
২০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৩
গৌরনদীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক দুই ঘটনায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (১৯ নভেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যা ও দুপুরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
থানার জিডি নং-৭২৬ এর সূত্র ধরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাখেরাজ কসবার আকুব্বর সরদারের পুরাতন পানের বরজের পাশে একটি টংঘরে মাদক সেবন ও বিক্রয় চলছে—এমন তথ্য পেয়ে এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযানে যায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন পালানোর চেষ্টা করলে দুইজনকে ঘটনাস্থলেই আটক করা হয়। তারা হল ১. মোঃ মিরাজ বেপারী (২৫) ২. মোঃ রাহাত লাদেন সরদার (২২) তাদের সহযোগী মোঃ শাহাদুল সরদার (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে দুইজনের দেহ তল্লাশিতে মিরাজের কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা, রাহাতের কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা, এবং বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত একটি ফয়েল রোল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মোট ১০ পিস ইয়াবার ওজন ১ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ হাজার টাকা।
আটক আসামিরা পুলিশকে জানায়, পলাতক শাহাদুলের সহায়তায় তারা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচার ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
এদিকে একইদিন দুপুর সোয়া ১টার দিকে থানার জিডি নং-৭০৪ এর ভিত্তিতে গৌরনদীর চর গাধাতলী এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মোঃ সোহেল মোল্লা। স্থানীয় একটি ওয়ার্কশপের সামনে দুই ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে দুজনকে আটক করা হয়। তারা হল ১. মনির হাওলাদার (৩৫) ২. সোহেল বেপারী (৪২) জিজ্ঞাসাবাদে মনির স্বীকার করে যে তার কাছে গাঁজা আছে। পরে তার হাতে থাকা কালো রঙের ব্যাগ থেকে ১০০ গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার টাকা।
অপর আসামী সোহেলের কাছ থেকে কিছু না মিললেও তিনি মনিরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা বিক্রিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।জব্দ গাঁজার মধ্যে ৫ গ্রাম নমুনা হিসেবে আলাদা করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
গৌরনদীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক দুই ঘটনায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (১৯ নভেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যা ও দুপুরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
থানার জিডি নং-৭২৬ এর সূত্র ধরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাখেরাজ কসবার আকুব্বর সরদারের পুরাতন পানের বরজের পাশে একটি টংঘরে মাদক সেবন ও বিক্রয় চলছে—এমন তথ্য পেয়ে এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযানে যায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন পালানোর চেষ্টা করলে দুইজনকে ঘটনাস্থলেই আটক করা হয়। তারা হল ১. মোঃ মিরাজ বেপারী (২৫) ২. মোঃ রাহাত লাদেন সরদার (২২) তাদের সহযোগী মোঃ শাহাদুল সরদার (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে দুইজনের দেহ তল্লাশিতে মিরাজের কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা, রাহাতের কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা, এবং বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত একটি ফয়েল রোল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মোট ১০ পিস ইয়াবার ওজন ১ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ হাজার টাকা।
আটক আসামিরা পুলিশকে জানায়, পলাতক শাহাদুলের সহায়তায় তারা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচার ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
এদিকে একইদিন দুপুর সোয়া ১টার দিকে থানার জিডি নং-৭০৪ এর ভিত্তিতে গৌরনদীর চর গাধাতলী এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মোঃ সোহেল মোল্লা। স্থানীয় একটি ওয়ার্কশপের সামনে দুই ব্যক্তি মাদকদ্রব্য নিয়ে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে দুজনকে আটক করা হয়। তারা হল ১. মনির হাওলাদার (৩৫) ২. সোহেল বেপারী (৪২) জিজ্ঞাসাবাদে মনির স্বীকার করে যে তার কাছে গাঁজা আছে। পরে তার হাতে থাকা কালো রঙের ব্যাগ থেকে ১০০ গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার টাকা।
অপর আসামী সোহেলের কাছ থেকে কিছু না মিললেও তিনি মনিরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা বিক্রিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।জব্দ গাঁজার মধ্যে ৫ গ্রাম নমুনা হিসেবে আলাদা করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।
বরিশালে এইচআইভি সংক্রমণের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতালের পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও শিক্ষার্থী।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০ জনের শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন শিক্ষার্থী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ২০৪ জনের এইচআইভি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, এসব রোগীর বেশির ভাগই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রীর শরীরেও সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের চিকিৎসক জসিম উদ্দিন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যাদের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই পুরুষের সঙ্গে পুরুষের যৌনসম্পর্কের তথ্য পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাশরুর বিন আজাদ বলেন, আগে এই অঞ্চলে এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলক কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
ডা. মাশরুর বলেন, চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তবে সমকামী ব্যক্তির সংখ্যা বা এ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সরকারিভাবে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, বরিশালে ৫ থেকে সাড়ে ৭ হাজারের মত মানুষ সমাজ নিষিদ্ধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত। এইডস প্রতিরোধে সরকারি কর্মসূচি চললেও তা নিয়ন্ত্রণে কতটুকু ভূমিকা রাখছে এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। গত এক বছরে দেশে প্রায় দুই হাজার এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছে যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকরা বলছেন পারিবারিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া আর সামাজিক অবক্ষয় তরুণদের এইডসের দিকে ঠেলছে। আর সচেতনতা ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে দাবি চিকিৎসকদের।
সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও তদারকি কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবও আচরণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ে না, এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তার লাভ করে। শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন।

২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের দাসের ডাঙা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ইমরান হোসেন সবুজ (২৮) উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের হারুন হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সবুজ নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তার বাবা ও মামা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা প্রথমে কলিং বেল বাজান এবং মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে সন্দেহ হলে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন।
‘ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, কক্ষের ছাদের লোহার হুকের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন সবুজ। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর জীবিত ছিলেন না। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।’
নিহতের এক মামা জানান, সবুজ দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ বছর প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন। তার কোনো শত্রু ছিল বলে পরিবারের জানা নেই। তবে মৃত্যুর ঘটনাটি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
পরিবারের দাবি, সবুজকে উদ্ধারের সময় তার দুই হাত পেছনের দিকে বাঁধা ছিল, যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার পরিদর্শক নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। নিহতের হাত পেছনের দিকে আলগাভাবে বাঁধা ছিল, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অন্য কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু জবাইয়ের কাজ শেষে বাড়িতে ফেরেন সবুজ। পরে নিজ কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের দাসের ডাঙা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত ইমরান হোসেন সবুজ (২৮) উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের হারুন হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সবুজ নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তার বাবা ও মামা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারা প্রথমে কলিং বেল বাজান এবং মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে সন্দেহ হলে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন।
‘ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, কক্ষের ছাদের লোহার হুকের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন সবুজ। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর জীবিত ছিলেন না। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।’
নিহতের এক মামা জানান, সবুজ দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ বছর প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন। তার কোনো শত্রু ছিল বলে পরিবারের জানা নেই। তবে মৃত্যুর ঘটনাটি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
পরিবারের দাবি, সবুজকে উদ্ধারের সময় তার দুই হাত পেছনের দিকে বাঁধা ছিল, যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার পরিদর্শক নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। নিহতের হাত পেছনের দিকে আলগাভাবে বাঁধা ছিল, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অন্য কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু জবাইয়ের কাজ শেষে বাড়িতে ফেরেন সবুজ। পরে নিজ কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
বরিশাল টাইমস

২৭ মে, ২০২৬ ১২:৫৩
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) ভোররাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকা থেকে স্থানীয় জেলে ও নৌ পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
এর আগে সোমবার বিকেলে মেঘনা নদীর পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা ডুবে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে পুরাতন হিজলা এলাকা থেকে মো. হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
হিজলা নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকাডুবির পর থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় জেলেরা নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের ভাসানচর এলাকায় দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা নৌ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। স্বজনেরা মরদেহ দুটি নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে আটজন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। নৌকাটি পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দার (১২) এবং একই গ্রামের মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫) নিখোঁজ হন। পরে হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজ বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ মে) ভোররাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকা থেকে স্থানীয় জেলে ও নৌ পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
এর আগে সোমবার বিকেলে মেঘনা নদীর পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা ডুবে বাবা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে পুরাতন হিজলা এলাকা থেকে মো. হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
হিজলা নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকাডুবির পর থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় জেলেরা নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের ভাসানচর এলাকায় দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা নৌ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। স্বজনেরা মরদেহ দুটি নুর ইসলাম জোমাদ্দার ও তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দারের বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে জেলে কার্ডের চাল নিয়ে আটজন যাত্রী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। নৌকাটি পুরাতন হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), তার ছেলে ইব্রাহিম জোমাদ্দার (১২) এবং একই গ্রামের মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫) নিখোঁজ হন। পরে হারুন বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, নিখোঁজ বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১