জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি’র বিতর্কিত নেতা মারযুক আব্দুল্লাহ এবার বরিশালের একজন আলোচিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন। বরিশাল মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানাধীন ‘জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল ‘বরিশালটাইমস.কমের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামকে তিনি টার্গেট করেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসি মারযুক গত ২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়ে কীর্তনখোলা তীর জনপদের শহর বরিশালের সিনিয়র সিটিজেন, নিরীহ অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করলে এনিয়ে তথ্যনির্ভর এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্যসহ একটি সংবাদ ‘‘বরিশাল ছাত্রশক্তি নেতার মামলা-বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সংক্ষুব্ধ বরিশালবাসী’’ শিরোনামে প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। শনিবার (০৪ জুন) সন্ধ্যা ঠিক সাতটায় সংবাটি প্রকাশের ঘণ্টা দুয়েকের মাথায় টিবিএন ‘বরিশালটপনিউজ’ নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ছবিসংবলিত একটি ফটোকার্ড পত্রিকার আদলে তৈরি করে তাতে টাইটেল দেন, ‘মারযুক আব্দুল্লাহর কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা চাইলেন সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম। এবং টাকা না পেলে মারযুককে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও ফটোকার্ডটির সাব টাইটেলে উল্লেখ করেন।
অহেতুক বিএনপির নারী কর্মীসহ ব্যবসায়ী নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে কেনো হয়রানি করা হচ্ছে, এই বিষয়ে জানতে শুক্রবার বিকেলে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’ বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ফোন করেন মারযুক আব্দুল্লাহকে। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের ব্যুরো চিফের সাথে মিথ্যের আশ্রয় নেন। তখন প্রতিবাদ করলে ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারযুক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, বাধ্য হয়ে সাংবাদিক নেতাও উত্তপ্ত হন, এই মোবাইল কনভারসেশনের ১০ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ভয়েস রেকডিং বরিশালটাইমস কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে। এবং মারযুকের মতো অপরাধীর বিষয়ে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষমহলকে অবগত করা হয়।
সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম জানান, ‘বরিশালটপনিউজ’ নাম একটি ফেসবুক পেইজ থেকে আমার নামে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা বরিশালের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি বরিশালের নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকেরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মারযুকের মতো চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে আহ্বান রেখেছেন। প্রয়োজনে মামলাবাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রণের পরামর্শও দিয়েছেন।
বাণিজ্য করতে গিয়ে বরিশাল শহরের অসংখ্য মানুষকে মামলায় জড়ানোর বিষয়টি ক্ষমতাসীন বিএনপিও ভালো ভাবে গ্রহণ করেনি। বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা এপিপি হাফিজ আহমেদ বাবলু মামলাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিএনপিপন্থী এই আইনজীবী বলেন, মামলায় মিথ্যা তথ্য এবং মৃত ব্যক্তিকে আসামি করাটাও একটি অপরাধ। আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অথচ এই মামলাটি সম্পর্কে আমরা কেউ কিছু জানি না।
বিজ্ঞ আদালত বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আমরা মনে করি, এ মামলাটির কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা হবে এবং মামলার সত্যতা কতটুকু তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এতে বাদীর কোনো অনিয়ম পেলে আদালত ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারে।
এত অপকর্ম করার পরে ছাত্রশক্তির মতো একটি রাজনৈতিক সংগঠনে কি ভাবে মারযুক আব্দুল্লাহ স্থান পায় তা নিয়েও রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যম যোগাযোগ করেও এই সংগঠনের কোনো নেতাকে না পেয়ে মারযুক সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে, তাদের একজন বরিশাল মহানগর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ। এই ছাত্রনেতা বরিশালটাইমসকে জানান, পটুয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে মারযুক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন, এছাড়াও বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিস্ককার করা হয়।
মূলত সংবাদে সব মহলের বক্তব্য তুলে ধরায় মারযুকের ধান্ধাফিকির বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, এতে তিনি বেসামাল হয়ে সিনিয়র সাংবাদিকের ওপর চটলেন, এমনকি হাসিবুল ইসলামের ছবিসহ অপপ্রচার চালালেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের মন্তব্য হচ্ছে, পূর্বের সংবাদে মামলা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ, তাছাড়া নতুন করে আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন মারযুক। সবশেষ যখন দেখলেন সংবাদ সরানোর কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তখনই ফেসবুকে আক্রমণ করলেন, যা সাংবাদিকের মানহানিকর এবং সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অবশ্য এর আগে শুক্রবার বিকেলে মারযুকের হয়ে জনৈক সুলতান খান নামক ব্যক্তি হাসিবুল ইসলামকে ফোন দিয়ে হুমকি দেন। তখন তিনি কোথায় আছেন, জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে ফোন কেটে দেন।
প্রথমে হুমকি এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে বরিশালটাইমস এবং হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ নেই। সাংবাদিকেরা বলছেন, বরিশালটাইমস ও হাসিবুল ইসলামকে নিয়ে এরআগেও একাধিকবার ষড়যন্ত্র হয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-মেয়র-এমপিদের মামলায় তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে, কিন্তু বরিশালটাইমসের কণ্ঠরোধ করা যায়নি...।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:৩০
সমাজের অবহেলা, বৈষম্য আর বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে নতুন জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করলেন তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক মাইদুল ইসলাম অভি। বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মজুরিভিত্তিক চাকরি পেয়েছেন তিনি, যা শুধু একটি নিয়োগ নয়—বরং সমতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল বার্তা।
মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন বিসিসির প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এ সময় তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম শর্ত।
বিসিসি সূত্র জানায়, নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভি যোগদানের দিন থেকেই মাসিক ১৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পাবেন। কোন শাখায় দায়িত্ব পালন করবেন তা এখনো নির্ধারণ না হলেও তাঁকে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত অভি বলেন, “আমাদের মতো মানুষদের প্রতিনিয়ত অবহেলা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়। এই চাকরি শুধু কর্মসংস্থান নয়, এটি আমার জন্য সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার নতুন সুযোগ। এখন আমি আত্মমর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারব।”
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। সুযোগ পেলে তারাও সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।”
বরিশাল সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগ অনেকের কাছে একটি চাকরির খবর হলেও, বাস্তবে এটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—যেখানে পরিচয় নয়, যোগ্যতা ও মানবিকতাই হবে মানুষের মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।’
সমাজের অবহেলা, বৈষম্য আর বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে নতুন জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করলেন তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক মাইদুল ইসলাম অভি। বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মজুরিভিত্তিক চাকরি পেয়েছেন তিনি, যা শুধু একটি নিয়োগ নয়—বরং সমতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল বার্তা।
মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন বিসিসির প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এ সময় তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম শর্ত।
বিসিসি সূত্র জানায়, নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভি যোগদানের দিন থেকেই মাসিক ১৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পাবেন। কোন শাখায় দায়িত্ব পালন করবেন তা এখনো নির্ধারণ না হলেও তাঁকে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত অভি বলেন, “আমাদের মতো মানুষদের প্রতিনিয়ত অবহেলা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়। এই চাকরি শুধু কর্মসংস্থান নয়, এটি আমার জন্য সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার নতুন সুযোগ। এখন আমি আত্মমর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারব।”
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। সুযোগ পেলে তারাও সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।”
বরিশাল সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগ অনেকের কাছে একটি চাকরির খবর হলেও, বাস্তবে এটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—যেখানে পরিচয় নয়, যোগ্যতা ও মানবিকতাই হবে মানুষের মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।’

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৬
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন ‘ছাত্রশক্তি’র বিতর্কিত নেতা মারযুক আব্দুল্লাহ এবার বরিশালের একজন আলোচিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছেন। বরিশাল মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানাধীন ‘জনপ্রিয় নিউজপোর্টাল ‘বরিশালটাইমস.কমের প্রকাশক হাসিবুল ইসলামকে তিনি টার্গেট করেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসি মারযুক গত ২ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়ে কীর্তনখোলা তীর জনপদের শহর বরিশালের সিনিয়র সিটিজেন, নিরীহ অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করলে এনিয়ে তথ্যনির্ভর এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্যসহ একটি সংবাদ ‘‘বরিশাল ছাত্রশক্তি নেতার মামলা-বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, সংক্ষুব্ধ বরিশালবাসী’’ শিরোনামে প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। শনিবার (০৪ জুন) সন্ধ্যা ঠিক সাতটায় সংবাটি প্রকাশের ঘণ্টা দুয়েকের মাথায় টিবিএন ‘বরিশালটপনিউজ’ নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ছবিসংবলিত একটি ফটোকার্ড পত্রিকার আদলে তৈরি করে তাতে টাইটেল দেন, ‘মারযুক আব্দুল্লাহর কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা চাইলেন সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম। এবং টাকা না পেলে মারযুককে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলেও ফটোকার্ডটির সাব টাইটেলে উল্লেখ করেন।
অহেতুক বিএনপির নারী কর্মীসহ ব্যবসায়ী নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে কেনো হয়রানি করা হচ্ছে, এই বিষয়ে জানতে শুক্রবার বিকেলে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল’ বরিশালের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ফোন করেন মারযুক আব্দুল্লাহকে। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি বরিশালটাইমসের প্রকাশক ও দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের ব্যুরো চিফের সাথে মিথ্যের আশ্রয় নেন। তখন প্রতিবাদ করলে ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারযুক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন, বাধ্য হয়ে সাংবাদিক নেতাও উত্তপ্ত হন, এই মোবাইল কনভারসেশনের ১০ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ভয়েস রেকডিং বরিশালটাইমস কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে। এবং মারযুকের মতো অপরাধীর বিষয়ে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষমহলকে অবগত করা হয়।
সাংবাদিক হাসিবুল ইসলাম জানান, ‘বরিশালটপনিউজ’ নাম একটি ফেসবুক পেইজ থেকে আমার নামে অপপ্রচার চালিয়েছে, তা বরিশালের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন। পাশাপাশি বরিশালের নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকেরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মারযুকের মতো চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে আহ্বান রেখেছেন। প্রয়োজনে মামলাবাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রণের পরামর্শও দিয়েছেন।
বাণিজ্য করতে গিয়ে বরিশাল শহরের অসংখ্য মানুষকে মামলায় জড়ানোর বিষয়টি ক্ষমতাসীন বিএনপিও ভালো ভাবে গ্রহণ করেনি। বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা এপিপি হাফিজ আহমেদ বাবলু মামলাটি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। বিএনপিপন্থী এই আইনজীবী বলেন, মামলায় মিথ্যা তথ্য এবং মৃত ব্যক্তিকে আসামি করাটাও একটি অপরাধ। আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, অথচ এই মামলাটি সম্পর্কে আমরা কেউ কিছু জানি না।
বিজ্ঞ আদালত বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে মামলার তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। আমরা মনে করি, এ মামলাটির কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা হবে এবং মামলার সত্যতা কতটুকু তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এতে বাদীর কোনো অনিয়ম পেলে আদালত ব্যবস্থাগ্রহণ করতে পারে।
এত অপকর্ম করার পরে ছাত্রশক্তির মতো একটি রাজনৈতিক সংগঠনে কি ভাবে মারযুক আব্দুল্লাহ স্থান পায় তা নিয়েও রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। বিভিন্ন মাধ্যম যোগাযোগ করেও এই সংগঠনের কোনো নেতাকে না পেয়ে মারযুক সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে, তাদের একজন বরিশাল মহানগর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ। এই ছাত্রনেতা বরিশালটাইমসকে জানান, পটুয়াখালীতে ডাকাতি করতে গিয়ে মারযুক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন, এছাড়াও বিভিন্ন অপকর্মের কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিস্ককার করা হয়।
মূলত সংবাদে সব মহলের বক্তব্য তুলে ধরায় মারযুকের ধান্ধাফিকির বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, এতে তিনি বেসামাল হয়ে সিনিয়র সাংবাদিকের ওপর চটলেন, এমনকি হাসিবুল ইসলামের ছবিসহ অপপ্রচার চালালেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের মন্তব্য হচ্ছে, পূর্বের সংবাদে মামলা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার সম্ভবনা শতভাগ, তাছাড়া নতুন করে আইনি জটিলতায়ও পড়তে পারেন মারযুক। সবশেষ যখন দেখলেন সংবাদ সরানোর কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না তখনই ফেসবুকে আক্রমণ করলেন, যা সাংবাদিকের মানহানিকর এবং সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অবশ্য এর আগে শুক্রবার বিকেলে মারযুকের হয়ে জনৈক সুলতান খান নামক ব্যক্তি হাসিবুল ইসলামকে ফোন দিয়ে হুমকি দেন। তখন তিনি কোথায় আছেন, জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে ফোন কেটে দেন।
প্রথমে হুমকি এবং পরবর্তীতে ফেসবুকে বরিশালটাইমস এবং হাসিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কোনো লাভ নেই। সাংবাদিকেরা বলছেন, বরিশালটাইমস ও হাসিবুল ইসলামকে নিয়ে এরআগেও একাধিকবার ষড়যন্ত্র হয়েছে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-মেয়র-এমপিদের মামলায় তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়েছে, কিন্তু বরিশালটাইমসের কণ্ঠরোধ করা যায়নি...।