
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৫
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর সৌজন্য সাক্ষাতে জামায়াতের পরাজিত প্রার্থী মাওলানা মাহামুদুন্নবীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আবুল হোসেন খান। এ সময় জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী প্রার্থী আবুল হোসেন খানকে ফুলের মালা পড়িয়ে দেন।
জানা যায়, জুমার নামাজ আদায়ের পর স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আবুল হোসেন খান জামায়াতের উপজেলা কার্যালয়ে যান। এ সময় তিনি জামায়াতের প্রার্থী মাহামুদুন্নবীর সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বিজয়ী প্রার্থী আবুল হোসেন খান বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এখানে বিজয়-পরাজয় থাকবেই। আমরা সবাই মিলে বাকেরগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। তিনি রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকলেও এলাকার স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরাও সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জামায়াতের পরাজিত প্রার্থীও ফলাফল মেনে নিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮১,০৮৭ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মাওলানা মাহমুদুন্নবী তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৪,৫৩৩ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ২৬,৫৫৪ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন খান।
স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তাদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এমন সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক সহনশীলতা বৃদ্ধি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর সৌজন্য সাক্ষাতে জামায়াতের পরাজিত প্রার্থী মাওলানা মাহামুদুন্নবীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আবুল হোসেন খান। এ সময় জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী প্রার্থী আবুল হোসেন খানকে ফুলের মালা পড়িয়ে দেন।
জানা যায়, জুমার নামাজ আদায়ের পর স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আবুল হোসেন খান জামায়াতের উপজেলা কার্যালয়ে যান। এ সময় তিনি জামায়াতের প্রার্থী মাহামুদুন্নবীর সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বিজয়ী প্রার্থী আবুল হোসেন খান বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এখানে বিজয়-পরাজয় থাকবেই। আমরা সবাই মিলে বাকেরগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। তিনি রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকলেও এলাকার স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরাও সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জামায়াতের পরাজিত প্রার্থীও ফলাফল মেনে নিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮১,০৮৭ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মাওলানা মাহমুদুন্নবী তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৪,৫৩৩ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ২৬,৫৫৪ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন খান।
স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তাদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এমন সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক সহনশীলতা বৃদ্ধি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সারাদেশের ন্যায় বরিশাল সদর আসনেও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এড. মজিবর রহমান সরোয়ার বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।
এতে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মিরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন এবং আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দেশনায়ক তারেক রহমান নির্বাচনে বিজয়ের পরপরই তাৎক্ষণিক সারাদেশের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে কোনরকম বিজয় মিছিল না করার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি জুমা বাদ মসজিদে মসজিদে দোয়া-মিলাদ আয়োজনের জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন।
তার এ নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের ন্যায় বরিশালের নেতাকর্মীরাও জুমা বাদ বিভিন্ন মসজিদে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর ১০নং ওয়ার্ডস্থ বরফকল এলাকার যুবদলের উদ্যোগে জুমা নামাজের পরে মসজিদে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা এবং সদর আসনে ধানের শীষের বিশাল ব্যবধানে জয় পাওয়ায় শুকরিয়া আদায় করে দোয়-মিলাদের আয়োজন করা হয়।
দোয়া অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর দীর্ঘায়ু কামনা করে দেশ-জাতির মঙ্গলের জন্য দোয়া করা হয়।
দোয়া মোনাজাতে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন যুবদল নেতা কবির তালুকদার, মিলন সরদার, হারুন, শহিদ, হান্নানসহ যুবদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সারাদেশের ন্যায় বরিশাল সদর আসনেও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এড. মজিবর রহমান সরোয়ার বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।
এতে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মিরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন এবং আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন। তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দেশনায়ক তারেক রহমান নির্বাচনে বিজয়ের পরপরই তাৎক্ষণিক সারাদেশের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে কোনরকম বিজয় মিছিল না করার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি জুমা বাদ মসজিদে মসজিদে দোয়া-মিলাদ আয়োজনের জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন।
তার এ নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের ন্যায় বরিশালের নেতাকর্মীরাও জুমা বাদ বিভিন্ন মসজিদে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর ১০নং ওয়ার্ডস্থ বরফকল এলাকার যুবদলের উদ্যোগে জুমা নামাজের পরে মসজিদে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা এবং সদর আসনে ধানের শীষের বিশাল ব্যবধানে জয় পাওয়ায় শুকরিয়া আদায় করে দোয়-মিলাদের আয়োজন করা হয়।
দোয়া অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর দীর্ঘায়ু কামনা করে দেশ-জাতির মঙ্গলের জন্য দোয়া করা হয়।
দোয়া মোনাজাতে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন যুবদল নেতা কবির তালুকদার, মিলন সরদার, হারুন, শহিদ, হান্নানসহ যুবদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩০
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বরিশাল বিভাগের ভোটগ্রহণসহ বেসরকারিভাবে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলের তথ্যানুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছেন বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী দুটি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয়লাভ করেছে।
বিএনপির জয়ী হওয়া ১৮টি আসনের মধ্যে বরিশাল জেলায় ছয়টি, ভোলায় চারটি, পটুয়াখালীতে তিনটি, বরগুনায় একটি, পিরোজপুরে দুটি এবং ঝালকাঠিতে দুটি আসন রয়েছে।
ভোলা জেলার চারটি আসনের মধ্যে বিএনপি জোটসমর্থিত ভোলা-১ আসনে গরুর গাড়ি প্রতীকের আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), ভোলা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ভোলা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বিজয়ী হয়েছেন।
বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের এম জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ আসনে সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৩ আসনে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, বরিশাল-৪ আসনে মো. রাজিব আহসান, বরিশাল-৫ আসনে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এবং বরিশাল-৬ আসনে আবুল হোসেন খান বিজয়ী হয়েছেন।
পটুয়াখালীর চারটি আসনের মধ্যে পটুয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি জোটসমর্থিত ট্রাক প্রতীকের নুরুল হক নূর (গণ অধিকার পরিষদ) এবং পটুয়াখালী-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের এবিএম মোশাররফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জয়লাভ করেছেন।
বরগুনা জেলার দুটি আসনের মধ্যে বরগুনা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মো. নূরুল ইসলাম মনি এবং বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. অলি উল্লাহ বিজয়ী হয়েছেন।
ঝালকাঠির দুটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো নির্বাচিত হয়েছেন।
পিরোজপুরের তিনটি আসনের মধ্যে দুটি বিএনপি ও একটি জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে।
পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ সাঈদী বিজয়ী হয়েছেন। পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং পিরোজপুর-৩ আসনে মো. রুহুল আমীন দুলাল নির্বাচিত হয়েছেন।
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বরিশাল বিভাগের ভোটগ্রহণসহ বেসরকারিভাবে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলের তথ্যানুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছেন বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী দুটি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয়লাভ করেছে।
বিএনপির জয়ী হওয়া ১৮টি আসনের মধ্যে বরিশাল জেলায় ছয়টি, ভোলায় চারটি, পটুয়াখালীতে তিনটি, বরগুনায় একটি, পিরোজপুরে দুটি এবং ঝালকাঠিতে দুটি আসন রয়েছে।
ভোলা জেলার চারটি আসনের মধ্যে বিএনপি জোটসমর্থিত ভোলা-১ আসনে গরুর গাড়ি প্রতীকের আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), ভোলা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ভোলা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বিজয়ী হয়েছেন।
বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের এম জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ আসনে সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৩ আসনে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, বরিশাল-৪ আসনে মো. রাজিব আহসান, বরিশাল-৫ আসনে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এবং বরিশাল-৬ আসনে আবুল হোসেন খান বিজয়ী হয়েছেন।
পটুয়াখালীর চারটি আসনের মধ্যে পটুয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি জোটসমর্থিত ট্রাক প্রতীকের নুরুল হক নূর (গণ অধিকার পরিষদ) এবং পটুয়াখালী-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের এবিএম মোশাররফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জয়লাভ করেছেন।
বরগুনা জেলার দুটি আসনের মধ্যে বরগুনা-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মো. নূরুল ইসলাম মনি এবং বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. অলি উল্লাহ বিজয়ী হয়েছেন।
ঝালকাঠির দুটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো নির্বাচিত হয়েছেন।
পিরোজপুরের তিনটি আসনের মধ্যে দুটি বিএনপি ও একটি জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে।
পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ সাঈদী বিজয়ী হয়েছেন। পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং পিরোজপুর-৩ আসনে মো. রুহুল আমীন দুলাল নির্বাচিত হয়েছেন।