ্ধা।'
বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির চেয়ারম্যান দেশি-বিদেশি পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি মুস্তাফা হাবীবের সভাপতিত্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক অমৃত লাল দে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি বিএম কলেজের সাবেক অধ্যাপক আকতার উদদীন চৌধুরী, আগৈলঝাড়া সরকারি কলেজের প্রভাষক কবি পথিক মোস্তফা ও দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আযাদ আলাউদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সাংবাদিক, কলামিস্ট, সুশাসন ব্যক্তিত্ব ও কবি আরিফ আহমেদ মুন্না।
সভায় অন্যান্য আলোচকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের জেলা সভাপতি বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী জাকির হোসেন সবুজ, আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক স্বপন কুমার বড়াল, জৈনুদ্দিন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবি স.ম জসিম উদ্দিন ও লেখক মাহমুদ ইউসুফ। বাচিক শিল্পী ও আবৃত্তিকার জাহিদ হোসেন হৃদয়ের সঞ্চালনায় স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আগরপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবিতা পরিষদের বরিশাল জেলা সম্পাদক কবি মাহবুব রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক রাঙা প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক (খন্ডকালীন) শাহিন মাহমুদসহ বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।
নজরুল স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভার ফাঁকে ফাঁকে কবিতা আবৃত্তি, গান এবং নাচের পর্ব সমগ্র অনুষ্ঠানে নান্দনিক রূপ দিয়ে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা। কবিতা পাঠের আসরে আবৃত্তি করেন উদীয়মান কবি আহমেদ বেলাল, কবি জিয়াউল হক, কবি শোয়েব আহমেদ ও কবি জিল্লুর রহমান। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পর্বে শিল্পী জগলুল আহমেদ শামীম এবং শাহরিয়ার হিমুর পরিচালনায় নজরুল সংগীতের সুরের মূর্ছনা আর নৃত্যের তালে উপস্থিত সবাইকে বিমোহিত করে স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে লোকসাহিত্য একাডেমির পক্ষ থেকে অতিথি এবং আলোচকদের সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার দেওয়া হয়। #

'জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন শিল্পের মহারাজ। শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির এমন কোনো অঙ্গন নেই যেখানে তাঁর বিচরণ ছিল না। সেই বিচরণ ছিল দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী এক রাজাধিরাজের মতোই। একই সাথে ইসলামী গজল এবং সনাতনী শ্যামাসঙ্গীত কৃষ্ণসঙ্গীত লেখার মতো গভীর বৈপরীত্যের প্রতিভায় পৃথিবীতে নজরুল ছাড়া দ্বিতীয়জন সৃষ্টি হয়নি। অসাম্প্রদায়িক শব্দটা শুধু তাঁর নামের সাথেই শোভা পায়। কবি হিসেবেও নজরুল ছিলেন প্রেম, দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন মহাকবি।' বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির আয়োজনে নজরুল স্মরণোৎসব-২০২৬'এর আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
গত রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওই স্মরণোৎসবে বক্তারা আরো বলেন, 'বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহ শিখেছিলেন কোনো পাঠশালা কিংবা কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে নয়; তিনি বিদ্রোহ শিখেছিলেন নিজের জীবনের কাছ থেকে। অভাব তাঁকে শিখিয়েছে সংগ্রাম করতে। বঞ্চনা তাঁকে শিখিয়েছে প্রতিবাদ করতে। সামাজিক বৈষম্য তাঁকে শিখিয়েছে সাম্যের কথা বলতে। ঔপনিবেশিক শাসন তাঁকে শিখিয়েছে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতে। কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি ছিলেন না; তিনি ছিলেন সৈনিক, সাংবাদিক, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীতজ্ঞ, ধর্মীয় পন্ডিত, শিক্ষক, দার্শনিক, রাজনৈতিক কর্মী এবং মানবতাবাদী একজন অকুতোভয় যোদ্ধা।'
বরিশাল লোকসাহিত্য একাডেমির চেয়ারম্যান দেশি-বিদেশি পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি মুস্তাফা হাবীবের সভাপতিত্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক অমৃত লাল দে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি বিএম কলেজের সাবেক অধ্যাপক আকতার উদদীন চৌধুরী, আগৈলঝাড়া সরকারি কলেজের প্রভাষক কবি পথিক মোস্তফা ও দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আযাদ আলাউদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন সাংবাদিক, কলামিস্ট, সুশাসন ব্যক্তিত্ব ও কবি আরিফ আহমেদ মুন্না।
সভায় অন্যান্য আলোচকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের জেলা সভাপতি বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী জাকির হোসেন সবুজ, আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক স্বপন কুমার বড়াল, জৈনুদ্দিন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবি স.ম জসিম উদ্দিন ও লেখক মাহমুদ ইউসুফ। বাচিক শিল্পী ও আবৃত্তিকার জাহিদ হোসেন হৃদয়ের সঞ্চালনায় স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আগরপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবিতা পরিষদের বরিশাল জেলা সম্পাদক কবি মাহবুব রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক রাঙা প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক (খন্ডকালীন) শাহিন মাহমুদসহ বিভিন্ন শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।
নজরুল স্মরণোৎসবের ওই আলোচনা সভার ফাঁকে ফাঁকে কবিতা আবৃত্তি, গান এবং নাচের পর্ব সমগ্র অনুষ্ঠানে নান্দনিক রূপ দিয়ে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা। কবিতা পাঠের আসরে আবৃত্তি করেন উদীয়মান কবি আহমেদ বেলাল, কবি জিয়াউল হক, কবি শোয়েব আহমেদ ও কবি জিল্লুর রহমান। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পর্বে শিল্পী জগলুল আহমেদ শামীম এবং শাহরিয়ার হিমুর পরিচালনায় নজরুল সংগীতের সুরের মূর্ছনা আর নৃত্যের তালে উপস্থিত সবাইকে বিমোহিত করে স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে লোকসাহিত্য একাডেমির পক্ষ থেকে অতিথি এবং আলোচকদের সম্মাননা স্মারক গ্রন্থ উপহার দেওয়া হয়। #


২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫১
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরযোগ্য চাকা ও অটো ঢাকনাযুক্ত অত্যাধুনিক ডাস্টবিন দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্সের সহায়তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওই আধুনিক ডাস্টবিন প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এসময় উপজেলার ১নং বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের হাতে ওই ডাস্টবিন তুলে দিয়ে বিতরণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করা হয়।
ডাস্টবিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এসময় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ডাস্টবিন ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ সম্পর্কিত এক সচেতনামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ মাসুদুর রহমান এবং বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান স্বপন। এসময় উপস্থিত প্রধান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন শিশু নিকেতন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন মোল্লা ও খানপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমত আরা কনা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুন্নাহার বেগম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বিডি ক্লিন বরিশালের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী জায়েদ ইরফান, আরিফুর রহমান প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিডি ক্লিনের বরিশাল টিমের সদস্যরা ছাড়াও বাবুগঞ্জ উপজেলার শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডাস্টবিন বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বিডি ক্লিনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ মাসুদুর রহমান বলেন, 'শিক্ষক হলেন জাতি গড়ার কারিগর। একটি মানবশিশুর মূল ভিত্তি বা ফাউন্ডেশন তৈরি করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। আজকে যে শিশুটিকে আপনি লেখাপড়া শেখাচ্ছেন সেই শিশুটিকে যদি আপনি পরিচ্ছন্নতা শেখান তবে সে একদিন পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ উপহার দেবে। আজকের এই শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের শেখাতে হবে তার বসতঘরটি তাকে যেভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে ঠিক সেভাবেই তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তার সমাজ এবং তার দেশকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তাদের দেশপ্রেম শেখাতে হবে। শেখাতে হবে পরিচ্ছন্নতা মানে শুধু ময়লা আবর্জনা পরিস্কার নয়; পরিচ্ছন্নতা মানে অন্তরের পরিশুদ্ধতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং মানবিক সৌন্দর্য অর্জন করা। যা একজন মানুষকে সত্যিকারের মানুষ হতে শেখাবে।'
বাবুগঞ্জে শুরু হওয়া পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনের উদ্যোক্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'গত মাস থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সবুজায়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই কাজে টেকনিক্যাল সহায়তা দিচ্ছে বিডি ক্লিন এবং সহযোগিতা করছে সুজন। উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাস ক্লিন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এর পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও স্টেশনে ডাস্টবিন স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও উপজেলার খালগুলোকে পরিস্কার করে এর পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব নানামুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে উপজেলার ১৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরযোগ্য চাকা এবং ঢাকনাযুক্ত অত্যাধুনিক ডাস্টবিন স্থাপন কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্সের সহায়তায় আপাতত আমরা প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরযোগ্য এসব আধুনিক ডাস্টবিন দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে। বাবুগঞ্জ উপজেলাকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন সবুজে ঘেরা একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরযোগ্য চাকা ও অটো ঢাকনাযুক্ত অত্যাধুনিক ডাস্টবিন দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্সের সহায়তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওই আধুনিক ডাস্টবিন প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এসময় উপজেলার ১নং বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের হাতে ওই ডাস্টবিন তুলে দিয়ে বিতরণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করা হয়।
ডাস্টবিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এসময় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ডাস্টবিন ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ সম্পর্কিত এক সচেতনামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ মাসুদুর রহমান এবং বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান স্বপন। এসময় উপস্থিত প্রধান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন শিশু নিকেতন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন মোল্লা ও খানপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমত আরা কনা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুন্নাহার বেগম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বিডি ক্লিন বরিশালের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী জায়েদ ইরফান, আরিফুর রহমান প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিডি ক্লিনের বরিশাল টিমের সদস্যরা ছাড়াও বাবুগঞ্জ উপজেলার শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডাস্টবিন বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বিডি ক্লিনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ মাসুদুর রহমান বলেন, 'শিক্ষক হলেন জাতি গড়ার কারিগর। একটি মানবশিশুর মূল ভিত্তি বা ফাউন্ডেশন তৈরি করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। আজকে যে শিশুটিকে আপনি লেখাপড়া শেখাচ্ছেন সেই শিশুটিকে যদি আপনি পরিচ্ছন্নতা শেখান তবে সে একদিন পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ উপহার দেবে। আজকের এই শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের শেখাতে হবে তার বসতঘরটি তাকে যেভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে ঠিক সেভাবেই তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তার সমাজ এবং তার দেশকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তাদের দেশপ্রেম শেখাতে হবে। শেখাতে হবে পরিচ্ছন্নতা মানে শুধু ময়লা আবর্জনা পরিস্কার নয়; পরিচ্ছন্নতা মানে অন্তরের পরিশুদ্ধতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং মানবিক সৌন্দর্য অর্জন করা। যা একজন মানুষকে সত্যিকারের মানুষ হতে শেখাবে।'
বাবুগঞ্জে শুরু হওয়া পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা আন্দোলনের উদ্যোক্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'গত মাস থেকে বাবুগঞ্জ উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সবুজায়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই কাজে টেকনিক্যাল সহায়তা দিচ্ছে বিডি ক্লিন এবং সহযোগিতা করছে সুজন। উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাস ক্লিন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এর পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও স্টেশনে ডাস্টবিন স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও উপজেলার খালগুলোকে পরিস্কার করে এর পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব নানামুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে উপজেলার ১৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরযোগ্য চাকা এবং ঢাকনাযুক্ত অত্যাধুনিক ডাস্টবিন স্থাপন কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্সের সহায়তায় আপাতত আমরা প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরযোগ্য এসব আধুনিক ডাস্টবিন দিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে। বাবুগঞ্জ উপজেলাকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন সবুজে ঘেরা একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫
ছোটপর্দার চলতি সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই অভিনেতার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। এ খবর দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা নিজেও।
আলভী বলেন, ‘আমি নাটকের শুটিংয়ে নেপালে অবস্থান করছি। কী কারণে ইকরা আত্মহত্যা করেছে, ঠিক জানি না। খবরটি পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। আমার একমাত্র সন্তানের জন্য চিন্তা হচ্ছে।’
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর পারিবারিক আয়োজনে ইকরাকে বিয়ে করেন আলভী। এরই মধ্যে তাদের ভালোবাসার সংসার ১৫ বছর পার করেছে।
কয়েক বছর ধরে অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে আলভীর প্রেমের গুঞ্জন চলছে। যদিও বরাবর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তারা। খবর রয়েছে, তিথিকে ঘিরেই অভিনেতার সংসারে অশান্তি।
সর্বশেষ গত শুক্রবার ছিল তিথির জন্মদিন। এদিন অভিনেত্রীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে আলভী ফেসবুকে লিখেন, ‘শুভ জন্মদিন নায়িকা। জীবনে আরও অনেক দূর যেতে হবে। তুমি আমার দেখা এই ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে পরিশ্রমী কো-আর্টিস্ট ও পছন্দেরও। তোমার পরিশ্রম তোমাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেই। সহজ, সরল-সুন্দর হোক তোমার জীবন।’
এর পরের দিনই এলো যাহের আলভীর স্ত্রীর ইকরার আত্মহত্যার খবর। এই মুহূর্তে নেপালে আলভীর সঙ্গে তিথি অবস্থান করছেন।
এই অভিনেতার ক্যারিয়ারের সূচনা ২০১২ সালে। এই সময়ে ছোটপর্দায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন আলভী।