
০২ জুন, ২০২৫ ১২:৩২
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার (২ জুন) এই বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরবেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিকেল ৩টায় সরাসরি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবারের বাজেটে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো একটি নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আগের অর্থবছরের চেয়ে ছোট আকারের হতে যাচ্ছে।
এবারের বাজেট বক্তৃতায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট এবং দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হবে বলে জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়।
এছাড়া ঘোষিত বাজেট অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট www.mof.gov.bd এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.nbr.gov.bd-এ বাজেটের সব তথ্যাদি ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পাঠ ও ডাউনলোড করতে পারবেন বলেও জানায় মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি দেশ বা বিদেশ থেকে budgetfeedback@finance.gov.bd-এ ই-মেইলের মাধ্যমে বাজেট সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ পাঠানো যাবে।
নতুন অর্থবছরের বাজেটে অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হতে পারে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এডিপির আকার ধরা হতে পারে। এছাড়া ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা বাজেটের ঘাটতি ধরা হতে পারে।
এদিকে এই ঘাটতি পূরণে এক লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে এক লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।
আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ধরা হতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার আশার কথা বলতে পারেন অর্থ উপদেষ্টা।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার (২ জুন) এই বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরবেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিকেল ৩টায় সরাসরি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবারের বাজেটে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো একটি নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আগের অর্থবছরের চেয়ে ছোট আকারের হতে যাচ্ছে।
এবারের বাজেট বক্তৃতায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট এবং দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হবে বলে জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়।
এছাড়া ঘোষিত বাজেট অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট www.mof.gov.bd এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.nbr.gov.bd-এ বাজেটের সব তথ্যাদি ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পাঠ ও ডাউনলোড করতে পারবেন বলেও জানায় মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি দেশ বা বিদেশ থেকে budgetfeedback@finance.gov.bd-এ ই-মেইলের মাধ্যমে বাজেট সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ পাঠানো যাবে।
নতুন অর্থবছরের বাজেটে অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হতে পারে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এডিপির আকার ধরা হতে পারে। এছাড়া ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা বাজেটের ঘাটতি ধরা হতে পারে।
এদিকে এই ঘাটতি পূরণে এক লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে এক লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।
আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ধরা হতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার আশার কথা বলতে পারেন অর্থ উপদেষ্টা।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫

১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৬
স্বল্প আয়ের মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার মাসিক ভাতা পাবেন।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।
এর মধ্যে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি বা পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবার একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এ কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি থাকবে। একটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচ সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সদস্য সংখ্যা পাঁচজনের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী ভাতা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহের সময়ই এসব হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
স্বল্প আয়ের মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার মাসিক ভাতা পাবেন।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।
এর মধ্যে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি বা পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবার একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এ কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি থাকবে। একটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচ সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সদস্য সংখ্যা পাঁচজনের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী ভাতা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহের সময়ই এসব হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:০২
গণমাধ্যমের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান বা জুলাই কারো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়; এটি জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন ও অধিকার। আমরাও এই আন্দোলনের অংশগ্রহণ করেছি। এই ব্যাপারে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টার (ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ভবনের নিচতলা) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনকে যারা নিজের সম্পত্তি ভাবছে, তাদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মতনির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই।
ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্লক রেট দিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চলমান আছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ও অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান বা জুলাই কারো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়; এটি জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন ও অধিকার। আমরাও এই আন্দোলনের অংশগ্রহণ করেছি। এই ব্যাপারে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে অবস্থিত পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টার (ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ভবনের নিচতলা) এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনকে যারা নিজের সম্পত্তি ভাবছে, তাদের তালিকা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দল-মতনির্বিশেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দলীয় কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই।
ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্লক রেট দিয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং চলমান আছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) মো. আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ও অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৮
জ্বালানি তেল সরবরাহকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার এক বার্তায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনার তথ্য জানায়।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বার্তায় বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিলারদের আকস্মিক বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা যায়।
ফলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় প্রধান স্থাপনাসহ প্রধান প্রধান ডিপোগুলোতে, অর্থাৎ খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানি সূত্রে জানা যায়।
দেশের জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিপণন কম্পানিগুলোর উল্লিখিত স্থাপনার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন।
এর আগে গত শনিবার তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। তার স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক চিঠিতে এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়।
জ্বালানি তেল সরবরাহকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান প্রধান তেল ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার এক বার্তায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এ নির্দেশনার তথ্য জানায়।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বার্তায় বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিলারদের আকস্মিক বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা যায়।
ফলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় প্রধান স্থাপনাসহ প্রধান প্রধান ডিপোগুলোতে, অর্থাৎ খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জ্বালানি তেল বিপণন কম্পানি সূত্রে জানা যায়।
দেশের জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিপণন কম্পানিগুলোর উল্লিখিত স্থাপনার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন।
এর আগে গত শনিবার তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। তার স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক চিঠিতে এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.