
০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:০৪
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচরিতার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৪০ জন মাঠকর্মীরা নানা অভিযোগ তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে মাঠকর্মীদের বিভিন্ন কারণে অকারণে হয়রানি করছেন। তিনি বিভিন্ন অজুহতে মাঠকর্মীদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে তাদের ফাইল আটকে হয়রানি করছেন। তাকে খুশি করতে পারলেই বৈধ-অবৈধ সব ঠিক হয়ে যায়।
কর্মচারীরা নিজের পারিশ্রমিকের বিল দাখিল করলে যেমন ভ্রমণ ভাতা বিল পেতে হলে তাকে ৩৫% হারে কমিশন দিতে হয়। না হলে তাদের ভ্রমণভাতা বিল পাশ হয় না।
২৪-২৫ গত অর্থ বছরের অফিসের অসবাবপত্র ক্রয় বাবদ সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি মাঠকর্মীদের অভিযোগের পরে একটি চেয়ার ও দুটি পর্দা কিনে অসবাবপত্রের সকল টাকা আত্মসাৎ করেন।
স্থায়ীকরণ আদেশ জেলা কর্মকর্তার নির্দেশ থাকলেও তার চাহিদামতো অর্থ প্রদান না করলে তার আদেশ সার্ভিস বুকের মাধ্যমে উঠানো হয় না। নির্ধারিত ফি পেলেই তিনি তখন সার্ভিস বুক তুলে দেন।
নিরাপত্তা প্রহরী শাহ আলম নামের এক কর্মচারী লাম্পগ্রান্ড ও জিপিএফ কাগজপত্র তৈরির নামে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। ওই কর্মচারী অর্ধ লক্ষ টাকা প্রদান করলেও বাকী টাকার জন্য দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের চাপে পড়ে বিল প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী মাঠকর্মীরা অভিযোগ করেন, উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এ উপজেলায় যোগদানের পর তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প ও বিভিন্ন ইউনিয়নে পাক্ষিক সভার নামে সেখানে উপজেলার সকল স্টাফদের দুপুরে লাঞ্চ করার চাপ প্রয়োগ করেন।
লাঞ্চের জন্য তার নির্ধারিত আইটেমের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়, যেখানে ১০-১২ আইটেমের ভর্তা, মাছ, মুরগী, হাঁস, খাশির মাংস ও লেগ পিস সাইজে বড় হতে হবে বাধ্যতামূলক। ইউনিয়নের এসব খাবারের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিদর্শককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিদর্শক ও সকল মাঠকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে এই খাবারের আয়োজনের নির্দেশ দেন।
চার সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাসে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা হল রুমে উপজেলা মাসিক সভায় তিনি সকল মাঠকর্মী ও কর্মচারীদের হুমকি প্রদান করে বলেন, ‘যাঁরা মাসিক চাঁদা দেবেন না তারা পেনশন নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন না’। হল রুমে বসে স্টাফরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি মাইক ছুড়ে ফেলে দেন। যা সকল কর্মচারী দেখেছেন ও ভিডিও করে রেখেছেন।
২৪-২৫ অর্থ বছরের কোন কিছু না কিনে শুধু কাগজ কলমে ভাউচার দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। স্থায়ী পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির টাকা-পয়সা নিয়ে মাঠকর্মীদের হয়রানি ও কর্মচারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছেন।
উপজেলার তেলিখালী পরিদর্শক সোহাগ হাওলাদার চাকুরি বাণিজ্য করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ভিটাবাড়ীয়ার পরিদর্শক আবদুল মতিন কর্মকর্তার চাহিদা পূরণের জন্য কর্মচারীদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে টাকা তুলে দেন, তিনি আদায়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভিটাবাড়ীয়া পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আয়া সালমা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আ. মতিনের হাতে লঞ্চিত হয় ওই আয়া। এ দুই পরিদর্শক দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস সহকারী ও কর্মকর্তার সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে দুইজন কর্মকর্তা আছেন, তারা আমার বিষয়ে ভালো জানেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে’।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শরণদীপ হাওলাদার সন্দীপ (অ.দা) সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিল, ভাউচার ও হিসাব-নিকাশের দায়িত্বে নেই; এ বিষয়ে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই’।
অভিযুক্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অফিসের জন্য মালামাল ক্রয় করা হয়েছে, এখানে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়নি। তবে একজন কর্মচারী প্রশাসনিক কারণে বদলী করা হয়েছে। তিনি পুনরায় আসতে চাচ্ছেন; এ কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচরিতার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৪০ জন মাঠকর্মীরা নানা অভিযোগ তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে মাঠকর্মীদের বিভিন্ন কারণে অকারণে হয়রানি করছেন। তিনি বিভিন্ন অজুহতে মাঠকর্মীদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে তাদের ফাইল আটকে হয়রানি করছেন। তাকে খুশি করতে পারলেই বৈধ-অবৈধ সব ঠিক হয়ে যায়।
কর্মচারীরা নিজের পারিশ্রমিকের বিল দাখিল করলে যেমন ভ্রমণ ভাতা বিল পেতে হলে তাকে ৩৫% হারে কমিশন দিতে হয়। না হলে তাদের ভ্রমণভাতা বিল পাশ হয় না।
২৪-২৫ গত অর্থ বছরের অফিসের অসবাবপত্র ক্রয় বাবদ সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি মাঠকর্মীদের অভিযোগের পরে একটি চেয়ার ও দুটি পর্দা কিনে অসবাবপত্রের সকল টাকা আত্মসাৎ করেন।
স্থায়ীকরণ আদেশ জেলা কর্মকর্তার নির্দেশ থাকলেও তার চাহিদামতো অর্থ প্রদান না করলে তার আদেশ সার্ভিস বুকের মাধ্যমে উঠানো হয় না। নির্ধারিত ফি পেলেই তিনি তখন সার্ভিস বুক তুলে দেন।
নিরাপত্তা প্রহরী শাহ আলম নামের এক কর্মচারী লাম্পগ্রান্ড ও জিপিএফ কাগজপত্র তৈরির নামে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। ওই কর্মচারী অর্ধ লক্ষ টাকা প্রদান করলেও বাকী টাকার জন্য দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের চাপে পড়ে বিল প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী মাঠকর্মীরা অভিযোগ করেন, উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এ উপজেলায় যোগদানের পর তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প ও বিভিন্ন ইউনিয়নে পাক্ষিক সভার নামে সেখানে উপজেলার সকল স্টাফদের দুপুরে লাঞ্চ করার চাপ প্রয়োগ করেন।
লাঞ্চের জন্য তার নির্ধারিত আইটেমের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়, যেখানে ১০-১২ আইটেমের ভর্তা, মাছ, মুরগী, হাঁস, খাশির মাংস ও লেগ পিস সাইজে বড় হতে হবে বাধ্যতামূলক। ইউনিয়নের এসব খাবারের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিদর্শককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিদর্শক ও সকল মাঠকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে এই খাবারের আয়োজনের নির্দেশ দেন।
চার সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাসে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা হল রুমে উপজেলা মাসিক সভায় তিনি সকল মাঠকর্মী ও কর্মচারীদের হুমকি প্রদান করে বলেন, ‘যাঁরা মাসিক চাঁদা দেবেন না তারা পেনশন নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন না’। হল রুমে বসে স্টাফরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি মাইক ছুড়ে ফেলে দেন। যা সকল কর্মচারী দেখেছেন ও ভিডিও করে রেখেছেন।
২৪-২৫ অর্থ বছরের কোন কিছু না কিনে শুধু কাগজ কলমে ভাউচার দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। স্থায়ী পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির টাকা-পয়সা নিয়ে মাঠকর্মীদের হয়রানি ও কর্মচারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছেন।
উপজেলার তেলিখালী পরিদর্শক সোহাগ হাওলাদার চাকুরি বাণিজ্য করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ভিটাবাড়ীয়ার পরিদর্শক আবদুল মতিন কর্মকর্তার চাহিদা পূরণের জন্য কর্মচারীদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে টাকা তুলে দেন, তিনি আদায়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভিটাবাড়ীয়া পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আয়া সালমা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আ. মতিনের হাতে লঞ্চিত হয় ওই আয়া। এ দুই পরিদর্শক দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস সহকারী ও কর্মকর্তার সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে দুইজন কর্মকর্তা আছেন, তারা আমার বিষয়ে ভালো জানেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে’।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শরণদীপ হাওলাদার সন্দীপ (অ.দা) সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিল, ভাউচার ও হিসাব-নিকাশের দায়িত্বে নেই; এ বিষয়ে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই’।
অভিযুক্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অফিসের জন্য মালামাল ক্রয় করা হয়েছে, এখানে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়নি। তবে একজন কর্মচারী প্রশাসনিক কারণে বদলী করা হয়েছে। তিনি পুনরায় আসতে চাচ্ছেন; এ কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় স্মার্ট ফোন চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ২টি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সেউতিবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরের নাম জাকারিয়া (১৭)। সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে শনিবার দুপুরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি স্মার্ট ফোন ও কিছু নগদ টাকা চুরি হয়।
এ সময় স্থানীয়রা ওই কিশোরকে সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্ট ফোন এবং টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় কিছু লোক গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, ওই কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্থানীয় কিছু লোক মারধর করছেন। এ সময় চুরির কথা স্বীকার করে ওই কিশোর। এরপর কিশোরটির মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কিশোর জাকারিয়া এর আগেও বিভিন্ন চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে। চোর পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘরের মালিক জসিমের সন্দেহ হলে চোরকে আটক করেন।
এ সময় ওই চোরের কাছ থেকে চুরি যাওয়া ফোন দুটি পাওয়া যায়। এর আগেও দুটি ঘরে চুরি করে বলে স্বীকারোক্তি দেয় অভিযুক্ত জাকারিয়া।
সেউতিবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ হোসেন জানান, স্থানীয় জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে যাওয়ার সময় সন্দেহজনকভাবে ওই চোরকে আটক করেন। এ সময় চোরের কাছ থেকে দুটি ফোন উদ্ধার করা হয়, তখন স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে চোরকে মারধর করেন। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকায় এ রকম চুরির ঘটনা ঘটছে। এসব চোরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় স্মার্ট ফোন চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ২টি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সেউতিবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরের নাম জাকারিয়া (১৭)। সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে শনিবার দুপুরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি স্মার্ট ফোন ও কিছু নগদ টাকা চুরি হয়।
এ সময় স্থানীয়রা ওই কিশোরকে সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্ট ফোন এবং টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় কিছু লোক গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, ওই কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্থানীয় কিছু লোক মারধর করছেন। এ সময় চুরির কথা স্বীকার করে ওই কিশোর। এরপর কিশোরটির মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কিশোর জাকারিয়া এর আগেও বিভিন্ন চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে। চোর পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘরের মালিক জসিমের সন্দেহ হলে চোরকে আটক করেন।
এ সময় ওই চোরের কাছ থেকে চুরি যাওয়া ফোন দুটি পাওয়া যায়। এর আগেও দুটি ঘরে চুরি করে বলে স্বীকারোক্তি দেয় অভিযুক্ত জাকারিয়া।
সেউতিবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ হোসেন জানান, স্থানীয় জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে যাওয়ার সময় সন্দেহজনকভাবে ওই চোরকে আটক করেন। এ সময় চোরের কাছ থেকে দুটি ফোন উদ্ধার করা হয়, তখন স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে চোরকে মারধর করেন। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকায় এ রকম চুরির ঘটনা ঘটছে। এসব চোরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩০
পিরোজপুরের নেছারাবাদ শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক প্রস্তাব (সমকামিতা) দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার মাহমুদকাঠি বাজারের একটি রেন্ট-এ-কার অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
লিখিত বক্তব্যে কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল সভাপতি আরিফুল ইসলাম মোল্লা মেয়েদের নামে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যোগাযোগ করতেন। পরে তাদের সমকামিতার প্রস্তাব দিতেন।
তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে জোরপূর্বক সমকামিতার চেষ্টাও করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তারা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন ফারদিন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. ইশতিয়াক অভিযোগ করেন, আরিফুল ইসলাম মোল্লা বিভিন্ন ভুয়া আইডির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তিকে সমকামিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত মেসেঞ্জারে কথোপকথনের স্ক্রিনশট তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অপর এক ছাত্রনেতা মো. আরিফুল ইসলাম মুবিন অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি থেকে আরিফুল ইসলাম মোল্লার ছবি ব্যবহার করে তাকে সমকামিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই আইডিটি আরিফুল ইসলাম মোল্লার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কথিত স্ক্রিনশট ও অন্যান্য উপকরণ এআই বা প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জিয়াউল হক সজীব বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। ছাত্রদলের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে বিশ্বাস করি না। অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদ শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক প্রস্তাব (সমকামিতা) দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার মাহমুদকাঠি বাজারের একটি রেন্ট-এ-কার অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
লিখিত বক্তব্যে কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল সভাপতি আরিফুল ইসলাম মোল্লা মেয়েদের নামে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যোগাযোগ করতেন। পরে তাদের সমকামিতার প্রস্তাব দিতেন।
তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে জোরপূর্বক সমকামিতার চেষ্টাও করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তারা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন ফারদিন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. ইশতিয়াক অভিযোগ করেন, আরিফুল ইসলাম মোল্লা বিভিন্ন ভুয়া আইডির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তিকে সমকামিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত মেসেঞ্জারে কথোপকথনের স্ক্রিনশট তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অপর এক ছাত্রনেতা মো. আরিফুল ইসলাম মুবিন অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি থেকে আরিফুল ইসলাম মোল্লার ছবি ব্যবহার করে তাকে সমকামিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই আইডিটি আরিফুল ইসলাম মোল্লার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কথিত স্ক্রিনশট ও অন্যান্য উপকরণ এআই বা প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জিয়াউল হক সজীব বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। ছাত্রদলের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে বিশ্বাস করি না। অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো. ইউনুস আকনের ছেলে মো. কামরুল আকন ও চরকখালী গ্রামের মো. টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার। এ মামলায় আরেক আসামি মো. ইউসুফ আকনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে আসামি কামরুল, সোহাগ ও ইউসুফসহ আরো ২/৩ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার ও ইউসুফ আকনসহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে কামরুল আকন ও সোহাগ দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এ রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি আবুল কালাম আকন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো. ইউনুস আকনের ছেলে মো. কামরুল আকন ও চরকখালী গ্রামের মো. টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার। এ মামলায় আরেক আসামি মো. ইউসুফ আকনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে আসামি কামরুল, সোহাগ ও ইউসুফসহ আরো ২/৩ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার ও ইউসুফ আকনসহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে কামরুল আকন ও সোহাগ দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এ রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি আবুল কালাম আকন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।’