
১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৪
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে সৈকত এলাকাজুড়ে দেখা গেছে পর্যটকশূন্য পরিবেশ। হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট সব জায়গাতেই বিরাজ করছে এক ধরনের নিস্তব্ধতা।
সাধারণত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়েও কুয়াকাটায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকরা ভ্রমণ থেকে বিরত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
হোটেল-মোটেল, ঝিনুক ও আচার মার্কেট, খাবার হোটেল রেস্তোরাঁ, অটোচালক, মোটরবাইক, ফটোগ্রাফারসহ মোট ১৬টি পেশার মানুষ বর্তমানে পর্যটক না আসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় দোকানিরা জানিয়েছেন, পর্যটক না থাকায় বিক্রি প্রায় বন্ধ। অনেকেই দোকান খোলার আগ্রহও হারিয়েছেন।
কুয়াকাটা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাঈনুল ইসলাম বলেন, দিনে দোকান খুলে বসে থাকি, কোনো ক্রেতা পাই না। পর্যটকই না থাকলে আমাদের ব্যবসা চলবে কীভাবে?”
ফটোগ্রাফার সাইফুল মুন্সী বলেন, সৈকতে এখন কেউ আসে না ছবি তুলতে। আগে প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ জনের ছবি তুলতাম, এখন পুরো দিনেও একজন পর্যটক মেলে না।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, পর্যটক না থাকায় হোটেলের অনেক কর্মচারী বেকার হয়ে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অনেক হোটেল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়ায় কেউ বুকিং দিচ্ছে না। ১৩ তারিখে তো একেবারেই ফাঁকা সৈকত দেখলাম। এমন অবস্থা আমরা আগে দেখিনি।
কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুশার বলেন, এখন পর্যটন মৌসুম শুরু হয়েছে উপলক্ষে পর্যটকের উপস্থিতি এখন বেশি থাকার কথা। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটক কম আসছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ বলেন, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ধ্বংস হয়ে যাবে। কুয়াকাটা নির্ভরশীল একটি শহর, এখানে ৭০ শতাংশ মানুষ পর্যটন সংশ্লিষ্ট পেশায় জড়িত।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের পর্যটন শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় দ্রুত স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করে পর্যটকদের আগমন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে সৈকত এলাকাজুড়ে দেখা গেছে পর্যটকশূন্য পরিবেশ। হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট সব জায়গাতেই বিরাজ করছে এক ধরনের নিস্তব্ধতা।
সাধারণত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়েও কুয়াকাটায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকরা ভ্রমণ থেকে বিরত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
হোটেল-মোটেল, ঝিনুক ও আচার মার্কেট, খাবার হোটেল রেস্তোরাঁ, অটোচালক, মোটরবাইক, ফটোগ্রাফারসহ মোট ১৬টি পেশার মানুষ বর্তমানে পর্যটক না আসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় দোকানিরা জানিয়েছেন, পর্যটক না থাকায় বিক্রি প্রায় বন্ধ। অনেকেই দোকান খোলার আগ্রহও হারিয়েছেন।
কুয়াকাটা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাঈনুল ইসলাম বলেন, দিনে দোকান খুলে বসে থাকি, কোনো ক্রেতা পাই না। পর্যটকই না থাকলে আমাদের ব্যবসা চলবে কীভাবে?”
ফটোগ্রাফার সাইফুল মুন্সী বলেন, সৈকতে এখন কেউ আসে না ছবি তুলতে। আগে প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ জনের ছবি তুলতাম, এখন পুরো দিনেও একজন পর্যটক মেলে না।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, পর্যটক না থাকায় হোটেলের অনেক কর্মচারী বেকার হয়ে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অনেক হোটেল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়ায় কেউ বুকিং দিচ্ছে না। ১৩ তারিখে তো একেবারেই ফাঁকা সৈকত দেখলাম। এমন অবস্থা আমরা আগে দেখিনি।
কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুশার বলেন, এখন পর্যটন মৌসুম শুরু হয়েছে উপলক্ষে পর্যটকের উপস্থিতি এখন বেশি থাকার কথা। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটক কম আসছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ বলেন, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ধ্বংস হয়ে যাবে। কুয়াকাটা নির্ভরশীল একটি শহর, এখানে ৭০ শতাংশ মানুষ পর্যটন সংশ্লিষ্ট পেশায় জড়িত।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের পর্যটন শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় দ্রুত স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করে পর্যটকদের আগমন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কুয়াকাটা পৌর এলাকার আবাসিক ‘হোটেল আমান’-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাশার জানান, তিনি হোটেল আমানের সামনে একটি ছোট দোকান পরিচালনা করেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোলেমানের সঙ্গে তার বাবার পূর্বের আর্থিক লেনদেনের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বাশারের অভিযোগ, সোলেমান হঠাৎ দোকানে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি দোকানের মালামাল তছনছ করেন এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা বিক্রির নগদ প্রায় ৯০ হাজার টাকা সোলেমান লুটে নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাশারের বাবা আনোয়ার মাঝির সঙ্গে অভিযুক্ত সোলেমানের আগে থেকেই পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতের আঁধারে এমন আকস্মিক ঘটনায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সোলেমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কুয়াকাটা পৌর এলাকার আবাসিক ‘হোটেল আমান’-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাশার জানান, তিনি হোটেল আমানের সামনে একটি ছোট দোকান পরিচালনা করেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোলেমানের সঙ্গে তার বাবার পূর্বের আর্থিক লেনদেনের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বাশারের অভিযোগ, সোলেমান হঠাৎ দোকানে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি দোকানের মালামাল তছনছ করেন এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা বিক্রির নগদ প্রায় ৯০ হাজার টাকা সোলেমান লুটে নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাশারের বাবা আনোয়ার মাঝির সঙ্গে অভিযুক্ত সোলেমানের আগে থেকেই পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতের আঁধারে এমন আকস্মিক ঘটনায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সোলেমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে ইয়াবাসহ এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়|
আটক সুজন (১৬) উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দুলাল মৃধার ছেলে। সে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাউফল থানার এসআই মাসুদুর রহমান ও এসআই রবিন খাবারের জন্য হাসপাতাল এলাকায় গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে রাব্বি একটি প্যাকেট পাশের সরকারি কবরস্থানের দেয়ালের দিকে ছুড়ে ফেলে| এতে সন্দেহ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়।
পরে কাগজে মোড়ানো একটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার ভেতরে ৪০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। স্থানীয় চা দোকানি জানান, সুজনের সঙ্গে আরও দুইজন ছিল, যারা আগে সেখান থেকে চলে যায়। পরে সুজন একা চা ও সিগারেট খাচ্ছিল। তাদের দেখে কি যেন ফেলে দিল।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক কিশোরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তার সাথে জড়িত অন্যদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার সমস্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ইয়াবাসহ এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়|
আটক সুজন (১৬) উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দুলাল মৃধার ছেলে। সে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাউফল থানার এসআই মাসুদুর রহমান ও এসআই রবিন খাবারের জন্য হাসপাতাল এলাকায় গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে রাব্বি একটি প্যাকেট পাশের সরকারি কবরস্থানের দেয়ালের দিকে ছুড়ে ফেলে| এতে সন্দেহ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়।
পরে কাগজে মোড়ানো একটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার ভেতরে ৪০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। স্থানীয় চা দোকানি জানান, সুজনের সঙ্গে আরও দুইজন ছিল, যারা আগে সেখান থেকে চলে যায়। পরে সুজন একা চা ও সিগারেট খাচ্ছিল। তাদের দেখে কি যেন ফেলে দিল।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক কিশোরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তার সাথে জড়িত অন্যদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার সমস্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.