গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৫
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীরে নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌরসভার বিরুদ্ধে। নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ঝালকাঠি শহরের মেঘনা তেলের ডিপোসংলগ্ন স্থানে সুগন্ধা নদীর পাড় ও নলছিটি পৌর এলাকার কলবাড়ীসহ নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। এসব স্তূপে গৃহস্থালি বর্জ্য, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের উচ্ছিষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা রয়েছে। বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। এর একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না নিয়ে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। পরে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্যের একটি অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে।
নলছিটি পৌরসভার বাসিন্দা এইচ এম সিজার বলেন,পৌরসভার যত বর্জ্য আছে, সেগুলো নিয়ে এসে কলবাড়ী এলাকার সুগন্ধা নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জোয়ারের পানিতে ময়লা নদীতেও মিশে যাচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন।
ঝালকাঠি পৌর শহরে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন সৈকত বলেন,নদীর পাশে ময়লা ফেলায় সব সময় দুর্গন্ধ থাকে। বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে মিশে নদীতে চলে যায়। দ্রুত এভাবে ময়লা ফেলা বন্ধ করা দরকার।
সুজন ও ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি ইসমাঈল মুসাফির বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটি পৌর এলাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হয় তা সংগ্রহ ও অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অনেক কিন্তু বাস্তবে কম। দুটি পৌরসভার বর্জ্যই সুগন্ধা নদীর পাড়ে ফেলা হচ্ছে। এগুলোর গলিত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে চলে যাচ্ছে। জোয়ার ও বৃষ্টিতে আশপাশের কৃষিজমি ও নদীনালায় যাচ্ছে। অনেক সময় বর্জ্য পুড়িয়ে দিলেও বাতাস দূষিত হচ্ছে। সভ্য কোনো দেশে এভাবে নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা হয় না।
পৌর রাজস্ব বাজেটের অনেকটাই খরচ হওয়ার কথা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়। রাতের অন্ধকারে সড়কের পাশে, নদীর পাড়ে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্টেশন তৈরি করতে পারলে ময়লা ধ্বংস বা রিসাইকেল করা যাবে- যা স্থায়ী সমাধান।
ঝালকাঠির কুনিহারীতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাইট ক্লিয়ারেন্স ও পরিবেশের ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়নি। অন্যদিকে নলছিটি পৌরসভার ক্ষেত্রেও এমন উদ্যোগ নিতে হবে।
নলছিটি পৌর প্রশাসক প্রতীক কুমার কুন্ডুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না বলেন, এর আগে ডাম্পিং স্টেশন ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার জন্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নদীর তীরে যাতে বর্জ্য ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ মমিন উদ্দিন বলেন,পৌরসভার প্রশাসকদের আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নদীর তীরে ময়লা ফেলা যাবে না। ময়লা ফেলার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি নদীতে ময়লা ফেলা হয়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৩৯
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ঘড়ি কিনুন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. কবির হাওলাদার (৪৫) ও মো. রাজিব হাওলাদার (২৪)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদককারবারে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছের রায়হান বলেন, ‘এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৮
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ৭ লাখ টাকাসহ মোবাইল ফোন ডাকাতির ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাত দলের সরদারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী মো. সুমন হোসেনের পথরোধ করে দেশীয় অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা। এ সময় ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের নগদ ৭ লাখ টাকা ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজাপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সিপিএসসি, বরিশালের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আফজাল হোসেন (৫০), লিটন হাওলাদার (৩০), আবুল কালাম (৩৮), চান মিয়া (২৯) এবং মামুন হাওলাদারকে (২৪) গ্রেপ্তার করে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের ঝালকাঠির রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিষয়টি ২১ অক্টোবর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে এলিট ফোর্স।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২১
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:২০
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:৫০