
১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৪
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে সৈকত এলাকাজুড়ে দেখা গেছে পর্যটকশূন্য পরিবেশ। হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট সব জায়গাতেই বিরাজ করছে এক ধরনের নিস্তব্ধতা।
সাধারণত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়েও কুয়াকাটায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকরা ভ্রমণ থেকে বিরত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
হোটেল-মোটেল, ঝিনুক ও আচার মার্কেট, খাবার হোটেল রেস্তোরাঁ, অটোচালক, মোটরবাইক, ফটোগ্রাফারসহ মোট ১৬টি পেশার মানুষ বর্তমানে পর্যটক না আসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় দোকানিরা জানিয়েছেন, পর্যটক না থাকায় বিক্রি প্রায় বন্ধ। অনেকেই দোকান খোলার আগ্রহও হারিয়েছেন।
কুয়াকাটা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাঈনুল ইসলাম বলেন, দিনে দোকান খুলে বসে থাকি, কোনো ক্রেতা পাই না। পর্যটকই না থাকলে আমাদের ব্যবসা চলবে কীভাবে?”
ফটোগ্রাফার সাইফুল মুন্সী বলেন, সৈকতে এখন কেউ আসে না ছবি তুলতে। আগে প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ জনের ছবি তুলতাম, এখন পুরো দিনেও একজন পর্যটক মেলে না।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, পর্যটক না থাকায় হোটেলের অনেক কর্মচারী বেকার হয়ে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অনেক হোটেল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়ায় কেউ বুকিং দিচ্ছে না। ১৩ তারিখে তো একেবারেই ফাঁকা সৈকত দেখলাম। এমন অবস্থা আমরা আগে দেখিনি।
কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুশার বলেন, এখন পর্যটন মৌসুম শুরু হয়েছে উপলক্ষে পর্যটকের উপস্থিতি এখন বেশি থাকার কথা। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটক কম আসছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ বলেন, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ধ্বংস হয়ে যাবে। কুয়াকাটা নির্ভরশীল একটি শহর, এখানে ৭০ শতাংশ মানুষ পর্যটন সংশ্লিষ্ট পেশায় জড়িত।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের পর্যটন শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় দ্রুত স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করে পর্যটকদের আগমন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকে সৈকত এলাকাজুড়ে দেখা গেছে পর্যটকশূন্য পরিবেশ। হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট সব জায়গাতেই বিরাজ করছে এক ধরনের নিস্তব্ধতা।
সাধারণত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়েও কুয়াকাটায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকরা ভ্রমণ থেকে বিরত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
হোটেল-মোটেল, ঝিনুক ও আচার মার্কেট, খাবার হোটেল রেস্তোরাঁ, অটোচালক, মোটরবাইক, ফটোগ্রাফারসহ মোট ১৬টি পেশার মানুষ বর্তমানে পর্যটক না আসায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় দোকানিরা জানিয়েছেন, পর্যটক না থাকায় বিক্রি প্রায় বন্ধ। অনেকেই দোকান খোলার আগ্রহও হারিয়েছেন।
কুয়াকাটা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাঈনুল ইসলাম বলেন, দিনে দোকান খুলে বসে থাকি, কোনো ক্রেতা পাই না। পর্যটকই না থাকলে আমাদের ব্যবসা চলবে কীভাবে?”
ফটোগ্রাফার সাইফুল মুন্সী বলেন, সৈকতে এখন কেউ আসে না ছবি তুলতে। আগে প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ জনের ছবি তুলতাম, এখন পুরো দিনেও একজন পর্যটক মেলে না।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, পর্যটক না থাকায় হোটেলের অনেক কর্মচারী বেকার হয়ে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অনেক হোটেল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়ায় কেউ বুকিং দিচ্ছে না। ১৩ তারিখে তো একেবারেই ফাঁকা সৈকত দেখলাম। এমন অবস্থা আমরা আগে দেখিনি।
কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুশার বলেন, এখন পর্যটন মৌসুম শুরু হয়েছে উপলক্ষে পর্যটকের উপস্থিতি এখন বেশি থাকার কথা। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটক কম আসছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ বলেন, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ধ্বংস হয়ে যাবে। কুয়াকাটা নির্ভরশীল একটি শহর, এখানে ৭০ শতাংশ মানুষ পর্যটন সংশ্লিষ্ট পেশায় জড়িত।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের পর্যটন শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। কুয়াকাটার মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় দ্রুত স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করে পর্যটকদের আগমন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়নে পটুয়াখালী সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল এরিয়ার অধীন পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনের পাশাপাশি মোতায়েনরত সেনা সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সফরকালে সেনাপ্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা সদস্যদের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পেশাদারিত্ব, সংযম ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি।
একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ওয়াকার-উজ-জামান।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এসময় ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘‘একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা ও আস্থা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ কার্যক্রমে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফর মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.