
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে হাতুড়ির আঘাতে শাকিল (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাইফুলকে (২৩) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শনিবার বিকেলে উপজেলার চরগোপালপুর ইউনিয়নের জালিরচর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত শাকিল জালিরচর গ্রামের শাহজাহান পণ্ডিতের ছেলে এবং অভিযুক্ত সাইফুল একই গ্রামের আলম মাতুব্বরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে পণ্ডিত বাড়ির সামনে একটি পুরোনো কাচারি ঘরে বসে শাকিল ও সাইফুল লুডু খেলছিলেন। খেলার একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে তীব্র কথা-কাটাকাটি ও বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে সাইফুল তার সঙ্গে থাকা হাতুড়ি দিয়ে শাকিলের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় শাকিলকে উদ্ধার করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ধাওয়া করে হামলাকারী সাইফুলকে আটক করে পুলিশে দেয়।
সোহেল তালুকদার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, নিহত শাকিল ও সাইফুল একে অপরের বন্ধু ছিলেন এবং একসঙ্গে চলাফেরা করতেন। তারা দুজনেই মাদকাসক্ত ছিলেন বলে এলাকায় পরিচিত। আজ একসঙ্গে লুডু খেলতে গিয়ে মূলত মাদক সংশ্লিষ্ট কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরানুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শাকিলের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে জানান, প্রাথমিকভাবে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে হাতুড়ির আঘাতে শাকিল (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাইফুলকে (২৩) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শনিবার বিকেলে উপজেলার চরগোপালপুর ইউনিয়নের জালিরচর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত শাকিল জালিরচর গ্রামের শাহজাহান পণ্ডিতের ছেলে এবং অভিযুক্ত সাইফুল একই গ্রামের আলম মাতুব্বরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে পণ্ডিত বাড়ির সামনে একটি পুরোনো কাচারি ঘরে বসে শাকিল ও সাইফুল লুডু খেলছিলেন। খেলার একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে তীব্র কথা-কাটাকাটি ও বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে সাইফুল তার সঙ্গে থাকা হাতুড়ি দিয়ে শাকিলের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় শাকিলকে উদ্ধার করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ধাওয়া করে হামলাকারী সাইফুলকে আটক করে পুলিশে দেয়।
সোহেল তালুকদার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, নিহত শাকিল ও সাইফুল একে অপরের বন্ধু ছিলেন এবং একসঙ্গে চলাফেরা করতেন। তারা দুজনেই মাদকাসক্ত ছিলেন বলে এলাকায় পরিচিত। আজ একসঙ্গে লুডু খেলতে গিয়ে মূলত মাদক সংশ্লিষ্ট কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরানুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শাকিলের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে জানান, প্রাথমিকভাবে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮

১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৪

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩১
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরিশালে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকার একদল ব্যক্তি বন্যপ্রাণী শিয়াল হত্যা করে ফেসবুকে মাংস বিক্রি বিজ্ঞাপন ও সাতটি শিয়াল ধরে জবাই করে রুটির সঙ্গে খেয়েছেন এমন একটি সংবাদ নেট দুনিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়।
এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—শিয়ালের গোশত খাওয়া কি ইসলামে বৈধ? কেউ বলছেন, এটি সম্পূর্ণ হারাম। আবার কেউ দাবি করছেন, বিশেষ কিছু রোগের চিকিৎসায় শিয়ালের গোশত বা চর্বি ব্যবহার করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ ধরনের বিষয়ে আবেগ, প্রচলিত ধারণা বা লোকবিশ্বাসের পরিবর্তে কোরআন, সুন্নাহ ও নির্ভরযোগ্য ফিকহের আলোকে বিষয়টি জানা জরুরি।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মানুষ! পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র আছে, তা থেকে আহার করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৬৮)।
অন্য আয়াতে তিনি বলেন, ‘তিনি তাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করেন এবং অপবিত্র বস্তুসমূহ হারাম করেন।’ (সুরা আল-আরাফ, আয়াত: ১৫৭)। অর্থাৎ, কোনো প্রাণী হালাল না হারাম—তা মানুষের রুচি, সংস্কৃতি বা প্রচলিত বিশ্বাস দ্বারা নির্ধারিত হয় না; বরং আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর নির্দেশই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত।
সহিহ হাদিসে এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৩৩)। শিয়াল একটি হিংস্র ও শিকারি প্রাণী। এটি ধারালো দাঁত ও নখরের সাহায্যে শিকার ধরে এবং মাংস ভক্ষণ করে। এ কারণে অধিকাংশ ফকিহ শিয়ালকে হিংস্র জন্তুর অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
আল্লামা আলাউদ্দিন কাসানি (রহ.) বলেন, ‘প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত হারাম।’ (বাদায়েউস সানায়ে, ৫/৩৫)।
ইমাম ইবনে আবেদীন (রহ.) বলেন, ‘যেসব হিংস্র জন্তু দাঁত দিয়ে শিকার করে, সেগুলোর গোশত খাওয়া হারাম।’ (রদ্দুল মুহতার, ৬/৩০৭)। তাই নির্ভরযোগ্য ফিকহের গ্রন্থসমূহে শিয়ালকে হারাম প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অনেকে দাবি করেন, শিয়ালের গোশত বা চর্বি বিভিন্ন রোগের ওষুধ। কিন্তু শরিয়তের দৃষ্টিতে সাধারণভাবে হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসা করা বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তোমাদের রোগ সৃষ্টি করেছেন এবং তার চিকিৎসাও সৃষ্টি করেছেন। অতএব, চিকিৎসা গ্রহণ করো; তবে হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করো না।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৭৪।
অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য যা হারাম করেছেন, তাতে তোমাদের আরোগ্য রাখেননি।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান)। সুতরাং, লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাস বা কুসংস্কারের ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়া কিংবা তা দিয়ে চিকিৎসা নেওয়া শরিয়তসম্মত নয়।
তবে ইসলামের মূলনীতি হলো, যদি জীবন রক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং কোনো বিশ্বস্ত ও দক্ষ চিকিৎসক নিশ্চিতভাবে বলেন যে হারাম বস্তু ছাড়া অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প চিকিৎসা নেই, আর তা ব্যবহার না করলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে, তাহলে প্রয়োজনের সীমার মধ্যে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তবে এটি অত্যন্ত ব্যতিক্রমী অবস্থা; সাধারণ নিয়ম নয়।
যদি কেউ জেনে-শুনে শিয়ালের গোশত খেয়ে থাকে, তাহলে তার উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহ তাআলার কাছে তাওবা করা, ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার দৃঢ় সংকল্প করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
শুধু শরিয়তের দৃষ্টিতেই নয়, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ীও শিয়াল শিকার, হত্যা, ক্রয়-বিক্রয় ও অবৈধভাবে সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ।
সারকথা হলো, শিয়ালের গোশত খাওয়া ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। কারণ এটি দাঁত ও নখর দিয়ে শিকার করা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, আর রাসুলুল্লাহ (সা.) এ ধরনের প্রাণীর গোশত ভক্ষণ থেকে স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন। অসুস্থতার অজুহাতে বা লোকমুখে প্রচলিত ধারণার ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়াও বৈধ নয়। কেবল জীবনরক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতিতে শরিয়তের নির্ধারিত কঠোর শর্ত পূরণ হলে সীমিত পরিসরে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তাই একজন মুসলমানের উচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব বা প্রচারণার পরিবর্তে কোরআন, সহিহ সুন্নাহ এবং নির্ভরযোগ্য আলেমদের গবেষণা ও ফিকহের আলোকে নিজের জীবন পরিচালনা করা।
কেননা, হালাল খাদ্য শুধু দেহের পুষ্টিই নিশ্চিত করে না; বরং ঈমান, ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার ক্ষেত্রেও গভীর প্রভাব ফেলে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল-হারাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং সর্বদা হালাল রিজিক গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
বরিশাল টাইমস
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরিশালে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকার একদল ব্যক্তি বন্যপ্রাণী শিয়াল হত্যা করে ফেসবুকে মাংস বিক্রি বিজ্ঞাপন ও সাতটি শিয়াল ধরে জবাই করে রুটির সঙ্গে খেয়েছেন এমন একটি সংবাদ নেট দুনিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়।
এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—শিয়ালের গোশত খাওয়া কি ইসলামে বৈধ? কেউ বলছেন, এটি সম্পূর্ণ হারাম। আবার কেউ দাবি করছেন, বিশেষ কিছু রোগের চিকিৎসায় শিয়ালের গোশত বা চর্বি ব্যবহার করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ ধরনের বিষয়ে আবেগ, প্রচলিত ধারণা বা লোকবিশ্বাসের পরিবর্তে কোরআন, সুন্নাহ ও নির্ভরযোগ্য ফিকহের আলোকে বিষয়টি জানা জরুরি।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মানুষ! পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র আছে, তা থেকে আহার করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৬৮)।
অন্য আয়াতে তিনি বলেন, ‘তিনি তাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করেন এবং অপবিত্র বস্তুসমূহ হারাম করেন।’ (সুরা আল-আরাফ, আয়াত: ১৫৭)। অর্থাৎ, কোনো প্রাণী হালাল না হারাম—তা মানুষের রুচি, সংস্কৃতি বা প্রচলিত বিশ্বাস দ্বারা নির্ধারিত হয় না; বরং আল্লাহ ও তার রাসুল (সা.)-এর নির্দেশই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত।
সহিহ হাদিসে এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৩৩)। শিয়াল একটি হিংস্র ও শিকারি প্রাণী। এটি ধারালো দাঁত ও নখরের সাহায্যে শিকার ধরে এবং মাংস ভক্ষণ করে। এ কারণে অধিকাংশ ফকিহ শিয়ালকে হিংস্র জন্তুর অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
আল্লামা আলাউদ্দিন কাসানি (রহ.) বলেন, ‘প্রত্যেক নখরবিশিষ্ট হিংস্র জন্তুর গোশত হারাম।’ (বাদায়েউস সানায়ে, ৫/৩৫)।
ইমাম ইবনে আবেদীন (রহ.) বলেন, ‘যেসব হিংস্র জন্তু দাঁত দিয়ে শিকার করে, সেগুলোর গোশত খাওয়া হারাম।’ (রদ্দুল মুহতার, ৬/৩০৭)। তাই নির্ভরযোগ্য ফিকহের গ্রন্থসমূহে শিয়ালকে হারাম প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অনেকে দাবি করেন, শিয়ালের গোশত বা চর্বি বিভিন্ন রোগের ওষুধ। কিন্তু শরিয়তের দৃষ্টিতে সাধারণভাবে হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসা করা বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তোমাদের রোগ সৃষ্টি করেছেন এবং তার চিকিৎসাও সৃষ্টি করেছেন। অতএব, চিকিৎসা গ্রহণ করো; তবে হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করো না।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৮৭৪।
অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য যা হারাম করেছেন, তাতে তোমাদের আরোগ্য রাখেননি।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান)। সুতরাং, লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাস বা কুসংস্কারের ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়া কিংবা তা দিয়ে চিকিৎসা নেওয়া শরিয়তসম্মত নয়।
তবে ইসলামের মূলনীতি হলো, যদি জীবন রক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং কোনো বিশ্বস্ত ও দক্ষ চিকিৎসক নিশ্চিতভাবে বলেন যে হারাম বস্তু ছাড়া অন্য কোনো কার্যকর বিকল্প চিকিৎসা নেই, আর তা ব্যবহার না করলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে, তাহলে প্রয়োজনের সীমার মধ্যে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তবে এটি অত্যন্ত ব্যতিক্রমী অবস্থা; সাধারণ নিয়ম নয়।
যদি কেউ জেনে-শুনে শিয়ালের গোশত খেয়ে থাকে, তাহলে তার উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহ তাআলার কাছে তাওবা করা, ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার দৃঢ় সংকল্প করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
শুধু শরিয়তের দৃষ্টিতেই নয়, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ীও শিয়াল শিকার, হত্যা, ক্রয়-বিক্রয় ও অবৈধভাবে সংরক্ষণ দণ্ডনীয় অপরাধ।
সারকথা হলো, শিয়ালের গোশত খাওয়া ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। কারণ এটি দাঁত ও নখর দিয়ে শিকার করা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, আর রাসুলুল্লাহ (সা.) এ ধরনের প্রাণীর গোশত ভক্ষণ থেকে স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন। অসুস্থতার অজুহাতে বা লোকমুখে প্রচলিত ধারণার ভিত্তিতে শিয়ালের গোশত খাওয়াও বৈধ নয়। কেবল জীবনরক্ষার মতো চরম ও অনিবার্য পরিস্থিতিতে শরিয়তের নির্ধারিত কঠোর শর্ত পূরণ হলে সীমিত পরিসরে ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। তাই একজন মুসলমানের উচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব বা প্রচারণার পরিবর্তে কোরআন, সহিহ সুন্নাহ এবং নির্ভরযোগ্য আলেমদের গবেষণা ও ফিকহের আলোকে নিজের জীবন পরিচালনা করা।
কেননা, হালাল খাদ্য শুধু দেহের পুষ্টিই নিশ্চিত করে না; বরং ঈমান, ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার ক্ষেত্রেও গভীর প্রভাব ফেলে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল-হারাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং সর্বদা হালাল রিজিক গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
বরিশাল টাইমস
ঢাকা, চট্টগ্রাম বরিশালসহ দেশের ছয় বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে সারাদেশেই বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পার বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক-এর দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যার মধ্যে রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশাল টাইমস
ঢাকা, চট্টগ্রাম বরিশালসহ দেশের ছয় বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে সারাদেশেই বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পার বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক-এর দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যার মধ্যে রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশাল টাইমস
মবসন্ত্রাসের শিকার বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনের পাশে এসে দাঁড়ালেন নাগরিক সমাজ। করোনাযোদ্ধা হিসেবে সুপরিচিত এই চিকিৎসককে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হলে তা নিয়ে আপত্তি তোলেন ড্যাবের একটি অংশ। এবং এই অংশটি নেপথ্যে থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি মোর্চা গঠন করে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর আখ্যায়িত করাসহ তাকে জুলাই আন্দোলনবিরোধী তকমা দেওয়া হয়। পাশাপশি ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে তাকে অপসারণকে একটি সাজানো ছকে আন্দোলনময় পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। ফলে নিরুপায় চিকিৎসক কোনো উপায়ান্ত পাচ্ছিলেন না, আগামীতে কোন দিকে যাবেন এবং কি পদক্ষেপ রাখবেন।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার তার স্বপক্ষে মাঠে নামে নাগরিক সমাজ, যা চিকিৎসকের জন্য স্বস্তিদায়ক। শহরের অশি^নী কুমার হলের সম্মুখে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চিকিৎসক মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে বহুমুখী ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচারের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন।
সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহিনের পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং করোনাকালীন দুর্যোগে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করা হয়। বক্তারা বলেন, ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন একজন পেশাদার ও দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। অথচ দুঃখজনকভাবে, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিগত সরকারের মন্ত্রীদের সাথে দাপ্তরিক কাজের কিছু ছবিকে পুঁজি করে একটি কুচক্রীমহল তাকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যক্তিগত আক্রোশ, ইর্ষা এবং পদ-পদবির লোভ থেকে যাকে তাকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার যে নোংরা মব কালচার দেশে শুরু হয়েছে, তা চরম অন্যায় এবং কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, করোনাকালীন চরম সংকটের সময়ে যখন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন নিজের জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার সেই মানবিক ও নিষ্ঠাপূর্ণ অবদানকে বরিশালের মানুষ আজও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। অথচ আজ একটি মহল চিকিৎসকদের একাংশকে বিভ্রান্ত করে বিক্ষোভের নামে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত নাগরিকরা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উস্কানি ও মিথ্যা অপপ্রচারে কান না দিয়ে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের মতো একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তাকে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। একই সাথে যারা স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে (বরিশাল) মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি, মস্তব্য পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বরিশালের বিভিন্ন পেশাজীবী, সমাজকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অবশ্য আন্দোলনরতদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন ডা মনিরুজ্জামান শাহীন। এমনকি তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সমর্থিতদের আয়োজিত শান্তি সমাবেশেও অংশ নিয়েছেন। তার জুলাই বিরোধী অবস্থানের কারণে ড্যাবে বরিশাল শাখার একটি অংশ তাকে বরিশালে পদায়নে খুশি নয়। তাছাড়া জুলাইয়ের ভ‚মিকা নিয়েও তার ওপর অনেকে সংক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এক্ষেত্রে ডা মনিরুজ্জামান শাহীনের ভাষ্য হচ্ছে, তৎকালীন তিনি শেবাচিমের উপ-পরিচালক ছিলেন, পদাধিকার বলে তাকে শান্তি সমাবেশে অংশ নিতে হয়। কিন্তু সেখানে তিনি জুলাইবিরোধী তেমন কিছু বলেননি। কারণ এই চিকিৎসক ছাত্রজীবনে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ড্যাবের আজীবন সদস্য বলে জানা গেছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, যোগ্যতার কারণে মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পদায়ন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু তিনি যোগদানের একদিন পরেই মবসন্ত্রাসের শিকার হয়েছে, যা উদ্বেগ এবং আতঙ্কের। বিষয়টিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শনিবার মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাগরিক সমাজ।’
মবসন্ত্রাসের শিকার বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীনের পাশে এসে দাঁড়ালেন নাগরিক সমাজ। করোনাযোদ্ধা হিসেবে সুপরিচিত এই চিকিৎসককে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হলে তা নিয়ে আপত্তি তোলেন ড্যাবের একটি অংশ। এবং এই অংশটি নেপথ্যে থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি মোর্চা গঠন করে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর আখ্যায়িত করাসহ তাকে জুলাই আন্দোলনবিরোধী তকমা দেওয়া হয়। পাশাপশি ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে তাকে অপসারণকে একটি সাজানো ছকে আন্দোলনময় পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। ফলে নিরুপায় চিকিৎসক কোনো উপায়ান্ত পাচ্ছিলেন না, আগামীতে কোন দিকে যাবেন এবং কি পদক্ষেপ রাখবেন।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার তার স্বপক্ষে মাঠে নামে নাগরিক সমাজ, যা চিকিৎসকের জন্য স্বস্তিদায়ক। শহরের অশি^নী কুমার হলের সম্মুখে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চিকিৎসক মনিরুজ্জামান শাহীনের বিরুদ্ধে বহুমুখী ষড়যন্ত্র এবং অপপ্রচারের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন।
সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহিনের পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং করোনাকালীন দুর্যোগে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা করা হয়। বক্তারা বলেন, ডা. এসএম মনিরুজ্জামান শাহীন একজন পেশাদার ও দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। অথচ দুঃখজনকভাবে, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিগত সরকারের মন্ত্রীদের সাথে দাপ্তরিক কাজের কিছু ছবিকে পুঁজি করে একটি কুচক্রীমহল তাকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ব্যক্তিগত আক্রোশ, ইর্ষা এবং পদ-পদবির লোভ থেকে যাকে তাকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার যে নোংরা মব কালচার দেশে শুরু হয়েছে, তা চরম অন্যায় এবং কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, করোনাকালীন চরম সংকটের সময়ে যখন সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন নিজের জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার সেই মানবিক ও নিষ্ঠাপূর্ণ অবদানকে বরিশালের মানুষ আজও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। অথচ আজ একটি মহল চিকিৎসকদের একাংশকে বিভ্রান্ত করে বিক্ষোভের নামে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত নাগরিকরা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উস্কানি ও মিথ্যা অপপ্রচারে কান না দিয়ে ডা. এস এম মনিরুজ্জামান শাহীনের মতো একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব কর্মকর্তাকে বরিশালের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। একই সাথে যারা স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ে (বরিশাল) মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি, মস্তব্য পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বরিশালের বিভিন্ন পেশাজীবী, সমাজকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
অবশ্য আন্দোলনরতদের অভিযোগ, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন ডা মনিরুজ্জামান শাহীন। এমনকি তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সমর্থিতদের আয়োজিত শান্তি সমাবেশেও অংশ নিয়েছেন। তার জুলাই বিরোধী অবস্থানের কারণে ড্যাবে বরিশাল শাখার একটি অংশ তাকে বরিশালে পদায়নে খুশি নয়। তাছাড়া জুলাইয়ের ভ‚মিকা নিয়েও তার ওপর অনেকে সংক্ষুব্ধ বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এক্ষেত্রে ডা মনিরুজ্জামান শাহীনের ভাষ্য হচ্ছে, তৎকালীন তিনি শেবাচিমের উপ-পরিচালক ছিলেন, পদাধিকার বলে তাকে শান্তি সমাবেশে অংশ নিতে হয়। কিন্তু সেখানে তিনি জুলাইবিরোধী তেমন কিছু বলেননি। কারণ এই চিকিৎসক ছাত্রজীবনে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ড্যাবের আজীবন সদস্য বলে জানা গেছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন, যোগ্যতার কারণে মনিরুজ্জামান শাহীনকে বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পদায়ন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। কিন্তু তিনি যোগদানের একদিন পরেই মবসন্ত্রাসের শিকার হয়েছে, যা উদ্বেগ এবং আতঙ্কের। বিষয়টিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শনিবার মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নাগরিক সমাজ।’
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১১ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৭
১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৪