
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৭
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ছয়টি নির্বাচনী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪৪ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ২১ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে মোট ১৮৬টি মামলা। প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামায় এসব মামলার তথ্য সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। প্রার্থী, আইনজীবী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিমত অনুযায়ী, এসব মামলার সিংহভাগই রাজনৈতিক প্রতিহিংসাজনিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
পরিসংখ্যান বলছে, মামলা থাকা ২১ জন প্রার্থীর প্রত্যেকের বিরুদ্ধে গড়ে প্রায় নয়টি করে মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে প্রার্থী, পুলিশ ও আইনজীবীদের বক্তব্যে বিস্ময়কর মিল লক্ষ্য করা গেছে। প্রার্থীদের ভাষ্য, তাঁরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। বরং বর্তমান বাস্তবতায় যাঁরা তাঁদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করেছেন, বিব্রত অবস্থায় রয়েছেন তাঁরাই।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ২৫ মামলার আসামি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন বলেন,
“আমরা আইনের পথেই মামলা মোকাবিলা করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। এবার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সেই প্রত্যয় নিয়েই আমরা মাঠে নেমেছি। মামলা থাকা সত্ত্বেও আমরা ভোট পাওয়ার ন্যায্য ও সাংবিধানিক অধিকার অর্জন করেছি।”
বরিশাল-৫ (সদর) আসনের বাসদ প্রার্থী ও তিন মামলার আসামি ডা. মনিষা চক্রবর্তী বলেন,
“বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিরোধী দলের রাজনীতি করলেই মামলা দেওয়া এক ধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। কার নামে কয়টি মামলা রয়েছে—এই সংখ্যার ভিত্তিতে চরিত্র নির্ধারণ করা অবিবেচনাপ্রসূত। মামলার প্রকৃতি ও সত্যতা যাচাই করাই মুখ্য।”
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়—
বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের নামে রয়েছে ১১টি মামলা।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া–উজিরপুর) আসনের ১০ প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৮টি মামলা।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে নয় প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের নামে ৪১টি মামলা রয়েছে।
বরিশাল-৪ (হিজলা–মেহেন্দিগঞ্জ) আসনের পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে রয়েছে সর্বাধিক ৮৬টি মামলা।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের নামে রয়েছে ১৮টি মামলা।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দুজনের নামে রয়েছে ১২টি মামলা।
এর মধ্যে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী রাজিব আহসানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৮২টি মামলা এবং বরিশাল-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫টি মামলা রয়েছে।
আইনজীবী আবুল কালাম আযাদ বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রার্থীই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রায় ৯৮ শতাংশই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। এসব মামলা আদালতের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করতে গিয়ে খুব কম ক্ষেত্রেই টিকে থাকে।”
আইনজীবী শাহে আলম বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মামলা ছিল দমন-পীড়নের অন্যতম হাতিয়ার। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে মামলা ব্যবহৃত হয়েছে। যেহেতু এসব মামলা রাজনৈতিক কারণে হয়েছে, সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাহার হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এ কারণে প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাস্তব প্রতিবন্ধকতা নেই।”
বরিশালের ছয়টি আসনে এবারে মোট ভোটার সংখ্যা ২১ লাখ ২৯ হাজার ৯৪৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৮১০ জন। এই ছয় আসনে ৮২৭টি ভোটকেন্দ্রের ৪ হাজার ৯৪১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নতুন ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৮ জন।
পুলিশের মতে, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এসব মামলার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের সময়ে যাঁদের নামে মামলা হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই বানানো বা জোরপূর্বক দায়ের করা মামলা। এগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা এসব মামলা নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করতে পারেন—এটা রাজনৈতিক বাস্তবতা। তবে ভোট নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। এমপি প্রার্থীদের কারও বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মামলা নেই; যা আছে, সবই রাজনৈতিক মামলা।”
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ছয়টি নির্বাচনী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪৪ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ২১ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে মোট ১৮৬টি মামলা। প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামায় এসব মামলার তথ্য সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। প্রার্থী, আইনজীবী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিমত অনুযায়ী, এসব মামলার সিংহভাগই রাজনৈতিক প্রতিহিংসাজনিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
পরিসংখ্যান বলছে, মামলা থাকা ২১ জন প্রার্থীর প্রত্যেকের বিরুদ্ধে গড়ে প্রায় নয়টি করে মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে প্রার্থী, পুলিশ ও আইনজীবীদের বক্তব্যে বিস্ময়কর মিল লক্ষ্য করা গেছে। প্রার্থীদের ভাষ্য, তাঁরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। বরং বর্তমান বাস্তবতায় যাঁরা তাঁদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করেছেন, বিব্রত অবস্থায় রয়েছেন তাঁরাই।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ২৫ মামলার আসামি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন বলেন,
“আমরা আইনের পথেই মামলা মোকাবিলা করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। এবার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সেই প্রত্যয় নিয়েই আমরা মাঠে নেমেছি। মামলা থাকা সত্ত্বেও আমরা ভোট পাওয়ার ন্যায্য ও সাংবিধানিক অধিকার অর্জন করেছি।”
বরিশাল-৫ (সদর) আসনের বাসদ প্রার্থী ও তিন মামলার আসামি ডা. মনিষা চক্রবর্তী বলেন,
“বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিরোধী দলের রাজনীতি করলেই মামলা দেওয়া এক ধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। কার নামে কয়টি মামলা রয়েছে—এই সংখ্যার ভিত্তিতে চরিত্র নির্ধারণ করা অবিবেচনাপ্রসূত। মামলার প্রকৃতি ও সত্যতা যাচাই করাই মুখ্য।”
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়—
বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের নামে রয়েছে ১১টি মামলা।
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া–উজিরপুর) আসনের ১০ প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৮টি মামলা।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনে নয় প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের নামে ৪১টি মামলা রয়েছে।
বরিশাল-৪ (হিজলা–মেহেন্দিগঞ্জ) আসনের পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে রয়েছে সর্বাধিক ৮৬টি মামলা।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের নামে রয়েছে ১৮টি মামলা।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দুজনের নামে রয়েছে ১২টি মামলা।
এর মধ্যে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী রাজিব আহসানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৮২টি মামলা এবং বরিশাল-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫টি মামলা রয়েছে।
আইনজীবী আবুল কালাম আযাদ বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রার্থীই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রায় ৯৮ শতাংশই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। এসব মামলা আদালতের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করতে গিয়ে খুব কম ক্ষেত্রেই টিকে থাকে।”
আইনজীবী শাহে আলম বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মামলা ছিল দমন-পীড়নের অন্যতম হাতিয়ার। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করতে মামলা ব্যবহৃত হয়েছে। যেহেতু এসব মামলা রাজনৈতিক কারণে হয়েছে, সেগুলো ভবিষ্যতে প্রত্যাহার হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এ কারণে প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাস্তব প্রতিবন্ধকতা নেই।”
বরিশালের ছয়টি আসনে এবারে মোট ভোটার সংখ্যা ২১ লাখ ২৯ হাজার ৯৪৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৮১০ জন। এই ছয় আসনে ৮২৭টি ভোটকেন্দ্রের ৪ হাজার ৯৪১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নতুন ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৮ জন।
পুলিশের মতে, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এসব মামলার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের সময়ে যাঁদের নামে মামলা হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই বানানো বা জোরপূর্বক দায়ের করা মামলা। এগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা এসব মামলা নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করতে পারেন—এটা রাজনৈতিক বাস্তবতা। তবে ভোট নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। এমপি প্রার্থীদের কারও বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মামলা নেই; যা আছে, সবই রাজনৈতিক মামলা।”

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.