শেষ কর্মদিবসে অনুগতরা সোমবার (১৭ নভেম্বর) নগর ভবনে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলো। বিক্ষুব্ধদের তোপের মুখে সে আয়োজন পণ্ড হয়। বিক্ষুব্ধরা সংবাদ সম্মেলন করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এছাড়া চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পেতে বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন।
জানা গেছে, রায়হান কায়সারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে গত ১৩ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত বছর আগস্টে পটপরিবর্তনের পর তিনি বিভাগীয় কমিশনার পদে যোগ দেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশন কর্মচারী ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক জানান, ২০০৩ সালে প্রথম নির্বাচিত মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার ১২১ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছিলেন। নিয়োগ অস্বচ্ছ দেখিয়ে ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ বৈধ ঘোষণা দেয়া হয়। তৎকালীন সময়ের মেয়রদের বাঁধায় তারা কেউ চাকরি ফিরে পাননি। ২০২৩ সালে নির্বাচিত মেয়রের সময়ে সবাই চাকরিতে যোগ দিলেও স্থায়ী হননি।
তিনি আরও জানান, ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চাকরি বিধিমালায় পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী হতে বাঁধা নেই। বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার যোগদানের পর তাদেরকে স্থায়ীকরন না করে টালবাহানা করেছেন। এ দাবি নিয়ে তার কক্ষে গেলে দুর্ব্যবহার করেন।
সবশেষ সোমবার প্রশাসকের কাছে গেলে খারাপ ভাষায় কথা বলেন এবং একপর্যায়ে গুলি করার হুমকি দেন।
কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, প্রশাসক বিপুল অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য, দরপত্র ছাড়া ঠিকাদারি ও পদোন্নতি দিয়েছেন। ঠিকাদারি কাজ, জমি ক্রয়ে টাকা না নিয়ে ফাইলে সাক্ষর করেননি।
সহকারী প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন মনির বলেন, ‘নগরে উন্নয়ন বঞ্চনা ও নানা সংকট থাকার পরও সম্প্রতি কুয়াকাটায় রিসোর্টের নামে কয়েক কোটি টাকার জমি ক্রয় কিনেছেন প্রশাসক। প্রতি শতাংশে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন।’
অপরদিকে চাকরিচ্যুত শতাধিক শ্রমিক সোমবার বিকালে নগর ভবনের সামনে বিদায়ী প্রশাসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তারা নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। কয়েকজন নারী শ্রমিক কান্নাকাটি করেন।
জানা গেছে, বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার ১৫৯ অস্থায়ী শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছেন। তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়নি। প্রশাসকের বদলির খবরে নগর ভবনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বক্করকে অবরুদ্ধ করেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের সবার ফাইল আবু বক্কর আটকে রেখেছেন। প্রশাসকদের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছাননি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু বক্কর বলেন, ‘৬০ বছর ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের চাকরি বিধি অনুযায়ী অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’
আর্থিক সহায়তা আটকে রাখা প্রসঙ্গে বলেন, ‘তার দফতরে ফাইল প্রস্তত রেখেছেন। প্রশাসক তলব না করায় সেগুলো তার কাছে পৌঁছানো হয়নি।’
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘যারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করছেন তারা বিধান দেখাতে পারেননি। এছাড়া ১৫৯ জনকে ছাটাই নয় বরং বয়সজনিত কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।’
কুয়াকাটায় জমি ক্রয় করে রিসোর্ট করার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘মৌজা দরের চেয়ে কম দামে জমি কিনেছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রাখা হয়নি। আমি তো বেতন বকেয়া রেখে জমি কিনিনি।’
তার দাবি, রাজনৈতিক কারণে নগর ভবনে সোমবার বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে।

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:২৬
শেষ কর্মদিবসে অনুগতরা সোমবার (১৭ নভেম্বর) নগর ভবনে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলো। বিক্ষুব্ধদের তোপের মুখে সে আয়োজন পণ্ড হয়। বিক্ষুব্ধরা সংবাদ সম্মেলন করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এছাড়া চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পেতে বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন।
জানা গেছে, রায়হান কায়সারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে গত ১৩ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত বছর আগস্টে পটপরিবর্তনের পর তিনি বিভাগীয় কমিশনার পদে যোগ দেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশন কর্মচারী ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক জানান, ২০০৩ সালে প্রথম নির্বাচিত মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার ১২১ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছিলেন। নিয়োগ অস্বচ্ছ দেখিয়ে ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ বৈধ ঘোষণা দেয়া হয়। তৎকালীন সময়ের মেয়রদের বাঁধায় তারা কেউ চাকরি ফিরে পাননি। ২০২৩ সালে নির্বাচিত মেয়রের সময়ে সবাই চাকরিতে যোগ দিলেও স্থায়ী হননি।
তিনি আরও জানান, ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চাকরি বিধিমালায় পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী হতে বাঁধা নেই। বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার যোগদানের পর তাদেরকে স্থায়ীকরন না করে টালবাহানা করেছেন। এ দাবি নিয়ে তার কক্ষে গেলে দুর্ব্যবহার করেন।
সবশেষ সোমবার প্রশাসকের কাছে গেলে খারাপ ভাষায় কথা বলেন এবং একপর্যায়ে গুলি করার হুমকি দেন।
কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, প্রশাসক বিপুল অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য, দরপত্র ছাড়া ঠিকাদারি ও পদোন্নতি দিয়েছেন। ঠিকাদারি কাজ, জমি ক্রয়ে টাকা না নিয়ে ফাইলে সাক্ষর করেননি।
সহকারী প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন মনির বলেন, ‘নগরে উন্নয়ন বঞ্চনা ও নানা সংকট থাকার পরও সম্প্রতি কুয়াকাটায় রিসোর্টের নামে কয়েক কোটি টাকার জমি ক্রয় কিনেছেন প্রশাসক। প্রতি শতাংশে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন।’
অপরদিকে চাকরিচ্যুত শতাধিক শ্রমিক সোমবার বিকালে নগর ভবনের সামনে বিদায়ী প্রশাসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তারা নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। কয়েকজন নারী শ্রমিক কান্নাকাটি করেন।
জানা গেছে, বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার ১৫৯ অস্থায়ী শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছেন। তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়নি। প্রশাসকের বদলির খবরে নগর ভবনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বক্করকে অবরুদ্ধ করেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের সবার ফাইল আবু বক্কর আটকে রেখেছেন। প্রশাসকদের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছাননি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু বক্কর বলেন, ‘৬০ বছর ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের চাকরি বিধি অনুযায়ী অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’
আর্থিক সহায়তা আটকে রাখা প্রসঙ্গে বলেন, ‘তার দফতরে ফাইল প্রস্তত রেখেছেন। প্রশাসক তলব না করায় সেগুলো তার কাছে পৌঁছানো হয়নি।’
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘যারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করছেন তারা বিধান দেখাতে পারেননি। এছাড়া ১৫৯ জনকে ছাটাই নয় বরং বয়সজনিত কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।’
কুয়াকাটায় জমি ক্রয় করে রিসোর্ট করার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘মৌজা দরের চেয়ে কম দামে জমি কিনেছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রাখা হয়নি। আমি তো বেতন বকেয়া রেখে জমি কিনিনি।’
তার দাবি, রাজনৈতিক কারণে নগর ভবনে সোমবার বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬