শেষ কর্মদিবসে অনুগতরা সোমবার (১৭ নভেম্বর) নগর ভবনে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলো। বিক্ষুব্ধদের তোপের মুখে সে আয়োজন পণ্ড হয়। বিক্ষুব্ধরা সংবাদ সম্মেলন করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এছাড়া চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পেতে বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন।
জানা গেছে, রায়হান কায়সারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে গত ১৩ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত বছর আগস্টে পটপরিবর্তনের পর তিনি বিভাগীয় কমিশনার পদে যোগ দেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশন কর্মচারী ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক জানান, ২০০৩ সালে প্রথম নির্বাচিত মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার ১২১ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছিলেন। নিয়োগ অস্বচ্ছ দেখিয়ে ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ বৈধ ঘোষণা দেয়া হয়। তৎকালীন সময়ের মেয়রদের বাঁধায় তারা কেউ চাকরি ফিরে পাননি। ২০২৩ সালে নির্বাচিত মেয়রের সময়ে সবাই চাকরিতে যোগ দিলেও স্থায়ী হননি।
তিনি আরও জানান, ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চাকরি বিধিমালায় পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী হতে বাঁধা নেই। বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার যোগদানের পর তাদেরকে স্থায়ীকরন না করে টালবাহানা করেছেন। এ দাবি নিয়ে তার কক্ষে গেলে দুর্ব্যবহার করেন।
সবশেষ সোমবার প্রশাসকের কাছে গেলে খারাপ ভাষায় কথা বলেন এবং একপর্যায়ে গুলি করার হুমকি দেন।
কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, প্রশাসক বিপুল অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য, দরপত্র ছাড়া ঠিকাদারি ও পদোন্নতি দিয়েছেন। ঠিকাদারি কাজ, জমি ক্রয়ে টাকা না নিয়ে ফাইলে সাক্ষর করেননি।
সহকারী প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন মনির বলেন, ‘নগরে উন্নয়ন বঞ্চনা ও নানা সংকট থাকার পরও সম্প্রতি কুয়াকাটায় রিসোর্টের নামে কয়েক কোটি টাকার জমি ক্রয় কিনেছেন প্রশাসক। প্রতি শতাংশে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন।’
অপরদিকে চাকরিচ্যুত শতাধিক শ্রমিক সোমবার বিকালে নগর ভবনের সামনে বিদায়ী প্রশাসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তারা নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। কয়েকজন নারী শ্রমিক কান্নাকাটি করেন।
জানা গেছে, বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার ১৫৯ অস্থায়ী শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছেন। তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়নি। প্রশাসকের বদলির খবরে নগর ভবনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বক্করকে অবরুদ্ধ করেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের সবার ফাইল আবু বক্কর আটকে রেখেছেন। প্রশাসকদের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছাননি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু বক্কর বলেন, ‘৬০ বছর ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের চাকরি বিধি অনুযায়ী অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’
আর্থিক সহায়তা আটকে রাখা প্রসঙ্গে বলেন, ‘তার দফতরে ফাইল প্রস্তত রেখেছেন। প্রশাসক তলব না করায় সেগুলো তার কাছে পৌঁছানো হয়নি।’
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘যারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করছেন তারা বিধান দেখাতে পারেননি। এছাড়া ১৫৯ জনকে ছাটাই নয় বরং বয়সজনিত কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।’
কুয়াকাটায় জমি ক্রয় করে রিসোর্ট করার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘মৌজা দরের চেয়ে কম দামে জমি কিনেছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রাখা হয়নি। আমি তো বেতন বকেয়া রেখে জমি কিনিনি।’
তার দাবি, রাজনৈতিক কারণে নগর ভবনে সোমবার বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:২৬
শেষ কর্মদিবসে অনুগতরা সোমবার (১৭ নভেম্বর) নগর ভবনে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলো। বিক্ষুব্ধদের তোপের মুখে সে আয়োজন পণ্ড হয়। বিক্ষুব্ধরা সংবাদ সম্মেলন করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এছাড়া চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা চাকরি ফিরে পেতে বিক্ষোভ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন।
জানা গেছে, রায়হান কায়সারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে বদলি করে গত ১৩ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত বছর আগস্টে পটপরিবর্তনের পর তিনি বিভাগীয় কমিশনার পদে যোগ দেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সিটি করপোরেশন কর্মচারী ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক জানান, ২০০৩ সালে প্রথম নির্বাচিত মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার ১২১ জন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছিলেন। নিয়োগ অস্বচ্ছ দেখিয়ে ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ বৈধ ঘোষণা দেয়া হয়। তৎকালীন সময়ের মেয়রদের বাঁধায় তারা কেউ চাকরি ফিরে পাননি। ২০২৩ সালে নির্বাচিত মেয়রের সময়ে সবাই চাকরিতে যোগ দিলেও স্থায়ী হননি।
তিনি আরও জানান, ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চাকরি বিধিমালায় পদ সৃষ্টি সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী হতে বাঁধা নেই। বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার যোগদানের পর তাদেরকে স্থায়ীকরন না করে টালবাহানা করেছেন। এ দাবি নিয়ে তার কক্ষে গেলে দুর্ব্যবহার করেন।
সবশেষ সোমবার প্রশাসকের কাছে গেলে খারাপ ভাষায় কথা বলেন এবং একপর্যায়ে গুলি করার হুমকি দেন।
কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, প্রশাসক বিপুল অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য, দরপত্র ছাড়া ঠিকাদারি ও পদোন্নতি দিয়েছেন। ঠিকাদারি কাজ, জমি ক্রয়ে টাকা না নিয়ে ফাইলে সাক্ষর করেননি।
সহকারী প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন মনির বলেন, ‘নগরে উন্নয়ন বঞ্চনা ও নানা সংকট থাকার পরও সম্প্রতি কুয়াকাটায় রিসোর্টের নামে কয়েক কোটি টাকার জমি ক্রয় কিনেছেন প্রশাসক। প্রতি শতাংশে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন।’
অপরদিকে চাকরিচ্যুত শতাধিক শ্রমিক সোমবার বিকালে নগর ভবনের সামনে বিদায়ী প্রশাসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তারা নগর পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন। কয়েকজন নারী শ্রমিক কান্নাকাটি করেন।
জানা গেছে, বিদায়ী প্রশাসক রায়হান কায়ছার ১৫৯ অস্থায়ী শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছেন। তাদের কোনো আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়নি। প্রশাসকের বদলির খবরে নগর ভবনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বক্করকে অবরুদ্ধ করেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের সবার ফাইল আবু বক্কর আটকে রেখেছেন। প্রশাসকদের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছাননি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু বক্কর বলেন, ‘৬০ বছর ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের চাকরি বিধি অনুযায়ী অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’
আর্থিক সহায়তা আটকে রাখা প্রসঙ্গে বলেন, ‘তার দফতরে ফাইল প্রস্তত রেখেছেন। প্রশাসক তলব না করায় সেগুলো তার কাছে পৌঁছানো হয়নি।’
অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘যারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি করছেন তারা বিধান দেখাতে পারেননি। এছাড়া ১৫৯ জনকে ছাটাই নয় বরং বয়সজনিত কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।’
কুয়াকাটায় জমি ক্রয় করে রিসোর্ট করার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘মৌজা দরের চেয়ে কম দামে জমি কিনেছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া রাখা হয়নি। আমি তো বেতন বকেয়া রেখে জমি কিনিনি।’
তার দাবি, রাজনৈতিক কারণে নগর ভবনে সোমবার বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে।