
০৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:১২
ভারতের কর্নাটকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ১২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা গত কয়েক বছর ধরে বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এবং ভার্থুর থানা এলাকায় অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন।
বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিংয়ের নির্দেশে কেন্দ্রীয় অপরাধ শাখার (সিসিবি) চারটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী এবং ৩৪ জন শিশু রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, যে তারা প্রত্যেকেই অস্থায়ী ঝুপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কারও কাছেই ভারতে প্রবেশ ও বসবাসের কোনো বৈধ নথি ছিল না।
বর্তমানে তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই বাংলাদেশিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ নিতে বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিসে (এফআরআরও) একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
সিটি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে অবৈধ বাংলাদেশিদের খোঁজে গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানার অন্তর্গত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে ২০০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, দ্য গ্রেটার, বেঙ্গালুরু অথরিটি এবং সামাজিক ন্যায় বিচার বিভাগের সহায়তায় এই অভিযান চালানো হয়। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে অভিযানও অব্যাহত থাকবে।
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের কর্নাটকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ১২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা গত কয়েক বছর ধরে বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এবং ভার্থুর থানা এলাকায় অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন।
বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিংয়ের নির্দেশে কেন্দ্রীয় অপরাধ শাখার (সিসিবি) চারটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী এবং ৩৪ জন শিশু রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, যে তারা প্রত্যেকেই অস্থায়ী ঝুপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কারও কাছেই ভারতে প্রবেশ ও বসবাসের কোনো বৈধ নথি ছিল না।
বর্তমানে তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই বাংলাদেশিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ নিতে বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিসে (এফআরআরও) একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
সিটি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে অবৈধ বাংলাদেশিদের খোঁজে গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানার অন্তর্গত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে ২০০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, দ্য গ্রেটার, বেঙ্গালুরু অথরিটি এবং সামাজিক ন্যায় বিচার বিভাগের সহায়তায় এই অভিযান চালানো হয়। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে অভিযানও অব্যাহত থাকবে।

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:১২
সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসডিএফ) বাংলাদেশসহ ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট প্রদেশ ও শহরে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে গালফ নিউজ।
এসডিএফ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা মান জোরদার করার জন্য নেওয়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকাটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
ওকাজ সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে কিছু দেশ এর মধ্যেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশও ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পশু রোগ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাবের কারণে। এটি দেখায় যে, এসডিএফ বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৪০টি দেশ হলো—আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিশর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, আইভরি কোস্ট এবং মন্টেনিগ্রো।
আংশিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে—অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কিছু প্রদেশ ও শহর।
এসডিএফ আরও জানিয়েছে, নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস নির্মূলের জন্য তাপ চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করা মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে ছাড় পাবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন উৎপত্তিস্থলের সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা স্বাস্থ্য শংসাপত্র থাকতে হবে, যা নিশ্চিত করবে যে পণ্যের তাপ চিকিৎসা বা প্রক্রিয়াকরণ যথেষ্টভাবে ভাইরাস নির্মূল করেছে। এই ছাড় কোনোভাবেই স্বাস্থ্য বা মান ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসডিএফ) বাংলাদেশসহ ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট প্রদেশ ও শহরে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে গালফ নিউজ।
এসডিএফ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা মান জোরদার করার জন্য নেওয়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকাটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
ওকাজ সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে কিছু দেশ এর মধ্যেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশও ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পশু রোগ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাবের কারণে। এটি দেখায় যে, এসডিএফ বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৪০টি দেশ হলো—আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিশর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, আইভরি কোস্ট এবং মন্টেনিগ্রো।
আংশিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে—অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কিছু প্রদেশ ও শহর।
এসডিএফ আরও জানিয়েছে, নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস নির্মূলের জন্য তাপ চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করা মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে ছাড় পাবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন উৎপত্তিস্থলের সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা স্বাস্থ্য শংসাপত্র থাকতে হবে, যা নিশ্চিত করবে যে পণ্যের তাপ চিকিৎসা বা প্রক্রিয়াকরণ যথেষ্টভাবে ভাইরাস নির্মূল করেছে। এই ছাড় কোনোভাবেই স্বাস্থ্য বা মান ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৪১
ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদ জেলায় ২৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে চলন্ত গাড়িতে দুই ঘণ্টা ধরে ধর্ষণের পর চলন্ত গাড়ি থেকেই রাস্তায় ফেলে গেছে ধর্ষকরা। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে।
সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পাওয়া তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ৩টার দিকে শহরের এসজিএম নগরের রাজা চত্ত্বরে চলন্ত গাড়ি থেকে ওই তরুণীকে ফেলে দেয় ধর্ষকরা। এতে ওই তরুণী মুখে প্রচণ্ড আঘাত পান।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ওই তরুণীর আঘাতপ্রাপ্ত মুখে ১০ থেকে ১২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও এখনো ভয় ও শঙ্কায় আছেন তিনি। পুলিশ এখনো তার বিবৃতি রেকর্ড করতে পারেনি।
এনডিটিভি বলছে, সোমবার রাতে বাসায় ফেরার জন্য গাড়ি খুঁজছিলেন ওই তরুণী। এমন সময়ে দুই যুবক তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাড়িতে তোলে। এরপর দুই-আড়াই ঘণ্টা ধরে গাড়িতেই ওই নারীকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগপত্রে জানিয়েছে তার পরিবার। ওই তরুণীর প্রতিরোধ-অনুরোধ সত্ত্বেও অভিযুক্তরা থামেনি, উল্টো ওই তরুণীকে হত্যার হুমকি দেয়।
ধর্ষণের শিকার তরুণীর বোন অভিযোগপত্রে বলেছেন, ঘটনার আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ফোন করেছিলেন ওই তরুণী। মা-র সঙ্গে বাদানুবাদের পর ঘর থেকে বেরিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছেন জানিয়ে বোনকে ওই তরুণী বলেছিলেন, ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে বাসায় ফিরবেন তিনি।
ধর্ষণের শিকার তরুণী তার বোনকে অনেকবার কল করেছিলেন, বোন ফিরতি কল করার পর ঘটনার কথা জানতে পারেন। তিনি ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ধর্ষণের শিকার তরুণী বিবাহিত এবং তিন সন্তান আছে তার। পারিবারিক বিরোধের কারণে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন না তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। ধর্ষণে ব্যবহৃত গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদ জেলায় ২৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে চলন্ত গাড়িতে দুই ঘণ্টা ধরে ধর্ষণের পর চলন্ত গাড়ি থেকেই রাস্তায় ফেলে গেছে ধর্ষকরা। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে।
সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পাওয়া তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ৩টার দিকে শহরের এসজিএম নগরের রাজা চত্ত্বরে চলন্ত গাড়ি থেকে ওই তরুণীকে ফেলে দেয় ধর্ষকরা। এতে ওই তরুণী মুখে প্রচণ্ড আঘাত পান।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ওই তরুণীর আঘাতপ্রাপ্ত মুখে ১০ থেকে ১২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও এখনো ভয় ও শঙ্কায় আছেন তিনি। পুলিশ এখনো তার বিবৃতি রেকর্ড করতে পারেনি।
এনডিটিভি বলছে, সোমবার রাতে বাসায় ফেরার জন্য গাড়ি খুঁজছিলেন ওই তরুণী। এমন সময়ে দুই যুবক তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাড়িতে তোলে। এরপর দুই-আড়াই ঘণ্টা ধরে গাড়িতেই ওই নারীকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগপত্রে জানিয়েছে তার পরিবার। ওই তরুণীর প্রতিরোধ-অনুরোধ সত্ত্বেও অভিযুক্তরা থামেনি, উল্টো ওই তরুণীকে হত্যার হুমকি দেয়।
ধর্ষণের শিকার তরুণীর বোন অভিযোগপত্রে বলেছেন, ঘটনার আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ফোন করেছিলেন ওই তরুণী। মা-র সঙ্গে বাদানুবাদের পর ঘর থেকে বেরিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছেন জানিয়ে বোনকে ওই তরুণী বলেছিলেন, ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে বাসায় ফিরবেন তিনি।
ধর্ষণের শিকার তরুণী তার বোনকে অনেকবার কল করেছিলেন, বোন ফিরতি কল করার পর ঘটনার কথা জানতে পারেন। তিনি ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ধর্ষণের শিকার তরুণী বিবাহিত এবং তিন সন্তান আছে তার। পারিবারিক বিরোধের কারণে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন না তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। ধর্ষণে ব্যবহৃত গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

২৭ মে, ২০২৫ ১৫:৫০
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.