
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৫
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশালে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
তিনি জানান, বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বরিশালের ৬টি আসনের ১০টি উপজেলায় ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ৬টি আসনে ২২ হাজার ৭৬টি পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে।
এর মধ্যে গৌরনদীতে ৬২ দশমিক ১ শতাংশ, আগৈলঝাড়ায় ৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ, উজিরপুরে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ, বানারীপাড়ায় ৬০ শতাংশ, মুলাদীতে ৫১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, বাবুগঞ্জে ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ, মেহেন্দিগঞ্জে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, হিজলায় ৬০ দশমিক ৫৬ শতাংশ, বরিশাল সদরে ৪৮ শতাংশ ও বাকেরগঞ্জে ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে রয়েছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছে, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও রয়েছে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছে। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা রয়েছে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ 'বানৌজা সালাম', যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি। বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি। বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩০
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’
বরিশাল শহরের ২৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির শীর্ষ নেতা আব্দুল খালেক এবং তার পুত্র উজ্জল হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেলসংলগ্ন পুকুরে রোববার রাতে সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে পুকুরসহ ভূমির মালিক দাবিদার মোহসেনা শহীদের লোক শহিদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মাছ লুটের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খালেক এবং তার ছেলে উজ্জলকে অভিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় মোহসেনা শহীদ একটি অভিযোগ করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহসেনা শহীদ অভিযোগ করেন, তার স্বামী জীবিত থাকাকালীন পুকুরসহ ভূমিটি বিএনপি নেতা আব্দুল খালেকের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এখন ভূমির মালিকানা দাবি করছেন এবং জোর-জবরদস্তি দখল দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। রোববার ছেলেসহ লোকজন নিয়ে পুকুর সেচ করে বিভিন্ন প্রজাতির অন্তত মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে। তখন তাদের বাধা দিতে গিয়ে পাহারাদার শহিদ হুমকি-ধামকির শিকার হয়ে ভয়ে সরে গেলে মাছ ট্রাকভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে মাছ চুরি বা লুটপাটের মতো গুরুতর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক। বরং তিনি নিজেকে এই ভূমির মালিক দাবি করে মাছ ধরে নেওয়ার বিষয়ে সরল স্বীকারোক্তি দেন। বিএনপি নেতার দাবি, এই ভূমি নিয়ে তিনি আদালতে একটি মামলা করেছেন, কিন্তু বিবাদী মোহসেনা শহীদ সেই মামলায় আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না। সোমবার মোহসেনা শহীদের অভিযোগের সূত্র ধরে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে। তবে যদ্দুর জানা গেছে, জমি নিয়ে আব্দুল খালেকের সাথে নারীর পূর্ব-বিরোধ রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে, জানান ওসি।’

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বদলির লিখিত এ আদেশ দেন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সদর রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, মাধবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবুল বাশারকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদ, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউসুফ আলী দেওয়ানকে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে পরিষদে, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হককে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদে বদলি করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা জানান, কাজের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৭
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুরে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে উজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মুড়িবাড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল বলেন, সাতলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি সরোয়ার সরদার ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত খন্দকার তাদের সহযোগীদের নিয়ে গত বছর পটিবাড়ি এলাকার প্রায় ১৪শ’ একর মৎস্য ঘের দখল করেন।
জমির মালিকদের না জানিয়ে এ বছরও ওই ঘেরে মাছ চাষের চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে জমির মালিকদের নিয়ে স্থানীয় মাহবুব খন্দকারের বাড়িতে সভা করা হলে সরোয়ার ও রাহাত তাদের লোকজন নিয়ে সভাস্থলে এসে তা পণ্ড করে দেন এবং জুয়েলকে খুঁজতে থাকেন। পরে ওইদিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুড়িবাড়ি এলাকায় তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় তার চিৎকারে ছুটে আসা যুবদল কর্মী মামুন হাওলাদারকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও মামুন হাওলাদার যুবদলের কর্মী। অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা রাহাত খন্দকার বলেন, তারা কোনো হামলা করেননি বরং প্রতিপক্ষই তাদের ওপর হামলা করেছে।
এতে তাদের পক্ষের চারজন আহত হয়েছেন এবং সরোয়ার সরদারের অবস্থা গুরুতর। উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.