ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে আটকানোর জন্য কত কৌশল-পরিকল্পনা এঁকেছিলেন কোচরা।
তবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে ৮ বারের ব্যালন ডি’র জয়ীকে থামাতে পারেননি কেউই।
অন্যদিকে মাঠের বাইরেও মেসি থামানোর পরিকল্পনা চলছিল। এই থামানোর পরিকল্পনা সাময়িক সময়ের জন্য ছিল না, চিরতরে পৃথিবী থেকে বিদায় করার। বিশ্বকাপে মেসিকে হত্যা করার পরিকল্পনাই এঁটেছিলেন সন্ত্রাসীরা।
অবশ্য শুধু আর্জেন্টিনার অধিনায়কই নন, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-কিলিয়ান এমবাপ্পেসহ রেফারি-কর্মকর্তারাও।
এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ফাঁস হওয়া এক নিরাপত্তা নথিতে। স্পেনের ইনফরমেশন ডট ইএসের বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
গত মাসে শেষ হওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে হামলার হুমকি দেন এক ব্যক্তি।
ম্যাচের আগে ডালাস বিমানবন্দরে ফোন দিয়ে জানান, আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে ঢুকবেন। সঙ্গে তাদের হাতে থাকবে হ্যান্ড গ্রেনেড ও এআর-১৫ রাইফেল।
মেসিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের আগে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি দাবি করেন, শরীরে চারটি বোমা বেঁধে আটলান্টার স্টেডিয়ামে ঢুকবেন তিনি। লক্ষ্য মেসি!
এমনকি ম্যাচ চলাকালে পুলিশকে ফোন করে জানানো হয়, গ্যালারির আবর্জনার ঝুড়িতে রাখা হয়েছে তিনটি বোমা।
এরপরেই বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল ও প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো স্টেডিয়ামে শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান।
রোনালদোকেও ঘিরেও নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল। ফিফার এক কর্মী পুলিশকে জানান, রোনালদো কোথায় থাকছেন কি করছেন সেই তথ্য জানার চেষ্টা করেছিলেন সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি। আরেক ব্যক্তি তো পর্তুগিজ অধিনায়কের সঙ্গে তার হোটেলের লিফটেও ওঠার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করলে জবাব দেন, রোনালদোর সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।
এমবাপে হামলার লক্ষ্য বস্তু না হলেও তাকে নিয়ে অনেকে ব্যাপক সমালোচনা ও বর্ণবাদী আচরণ করেন। ফ্রান্সের কাছে হেরে প্যারাগুয়ের সমর্থকরা এমবাপের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছিলেন। সঙ্গে বর্ণবাদী স্লোগানও দিয়েছিলেন। প্যারাগুয়ের এক সিনেটর তো এক কাঠি সরেস হয়ে তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণের সঙ্গে বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। পরে অবশ্য নিজেই সমালোচনার মুখে পড়েন। নিজ দেশের রাজনীতিবিদসহ অনেক সিনেটরের মন্তব্যের নিন্দা করেন। অন্যদিকে এ ঘটনায় এমবাপ্পের পাশে দাঁড়ান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
পেনাল্টি মিস করে হত্যা হুমকির মুখে কলম্বিয়ার হামিন্তন কামপাজ। নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় দলের সঙ্গে তিনি দেশেও ফিরতে পারেননি। কেননা ১৯৯৪ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করায় দেশে ফিরে আততায়ীর গুলিতে নিহত হওয়া সাবেক ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবারের ঘটনাটি তো সবার সামনেই ছিল।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হলান্ডকে পাস না দেওয়ার ঘটনায় নরওয়ের আলেক্সান্ডার সরলথ ও তার স্ত্রীও মৃত্যুর হুমকি পান।
শুধু খেলোয়াড় নন, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরাও। হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারের বেশি হুমকিমূলক বার্তা পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের দায়িত্ব পালন করা ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাতেক্সিয়ার। মৃত্যুর হুমকি পেয়েছিলেন সহকারী ভিডিও রেফারি উইলি দেলাজোও।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্যক্তি রেঞ্চ হাতে ঢুকে চিৎকার শুরু করেছিলেন। পরে মিডিয়া সেন্টারে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। বসানো হয় কংক্রিটের ব্যারিয়ার ও অ্যান্টি-স্নাইপার স্ক্রিন। ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে নো-ফ্লাই জোনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সঙ্গে বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ তো ছিলেনই।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে এসেছে চার পরিবর্তন। আগের ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা সোহেল রানা এবার একাদশে নেই। তার জায়গায় দলে ফিরেছেন জামাল ভূঁইয়া। তার হাতেই উঠছে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড।
ডিফেন্সেও পরিবর্তন এসেছে। আগের ম্যাচে খেলা শাকিল আহাদ তপু বাদ পড়েছেন। তার জায়গায় একাদশে জায়গা পেয়েছেন জিদান ইউসুফ।
আক্রমণভাগে দুটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফাহামেদুল ইসলাম ও ফারহান আলী ওয়াহিদের পরিবর্তে খেলবেন সুকি ইতোফুসাই ও শেখ মোরসালিন।
শ্রাবণ; সাদ, তারিক, জিদান, জায়ান; হামজা, জামাল, শমিত; রাকিব, মোরসালিন ও সুকি।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে এসেছে চার পরিবর্তন। আগের ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা সোহেল রানা এবার একাদশে নেই। তার জায়গায় দলে ফিরেছেন জামাল ভূঁইয়া। তার হাতেই উঠছে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড।
ডিফেন্সেও পরিবর্তন এসেছে। আগের ম্যাচে খেলা শাকিল আহাদ তপু বাদ পড়েছেন। তার জায়গায় একাদশে জায়গা পেয়েছেন জিদান ইউসুফ।
আক্রমণভাগে দুটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফাহামেদুল ইসলাম ও ফারহান আলী ওয়াহিদের পরিবর্তে খেলবেন সুকি ইতোফুসাই ও শেখ মোরসালিন।
শ্রাবণ; সাদ, তারিক, জিদান, জায়ান; হামজা, জামাল, শমিত; রাকিব, মোরসালিন ও সুকি।

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪১
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসর নিলেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন তিনি।
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে অবসর নিলেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চকে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন তিনি।
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২২
আরও একবার জালের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তবুও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি ইন্টার মিয়ামি। মেজর লিগ সকারে ঘরের মাঠ নিউ স্টেডিয়ামে টরন্টো এফসির কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে বেকহ্যামদের দল। এই নিয়ে লিগে টানা তিন ম্যাচে জয়ের মুখ দেখলো না মিয়ামি।
বিশ্বকাপ বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মিয়ামির ফর্ম গ্রাফ নিম্নমুখী। ২২ জুলাই থেকে ৯ টি ম্যাচ খেলে ৩ জয়ের বিপরীতে ড্র দুটি, পরাজয় ৪টি। টানা দুই পরাজয়ে লিগস কাপ থেকে বিদায় হয়েছে তাদের।
এমএলএসের ৬ ম্যাচে শনিবারের পরাজয় তাদের দ্বিতীয়। সব মিলিয়ে ৮ আগস্ট থেকে চতুর্থ পরাজয় এটি। এতে এমএলএসের দ্বিতীয় স্হানে থাকলেও ২১ ম্যাচে পয়েন্ট দাড়িয়েছে ৩৯, যা ন্যাশভিলের চেয়ে পয়েন্ট কম।
শনিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য রক্ষণভাগ সামলে রেখেছিল স্বাগতিকরা। ফলে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ০-০ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয় রাউন্ডে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দুর্বল ডিফেন্সের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে টরন্টোকে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৬২ মিনিটে ডেরেক ইতিয়েন জুনিয়রের গোল মিয়ামিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
ম্যাচের শেষভাগে এসে ৮২ মিনিটে গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপ পরবর্তী ক্লাব ফুটবলে মেসির পঞ্চম গোল। তবে মেসির এই গোলটি কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, দলের হার এড়াতে পারেনি।
এই হারে শিরোপার দৌড়ে আরও পিছিয়ে গেল মিয়ামি। এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২১ ম্যাচে ১১ জয় ও ৬ ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল।
আরও একবার জালের দেখা পেলেন লিওনেল মেসি। তবুও হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি ইন্টার মিয়ামি। মেজর লিগ সকারে ঘরের মাঠ নিউ স্টেডিয়ামে টরন্টো এফসির কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেছে বেকহ্যামদের দল। এই নিয়ে লিগে টানা তিন ম্যাচে জয়ের মুখ দেখলো না মিয়ামি।
বিশ্বকাপ বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর মিয়ামির ফর্ম গ্রাফ নিম্নমুখী। ২২ জুলাই থেকে ৯ টি ম্যাচ খেলে ৩ জয়ের বিপরীতে ড্র দুটি, পরাজয় ৪টি। টানা দুই পরাজয়ে লিগস কাপ থেকে বিদায় হয়েছে তাদের।
এমএলএসের ৬ ম্যাচে শনিবারের পরাজয় তাদের দ্বিতীয়। সব মিলিয়ে ৮ আগস্ট থেকে চতুর্থ পরাজয় এটি। এতে এমএলএসের দ্বিতীয় স্হানে থাকলেও ২১ ম্যাচে পয়েন্ট দাড়িয়েছে ৩৯, যা ন্যাশভিলের চেয়ে পয়েন্ট কম।
শনিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য রক্ষণভাগ সামলে রেখেছিল স্বাগতিকরা। ফলে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ০-০ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয় রাউন্ডে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। দুর্বল ডিফেন্সের সুযোগ নিয়ে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে টরন্টোকে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৬২ মিনিটে ডেরেক ইতিয়েন জুনিয়রের গোল মিয়ামিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
ম্যাচের শেষভাগে এসে ৮২ মিনিটে গোল পান মেসি। এটি বিশ্বকাপ পরবর্তী ক্লাব ফুটবলে মেসির পঞ্চম গোল। তবে মেসির এই গোলটি কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে, দলের হার এড়াতে পারেনি।
এই হারে শিরোপার দৌড়ে আরও পিছিয়ে গেল মিয়ামি। এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২১ ম্যাচে ১১ জয় ও ৬ ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। সমান ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল।

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৫
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে আটকানোর জন্য কত কৌশল-পরিকল্পনা এঁকেছিলেন কোচরা।
তবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে ৮ বারের ব্যালন ডি’র জয়ীকে থামাতে পারেননি কেউই।
অন্যদিকে মাঠের বাইরেও মেসি থামানোর পরিকল্পনা চলছিল। এই থামানোর পরিকল্পনা সাময়িক সময়ের জন্য ছিল না, চিরতরে পৃথিবী থেকে বিদায় করার। বিশ্বকাপে মেসিকে হত্যা করার পরিকল্পনাই এঁটেছিলেন সন্ত্রাসীরা।
অবশ্য শুধু আর্জেন্টিনার অধিনায়কই নন, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-কিলিয়ান এমবাপ্পেসহ রেফারি-কর্মকর্তারাও।
এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ফাঁস হওয়া এক নিরাপত্তা নথিতে। স্পেনের ইনফরমেশন ডট ইএসের বরাত দিয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
গত মাসে শেষ হওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে হামলার হুমকি দেন এক ব্যক্তি।
ম্যাচের আগে ডালাস বিমানবন্দরে ফোন দিয়ে জানান, আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে ঢুকবেন। সঙ্গে তাদের হাতে থাকবে হ্যান্ড গ্রেনেড ও এআর-১৫ রাইফেল।
মেসিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের আগে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি দাবি করেন, শরীরে চারটি বোমা বেঁধে আটলান্টার স্টেডিয়ামে ঢুকবেন তিনি। লক্ষ্য মেসি!
এমনকি ম্যাচ চলাকালে পুলিশকে ফোন করে জানানো হয়, গ্যালারির আবর্জনার ঝুড়িতে রাখা হয়েছে তিনটি বোমা।
এরপরেই বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল ও প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে পুরো স্টেডিয়ামে শুরু হয় সাঁড়াশি অভিযান।
রোনালদোকেও ঘিরেও নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল। ফিফার এক কর্মী পুলিশকে জানান, রোনালদো কোথায় থাকছেন কি করছেন সেই তথ্য জানার চেষ্টা করেছিলেন সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি। আরেক ব্যক্তি তো পর্তুগিজ অধিনায়কের সঙ্গে তার হোটেলের লিফটেও ওঠার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ থামিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করলে জবাব দেন, রোনালদোর সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন তিনি।
এমবাপে হামলার লক্ষ্য বস্তু না হলেও তাকে নিয়ে অনেকে ব্যাপক সমালোচনা ও বর্ণবাদী আচরণ করেন। ফ্রান্সের কাছে হেরে প্যারাগুয়ের সমর্থকরা এমবাপের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছিলেন। সঙ্গে বর্ণবাদী স্লোগানও দিয়েছিলেন। প্যারাগুয়ের এক সিনেটর তো এক কাঠি সরেস হয়ে তাকে ব্যক্তিগত আক্রমণের সঙ্গে বর্ণবাদী মন্তব্য করেন। পরে অবশ্য নিজেই সমালোচনার মুখে পড়েন। নিজ দেশের রাজনীতিবিদসহ অনেক সিনেটরের মন্তব্যের নিন্দা করেন। অন্যদিকে এ ঘটনায় এমবাপ্পের পাশে দাঁড়ান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
পেনাল্টি মিস করে হত্যা হুমকির মুখে কলম্বিয়ার হামিন্তন কামপাজ। নিরাপত্তার স্বার্থে জাতীয় দলের সঙ্গে তিনি দেশেও ফিরতে পারেননি। কেননা ১৯৯৪ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করায় দেশে ফিরে আততায়ীর গুলিতে নিহত হওয়া সাবেক ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবারের ঘটনাটি তো সবার সামনেই ছিল।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হলান্ডকে পাস না দেওয়ার ঘটনায় নরওয়ের আলেক্সান্ডার সরলথ ও তার স্ত্রীও মৃত্যুর হুমকি পান।
শুধু খেলোয়াড় নন, নিরাপত্তার ঝুঁকিতে ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়ালরাও। হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারের বেশি হুমকিমূলক বার্তা পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের দায়িত্ব পালন করা ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাতেক্সিয়ার। মৃত্যুর হুমকি পেয়েছিলেন সহকারী ভিডিও রেফারি উইলি দেলাজোও।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্যক্তি রেঞ্চ হাতে ঢুকে চিৎকার শুরু করেছিলেন। পরে মিডিয়া সেন্টারে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। বসানো হয় কংক্রিটের ব্যারিয়ার ও অ্যান্টি-স্নাইপার স্ক্রিন। ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে নো-ফ্লাই জোনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সঙ্গে বিপুলসংখ্যক সশস্ত্র পুলিশ তো ছিলেনই।
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০৩
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:১৯
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০৫