
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:২৬
শেষ কর্মদিবসে অনুগতরা সোমবার (১৭ নভেম্বর) নগর ভবনে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলো। বিক্ষুব্ধদের তোপের মুখে সে আয়োজন পণ্ড হয়। বিক্ষুব্ধরা সংবাদ সম্মেলন করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এছাড়া চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পেতে বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন।
জানা গেছে, রায়হান কায়সারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে গত ১৩ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত বছর আগস্টে পটপরিবর্তনের পর তিনি বিভাগীয় কমিশনার পদে যোগ দেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশন কর্মচারী ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক জানান, ২০০৩ সালে প্রথম নির্বাচিত মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার ১২১ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছিলেন। নিয়োগ অস্বচ্ছ দেখিয়ে ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ বৈধ ঘোষণা দেয়া হয়। তৎকালীন সময়ের মেয়রদের বাঁধায় তারা কেউ চাকরি ফিরে পাননি। ২০২৩ সালে নির্বাচিত মেয়রের সময়ে সবাই চাকরিতে যোগ দিলেও স্থায়ী হননি।
তিনি আরও জানান, ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চাকরি বিধিমালায় পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী হতে বাঁধা নেই। বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার যোগদানের পর তাদেরকে স্থায়ীকরন না করে টালবাহানা করেছেন। এ দাবি নিয়ে তার কক্ষে গেলে দুর্ব্যবহার করেন।
সবশেষ সোমবার প্রশাসকের কাছে গেলে খারাপ ভাষায় কথা বলেন এবং একপর্যায়ে গুলি করার হুমকি দেন।
কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, প্রশাসক বিপুল অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য, দরপত্র ছাড়া ঠিকাদারি ও পদোন্নতি দিয়েছেন। ঠিকাদারি কাজ, জমি ক্রয়ে টাকা না নিয়ে ফাইলে সাক্ষর করেননি।
সহকারী প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন মনির বলেন, ‘নগরে উন্নয়ন বঞ্চনা ও নানা সংকট থাকার পরও সম্প্রতি কুয়াকাটায় রিসোর্টের নামে কয়েক কোটি টাকার জমি ক্রয় কিনেছেন প্রশাসক। প্রতি শতাংশে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন।’
অপরদিকে চাকরিচ্যুত শতাধিক শ্রমিক সোমবার বিকালে নগর ভবনের সামনে বিদায়ী প্রশাসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তারা নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। কয়েকজন নারী শ্রমিক কান্নাকাটি করেন।
জানা গেছে, বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার ১৫৯ অস্থায়ী শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছেন। তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়নি। প্রশাসকের বদলির খবরে নগর ভবনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বক্করকে অবরুদ্ধ করেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের সবার ফাইল আবু বক্কর আটকে রেখেছেন। প্রশাসকদের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছাননি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু বক্কর বলেন, ‘৬০ বছর ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের চাকরি বিধি অনুযায়ী অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’
আর্থিক সহায়তা আটকে রাখা প্রসঙ্গে বলেন, ‘তার দফতরে ফাইল প্রস্তত রেখেছেন। প্রশাসক তলব না করায় সেগুলো তার কাছে পৌঁছানো হয়নি।’
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘যারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করছেন তারা বিধান দেখাতে পারেননি। এছাড়া ১৫৯ জনকে ছাটাই নয় বরং বয়সজনিত কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।’
কুয়াকাটায় জমি ক্রয় করে রিসোর্ট করার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘মৌজা দরের চেয়ে কম দামে জমি কিনেছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রাখা হয়নি। আমি তো বেতন বকেয়া রেখে জমি কিনিনি।’
তার দাবি, রাজনৈতিক কারণে নগর ভবনে সোমবার বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে।
শেষ কর্মদিবসে অনুগতরা সোমবার (১৭ নভেম্বর) নগর ভবনে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলো। বিক্ষুব্ধদের তোপের মুখে সে আয়োজন পণ্ড হয়। বিক্ষুব্ধরা সংবাদ সম্মেলন করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এছাড়া চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পেতে বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন।
জানা গেছে, রায়হান কায়সারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে গত ১৩ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত বছর আগস্টে পটপরিবর্তনের পর তিনি বিভাগীয় কমিশনার পদে যোগ দেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশন কর্মচারী ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক জানান, ২০০৩ সালে প্রথম নির্বাচিত মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার ১২১ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছিলেন। নিয়োগ অস্বচ্ছ দেখিয়ে ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ বৈধ ঘোষণা দেয়া হয়। তৎকালীন সময়ের মেয়রদের বাঁধায় তারা কেউ চাকরি ফিরে পাননি। ২০২৩ সালে নির্বাচিত মেয়রের সময়ে সবাই চাকরিতে যোগ দিলেও স্থায়ী হননি।
তিনি আরও জানান, ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চাকরি বিধিমালায় পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী হতে বাঁধা নেই। বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার যোগদানের পর তাদেরকে স্থায়ীকরন না করে টালবাহানা করেছেন। এ দাবি নিয়ে তার কক্ষে গেলে দুর্ব্যবহার করেন।
সবশেষ সোমবার প্রশাসকের কাছে গেলে খারাপ ভাষায় কথা বলেন এবং একপর্যায়ে গুলি করার হুমকি দেন।
কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, প্রশাসক বিপুল অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য, দরপত্র ছাড়া ঠিকাদারি ও পদোন্নতি দিয়েছেন। ঠিকাদারি কাজ, জমি ক্রয়ে টাকা না নিয়ে ফাইলে সাক্ষর করেননি।
সহকারী প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন মনির বলেন, ‘নগরে উন্নয়ন বঞ্চনা ও নানা সংকট থাকার পরও সম্প্রতি কুয়াকাটায় রিসোর্টের নামে কয়েক কোটি টাকার জমি ক্রয় কিনেছেন প্রশাসক। প্রতি শতাংশে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন।’
অপরদিকে চাকরিচ্যুত শতাধিক শ্রমিক সোমবার বিকালে নগর ভবনের সামনে বিদায়ী প্রশাসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তারা নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। কয়েকজন নারী শ্রমিক কান্নাকাটি করেন।
জানা গেছে, বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার ১৫৯ অস্থায়ী শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছেন। তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়নি। প্রশাসকের বদলির খবরে নগর ভবনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বক্করকে অবরুদ্ধ করেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের সবার ফাইল আবু বক্কর আটকে রেখেছেন। প্রশাসকদের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছাননি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু বক্কর বলেন, ‘৬০ বছর ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের চাকরি বিধি অনুযায়ী অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’
আর্থিক সহায়তা আটকে রাখা প্রসঙ্গে বলেন, ‘তার দফতরে ফাইল প্রস্তত রেখেছেন। প্রশাসক তলব না করায় সেগুলো তার কাছে পৌঁছানো হয়নি।’
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘যারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করছেন তারা বিধান দেখাতে পারেননি। এছাড়া ১৫৯ জনকে ছাটাই নয় বরং বয়সজনিত কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।’
কুয়াকাটায় জমি ক্রয় করে রিসোর্ট করার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘মৌজা দরের চেয়ে কম দামে জমি কিনেছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রাখা হয়নি। আমি তো বেতন বকেয়া রেখে জমি কিনিনি।’
তার দাবি, রাজনৈতিক কারণে নগর ভবনে সোমবার বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।