
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০০
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২৯ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২২৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২৭ হাজার ১৬৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৯৩৪ জন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৯৯৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৪ হাজার ৮৯২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি, তবে ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ১৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২৯ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২২৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২৭ হাজার ১৬৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২৯ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৯৩৪ জন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ৯৯৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৪ হাজার ৮৯২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি, তবে ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ১৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৩
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে সেই আগুন নেভাতে গিয়ে অটোরিকশাটির ভেতরে ১০টি প্যাকেটে ১৯ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে । বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে পৌর শহরের চণ্ডিবের উত্তরপাড়া প্রাইমারি স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে একটি চলন্ত সিএনজি চালিত অটোরিকশায় আগুন লাগার খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে অটোরিকশার ইঞ্জিনের ভেতরে কালো পলিথিনে মোড়ানো ৯টি অক্ষত বান্ডিল ও একটি ছেঁড়া বান্ডিলসহ মোট ১০ বান্ডিল গাঁজা দেখতে পায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে অটোরিকশার চালক ঘটনাস্থলেই গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অটোরিকশাটি জব্দ করে। এছাড়া গাঁজাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। উদ্ধার করা গাঁজার পরিমাণ আনুমানিক ১৯ কেজি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভৈরব থানার ওসি (তদন্ত) লিমন বোষ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সিএনজিসহ গাঁজা উদ্ধার করেছি। সেখানে প্রায় ১৯ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে আগুন লাগার কোনো স্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে সেই আগুন নেভাতে গিয়ে অটোরিকশাটির ভেতরে ১০টি প্যাকেটে ১৯ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে । বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে পৌর শহরের চণ্ডিবের উত্তরপাড়া প্রাইমারি স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে একটি চলন্ত সিএনজি চালিত অটোরিকশায় আগুন লাগার খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে।
তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে অটোরিকশার ইঞ্জিনের ভেতরে কালো পলিথিনে মোড়ানো ৯টি অক্ষত বান্ডিল ও একটি ছেঁড়া বান্ডিলসহ মোট ১০ বান্ডিল গাঁজা দেখতে পায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে অটোরিকশার চালক ঘটনাস্থলেই গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অটোরিকশাটি জব্দ করে। এছাড়া গাঁজাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। উদ্ধার করা গাঁজার পরিমাণ আনুমানিক ১৯ কেজি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভৈরব থানার ওসি (তদন্ত) লিমন বোষ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সিএনজিসহ গাঁজা উদ্ধার করেছি। সেখানে প্রায় ১৯ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে আগুন লাগার কোনো স্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত এক যুবকের কবরকে ঘিরে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা সামনে এসেছে। বজ্রপাতে কেউ মারা গেলে তার লাশ চুরি হয়। এমন আশঙ্কা থেকেই ছেলের লাশ ‘চুরি হয়ে যেতে পারে’— এই ভয়ে টানা এক সপ্তাহ ধরে রাত জেগে কবর পাহারা দিচ্ছেন বৃদ্ধ বাবা। এমনকি কবরটি লোহার খাচা দিয়ে আবৃত করে নিরাপদ করার চেষ্টা করেছেন তিনি। পাশাপাশি লোক রেখেও পাহারা দেওয়ার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় বজ্রপাতে আরাফাত খানসহ দুজনের মৃত্যু হয়। পরে আরাফাত খানের ছেলে সাকিব খানকে কামারখাড়া সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দাফনের পর থেকেই প্রতিরাতে কবরের পাশে বসে পাহারা দিচ্ছেন নিহত যুবকের বাবা জসিম খান। শুধু তাই নয়, নিরাপত্তার জন্য তিনি কবরটিকে লোহার খাঁচা দিয়ে ঘিরে ফেলেছেন এবং কিছু মানুষ ভাড়া করেও পাহারার ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, কামারখাড়া সামাজিক কবরস্থানে লোহার খাঁচায় ঘেরা কবরের পাশে নীরবে বসে আছেন জসিম খান।
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে দর্জির কাজ করে সংসার চালাত। গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যায়। শুনেছি, বজ্রপাতে মারা গেলে লাশ চুরি হয়ে যায়, হাড়-গোড় নাকি বিভিন্ন কাজে লাগে। এই ভয়েই কবর পাহারা দিচ্ছি।’
তিনি আরও জানান, শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় সারাক্ষণ নিজে থাকতে পারেন না। দুই ছেলের মধ্যে আরাফাত ছিল বড় সন্তান। সংসারের টানাপোড়েনের মধ্যেও ঋণ করে লোক ভাড়া করে পাহারা দিতে হচ্ছে তাকে।
‘ছোট ছেলের বয়স মাত্র ১২ বছর। এলাকায় কেউ কেউ সাহায্য করলেও সবসময় সম্ভব হয় না। প্রশাসন যদি পাহারার ব্যবস্থা করত, একটু স্বস্তি পেতাম,’—বলেন তিনি।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা মানবিক কারণে পরিবারটির পাশে দাঁড়ালেও বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, প্রশাসনের সহায়তা আরও বাড়ানো দরকার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার জানান, নিহত পরিবারের দাফন-কাফনের জন্য ইতোমধ্যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে গ্রাম পুলিশকে কবরস্থানে নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরি হওয়ার ধারণা একটি ভিত্তিহীন কুসংস্কার, যার বৈজ্ঞানিক কোনো প্রমাণ নেই। তবে গ্রামীণ কিছু এলাকায় এ ধরনের ভ্রান্ত ধারণা এখনো প্রচলিত রয়েছে।
একই সঙ্গে জানা যায়, কিছু অসাধু চক্র কবর থেকে লাশ বা হাড়গোড় চুরির ঘটনা ঘটিয়ে তা বিক্রির অপচেষ্টা চালায়—এমন ঘটনাও অতীতে সামনে এসেছে।
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত এক যুবকের কবরকে ঘিরে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা সামনে এসেছে। বজ্রপাতে কেউ মারা গেলে তার লাশ চুরি হয়। এমন আশঙ্কা থেকেই ছেলের লাশ ‘চুরি হয়ে যেতে পারে’— এই ভয়ে টানা এক সপ্তাহ ধরে রাত জেগে কবর পাহারা দিচ্ছেন বৃদ্ধ বাবা। এমনকি কবরটি লোহার খাচা দিয়ে আবৃত করে নিরাপদ করার চেষ্টা করেছেন তিনি। পাশাপাশি লোক রেখেও পাহারা দেওয়ার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় বজ্রপাতে আরাফাত খানসহ দুজনের মৃত্যু হয়। পরে আরাফাত খানের ছেলে সাকিব খানকে কামারখাড়া সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দাফনের পর থেকেই প্রতিরাতে কবরের পাশে বসে পাহারা দিচ্ছেন নিহত যুবকের বাবা জসিম খান। শুধু তাই নয়, নিরাপত্তার জন্য তিনি কবরটিকে লোহার খাঁচা দিয়ে ঘিরে ফেলেছেন এবং কিছু মানুষ ভাড়া করেও পাহারার ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, কামারখাড়া সামাজিক কবরস্থানে লোহার খাঁচায় ঘেরা কবরের পাশে নীরবে বসে আছেন জসিম খান।
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে দর্জির কাজ করে সংসার চালাত। গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যায়। শুনেছি, বজ্রপাতে মারা গেলে লাশ চুরি হয়ে যায়, হাড়-গোড় নাকি বিভিন্ন কাজে লাগে। এই ভয়েই কবর পাহারা দিচ্ছি।’
তিনি আরও জানান, শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় সারাক্ষণ নিজে থাকতে পারেন না। দুই ছেলের মধ্যে আরাফাত ছিল বড় সন্তান। সংসারের টানাপোড়েনের মধ্যেও ঋণ করে লোক ভাড়া করে পাহারা দিতে হচ্ছে তাকে।
‘ছোট ছেলের বয়স মাত্র ১২ বছর। এলাকায় কেউ কেউ সাহায্য করলেও সবসময় সম্ভব হয় না। প্রশাসন যদি পাহারার ব্যবস্থা করত, একটু স্বস্তি পেতাম,’—বলেন তিনি।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা মানবিক কারণে পরিবারটির পাশে দাঁড়ালেও বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, প্রশাসনের সহায়তা আরও বাড়ানো দরকার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার জানান, নিহত পরিবারের দাফন-কাফনের জন্য ইতোমধ্যে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে গ্রাম পুলিশকে কবরস্থানে নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরি হওয়ার ধারণা একটি ভিত্তিহীন কুসংস্কার, যার বৈজ্ঞানিক কোনো প্রমাণ নেই। তবে গ্রামীণ কিছু এলাকায় এ ধরনের ভ্রান্ত ধারণা এখনো প্রচলিত রয়েছে।
একই সঙ্গে জানা যায়, কিছু অসাধু চক্র কবর থেকে লাশ বা হাড়গোড় চুরির ঘটনা ঘটিয়ে তা বিক্রির অপচেষ্টা চালায়—এমন ঘটনাও অতীতে সামনে এসেছে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
দুই সন্তান রেখে সম্প্রতি মারা গেছেন সুজন মাহমুদ। কিন্তু স্বামীর পৈতৃক বাড়িতে মাথা গোজার ঠাঁই জোটেনি স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের। তাই নাবালক দুই সন্তানকে নিয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল থেকে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৯ বছরের মেয়ে ছোঁয়া আর দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটছে সোনিয়া আক্তারের। এরই মধ্যে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তান নিয়ে বসে থাকার এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সুজন মাহমুদের অকাল মৃত্যুর পর থেকেই বিপাকে পড়েন সোনিয়া আক্তার। সোনিয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার স্বামী ধুঁকে ধুঁকে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই তিনি জানতে পারেন, শ্বশুরবাড়িতে তার এবং সন্তানদের জন্য আর কোনো জায়গা নেই। শ্বশুর কফিল উদ্দিন ও শাশুড়ি তাদের মেনে নিতে রাজি নন।
তার অসহায় অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের পরিবার মানবিক কারণে কিছুদিন আশ্রয় দেয়। তবে সেই আশ্রয়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কোথাও ঠাঁই না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই অবস্থান নেন সোনিয়া। বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ৯ বছরের শিশু ছোঁয়ার কান্না ও আর্তনাদ উপস্থিত অনেকের চোখে জল এনে দেয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোনিয়া আক্তার বলেন, আমি এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। শ্বশুরবাড়িতে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশে বসে আছি, আল্লাহ যদি কোনো ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধ ভুলে শিশুদের কথা ভেবে তাদের পাশে দাদা-দাদির দাঁড়ানো উচিত। এ বিষয়ে সুজনের বাবা কফিল উদ্দিন ও মায়ের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বিষয়টি তাদের পারিবারিক, তারপরও দুপক্ষকে নিয়েই মীমাংসা করার চেষ্টা হচ্ছে। মীমাংসা না হলে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিষয়টি সুরাহা করার সবরকম চেষ্টা করছে।
দুই সন্তান রেখে সম্প্রতি মারা গেছেন সুজন মাহমুদ। কিন্তু স্বামীর পৈতৃক বাড়িতে মাথা গোজার ঠাঁই জোটেনি স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের। তাই নাবালক দুই সন্তানকে নিয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল থেকে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৯ বছরের মেয়ে ছোঁয়া আর দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটছে সোনিয়া আক্তারের। এরই মধ্যে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তান নিয়ে বসে থাকার এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সুজন মাহমুদের অকাল মৃত্যুর পর থেকেই বিপাকে পড়েন সোনিয়া আক্তার। সোনিয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার স্বামী ধুঁকে ধুঁকে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই তিনি জানতে পারেন, শ্বশুরবাড়িতে তার এবং সন্তানদের জন্য আর কোনো জায়গা নেই। শ্বশুর কফিল উদ্দিন ও শাশুড়ি তাদের মেনে নিতে রাজি নন।
তার অসহায় অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের পরিবার মানবিক কারণে কিছুদিন আশ্রয় দেয়। তবে সেই আশ্রয়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কোথাও ঠাঁই না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই অবস্থান নেন সোনিয়া। বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ৯ বছরের শিশু ছোঁয়ার কান্না ও আর্তনাদ উপস্থিত অনেকের চোখে জল এনে দেয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোনিয়া আক্তার বলেন, আমি এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। শ্বশুরবাড়িতে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশে বসে আছি, আল্লাহ যদি কোনো ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধ ভুলে শিশুদের কথা ভেবে তাদের পাশে দাদা-দাদির দাঁড়ানো উচিত। এ বিষয়ে সুজনের বাবা কফিল উদ্দিন ও মায়ের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বিষয়টি তাদের পারিবারিক, তারপরও দুপক্ষকে নিয়েই মীমাংসা করার চেষ্টা হচ্ছে। মীমাংসা না হলে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিষয়টি সুরাহা করার সবরকম চেষ্টা করছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.