Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৪১
নোয়াখালীর কবিরহাটে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পরে এক যুবলীগ নেতা এবং ইমান-মুয়াজ্জিনসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের সাত বাড়িয়া জামে মসজিদ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন নিজাম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম ও মো. করিম। তাদের মধ্যে নিজাম উদ্দিন মসজিদের ইমাম, নজরুল মুয়াজ্জিন ও করিম ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য।
এর আগে, একই দিন বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের সাত বাড়িয়া এলাকার মরহুম ছাত্রলীগ নেতা স্বপন মোল্লার বাড়িতে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা স্বপন মোল্লা স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ব্যানারে একই ওয়ার্ডের সাত বাড়িয়া ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম স্বপন মোল্লার বাড়িতে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করে স্থানীয় যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পার্শ্ববর্তী সাত বাড়িয়া জামে মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন ওই মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন।
এরপর দলীয় নেতাকর্মীরা মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের একটি ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার দেয়। এ ভিডিও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এলে তারা ভিডিও দেখে অভিযানে নামে। পরে একই দিন রাত ৮টার দিকে অভিযান চালিয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং যুবলীগ নেতা সুমনসহ তিনজনকে আটক করে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের কর্মসূচির প্রতিবাদে রাতেই উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে যুবদল ও জামায়াতের যুব বিভাগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
নোয়াখালীর কবিরহাটে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পরে এক যুবলীগ নেতা এবং ইমান-মুয়াজ্জিনসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের সাত বাড়িয়া জামে মসজিদ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন নিজাম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম ও মো. করিম। তাদের মধ্যে নিজাম উদ্দিন মসজিদের ইমাম, নজরুল মুয়াজ্জিন ও করিম ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য।
এর আগে, একই দিন বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের সাত বাড়িয়া এলাকার মরহুম ছাত্রলীগ নেতা স্বপন মোল্লার বাড়িতে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা স্বপন মোল্লা স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ব্যানারে একই ওয়ার্ডের সাত বাড়িয়া ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম স্বপন মোল্লার বাড়িতে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করে স্থানীয় যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পার্শ্ববর্তী সাত বাড়িয়া জামে মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন ওই মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন।
এরপর দলীয় নেতাকর্মীরা মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের একটি ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার দেয়। এ ভিডিও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এলে তারা ভিডিও দেখে অভিযানে নামে। পরে একই দিন রাত ৮টার দিকে অভিযান চালিয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং যুবলীগ নেতা সুমনসহ তিনজনকে আটক করে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের কর্মসূচির প্রতিবাদে রাতেই উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে যুবদল ও জামায়াতের যুব বিভাগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

০২ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১৫

০২ জুলাই, ২০২৬ ২২:৪৪

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৬
ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন (২০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সাথে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় অন্ধকারে ছোড়া গুলিতে সুমন নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। এ সময় আশেপাশের মসজিদের মাইক থেকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়। গুলিবিদ্ধ সুমনকে ভাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্য নেওয়া হলে পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার হয়। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ। নিহত সুমন শেখ ভাঙা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখ-এর ছেলে।
ভাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত সাড়ে ৭ দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, কাপুড়িয়া সদরদী ও হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে বর্তমানে তিনি নিজে ভারী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। একই ঘটনায় ওই কক্ষের চার আবাসিক শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
হল প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১লা জুলাই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হলের ওয়ার্ডেন সহযোগী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল এবং সহকারী অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন। কমিটিকে তিন কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
হল প্রশাসন জানায়, ২ জুলাই চার শিক্ষার্থী রসায়ন বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের আরিফ হাসনাত শামীম, রসায়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের মো. গিয়াসউদ্দিন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের মো. রাকিব এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের সাদ আব্দুর রহমানকে পৃথকভাবে একই ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, গত ২৭ জুন হলের তৃতীয় তলার ‘এ’ ব্লকের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় একটি কালেমা খচিত পতাকা টানানো দেখা যায়। পরে এ–সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কক্ষটির আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে এ ঘটনার দায় তারা এড়াতে পারেন না। আগামী ৫ জুলাই সকাল ১০টার মধ্যে তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের কার্যালয়ে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন বলেন, “আজ আমরা প্রথম বৈঠক করেছি। চার শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি, তবে বাকিদের পাওয়া যায়নি। তাই সবাইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারা রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা দেবেন। এরপর সোমবার আবার বৈঠকে বসে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে যার সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে লিখিত বক্তব্য পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”
অভিযোগের বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা একজন মুসলিম হিসেবে ধর্মীয় অনুভূতি থেকে এবং দাওয়াতের নিয়তে পতাকাটি টাঙিয়েছিলাম। মানুষ ফুটবল নিয়ে যেভাবে মত্ত হয়ে আছে, সেখান থেকে ধর্মীয় সচেতনতার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
তিনি বলেন, পতাকাটি প্রায় দুইদিন টানানো ছিল। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এলে সেটি নামিয়ে ফেলা হয়।
তালেবান বা অন্য কোনো উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে পতাকাটির কোনো সম্পর্ক ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এ ধরনের কোনো প্রশ্নই আসে না।”
তদন্ত কমিটির বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, পরীক্ষার কারণে তিনি প্রথম বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে হল প্রশাসনের দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লিখিতভাবে দেবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত একটি পতাকা টানানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে হল প্রশাসনের নির্দেশে পতাকাটি নামিয়ে ফেলা হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। একই ঘটনায় ওই কক্ষের চার আবাসিক শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
হল প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১লা জুলাই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হলের ওয়ার্ডেন সহযোগী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল এবং সহকারী অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন। কমিটিকে তিন কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
হল প্রশাসন জানায়, ২ জুলাই চার শিক্ষার্থী রসায়ন বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের আরিফ হাসনাত শামীম, রসায়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের মো. গিয়াসউদ্দিন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের মো. রাকিব এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের সাদ আব্দুর রহমানকে পৃথকভাবে একই ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, গত ২৭ জুন হলের তৃতীয় তলার ‘এ’ ব্লকের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় একটি কালেমা খচিত পতাকা টানানো দেখা যায়। পরে এ–সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কক্ষটির আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে এ ঘটনার দায় তারা এড়াতে পারেন না। আগামী ৫ জুলাই সকাল ১০টার মধ্যে তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের কার্যালয়ে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন বলেন, “আজ আমরা প্রথম বৈঠক করেছি। চার শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি, তবে বাকিদের পাওয়া যায়নি। তাই সবাইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারা রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা দেবেন। এরপর সোমবার আবার বৈঠকে বসে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে যার সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে লিখিত বক্তব্য পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”
অভিযোগের বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা একজন মুসলিম হিসেবে ধর্মীয় অনুভূতি থেকে এবং দাওয়াতের নিয়তে পতাকাটি টাঙিয়েছিলাম। মানুষ ফুটবল নিয়ে যেভাবে মত্ত হয়ে আছে, সেখান থেকে ধর্মীয় সচেতনতার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
তিনি বলেন, পতাকাটি প্রায় দুইদিন টানানো ছিল। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এলে সেটি নামিয়ে ফেলা হয়।
তালেবান বা অন্য কোনো উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে পতাকাটির কোনো সম্পর্ক ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এ ধরনের কোনো প্রশ্নই আসে না।”
তদন্ত কমিটির বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, পরীক্ষার কারণে তিনি প্রথম বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে হল প্রশাসনের দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লিখিতভাবে দেবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত একটি পতাকা টানানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে হল প্রশাসনের নির্দেশে পতাকাটি নামিয়ে ফেলা হয়।
দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে জাপানের দেওয়া পাঁচটি আধুনিক উচ্চগতির পেট্রোল বোট।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাপানের Official Security Assistance (OSA) কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত পাঁচটি পেট্রোল বোট আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি। অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধি দল, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে পাঁচটি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট সংগ্রহের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই বছরের নভেম্বরে নোট বিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।
পরবর্তীতে জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বানৌজা নির্ভীক-এ নৌবাহিনীর সদস্যদের বোট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
নৌবাহিনী সূত্র জানায়, প্রতিটি পেট্রোল বোটের দৈর্ঘ্য ১৬ দশমিক ১৫ মিটার, প্রস্থ ৩ দশমিক ৫৩ মিটার, গভীরতা ১ দশমিক ৭৮ মিটার এবং ধারণক্ষমতা ১৩ দশমিক ৫ টন। বোটগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম। কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে চলাচলের উপযোগী হওয়ায় দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে দ্রুত ও কার্যকরভাবে অভিযান পরিচালনায় এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত টহল, নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে এসব পেট্রোল বোট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, জাপানের OSA কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্প শুধু বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতাই বৃদ্ধি করবে না, বরং বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করবে।
বরিশাল টাইমস
দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে জাপানের দেওয়া পাঁচটি আধুনিক উচ্চগতির পেট্রোল বোট।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাপানের Official Security Assistance (OSA) কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত পাঁচটি পেট্রোল বোট আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি। অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধি দল, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে পাঁচটি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট সংগ্রহের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই বছরের নভেম্বরে নোট বিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।
পরবর্তীতে জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বানৌজা নির্ভীক-এ নৌবাহিনীর সদস্যদের বোট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
নৌবাহিনী সূত্র জানায়, প্রতিটি পেট্রোল বোটের দৈর্ঘ্য ১৬ দশমিক ১৫ মিটার, প্রস্থ ৩ দশমিক ৫৩ মিটার, গভীরতা ১ দশমিক ৭৮ মিটার এবং ধারণক্ষমতা ১৩ দশমিক ৫ টন। বোটগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম। কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে চলাচলের উপযোগী হওয়ায় দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে দ্রুত ও কার্যকরভাবে অভিযান পরিচালনায় এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত টহল, নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে এসব পেট্রোল বোট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, জাপানের OSA কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্প শুধু বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতাই বৃদ্ধি করবে না, বরং বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করবে।
বরিশাল টাইমস
ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন (২০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সাথে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় অন্ধকারে ছোড়া গুলিতে সুমন নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। এ সময় আশেপাশের মসজিদের মাইক থেকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়। গুলিবিদ্ধ সুমনকে ভাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্য নেওয়া হলে পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার হয়। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ। নিহত সুমন শেখ ভাঙা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখ-এর ছেলে।
ভাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত সাড়ে ৭ দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, কাপুড়িয়া সদরদী ও হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে বর্তমানে তিনি নিজে ভারী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।’
০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪
০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২২
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭