বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে সুজন আকন নামে এক যুবককে আটক করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বলে দাবি করলেও দলটির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যে এ বিষয়ে ভিন্নতা রয়েছে। ফলে সুজন আদৌ জামায়াতের কর্মী কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের ভাষ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর ওই নারীর সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়।
এদিকে, যে নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে, তিনিই সুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় এজাহার করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সাদেকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুজন আকন নামে কথিত জামায়াত কর্মী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মেহেন্দিগঞ্জের ওই সৌদি আরবপ্রবাসী প্রায় সাত বছর ধরে দেশটিতে কর্মরত। তিন বছর আগে দেশে ফিরে তিনি চানপুর মোল্লা স্টেশন এলাকায় বিয়ে করেন। তাদের একটি সন্তান জন্মের পাঁচ দিন পর মারা যায়। প্রায় ছয় মাস আগে ওই প্রবাসী আবার সৌদি আরবে চলে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে সৌদি আরব প্রবাসীর বাড়ির একটি কক্ষ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা কক্ষে ঢুকে ওই নারী ও সুজন আকনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয়ভাবে প্রথমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে সমঝোতা না হওয়ায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুজনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
আটক গৃহবধূর জা বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে তাদের হাতেনাতে শয়নকক্ষ থেকে আটক করেছি। এর আগেও একবার ধরা পড়েছিল। তখন স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়েছিল, আর এমন কাজ করব না। তবে কথা রাখেনি। আমরা বিচার চাই।
গৃহবধূর ভাসুর বলেন, ছেলেটি বিবাহিত। তার দুটি সন্তান রয়েছে। আমাদের মানসম্মান নষ্ট করেছে।
গৃহবধূর ভাসুরের ছেলে অভিযোগ করেন, গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে তাদের বাড়িতে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠক হয়। ওই বৈঠক থেকেই তার কাকির সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়। পরে ফেসবুকে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রবাসী স্বামী দেশের বাইরে থাকার সুযোগে ওই নারী ও সুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শ্বশুরবাড়ির চাপে গৃহবধূর ফোন বন্ধ থাকায় সুজন তাকে নতুন মোবাইল কিনে দেন বলেও তারা দাবি করেন।
পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যে ওই নারী বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক হয়। সুজন তার বাসায় একাধিকবার এসেছেন এবং তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল বলেও জানান তিনি।
তবে সুজন আকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা সম্পর্কে দেবর-ভাবী। সে আমাকে মোবাইলে ডেকে এনেছিল। যারা ধরেছে তারা আগেই ওঁৎ পেতে ছিল। তবে আমি কোনো খারাপ কাজ করিনি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
সুজন আকনের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য শহীদ হোসেন বলেন, সুজন আকন আমাদের মিছিল-মিটিংয়ে যান। তবে দলের কোনো পদে আছেন কি না জানি না।
তবে সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. সেলিম শিকদার বলেন, আটক সুজন সংগঠনের কেউ নন। তার ভাষ্য, সভা-সমাবেশে অনেক মানুষ আসেন, ছবি তোলেন। কোনো কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকা বা ছবি থাকলেই কেউ সংগঠনের নেতা বা কর্মী হয়ে যান না।
ফলে সুজন আকন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী কিংবা সংগঠনের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতকর্মী বললেও এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তার অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিতির কারণেই তাকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, একই কক্ষে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের পর গৃহবধূ বাদী হয়ে সুজন আকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে এজাহার দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ভাঙাচোরা সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়ক নিয়ে বছরের পর বছর জনদুর্ভোগ চললেও সমাধান মিলছে না।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আন্দোলনের পর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের হুমকি ও শাসানোর অভিযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নকাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে গত ৯ আগস্ট বামরাইল ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রেখে তারা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি করেন। শত শত মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভে দীর্ঘদিনের জনক্ষোভ প্রকাশ পায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন খানাখন্দ, গর্ত ও কাদায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ে ঝুঁকি।
প্রতিদিন শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু, বৃদ্ধ, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অথচ সংস্কারের নামে দীর্ঘদিন ধরে চলছে শুধু আশ্বাস।
এরমধ্যেই আন্দোলনকারীদের হুমকি-শাসানোর অভিযোগে প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তার সঙ্গে কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকায় শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
তবে অডিওটির সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রকৌশলী সুব্রত রায়ও কল রেকর্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
অপরদিকে সড়ক নিয়ে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি (প্রকৌশলী) বলেন, রাস্তার পাশ দিয়ে পানি নামানো না গেলে এ রাস্তা এক মাসও টিকবে না।
তিনি আরও বলেন, ঠিকাদার কাজ শুরু করার আগে জনগণের চলাচলের জন্য কিছু করা যাবেনা।
প্রকৌশলীর এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কের স্থায়ীত্ব যদি পানি নিষ্কাশনের ওপর নির্ভর করে, তাহলে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সময় পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি কেন?
জনগণের চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না করেই কাজ শুরু হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
অপরদিকে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা, সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়কের প্রকল্প, টেন্ডার, ব্যয়, কাজের মান ও তদারকির বিষয়গুলো তদন্তের পাশাপাশি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ভাঙাচোরা সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়ক নিয়ে বছরের পর বছর জনদুর্ভোগ চললেও সমাধান মিলছে না।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আন্দোলনের পর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের হুমকি ও শাসানোর অভিযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নকাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে গত ৯ আগস্ট বামরাইল ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রেখে তারা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি করেন। শত শত মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভে দীর্ঘদিনের জনক্ষোভ প্রকাশ পায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন খানাখন্দ, গর্ত ও কাদায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ে ঝুঁকি।
প্রতিদিন শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু, বৃদ্ধ, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অথচ সংস্কারের নামে দীর্ঘদিন ধরে চলছে শুধু আশ্বাস।
এরমধ্যেই আন্দোলনকারীদের হুমকি-শাসানোর অভিযোগে প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তার সঙ্গে কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকায় শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
তবে অডিওটির সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রকৌশলী সুব্রত রায়ও কল রেকর্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
অপরদিকে সড়ক নিয়ে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি (প্রকৌশলী) বলেন, রাস্তার পাশ দিয়ে পানি নামানো না গেলে এ রাস্তা এক মাসও টিকবে না।
তিনি আরও বলেন, ঠিকাদার কাজ শুরু করার আগে জনগণের চলাচলের জন্য কিছু করা যাবেনা।
প্রকৌশলীর এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কের স্থায়ীত্ব যদি পানি নিষ্কাশনের ওপর নির্ভর করে, তাহলে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সময় পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি কেন?
জনগণের চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না করেই কাজ শুরু হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
অপরদিকে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা, সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়কের প্রকল্প, টেন্ডার, ব্যয়, কাজের মান ও তদারকির বিষয়গুলো তদন্তের পাশাপাশি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে রাতের মধ্যে বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাগরে এই নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে রাতের মধ্যে বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে বরিশাল, পটুয়াখালী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সাগরে এই নিম্নচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।’

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের বিএনপির সাড়ে চার হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। সাতশর অধিক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছিলেন। যাদের স্বজনেরা এখনো তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে স্বজন ফেরার প্রতীক্ষায় থাকে। গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বরিশালের গৌরনদীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় ভূমিকা ও বর্তমান প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দিশারি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পেরেছিলেন তার একমাত্র কারণ পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মতো স্ত্রী। জিয়াউর রহমানের প্রতিটি কাজের ছায়াসঙ্গী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ’
তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশ ষড়যন্ত্রে যখন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের শিকার ঘটানো হয়। তখন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গৃহবধূ। নাবালক দুইটি সন্তান নিয়ে যখন পরিবারের হাল ধরেছিলেন তিনি, তখন বিএনপির অবস্থাও করুণ। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা বলেছিলেন, আপনাকে বিএনপির হাল ধরতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একদিকে দুটি নাবালক সন্তানসহ সংসারের হাল। অন্যদিকে গোটা বিএনপি পরিবারের হাল ধরে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বৈরাচার হটানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া আপষহীন নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য মুক্তির দিসারী ছিলেন।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা জুলাইকে ছোট করে দেখতে চাইনা। জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে বিগত ১৬ বছর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের যে সূচনা হয়েছিল তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে।’
আলোচনা সভায় সভা প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্যসচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন প্রমুখ।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে অর্থাৎ আওয়ামী লীগের বিএনপির সাড়ে চার হাজারের বেশি নেতাকর্মী ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। সাতশর অধিক নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছিলেন। যাদের স্বজনেরা এখনো তাহাজ্জুদ নামাজ শেষে জায়নামাজে বসে স্বজন ফেরার প্রতীক্ষায় থাকে। গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বরিশালের গৌরনদীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় ভূমিকা ও বর্তমান প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির দিশারি হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পেরেছিলেন তার একমাত্র কারণ পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার মতো স্ত্রী। জিয়াউর রহমানের প্রতিটি কাজের ছায়াসঙ্গী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ’
তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশ ষড়যন্ত্রে যখন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের শিকার ঘটানো হয়। তখন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গৃহবধূ। নাবালক দুইটি সন্তান নিয়ে যখন পরিবারের হাল ধরেছিলেন তিনি, তখন বিএনপির অবস্থাও করুণ। তখন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা বলেছিলেন, আপনাকে বিএনপির হাল ধরতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একদিকে দুটি নাবালক সন্তানসহ সংসারের হাল। অন্যদিকে গোটা বিএনপি পরিবারের হাল ধরে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বৈরাচার হটানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া আপষহীন নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য মুক্তির দিসারী ছিলেন।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা জুলাইকে ছোট করে দেখতে চাইনা। জুলাই বিপ্লব সফল হয়েছে বিগত ১৬ বছর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের যে সূচনা হয়েছিল তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে।’
আলোচনা সভায় সভা প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্যসচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপন প্রমুখ।

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে সুজন আকন নামে এক যুবককে আটক করেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বলে দাবি করলেও দলটির স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যে এ বিষয়ে ভিন্নতা রয়েছে। ফলে সুজন আদৌ জামায়াতের কর্মী কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের ভাষ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত একটি উঠান বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর ওই নারীর সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়।
এদিকে, যে নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে, তিনিই সুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় এজাহার করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সাদেকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুজন আকন নামে কথিত জামায়াত কর্মী সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মেহেন্দিগঞ্জের ওই সৌদি আরবপ্রবাসী প্রায় সাত বছর ধরে দেশটিতে কর্মরত। তিন বছর আগে দেশে ফিরে তিনি চানপুর মোল্লা স্টেশন এলাকায় বিয়ে করেন। তাদের একটি সন্তান জন্মের পাঁচ দিন পর মারা যায়। প্রায় ছয় মাস আগে ওই প্রবাসী আবার সৌদি আরবে চলে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে সৌদি আরব প্রবাসীর বাড়ির একটি কক্ষ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা কক্ষে ঢুকে ওই নারী ও সুজন আকনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। এরপর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
স্থানীয়ভাবে প্রথমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে সমঝোতা না হওয়ায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুজনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
আটক গৃহবধূর জা বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে তাদের হাতেনাতে শয়নকক্ষ থেকে আটক করেছি। এর আগেও একবার ধরা পড়েছিল। তখন স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়েছিল, আর এমন কাজ করব না। তবে কথা রাখেনি। আমরা বিচার চাই।
গৃহবধূর ভাসুর বলেন, ছেলেটি বিবাহিত। তার দুটি সন্তান রয়েছে। আমাদের মানসম্মান নষ্ট করেছে।
গৃহবধূর ভাসুরের ছেলে অভিযোগ করেন, গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে তাদের বাড়িতে একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠক হয়। ওই বৈঠক থেকেই তার কাকির সঙ্গে সুজনের পরিচয় হয়। পরে ফেসবুকে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রবাসী স্বামী দেশের বাইরে থাকার সুযোগে ওই নারী ও সুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। শ্বশুরবাড়ির চাপে গৃহবধূর ফোন বন্ধ থাকায় সুজন তাকে নতুন মোবাইল কিনে দেন বলেও তারা দাবি করেন।
পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যে ওই নারী বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক হয়। সুজন তার বাসায় একাধিকবার এসেছেন এবং তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল বলেও জানান তিনি।
তবে সুজন আকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা সম্পর্কে দেবর-ভাবী। সে আমাকে মোবাইলে ডেকে এনেছিল। যারা ধরেছে তারা আগেই ওঁৎ পেতে ছিল। তবে আমি কোনো খারাপ কাজ করিনি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
সুজন আকনের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য শহীদ হোসেন বলেন, সুজন আকন আমাদের মিছিল-মিটিংয়ে যান। তবে দলের কোনো পদে আছেন কি না জানি না।
তবে সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. সেলিম শিকদার বলেন, আটক সুজন সংগঠনের কেউ নন। তার ভাষ্য, সভা-সমাবেশে অনেক মানুষ আসেন, ছবি তোলেন। কোনো কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকা বা ছবি থাকলেই কেউ সংগঠনের নেতা বা কর্মী হয়ে যান না।
ফলে সুজন আকন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী কিংবা সংগঠনের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে জামায়াতকর্মী বললেও এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তার অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিতির কারণেই তাকে জামায়াতের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, একই কক্ষে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় আটকের পর গৃহবধূ বাদী হয়ে সুজন আকনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে এজাহার দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।'