বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে সুজন আকন নামে এক যুবককে আটক করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বলে দাবি করলেও দলটির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যে এ বিষয়ে ভিন্নতা রয়েছে। ফলে সুজন আদৌ জামায়াতের কর্মী কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের ভাষ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর ওই নারীর সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়।
এদিকে, যে নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে, তিনিই সুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় এজাহার করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সাদেকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুজন আকন নামে কথিত জামায়াত কর্মী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মেহেন্দিগঞ্জের ওই সৌদি আরবপ্রবাসী প্রায় সাত বছর ধরে দেশটিতে কর্মরত। তিন বছর আগে দেশে ফিরে তিনি চানপুর মোল্লা স্টেশন এলাকায় বিয়ে করেন। তাদের একটি সন্তান জন্মের পাঁচ দিন পর মারা যায়। প্রায় ছয় মাস আগে ওই প্রবাসী আবার সৌদি আরবে চলে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে সৌদি আরব প্রবাসীর বাড়ির একটি কক্ষ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা কক্ষে ঢুকে ওই নারী ও সুজন আকনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয়ভাবে প্রথমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে সমঝোতা না হওয়ায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুজনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
আটক গৃহবধূর জা বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে তাদের হাতেনাতে শয়নকক্ষ থেকে আটক করেছি। এর আগেও একবার ধরা পড়েছিল। তখন স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়েছিল, আর এমন কাজ করব না। তবে কথা রাখেনি। আমরা বিচার চাই।
গৃহবধূর ভাসুর বলেন, ছেলেটি বিবাহিত। তার দুটি সন্তান রয়েছে। আমাদের মানসম্মান নষ্ট করেছে।
গৃহবধূর ভাসুরের ছেলে অভিযোগ করেন, গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে তাদের বাড়িতে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠক হয়। ওই বৈঠক থেকেই তার কাকির সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়। পরে ফেসবুকে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রবাসী স্বামী দেশের বাইরে থাকার সুযোগে ওই নারী ও সুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শ্বশুরবাড়ির চাপে গৃহবধূর ফোন বন্ধ থাকায় সুজন তাকে নতুন মোবাইল কিনে দেন বলেও তারা দাবি করেন।
পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যে ওই নারী বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক হয়। সুজন তার বাসায় একাধিকবার এসেছেন এবং তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল বলেও জানান তিনি।
তবে সুজন আকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা সম্পর্কে দেবর-ভাবী। সে আমাকে মোবাইলে ডেকে এনেছিল। যারা ধরেছে তারা আগেই ওঁৎ পেতে ছিল। তবে আমি কোনো খারাপ কাজ করিনি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
সুজন আকনের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য শহীদ হোসেন বলেন, সুজন আকন আমাদের মিছিল-মিটিংয়ে যান। তবে দলের কোনো পদে আছেন কি না জানি না।
তবে সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. সেলিম শিকদার বলেন, আটক সুজন সংগঠনের কেউ নন। তার ভাষ্য, সভা-সমাবেশে অনেক মানুষ আসেন, ছবি তোলেন। কোনো কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকা বা ছবি থাকলেই কেউ সংগঠনের নেতা বা কর্মী হয়ে যান না।
ফলে সুজন আকন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী কিংবা সংগঠনের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতকর্মী বললেও এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তার অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিতির কারণেই তাকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, একই কক্ষে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের পর গৃহবধূ বাদী হয়ে সুজন আকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে এজাহার দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০৯
বহিরাগতদের নিয়ে র্যালি করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির 'অদম্য জুলাই' শীর্ষক একটি র্যালি বের করলে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, র্যালিতে বহিরাগতদের উপস্থিতি নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে কয়েক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক আহমেদ অভিযোগ করেন, শিবির বহিরাগতদের নিয়ে লাঠির সঙ্গে পতাকা বেঁধে ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে। তারা বহিরাগতদের ছাড়া কর্মসূচি পালনের অনুরোধ করলে শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলের পাঁচ থেকে ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবু অভিযোগ করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে ভিসি গেটের দিকে যাওয়ার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে পাঁচ জনের মত নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটে এবং প্রক্টর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও হামলা থামেনি। এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে উভয় পক্ষই সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বরিশাল মেট্রোপলিটনে এডিসি বেলাল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা শুনে আমরা এখানে এসেছি। ঘটনার পরপর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা দুই পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান করেছি।
বহিরাগতদের নিয়ে র্যালি করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির 'অদম্য জুলাই' শীর্ষক একটি র্যালি বের করলে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, র্যালিতে বহিরাগতদের উপস্থিতি নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে কয়েক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক আহমেদ অভিযোগ করেন, শিবির বহিরাগতদের নিয়ে লাঠির সঙ্গে পতাকা বেঁধে ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে। তারা বহিরাগতদের ছাড়া কর্মসূচি পালনের অনুরোধ করলে শিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলের পাঁচ থেকে ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবু অভিযোগ করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে ভিসি গেটের দিকে যাওয়ার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে পাঁচ জনের মত নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটে এবং প্রক্টর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও হামলা থামেনি। এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে উভয় পক্ষই সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বরিশাল মেট্রোপলিটনে এডিসি বেলাল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা শুনে আমরা এখানে এসেছি। ঘটনার পরপর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা দুই পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান করেছি।

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৪১
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পূর্ব ভুতেরদিয়া দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুস সালাম সভাপতি এবং কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনোয়ার হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও কমিটির নির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ আমিনা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ভুতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন।
গত ৩ আগস্ট বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীনের যৌথ স্বাক্ষরিত এক অনুমোদন পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির বিদায়ী সভাপতি জাহিদুর রহমান সিকদার এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ সম্প্রতি চাকুরিজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করায় গত ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এক ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সোমবার কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সম্পাদকের অনুমোদনের পরে ওই নবকমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসাঃ আলেয়া ববিতা, কাজী এনায়েত হোসেন, নীলিমা আক্তার, সহ-সভাপতি হানিফ উদ্দিন খান, মঞ্জুর কবির, মঞ্জুয়ারা বেগম, জাহানারা আরজু, হাসিনা আক্তার, নির্বাহী সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এবায়দুল হক, ইসরাত জাহান, যুগ্ম-সম্পাদক নুসরাত জাহান, নজরুল ইসলাম, আমিনা আক্তার তনু, সহ-সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, দবির হোসেন, কহিনুর আক্তার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান, মহিলা সম্পাদক রেবেকা সুলতানা, সহ-মহিলা সম্পাদক নাজনীন সুলতানা, অর্থ সম্পাদক আব্দুল হক, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম,
দপ্তর সম্পাদক আবু তালেব, শিক্ষা সম্পাদক মাইনুল হাসান, সাহিত্য সম্পাদক মুরাদ হাসান, ধর্ম সম্পাদক উমর ফারুক, সংস্কৃতি ও বিনোদন সম্পাদক মোঃ ইমরান, যোগাযোগ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তানভীর হাসান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সিমা আক্তার, সমবায় সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক তন্ময় চন্দ্র রায়, আইসিটি সম্পাদক সুব্রত, ক্রীড়া সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমুন নাহার সুখী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক তাপতুন, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিপাশা হাই লুনা, কল্যাণ ট্রাস্ট সম্পাদক চৈতালি রানী দাস, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, নাট্য সম্পাদক মোসাঃ মানসুরা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কাজল রেখা, কাব স্কাউটিং সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস, পরিকল্পনা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য দিলরুবা আক্তার, আসমা আক্তার এবং মোসাঃ তিবা।
নবনির্বাচিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা আগামী ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। নবকমিটির সাধারণ সম্পাদক কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ার হোসেন বলেন, 'অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সর্বসম্মতিক্রমে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি চূড়ান্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনের পরে আজ তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আমরা শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে একযোগে কাজ করবো।' #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পূর্ব ভুতেরদিয়া দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুস সালাম সভাপতি এবং কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনোয়ার হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও কমিটির নির্বাহী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ আমিনা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ভুতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন।
গত ৩ আগস্ট বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীনের যৌথ স্বাক্ষরিত এক অনুমোদন পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির বিদায়ী সভাপতি জাহিদুর রহমান সিকদার এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ সম্প্রতি চাকুরিজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করায় গত ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এক ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সোমবার কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সম্পাদকের অনুমোদনের পরে ওই নবকমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসাঃ আলেয়া ববিতা, কাজী এনায়েত হোসেন, নীলিমা আক্তার, সহ-সভাপতি হানিফ উদ্দিন খান, মঞ্জুর কবির, মঞ্জুয়ারা বেগম, জাহানারা আরজু, হাসিনা আক্তার, নির্বাহী সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এবায়দুল হক, ইসরাত জাহান, যুগ্ম-সম্পাদক নুসরাত জাহান, নজরুল ইসলাম, আমিনা আক্তার তনু, সহ-সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, দবির হোসেন, কহিনুর আক্তার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান, মহিলা সম্পাদক রেবেকা সুলতানা, সহ-মহিলা সম্পাদক নাজনীন সুলতানা, অর্থ সম্পাদক আব্দুল হক, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম,
দপ্তর সম্পাদক আবু তালেব, শিক্ষা সম্পাদক মাইনুল হাসান, সাহিত্য সম্পাদক মুরাদ হাসান, ধর্ম সম্পাদক উমর ফারুক, সংস্কৃতি ও বিনোদন সম্পাদক মোঃ ইমরান, যোগাযোগ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তানভীর হাসান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সিমা আক্তার, সমবায় সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক তন্ময় চন্দ্র রায়, আইসিটি সম্পাদক সুব্রত, ক্রীড়া সম্পাদক মিজানুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমুন নাহার সুখী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক তাপতুন, আইন বিষয়ক সম্পাদক বিপাশা হাই লুনা, কল্যাণ ট্রাস্ট সম্পাদক চৈতালি রানী দাস, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, নাট্য সম্পাদক মোসাঃ মানসুরা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কাজল রেখা, কাব স্কাউটিং সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস, পরিকল্পনা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য দিলরুবা আক্তার, আসমা আক্তার এবং মোসাঃ তিবা।
নবনির্বাচিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা আগামী ৩ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। নবকমিটির সাধারণ সম্পাদক কুমারিয়ারপীঠ জাহিদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ার হোসেন বলেন, 'অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সর্বসম্মতিক্রমে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি চূড়ান্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনের পরে আজ তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আমরা শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে একযোগে কাজ করবো।' #

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।
এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।
এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে সুজন আকন নামে এক যুবককে আটক করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বলে দাবি করলেও দলটির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যে এ বিষয়ে ভিন্নতা রয়েছে। ফলে সুজন আদৌ জামায়াতের কর্মী কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের ভাষ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর ওই নারীর সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়।
এদিকে, যে নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে, তিনিই সুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় এজাহার করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সাদেকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুজন আকন নামে কথিত জামায়াত কর্মী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মেহেন্দিগঞ্জের ওই সৌদি আরবপ্রবাসী প্রায় সাত বছর ধরে দেশটিতে কর্মরত। তিন বছর আগে দেশে ফিরে তিনি চানপুর মোল্লা স্টেশন এলাকায় বিয়ে করেন। তাদের একটি সন্তান জন্মের পাঁচ দিন পর মারা যায়। প্রায় ছয় মাস আগে ওই প্রবাসী আবার সৌদি আরবে চলে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে সৌদি আরব প্রবাসীর বাড়ির একটি কক্ষ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা কক্ষে ঢুকে ওই নারী ও সুজন আকনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয়ভাবে প্রথমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে সমঝোতা না হওয়ায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুজনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
আটক গৃহবধূর জা বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে তাদের হাতেনাতে শয়নকক্ষ থেকে আটক করেছি। এর আগেও একবার ধরা পড়েছিল। তখন স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়েছিল, আর এমন কাজ করব না। তবে কথা রাখেনি। আমরা বিচার চাই।
গৃহবধূর ভাসুর বলেন, ছেলেটি বিবাহিত। তার দুটি সন্তান রয়েছে। আমাদের মানসম্মান নষ্ট করেছে।
গৃহবধূর ভাসুরের ছেলে অভিযোগ করেন, গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে তাদের বাড়িতে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠক হয়। ওই বৈঠক থেকেই তার কাকির সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়। পরে ফেসবুকে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রবাসী স্বামী দেশের বাইরে থাকার সুযোগে ওই নারী ও সুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শ্বশুরবাড়ির চাপে গৃহবধূর ফোন বন্ধ থাকায় সুজন তাকে নতুন মোবাইল কিনে দেন বলেও তারা দাবি করেন।
পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যে ওই নারী বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক হয়। সুজন তার বাসায় একাধিকবার এসেছেন এবং তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল বলেও জানান তিনি।
তবে সুজন আকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা সম্পর্কে দেবর-ভাবী। সে আমাকে মোবাইলে ডেকে এনেছিল। যারা ধরেছে তারা আগেই ওঁৎ পেতে ছিল। তবে আমি কোনো খারাপ কাজ করিনি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
সুজন আকনের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য শহীদ হোসেন বলেন, সুজন আকন আমাদের মিছিল-মিটিংয়ে যান। তবে দলের কোনো পদে আছেন কি না জানি না।
তবে সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. সেলিম শিকদার বলেন, আটক সুজন সংগঠনের কেউ নন। তার ভাষ্য, সভা-সমাবেশে অনেক মানুষ আসেন, ছবি তোলেন। কোনো কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকা বা ছবি থাকলেই কেউ সংগঠনের নেতা বা কর্মী হয়ে যান না।
ফলে সুজন আকন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী কিংবা সংগঠনের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতকর্মী বললেও এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তার অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিতির কারণেই তাকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, একই কক্ষে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের পর গৃহবধূ বাদী হয়ে সুজন আকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে এজাহার দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০৯
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০২
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৪১
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৭