জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি’র বিতর্কিত নেতা মারযুক আব্দুল্লাহ এবার বরিশালের একজন আলোচিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন। বরিশাল মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানাধীন ‘জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল ‘বরিশালটাইমস.কমের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামকে তিনি টার্গেট করেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসি মারযুক গত ২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়ে কীর্তনখোলা তীর জনপদের শহর বরিশালের সিনিয়র সিটিজেন, নিরীহ অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করলে এনিয়ে তথ্যনির্ভর এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্যসহ একটি সংবাদ ‘‘বরিশাল ছাত্রশক্তি নেতার মামলা-বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সংক্ষুব্ধ বরিশালবাসী’’ শিরোনামে প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। শনিবার (০৪ জুন) সন্ধ্যা ঠিক সাতটায় সংবাটি প্রকাশের ঘণ্টা দুয়েকের মাথায় টিবিএন ‘বরিশালটপনিউজ’ নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ছবিসংবলিত একটি ফটোকার্ড পত্রিকার আদলে তৈরি করে তাতে টাইটেল দেন, ‘মারযুক আব্দুল্লাহর কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা চাইলেন সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম। এবং টাকা না পেলে মারযুককে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও ফটোকার্ডটির সাব টাইটেলে উল্লেখ করেন।
অহেতুক বিএনপির নারী কর্মীসহ ব্যবসায়ী নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে কেনো হয়রানি করা হচ্ছে, এই বিষয়ে জানতে শুক্রবার বিকেলে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’ বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ফোন করেন মারযুক আব্দুল্লাহকে। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের ব্যুরো চিফের সাথে মিথ্যের আশ্রয় নেন। তখন প্রতিবাদ করলে ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারযুক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, বাধ্য হয়ে সাংবাদিক নেতাও উত্তপ্ত হন, এই মোবাইল কনভারসেশনের ১০ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ভয়েস রেকডিং বরিশালটাইমস কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে। এবং মারযুকের মতো অপরাধীর বিষয়ে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষমহলকে অবগত করা হয়।
সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম জানান, ‘বরিশালটপনিউজ’ নাম একটি ফেসবুক পেইজ থেকে আমার নামে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা বরিশালের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি বরিশালের নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকেরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মারযুকের মতো চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে আহ্বান রেখেছেন। প্রয়োজনে মামলাবাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রণের পরামর্শও দিয়েছেন।
বাণিজ্য করতে গিয়ে বরিশাল শহরের অসংখ্য মানুষকে মামলায় জড়ানোর বিষয়টি ক্ষমতাসীন বিএনপিও ভালো ভাবে গ্রহণ করেনি। বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা এপিপি হাফিজ আহমেদ বাবলু মামলাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিএনপিপন্থী এই আইনজীবী বলেন, মামলায় মিথ্যা তথ্য এবং মৃত ব্যক্তিকে আসামি করাটাও একটি অপরাধ। আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অথচ এই মামলাটি সম্পর্কে আমরা কেউ কিছু জানি না।
বিজ্ঞ আদালত বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আমরা মনে করি, এ মামলাটির কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা হবে এবং মামলার সত্যতা কতটুকু তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এতে বাদীর কোনো অনিয়ম পেলে আদালত ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারে।
এত অপকর্ম করার পরে ছাত্রশক্তির মতো একটি রাজনৈতিক সংগঠনে কি ভাবে মারযুক আব্দুল্লাহ স্থান পায় তা নিয়েও রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যম যোগাযোগ করেও এই সংগঠনের কোনো নেতাকে না পেয়ে মারযুক সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে, তাদের একজন বরিশাল মহানগর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ। এই ছাত্রনেতা বরিশালটাইমসকে জানান, পটুয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে মারযুক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন, এছাড়াও বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিস্ককার করা হয়।
মূলত সংবাদে সব মহলের বক্তব্য তুলে ধরায় মারযুকের ধান্ধাফিকির বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, এতে তিনি বেসামাল হয়ে সিনিয়র সাংবাদিকের ওপর চটলেন, এমনকি হাসিবুল ইসলামের ছবিসহ অপপ্রচার চালালেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের মন্তব্য হচ্ছে, পূর্বের সংবাদে মামলা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ, তাছাড়া নতুন করে আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন মারযুক। সবশেষ যখন দেখলেন সংবাদ সরানোর কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তখনই ফেসবুকে আক্রমণ করলেন, যা সাংবাদিকের মানহানিকর এবং সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অবশ্য এর আগে শুক্রবার বিকেলে মারযুকের হয়ে জনৈক সুলতান খান নামক ব্যক্তি হাসিবুল ইসলামকে ফোন দিয়ে হুমকি দেন। তখন তিনি কোথায় আছেন, জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে ফোন কেটে দেন।
প্রথমে হুমকি এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে বরিশালটাইমস এবং হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ নেই। সাংবাদিকেরা বলছেন, বরিশালটাইমস ও হাসিবুল ইসলামকে নিয়ে এরআগেও একাধিকবার ষড়যন্ত্র হয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-মেয়র-এমপিদের মামলায় তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে, কিন্তু বরিশালটাইমসের কণ্ঠরোধ করা যায়নি...।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১৫
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ার বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের সাচিবিক বিদ্যা ও অফিস ব্যবস্থাপনা বিভাগের বহুল বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মো. আল আমিনকে নানান অনিয়ম- দুর্নীতিসহ নৈতিকস্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ এনামুল হক জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠির আলোকে সহকারি অধ্যাপক খান মো. আল- আমিনকে ২৪ আগস্ট (সোমবার) চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওইদিন (২৪ আগস্ট) তিনি তার বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলেও জানান। এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের ( ভিসি) অনুমোদনক্রমে কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে সহকারি অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করা হয়। বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের বহুঅঘটন পটিয়সী সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ পর্ণো ভিডিও প্রদর্শন, কলেজ ও শিক্ষার্থীদের অর্থ তছরুপ,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শন টিমের স্বাক্ষর জালজালিয়াতি, কলেজের নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানিসহ নৈতিকস্খলনজনিত নানা অভিযোগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়। সেই অভিযোগের প্রক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালককে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অধিকতর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সম্প্রতি বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজ গভর্নিং বডি ওই দুটি তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে কলেজের বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করার রেজুলেশন গ্রহণ করে তা অনুমোদনের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরন করে। ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তার চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করে। এর আগে তাকে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এবার চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হলো।
এদিকে নৈতিকস্খলনজনিত কারনে সহকারী অধ্যাপক খান মো: আল- আমিনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যূত করায় কলেজ গর্ভনিংবডি,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ার বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের সাচিবিক বিদ্যা ও অফিস ব্যবস্থাপনা বিভাগের বহুল বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মো. আল আমিনকে নানান অনিয়ম- দুর্নীতিসহ নৈতিকস্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ এনামুল হক জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠির আলোকে সহকারি অধ্যাপক খান মো. আল- আমিনকে ২৪ আগস্ট (সোমবার) চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওইদিন (২৪ আগস্ট) তিনি তার বরখাস্তের আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বলেও জানান। এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের ( ভিসি) অনুমোদনক্রমে কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে সহকারি অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করা হয়। বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজের বহুঅঘটন পটিয়সী সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ পর্ণো ভিডিও প্রদর্শন, কলেজ ও শিক্ষার্থীদের অর্থ তছরুপ,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শন টিমের স্বাক্ষর জালজালিয়াতি, কলেজের নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানিসহ নৈতিকস্খলনজনিত নানা অভিযোগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়। সেই অভিযোগের প্রক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালককে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি সরেজমিন তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অধিকতর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সম্প্রতি বাইশারী সৈয়দ বজলুল হক কলেজ গভর্নিং বডি ওই দুটি তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে কলেজের বিতর্কিত সহকারী অধ্যাপক খান মোঃ আল- আমিনকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করার রেজুলেশন গ্রহণ করে তা অনুমোদনের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরন করে। ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তার চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত অনুমোদন করে। এর আগে তাকে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এবার চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হলো।
এদিকে নৈতিকস্খলনজনিত কারনে সহকারী অধ্যাপক খান মো: আল- আমিনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যূত করায় কলেজ গর্ভনিংবডি,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা দিচ্ছে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজ। আগামীকাল ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কৃতি ছাত্রীদের ওই রাজসিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আকতার।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আফসানা জাহান মিমের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ও মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখবেন গুয়াংদং হংহুয়া নিউ মেটেরিয়ালস কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিসা ইয়াং। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কৃতি ছাত্রীরা ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, 'বাবুগঞ্জে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ে বিভিন্ন জায়গায় বালিকা বিদ্যালয় থাকলেও তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য এই উপজেলায় কোনো স্বতন্ত্র মহিলা কলেজ ছিল না। ফলে তাদের অনেক শ্রম, অর্থ এবং সময় ব্যয় করে বরিশালে গিয়ে উইমেন্স কলেজে লেখাপড়া করতে হতো। তাদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে এই অঞ্চলে নারী শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেই জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রীদের ১০ হাজার টাকার স্কলারশিপ দেওয়া হবে। এছাড়াও মেধাবী ছাত্রীদের জন্য শিক্ষাবর্ষ জুড়ে থাকবে বিভিন্ন অফার এবং প্রণোদনা। আমরা একটি নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশে নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে চাই। #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা দিচ্ছে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজ। আগামীকাল ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে কৃতি ছাত্রীদের ওই রাজসিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়েদা আকতার।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আফসানা জাহান মিমের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ও মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখবেন গুয়াংদং হংহুয়া নিউ মেটেরিয়ালস কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিসা ইয়াং। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কৃতি ছাত্রীরা ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, 'বাবুগঞ্জে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ে বিভিন্ন জায়গায় বালিকা বিদ্যালয় থাকলেও তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য এই উপজেলায় কোনো স্বতন্ত্র মহিলা কলেজ ছিল না। ফলে তাদের অনেক শ্রম, অর্থ এবং সময় ব্যয় করে বরিশালে গিয়ে উইমেন্স কলেজে লেখাপড়া করতে হতো। তাদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে এই অঞ্চলে নারী শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আফসানা আরিফ ফাউন্ডেশন উইমেন্স কলেজের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেই জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রীদের ১০ হাজার টাকার স্কলারশিপ দেওয়া হবে। এছাড়াও মেধাবী ছাত্রীদের জন্য শিক্ষাবর্ষ জুড়ে থাকবে বিভিন্ন অফার এবং প্রণোদনা। আমরা একটি নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশে নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে চাই। #

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৫৯
বরিশালে বাস এবং থ্রি-হুইলার চালকদের দ্বন্দ্বের জেরে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ফের বন্ধ হয়েছে বাস চলাচল। থ্রি-হুইলার চালকরা এবার মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশালের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় ও অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বাবুগঞ্জের বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনে নামেন থ্রি-হুইলার চালকরা। অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ঘুরিয়ে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও।
আন্দোলনকারী আব্দুল্লাহ মামুন এবং নুর আলমের অভিযোগ, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে থ্রি-হুইলার থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর চেষ্টা করলে প্রায়ই বাধা দেওয়া হয় থ্রি-হুইলার চালকদের। বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মী তাদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে আঘাতও করেন।
যাত্রী পরিবহন নিয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ার করেন আন্দোলনকারীরা।
গতকাল সোমবার মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলন করেন। মহাসড়ক আটকে চলা আন্দোলনে দুপুর থেকে বরিশালের সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
বরিশাল বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, তারা সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে বাস পরিচালনা করছেন। কিন্তু মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন ও থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে তৈরি হচ্ছে যাত্রী সংকট। বাড়ছে দুর্ঘটনাও।
তিনি জানান, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে তাদের চলাচলের বিষয়ে লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকরা সেই সিদ্ধান্ত মানছেন না। অনেক সময় তারা বাসের কাউন্টার এলাকায় অবস্থান করে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় চলে যাচ্ছেন। নিষেধ করা হলেও কাউন্টার কর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন।
এর আগে বরিশাল থেকে বানারীপাড়া রুটের শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদ এবং মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন।
আজ পাল্টা আন্দোলনে নামলেন থ্রি-হুইলার চালকরা। এতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে পরিবহন সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।
পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত বিরোধের সমাধান করে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি রাখা হয়েছে।’
বরিশালে বাস এবং থ্রি-হুইলার চালকদের দ্বন্দ্বের জেরে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ফের বন্ধ হয়েছে বাস চলাচল। থ্রি-হুইলার চালকরা এবার মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশালের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় ও অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বাবুগঞ্জের বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আন্দোলনে নামেন থ্রি-হুইলার চালকরা। অভ্যন্তরীণ রুটের বাস ঘুরিয়ে দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও।
আন্দোলনকারী আব্দুল্লাহ মামুন এবং নুর আলমের অভিযোগ, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে থ্রি-হুইলার থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর চেষ্টা করলে প্রায়ই বাধা দেওয়া হয় থ্রি-হুইলার চালকদের। বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মী তাদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে আঘাতও করেন।
যাত্রী পরিবহন নিয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ার করেন আন্দোলনকারীরা।
গতকাল সোমবার মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলন করেন। মহাসড়ক আটকে চলা আন্দোলনে দুপুর থেকে বরিশালের সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
বরিশাল বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, তারা সরকারকে নিয়মিত রাজস্ব দিয়ে বাস পরিচালনা করছেন। কিন্তু মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন ও থ্রি-হুইলার চলাচলের কারণে তৈরি হচ্ছে যাত্রী সংকট। বাড়ছে দুর্ঘটনাও।
তিনি জানান, থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে তাদের চলাচলের বিষয়ে লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালকরা সেই সিদ্ধান্ত মানছেন না। অনেক সময় তারা বাসের কাউন্টার এলাকায় অবস্থান করে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় চলে যাচ্ছেন। নিষেধ করা হলেও কাউন্টার কর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছেন।
এর আগে বরিশাল থেকে বানারীপাড়া রুটের শিমুলতলা এলাকায় থ্রি-হুইলার চালকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে কয়েকটি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদ এবং মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিতে বাস মালিক ও শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন।
আজ পাল্টা আন্দোলনে নামলেন থ্রি-হুইলার চালকরা। এতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে পরিবহন সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।
পাল্টাপাল্টি আন্দোলনে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। দ্রুত বিরোধের সমাধান করে সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি রাখা হয়েছে।’

০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি’র বিতর্কিত নেতা মারযুক আব্দুল্লাহ এবার বরিশালের একজন আলোচিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন। বরিশাল মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানাধীন ‘জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল ‘বরিশালটাইমস.কমের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামকে তিনি টার্গেট করেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসি মারযুক গত ২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়ে কীর্তনখোলা তীর জনপদের শহর বরিশালের সিনিয়র সিটিজেন, নিরীহ অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করলে এনিয়ে তথ্যনির্ভর এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্যসহ একটি সংবাদ ‘‘বরিশাল ছাত্রশক্তি নেতার মামলা-বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সংক্ষুব্ধ বরিশালবাসী’’ শিরোনামে প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। শনিবার (০৪ জুন) সন্ধ্যা ঠিক সাতটায় সংবাটি প্রকাশের ঘণ্টা দুয়েকের মাথায় টিবিএন ‘বরিশালটপনিউজ’ নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ছবিসংবলিত একটি ফটোকার্ড পত্রিকার আদলে তৈরি করে তাতে টাইটেল দেন, ‘মারযুক আব্দুল্লাহর কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা চাইলেন সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম। এবং টাকা না পেলে মারযুককে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও ফটোকার্ডটির সাব টাইটেলে উল্লেখ করেন।
অহেতুক বিএনপির নারী কর্মীসহ ব্যবসায়ী নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে কেনো হয়রানি করা হচ্ছে, এই বিষয়ে জানতে শুক্রবার বিকেলে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’ বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ফোন করেন মারযুক আব্দুল্লাহকে। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের ব্যুরো চিফের সাথে মিথ্যের আশ্রয় নেন। তখন প্রতিবাদ করলে ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারযুক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, বাধ্য হয়ে সাংবাদিক নেতাও উত্তপ্ত হন, এই মোবাইল কনভারসেশনের ১০ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ভয়েস রেকডিং বরিশালটাইমস কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে। এবং মারযুকের মতো অপরাধীর বিষয়ে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষমহলকে অবগত করা হয়।
সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম জানান, ‘বরিশালটপনিউজ’ নাম একটি ফেসবুক পেইজ থেকে আমার নামে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা বরিশালের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি বরিশালের নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকেরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মারযুকের মতো চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে আহ্বান রেখেছেন। প্রয়োজনে মামলাবাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রণের পরামর্শও দিয়েছেন।
বাণিজ্য করতে গিয়ে বরিশাল শহরের অসংখ্য মানুষকে মামলায় জড়ানোর বিষয়টি ক্ষমতাসীন বিএনপিও ভালো ভাবে গ্রহণ করেনি। বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা এপিপি হাফিজ আহমেদ বাবলু মামলাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিএনপিপন্থী এই আইনজীবী বলেন, মামলায় মিথ্যা তথ্য এবং মৃত ব্যক্তিকে আসামি করাটাও একটি অপরাধ। আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অথচ এই মামলাটি সম্পর্কে আমরা কেউ কিছু জানি না।
বিজ্ঞ আদালত বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আমরা মনে করি, এ মামলাটির কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা হবে এবং মামলার সত্যতা কতটুকু তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এতে বাদীর কোনো অনিয়ম পেলে আদালত ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারে।
এত অপকর্ম করার পরে ছাত্রশক্তির মতো একটি রাজনৈতিক সংগঠনে কি ভাবে মারযুক আব্দুল্লাহ স্থান পায় তা নিয়েও রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যম যোগাযোগ করেও এই সংগঠনের কোনো নেতাকে না পেয়ে মারযুক সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে, তাদের একজন বরিশাল মহানগর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ। এই ছাত্রনেতা বরিশালটাইমসকে জানান, পটুয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে মারযুক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন, এছাড়াও বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিস্ককার করা হয়।
মূলত সংবাদে সব মহলের বক্তব্য তুলে ধরায় মারযুকের ধান্ধাফিকির বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, এতে তিনি বেসামাল হয়ে সিনিয়র সাংবাদিকের ওপর চটলেন, এমনকি হাসিবুল ইসলামের ছবিসহ অপপ্রচার চালালেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের মন্তব্য হচ্ছে, পূর্বের সংবাদে মামলা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ, তাছাড়া নতুন করে আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন মারযুক। সবশেষ যখন দেখলেন সংবাদ সরানোর কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তখনই ফেসবুকে আক্রমণ করলেন, যা সাংবাদিকের মানহানিকর এবং সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অবশ্য এর আগে শুক্রবার বিকেলে মারযুকের হয়ে জনৈক সুলতান খান নামক ব্যক্তি হাসিবুল ইসলামকে ফোন দিয়ে হুমকি দেন। তখন তিনি কোথায় আছেন, জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে ফোন কেটে দেন।
প্রথমে হুমকি এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে বরিশালটাইমস এবং হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ নেই। সাংবাদিকেরা বলছেন, বরিশালটাইমস ও হাসিবুল ইসলামকে নিয়ে এরআগেও একাধিকবার ষড়যন্ত্র হয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-মেয়র-এমপিদের মামলায় তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে, কিন্তু বরিশালটাইমসের কণ্ঠরোধ করা যায়নি...।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০২:০৯
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৪
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৫৬
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৫৭