বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে কৃষক এবং অংশীজনদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কৃষক এবং অংশীজনদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে 'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফর্মেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' প্রকল্পের আওতায় বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলা অডিটোরিয়ামে ওই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষাণ-কৃষাণী, কৃষি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিসহ কৃষি সেক্টরের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের অংশগ্রহণে এক মেলবন্ধন রচিত হয়।
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেসের প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সৈয়দা ফারহীন তামান্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল করিম চাপরাশি, যুগ্ম-আহবায়ক নজরুল ইসলাম বাদশা, জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনে সভাপতি মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন, ইসলামী আন্দোলনের রাজনৈতিক সমন্বয়কারী শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব প্রমুখ।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ওই পার্টনার কংগ্রেসে একটি সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শনী উপস্থাপন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ। এতে কৃষকদের মাঝে টেকসই ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, নিরাপদ খাদ্য, কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমিয়ে অর্গানিক পদ্ধতির চাষাবাদ, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, কৃষকের কৃষিপণ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টি এবং বাজার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে একটি সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য অংশীজনদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ বলেন, 'দেশের সকল মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে চাই আমরা। সেজন্য কেমিক্যাল এবং পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমিয়ে অর্গানিক পদ্ধতির চাষাবাদে কৃষকদের আগ্রহী করে নতুন কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। কৃষির আধুনিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ, আধুনিক যান্ত্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের মেলবন্ধন সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এই পার্টনার কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়েছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। তাই কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আমাদের উৎপাদিত অনেক কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমাদের উৎপাদিত ৫৫টি পণ্য জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন (জিআই) পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এরমধ্যে বরিশালের বিখ্যাত আমড়া রয়েছে। কৃষিতে স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ এবং ব্যবস্থাপনা। এজন্য সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের স্বনির্ভরতা এবং অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সবার দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে।'

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:১২
ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে উপকূলে আঘাত হানার পর ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া। এর প্রভাবে সৃষ্ট পৃথক ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কেউ গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী, অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনম, আনাকাপল্লে, কাকিনাড়া, কোনাসীমা ও পশ্চিম গোদাবরী জেলায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
বুধবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রকাশিত বুলেটিনে আইএমডি জানায়, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অর্ণব অন্ধ্র প্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূল অতিক্রম করেছে। উপকূল অতিক্রমের সময় ঝড়টির একটানা বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার গতিবেগ উঠেছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি অতি প্রবল থেকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত মোকাবিলায় অন্ধ্র প্রদেশ ও ওডিশার বিভিন্ন এলাকা থেকে এক লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। দুই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে বহু গাছ।
বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমে সর্বোচ্চ ৩১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বিজয়নগরমে ৩০১, আনাকাপল্লেতে ২৭৫, শ্রীকাকুলামে ২৫৭ এবং কৃষ্ণা জেলায় ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে, ওডিশার কোরাপুটে ১৮৮, গঞ্জামে ১৬১ এবং গজপতিতে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়াগামী বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কিছু এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল হয়েছে কয়েকটি ট্রেনের চলাচলও।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার ও বৃহস্পতিবারও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘অর্ণব’ প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) ও জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকাপ) ঘূর্ণিঝড়বিষয়ক প্যানেল অনুমোদিত নামের তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাংলা ভাষায় ‘অর্ণব’ শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর।
উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের তালিকায় বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত ১৬৯টি নাম রয়েছে। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে ধারাবাহিকভাবে এসব নাম ব্যবহার করা হয়।
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো ঝড়কে সহজে শনাক্ত করা, জনসাধারণকে সতর্ক করা এবং দুর্যোগকালীন যোগাযোগে বিভ্রান্তি কমানো।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে উপকূলে আঘাত হানার পর ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া। এর প্রভাবে সৃষ্ট পৃথক ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কেউ গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী, অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনম, আনাকাপল্লে, কাকিনাড়া, কোনাসীমা ও পশ্চিম গোদাবরী জেলায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
বুধবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রকাশিত বুলেটিনে আইএমডি জানায়, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অর্ণব অন্ধ্র প্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূল অতিক্রম করেছে। উপকূল অতিক্রমের সময় ঝড়টির একটানা বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার গতিবেগ উঠেছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি অতি প্রবল থেকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত মোকাবিলায় অন্ধ্র প্রদেশ ও ওডিশার বিভিন্ন এলাকা থেকে এক লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। দুই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে বহু গাছ।
বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমে সর্বোচ্চ ৩১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বিজয়নগরমে ৩০১, আনাকাপল্লেতে ২৭৫, শ্রীকাকুলামে ২৫৭ এবং কৃষ্ণা জেলায় ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে, ওডিশার কোরাপুটে ১৮৮, গঞ্জামে ১৬১ এবং গজপতিতে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়াগামী বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কিছু এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল হয়েছে কয়েকটি ট্রেনের চলাচলও।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার ও বৃহস্পতিবারও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘অর্ণব’ প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) ও জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকাপ) ঘূর্ণিঝড়বিষয়ক প্যানেল অনুমোদিত নামের তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাংলা ভাষায় ‘অর্ণব’ শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর।
উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের তালিকায় বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত ১৬৯টি নাম রয়েছে। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে ধারাবাহিকভাবে এসব নাম ব্যবহার করা হয়।
ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো ঝড়কে সহজে শনাক্ত করা, জনসাধারণকে সতর্ক করা এবং দুর্যোগকালীন যোগাযোগে বিভ্রান্তি কমানো।
সূত্র: এনডিটিভি

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০০
দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সড়ক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ক্যামেরা। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংসহ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পদ্মা সেতু চালুর পর যান চলাচল বেড়েছে। তবে বেপরোয়া গতি ও ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণে সড়কটিতে দুর্ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই সড়কে প্রায় ৫৮৯টি দুর্ঘটনায় ১৫২ জন নিহত এবং ৯৫০ জন আহত হয়েছেন।
এক্সপ্রেসওয়ের ৫৫ কিলোমিটার অংশের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলায় রয়েছে ৩৫ কিলোমিটার। ফলে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকামুখী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, অধিকাংশ দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে গিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েকে এআই ক্যামেরার আওতায় আনার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও আঞ্চলিক মহাসড়কেও এ প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা।
গাজীপুর রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি। পুরো সড়ক এআই ক্যামেরার আওতায় এনে দ্রুতগতির যানবাহন, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম বাসসকে জানান, দুর্ঘটনা রোধে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গতিসীমা নির্ধারণ, সাইন-মার্কিং এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
তবে বেপরোয়া গতি ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের পাশাপাশি আকস্মিক ইউটার্ন, চালকের অসতর্কতা, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালু হলে চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বাড়বে। কমবে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথে সড়ক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সড়ক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ক্যামেরা। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংসহ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পদ্মা সেতু চালুর পর যান চলাচল বেড়েছে। তবে বেপরোয়া গতি ও ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণে সড়কটিতে দুর্ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে ২০২৬ সালের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই সড়কে প্রায় ৫৮৯টি দুর্ঘটনায় ১৫২ জন নিহত এবং ৯৫০ জন আহত হয়েছেন।
এক্সপ্রেসওয়ের ৫৫ কিলোমিটার অংশের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলায় রয়েছে ৩৫ কিলোমিটার। ফলে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকামুখী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, অধিকাংশ দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে গিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েকে এআই ক্যামেরার আওতায় আনার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও আঞ্চলিক মহাসড়কেও এ প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা।
গাজীপুর রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অধিকাংশ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত গতি। পুরো সড়ক এআই ক্যামেরার আওতায় এনে দ্রুতগতির যানবাহন, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম বাসসকে জানান, দুর্ঘটনা রোধে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গতিসীমা নির্ধারণ, সাইন-মার্কিং এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
তবে বেপরোয়া গতি ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের পাশাপাশি আকস্মিক ইউটার্ন, চালকের অসতর্কতা, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এআই ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালু হলে চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বাড়বে। কমবে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথে সড়ক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫১
বরিশালসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে পরিবর্তন আসতে পারে। ভারতের উপকূলে আঘাত হানার পর ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল ও ধীরগতির হয়ে পড়ায় বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পদুচেরি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপট্টনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করে। এরপর এর গতি কমে যায় এবং এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব পুরোপুরি কাটতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
এর প্রভাবে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। দিঘা সমুদ্রসৈকতসহ উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ পরিবর্তন ও গতি কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণেও পরিবর্তন আসতে পারে। খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে সম্প্রতি ঢাকাসহ খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় গরমের তীব্রতা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যার পর রাজধানী ঢাকায় হালকা বৃষ্টি বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থান, গতিপথ ও বরিশাল অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের হালনাগাদ পূর্বাভাস অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বরিশালসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ প্রভাবে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে পরিবর্তন আসতে পারে। ভারতের উপকূলে আঘাত হানার পর ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল ও ধীরগতির হয়ে পড়ায় বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পদুচেরি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপট্টনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করে। এরপর এর গতি কমে যায় এবং এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব পুরোপুরি কাটতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
এর প্রভাবে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। দিঘা সমুদ্রসৈকতসহ উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ পরিবর্তন ও গতি কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণেও পরিবর্তন আসতে পারে। খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে সম্প্রতি ঢাকাসহ খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় গরমের তীব্রতা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল থেকে সন্ধ্যার পর রাজধানী ঢাকায় হালকা বৃষ্টি বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থান, গতিপথ ও বরিশাল অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের হালনাগাদ পূর্বাভাস অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

২০ জুন, ২০২৫ ১৭:২৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে কৃষক এবং অংশীজনদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে 'প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফর্মেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)' প্রকল্পের আওতায় বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলা অডিটোরিয়ামে ওই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষাণ-কৃষাণী, কৃষি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিসহ কৃষি সেক্টরের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের অংশগ্রহণে এক মেলবন্ধন রচিত হয়।
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ওই পার্টনার কংগ্রেসের প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সৈয়দা ফারহীন তামান্নার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল করিম চাপরাশি, যুগ্ম-আহবায়ক নজরুল ইসলাম বাদশা, জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনে সভাপতি মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু খান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন, ইসলামী আন্দোলনের রাজনৈতিক সমন্বয়কারী শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব প্রমুখ।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ওই পার্টনার কংগ্রেসে একটি সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শনী উপস্থাপন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ। এতে কৃষকদের মাঝে টেকসই ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, নিরাপদ খাদ্য, কেমিক্যাল ও পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমিয়ে অর্গানিক পদ্ধতির চাষাবাদ, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, কৃষকের কৃষিপণ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টি এবং বাজার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে একটি সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য অংশীজনদের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ বলেন, 'দেশের সকল মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে চাই আমরা। সেজন্য কেমিক্যাল এবং পেস্টিসাইডের ব্যবহার কমিয়ে অর্গানিক পদ্ধতির চাষাবাদে কৃষকদের আগ্রহী করে নতুন কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। কৃষির আধুনিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ, আধুনিক যান্ত্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের মেলবন্ধন সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এই পার্টনার কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়েছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। তাই কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আমাদের উৎপাদিত অনেক কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমাদের উৎপাদিত ৫৫টি পণ্য জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন (জিআই) পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এরমধ্যে বরিশালের বিখ্যাত আমড়া রয়েছে। কৃষিতে স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ এবং ব্যবস্থাপনা। এজন্য সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের স্বনির্ভরতা এবং অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সবার দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে।'