ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিএনপির ওই নেতা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের মহাসচিবকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দল মনোনীত করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান কর্তৃক মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডেইলি ওয়াদা বিএনপির আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রায় সবাই জানিয়েছেন যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি একান্তই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে। তবে তার পছন্দের বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন নেতা নিশ্চিত করেছেন যে ফখরুলকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার (৯ আগস্ট) সকালে বিএনপি নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সদর দপ্তরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।
এর আগে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলের প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছিল। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায়, সংসদীয় সমর্থনে কোনো অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন না ঘটলে দলটির মনোনীত প্রার্থীই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া কার্যত নিশ্চিত।
নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ২০ আগস্ট নির্ধারণ করেছে; প্রয়োজনে সেদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে মির্জা ফখরুল যদি একমাত্র বৈধ প্রার্থী হন, তবে কোনো সংসদীয় ভোটের প্রয়োজন হবে না এবং তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যেতে পারে।
এর আগে, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা বাধ্যতামূলক।

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ২০:০৫
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক সেনাকর্তা জিয়াউল আহসানসহ তৎকালীন র্যাব-পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। তদন্ত শেষে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (০৮ আগস্ট) বিকেলে তিনি কালবেলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছ থেকে মৌখিক জবানবন্দি নিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা, দ্রুতই আনুষ্ঠানিক জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। দ্রুতই এ মামলার তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করতে চায় প্রসিকিউশন। এ ছাড়া তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা আইনজীবী সোহেলের জবানবন্দিতেও উঠে এসেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার চাঞ্চল্যকর তথ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘তদন্তে আরও বেরিয়ে আসে, গুমের পর ও উদ্ধারের আগে মাঝের ২ মাস সালাহউদ্দিন আহমদকে বন্দি করে নির্যাতন করা হয়েছিল র্যাবের গোপন বন্দিশালা টিএফআই সেলে।’
শেখ হাসিনা-কামাল-জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা
এর আগে, গত বছরের ৩ জুন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে গুমের অভিযোগ দিয়েছিলেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শেখ হাসিনা ছাড়া বাকিরা হলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম। এ ছাড়া আরও অজ্ঞাতনামা অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে সালাহউদ্দিনকে তুলে নেওয়া হয় বলে তখন অভিযোগ করেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। অন্যদিকে, তখন বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সালাহউদ্দিনকে উঠিয়ে নিয়ে গেছেন।
সে সময় সালাহউদ্দিন বিএনপির মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই বছরের ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
ভারতের পুলিশের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, সালাহউদ্দিন শিলংয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘোরাঘুরি করার সময় লোকজনের ফোন পেয়ে তাকে আটক করা হয়।
সালাহউদ্দিনকে আটক করার পর বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে দেশটির ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা করে মেঘালয় পুলিশ। ২০১৫ সালের ২২ জুলাই ভারতের নিম্ন আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের অভিযোগে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে ২০১৮ সালে সালাহউদ্দিন খালাস পান। ভারত সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে তাকে সেখানেই থাকতে হয়।
২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আপিলেও খালাস পান সালাহউদ্দিন। আদালত তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই বছরের ৮ মে সালাহউদ্দিন ভ্রমণ অনুমোদনের জন্য আসাম রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেন।
আবেদনে তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে তিনি ভারতে আটকে আছেন। দেশটিতে তার বিরুদ্ধে যে অনুপ্রবেশের মামলা হয়েছিল, সেই মামলায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন। ২০১৬ সালের ১১ জুলাই তার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ভারতে থাকার কারণে তিনি নিজের পাসপোর্ট নবায়নের সুযোগ পাননি। ভ্রমণ অনুমোদন দেওয়া হলে তিনি নিজের দেশে ফিরতে চান। দেশবাসী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হতে চান।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৬ আগস্ট সালাহউদ্দিন দেশে ফেরার জন্য ভ্রমণ অনুমোদন বা ট্রাভেল পাস পান। ১১ আগস্ট তিনি দেশে ফেরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক সেনাকর্তা জিয়াউল আহসানসহ তৎকালীন র্যাব-পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। তদন্ত শেষে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (০৮ আগস্ট) বিকেলে তিনি কালবেলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছ থেকে মৌখিক জবানবন্দি নিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা, দ্রুতই আনুষ্ঠানিক জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। দ্রুতই এ মামলার তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করতে চায় প্রসিকিউশন। এ ছাড়া তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা আইনজীবী সোহেলের জবানবন্দিতেও উঠে এসেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার চাঞ্চল্যকর তথ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘তদন্তে আরও বেরিয়ে আসে, গুমের পর ও উদ্ধারের আগে মাঝের ২ মাস সালাহউদ্দিন আহমদকে বন্দি করে নির্যাতন করা হয়েছিল র্যাবের গোপন বন্দিশালা টিএফআই সেলে।’
শেখ হাসিনা-কামাল-জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা
এর আগে, গত বছরের ৩ জুন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে গুমের অভিযোগ দিয়েছিলেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শেখ হাসিনা ছাড়া বাকিরা হলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক, মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম। এ ছাড়া আরও অজ্ঞাতনামা অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে সালাহউদ্দিনকে তুলে নেওয়া হয় বলে তখন অভিযোগ করেন তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। অন্যদিকে, তখন বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সালাহউদ্দিনকে উঠিয়ে নিয়ে গেছেন।
সে সময় সালাহউদ্দিন বিএনপির মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই বছরের ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
ভারতের পুলিশের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, সালাহউদ্দিন শিলংয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘোরাঘুরি করার সময় লোকজনের ফোন পেয়ে তাকে আটক করা হয়।
সালাহউদ্দিনকে আটক করার পর বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে দেশটির ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা করে মেঘালয় পুলিশ। ২০১৫ সালের ২২ জুলাই ভারতের নিম্ন আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের অভিযোগে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে ২০১৮ সালে সালাহউদ্দিন খালাস পান। ভারত সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে তাকে সেখানেই থাকতে হয়।
২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আপিলেও খালাস পান সালাহউদ্দিন। আদালত তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই বছরের ৮ মে সালাহউদ্দিন ভ্রমণ অনুমোদনের জন্য আসাম রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেন।
আবেদনে তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে তিনি ভারতে আটকে আছেন। দেশটিতে তার বিরুদ্ধে যে অনুপ্রবেশের মামলা হয়েছিল, সেই মামলায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন। ২০১৬ সালের ১১ জুলাই তার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ভারতে থাকার কারণে তিনি নিজের পাসপোর্ট নবায়নের সুযোগ পাননি। ভ্রমণ অনুমোদন দেওয়া হলে তিনি নিজের দেশে ফিরতে চান। দেশবাসী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হতে চান।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৬ আগস্ট সালাহউদ্দিন দেশে ফেরার জন্য ভ্রমণ অনুমোদন বা ট্রাভেল পাস পান। ১১ আগস্ট তিনি দেশে ফেরেন।

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪৯
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা এখনও গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। তার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, তারা আজ যে আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন, সেখানে ভু্তেভোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমান। তার বর্ণনা থেকে যে রুমটি অনুমান করেছি, সেটিও দেখেছি।
যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে পেয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই র্যাব-১’র যে আয়নাঘর সেখানে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে ভারতে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটাও আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি। এখানে মোট ২৯টি রুম। কী কারণে এগুলো বানানো হয়েছে এটা অবশই সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।
র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদীসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি। শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা গোপন এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এরআগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওইদিন র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। শনিবার (১ আগস্ট) টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা এখনও গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। তার মধ্যে ইলিয়াস আলী ও সাজেদুল ইসলাম সুমন অন্যতম।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, তারা আজ যে আয়নাঘর পরিদর্শন করেছেন, সেখানে ভু্তেভোগীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমান। তার বর্ণনা থেকে যে রুমটি অনুমান করেছি, সেটিও দেখেছি।
যাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি, তারা কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি সংশ্লিষ্টরা জানেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন বর্ণনা, সাক্ষী ও তদন্ত থেকে পেয়েছি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই র্যাব-১’র যে আয়নাঘর সেখানে কোনো একটি কামরায় রাখা হয়েছিল। পরে ভারতে নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটাও আমরা প্রাথমিক তদন্তে পেয়েছি। এখানে মোট ২৯টি রুম। কী কারণে এগুলো বানানো হয়েছে এটা অবশই সংশ্লিষ্ট আসামিদের ব্যাখ্যা দিতে হবে।
র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১’র চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদীসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
উপস্থিত ছিলেন গুম কমিশনের সদস্য নুর খান লিটন ও গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলি। শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা গোপন এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এরআগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওইদিন র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।’

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৮
জুলাই গণঅভ্যুথানের মুখে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেই তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাব্য ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি দেশে ফিরলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি তার বিষয়। বাংলাদেশের আইনগত এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলেই প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, সেটা তার বিষয়। কিন্তু আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলে আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, সেই ক্ষমতাই প্রয়োগ করা হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার >> আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী >> রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।'
জুলাই গণঅভ্যুথানের মুখে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেই তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাব্য ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি দেশে ফিরলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি তার বিষয়। বাংলাদেশের আইনগত এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলেই প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, সেটা তার বিষয়। কিন্তু আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলে আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, সেই ক্ষমতাই প্রয়োগ করা হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার >> আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী >> রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।'

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২০
বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মনোনয়ন চূড়ান্ত করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিএনপির ওই নেতা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের মহাসচিবকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দল মনোনীত করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান কর্তৃক মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডেইলি ওয়াদা বিএনপির আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রায় সবাই জানিয়েছেন যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি একান্তই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে। তবে তার পছন্দের বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন নেতা নিশ্চিত করেছেন যে ফখরুলকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার (৯ আগস্ট) সকালে বিএনপি নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সদর দপ্তরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।
এর আগে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলের প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছিল। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায়, সংসদীয় সমর্থনে কোনো অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন না ঘটলে দলটির মনোনীত প্রার্থীই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া কার্যত নিশ্চিত।
নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ২০ আগস্ট নির্ধারণ করেছে; প্রয়োজনে সেদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে মির্জা ফখরুল যদি একমাত্র বৈধ প্রার্থী হন, তবে কোনো সংসদীয় ভোটের প্রয়োজন হবে না এবং তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা যেতে পারে।
এর আগে, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা বাধ্যতামূলক।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ২২:১৫
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২০
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৩
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫২