
০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৪৪
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পিরোজপুর জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সাক্ষাৎ করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর জেলা বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রবীণ নেতা মোতালেব আকন তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিলেন। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে তার এই দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথা উঠে আসলে বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে আসে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারেক রহমান ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন মোতালেব আকনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। এরপরই শুরু হয় ভার্চুয়াল সাক্ষাতের প্রস্তুতি।
সোমবার ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রবীণ এ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে যুক্ত হন তারেক রহমান। উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে শুরু হয় আবেগঘন এ সাক্ষাৎ।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড রুহুল কবির রিজভী। আমারা বিএনপি পরিবার এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন, দৈনিক কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান সহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় এ্যাড রুহুল কবির রিজভী পিরোজপুরে উপস্থিত থেকে মোতালেব আকনের হাতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, "এই উদ্যোগ কেবল একজন প্রবীণ নেতার স্বপ্নপূরণ নয়, বরং বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রতি দেশনায়কের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। তারেক রহমান বারবার প্রমাণ করেছেন, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, একজন সংবেদনশীল, মানবিক এবং স্মৃতিশক্তি সমৃদ্ধ নেতাও।"
সাক্ষাৎ উপলক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে এক উৎসব মুখর পরিবেশের তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, যুগ্ম আহ্বায়ক এলিজা জামান, সদস্য আলমগীর হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাতকে দলের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন, এই উদ্যোগ দলের মধ্যে যে আন্তরিকতা, ঐক্য ও মানবিক সম্পর্কের বন্ধন রয়েছে তা আরও দৃঢ় ও সুসংহত করবে।
পিরোজপুর জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, প্রবীণদের সম্মান জানানো এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পিরোজপুর জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সাক্ষাৎ করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর জেলা বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রবীণ নেতা মোতালেব আকন তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিলেন। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে তার এই দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথা উঠে আসলে বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে আসে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারেক রহমান ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন মোতালেব আকনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। এরপরই শুরু হয় ভার্চুয়াল সাক্ষাতের প্রস্তুতি।
সোমবার ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রবীণ এ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে যুক্ত হন তারেক রহমান। উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে শুরু হয় আবেগঘন এ সাক্ষাৎ।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড রুহুল কবির রিজভী। আমারা বিএনপি পরিবার এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন, দৈনিক কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান সহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় এ্যাড রুহুল কবির রিজভী পিরোজপুরে উপস্থিত থেকে মোতালেব আকনের হাতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, "এই উদ্যোগ কেবল একজন প্রবীণ নেতার স্বপ্নপূরণ নয়, বরং বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রতি দেশনায়কের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। তারেক রহমান বারবার প্রমাণ করেছেন, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, একজন সংবেদনশীল, মানবিক এবং স্মৃতিশক্তি সমৃদ্ধ নেতাও।"
সাক্ষাৎ উপলক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে এক উৎসব মুখর পরিবেশের তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, যুগ্ম আহ্বায়ক এলিজা জামান, সদস্য আলমগীর হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাতকে দলের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন, এই উদ্যোগ দলের মধ্যে যে আন্তরিকতা, ঐক্য ও মানবিক সম্পর্কের বন্ধন রয়েছে তা আরও দৃঢ় ও সুসংহত করবে।
পিরোজপুর জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, প্রবীণদের সম্মান জানানো এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করে
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৫
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.