
০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:০৪
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচরিতার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৪০ জন মাঠকর্মীরা নানা অভিযোগ তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে মাঠকর্মীদের বিভিন্ন কারণে অকারণে হয়রানি করছেন। তিনি বিভিন্ন অজুহতে মাঠকর্মীদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে তাদের ফাইল আটকে হয়রানি করছেন। তাকে খুশি করতে পারলেই বৈধ-অবৈধ সব ঠিক হয়ে যায়।
কর্মচারীরা নিজের পারিশ্রমিকের বিল দাখিল করলে যেমন ভ্রমণ ভাতা বিল পেতে হলে তাকে ৩৫% হারে কমিশন দিতে হয়। না হলে তাদের ভ্রমণভাতা বিল পাশ হয় না।
২৪-২৫ গত অর্থ বছরের অফিসের অসবাবপত্র ক্রয় বাবদ সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি মাঠকর্মীদের অভিযোগের পরে একটি চেয়ার ও দুটি পর্দা কিনে অসবাবপত্রের সকল টাকা আত্মসাৎ করেন।
স্থায়ীকরণ আদেশ জেলা কর্মকর্তার নির্দেশ থাকলেও তার চাহিদামতো অর্থ প্রদান না করলে তার আদেশ সার্ভিস বুকের মাধ্যমে উঠানো হয় না। নির্ধারিত ফি পেলেই তিনি তখন সার্ভিস বুক তুলে দেন।
নিরাপত্তা প্রহরী শাহ আলম নামের এক কর্মচারী লাম্পগ্রান্ড ও জিপিএফ কাগজপত্র তৈরির নামে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। ওই কর্মচারী অর্ধ লক্ষ টাকা প্রদান করলেও বাকী টাকার জন্য দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের চাপে পড়ে বিল প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী মাঠকর্মীরা অভিযোগ করেন, উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এ উপজেলায় যোগদানের পর তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প ও বিভিন্ন ইউনিয়নে পাক্ষিক সভার নামে সেখানে উপজেলার সকল স্টাফদের দুপুরে লাঞ্চ করার চাপ প্রয়োগ করেন।
লাঞ্চের জন্য তার নির্ধারিত আইটেমের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়, যেখানে ১০-১২ আইটেমের ভর্তা, মাছ, মুরগী, হাঁস, খাশির মাংস ও লেগ পিস সাইজে বড় হতে হবে বাধ্যতামূলক। ইউনিয়নের এসব খাবারের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিদর্শককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিদর্শক ও সকল মাঠকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে এই খাবারের আয়োজনের নির্দেশ দেন।
চার সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাসে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা হল রুমে উপজেলা মাসিক সভায় তিনি সকল মাঠকর্মী ও কর্মচারীদের হুমকি প্রদান করে বলেন, ‘যাঁরা মাসিক চাঁদা দেবেন না তারা পেনশন নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন না’। হল রুমে বসে স্টাফরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি মাইক ছুড়ে ফেলে দেন। যা সকল কর্মচারী দেখেছেন ও ভিডিও করে রেখেছেন।
২৪-২৫ অর্থ বছরের কোন কিছু না কিনে শুধু কাগজ কলমে ভাউচার দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। স্থায়ী পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির টাকা-পয়সা নিয়ে মাঠকর্মীদের হয়রানি ও কর্মচারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছেন।
উপজেলার তেলিখালী পরিদর্শক সোহাগ হাওলাদার চাকুরি বাণিজ্য করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ভিটাবাড়ীয়ার পরিদর্শক আবদুল মতিন কর্মকর্তার চাহিদা পূরণের জন্য কর্মচারীদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে টাকা তুলে দেন, তিনি আদায়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভিটাবাড়ীয়া পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আয়া সালমা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আ. মতিনের হাতে লঞ্চিত হয় ওই আয়া। এ দুই পরিদর্শক দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস সহকারী ও কর্মকর্তার সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে দুইজন কর্মকর্তা আছেন, তারা আমার বিষয়ে ভালো জানেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে’।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শরণদীপ হাওলাদার সন্দীপ (অ.দা) সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিল, ভাউচার ও হিসাব-নিকাশের দায়িত্বে নেই; এ বিষয়ে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই’।
অভিযুক্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অফিসের জন্য মালামাল ক্রয় করা হয়েছে, এখানে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়নি। তবে একজন কর্মচারী প্রশাসনিক কারণে বদলী করা হয়েছে। তিনি পুনরায় আসতে চাচ্ছেন; এ কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচরিতার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৪০ জন মাঠকর্মীরা নানা অভিযোগ তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে মাঠকর্মীদের বিভিন্ন কারণে অকারণে হয়রানি করছেন। তিনি বিভিন্ন অজুহতে মাঠকর্মীদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে তাদের ফাইল আটকে হয়রানি করছেন। তাকে খুশি করতে পারলেই বৈধ-অবৈধ সব ঠিক হয়ে যায়।
কর্মচারীরা নিজের পারিশ্রমিকের বিল দাখিল করলে যেমন ভ্রমণ ভাতা বিল পেতে হলে তাকে ৩৫% হারে কমিশন দিতে হয়। না হলে তাদের ভ্রমণভাতা বিল পাশ হয় না।
২৪-২৫ গত অর্থ বছরের অফিসের অসবাবপত্র ক্রয় বাবদ সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি মাঠকর্মীদের অভিযোগের পরে একটি চেয়ার ও দুটি পর্দা কিনে অসবাবপত্রের সকল টাকা আত্মসাৎ করেন।
স্থায়ীকরণ আদেশ জেলা কর্মকর্তার নির্দেশ থাকলেও তার চাহিদামতো অর্থ প্রদান না করলে তার আদেশ সার্ভিস বুকের মাধ্যমে উঠানো হয় না। নির্ধারিত ফি পেলেই তিনি তখন সার্ভিস বুক তুলে দেন।
নিরাপত্তা প্রহরী শাহ আলম নামের এক কর্মচারী লাম্পগ্রান্ড ও জিপিএফ কাগজপত্র তৈরির নামে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। ওই কর্মচারী অর্ধ লক্ষ টাকা প্রদান করলেও বাকী টাকার জন্য দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের চাপে পড়ে বিল প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী মাঠকর্মীরা অভিযোগ করেন, উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এ উপজেলায় যোগদানের পর তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প ও বিভিন্ন ইউনিয়নে পাক্ষিক সভার নামে সেখানে উপজেলার সকল স্টাফদের দুপুরে লাঞ্চ করার চাপ প্রয়োগ করেন।
লাঞ্চের জন্য তার নির্ধারিত আইটেমের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়, যেখানে ১০-১২ আইটেমের ভর্তা, মাছ, মুরগী, হাঁস, খাশির মাংস ও লেগ পিস সাইজে বড় হতে হবে বাধ্যতামূলক। ইউনিয়নের এসব খাবারের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিদর্শককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিদর্শক ও সকল মাঠকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে এই খাবারের আয়োজনের নির্দেশ দেন।
চার সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাসে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা হল রুমে উপজেলা মাসিক সভায় তিনি সকল মাঠকর্মী ও কর্মচারীদের হুমকি প্রদান করে বলেন, ‘যাঁরা মাসিক চাঁদা দেবেন না তারা পেনশন নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন না’। হল রুমে বসে স্টাফরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি মাইক ছুড়ে ফেলে দেন। যা সকল কর্মচারী দেখেছেন ও ভিডিও করে রেখেছেন।
২৪-২৫ অর্থ বছরের কোন কিছু না কিনে শুধু কাগজ কলমে ভাউচার দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। স্থায়ী পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির টাকা-পয়সা নিয়ে মাঠকর্মীদের হয়রানি ও কর্মচারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছেন।
উপজেলার তেলিখালী পরিদর্শক সোহাগ হাওলাদার চাকুরি বাণিজ্য করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ভিটাবাড়ীয়ার পরিদর্শক আবদুল মতিন কর্মকর্তার চাহিদা পূরণের জন্য কর্মচারীদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে টাকা তুলে দেন, তিনি আদায়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভিটাবাড়ীয়া পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আয়া সালমা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আ. মতিনের হাতে লঞ্চিত হয় ওই আয়া। এ দুই পরিদর্শক দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস সহকারী ও কর্মকর্তার সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে দুইজন কর্মকর্তা আছেন, তারা আমার বিষয়ে ভালো জানেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে’।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শরণদীপ হাওলাদার সন্দীপ (অ.দা) সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিল, ভাউচার ও হিসাব-নিকাশের দায়িত্বে নেই; এ বিষয়ে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই’।
অভিযুক্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অফিসের জন্য মালামাল ক্রয় করা হয়েছে, এখানে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়নি। তবে একজন কর্মচারী প্রশাসনিক কারণে বদলী করা হয়েছে। তিনি পুনরায় আসতে চাচ্ছেন; এ কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:৪৯
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় কচা নদীতে ডুবন্ত জাহাজের ভেতর থেকে মো. আব্দুল্লাহ পশারী (২২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরসংলগ্ন কচা নদীতে ডুবে থাকা এমভি গ্রীন এসট্রল-১ নামের একটি জাহাজের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল্লাহ পাড়েরহাট ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের আলাল পশারীর ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তার ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা। পরে তাঁর বড় ভাই রানা পশারী ১৩ জুন জিয়ানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রানা পশারী বলেন, ‘তিন দিন ধরে আমার ভাই নিখোঁজ ছিল। থানায় জিডিও করেছিলাম। সে কীভাবে ওই জাহাজের কাছে গেল, তা বুঝতে পারছি না। এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বোঝা যাবে।’
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বলেন, জিডির ভিত্তিতে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা চাওয়া হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা জাহাজের ভেতর থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় কচা নদীতে ডুবন্ত জাহাজের ভেতর থেকে মো. আব্দুল্লাহ পশারী (২২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
রোববার (১৪ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরসংলগ্ন কচা নদীতে ডুবে থাকা এমভি গ্রীন এসট্রল-১ নামের একটি জাহাজের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্দুল্লাহ পাড়েরহাট ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের আলাল পশারীর ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তিন দিন ধরে আব্দুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দর এলাকায় ডুবন্ত জাহাজটির পাশে একটি ডিঙি নৌকায় তার ব্যবহৃত জুতা এবং জাহাজের সিঁড়িতে মোবাইল ফোন দেখতে পান স্বজনেরা। পরে তাঁর বড় ভাই রানা পশারী ১৩ জুন জিয়ানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রানা পশারী বলেন, ‘তিন দিন ধরে আমার ভাই নিখোঁজ ছিল। থানায় জিডিও করেছিলাম। সে কীভাবে ওই জাহাজের কাছে গেল, তা বুঝতে পারছি না। এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বোঝা যাবে।’
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বলেন, জিডির ভিত্তিতে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা চাওয়া হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ডুবে থাকা জাহাজের ভেতর থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:৪০
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মাদ্রা ঝালকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বেড়া নির্মাণ এবং বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মেহগনিগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. তৈয়ব হোসেনের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সামনে গাছ কাটার কাজ চলতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের নামে দুটি দলিলে মোট ৫৪ শতাংশ জমি রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের ভোগদখলে থাকা মাঠের একটি অংশ দখল করে সেখানে বেড়া দিয়েছেন তৈয়ব হোসেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের রোপণ করা সাতটি বড় মেহগনিগাছ কেটে নিচ্ছেন তিনি।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির বলেন, বিদ্যালয়ের সামনে থাকা মাঠের প্রায় অর্ধেক অংশ দখল করে বেড়া দেওয়া হয়েছে। গাছও কেটে নেওয়া হচ্ছে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। যদি তাঁর (তৈয়ব হোসেন) জমির দাবি থাকে, তাহলে সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমি মেপে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান বলেন, জমিটি বিদ্যালয়ের নামে। তিনি (তৈয়ব হোসেন) দাবি করছেন মামলার মাধ্যমে জমি পেয়েছেন। যদি সত্যিই রায় পেয়ে থাকেন, তাহলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি প্রভাব খাঁটিয়ে গাছ কেটে নিচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘আমি আদালতের মাধ্যমে এই জমি পেয়েছি। তাই আমার জমির গাছ আমি কাটছি।’ বিদ্যালয়ের পাশের বাসিন্দা লিটন হোসেন বলেন, ‘একসময় তৈয়ব হোসেন বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে চেয়েছিলেন। পরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রতিবাদ করায় স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছিলেন। এখন তিনি বিদ্যালয়ের জমি দখল করে গাছ কাটছেন।’
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘বিষয়টি এইমাত্র শুনলাম। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মাদ্রা ঝালকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বেড়া নির্মাণ এবং বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মেহগনিগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. তৈয়ব হোসেনের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সামনে গাছ কাটার কাজ চলতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের নামে দুটি দলিলে মোট ৫৪ শতাংশ জমি রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের ভোগদখলে থাকা মাঠের একটি অংশ দখল করে সেখানে বেড়া দিয়েছেন তৈয়ব হোসেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের রোপণ করা সাতটি বড় মেহগনিগাছ কেটে নিচ্ছেন তিনি।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. হুমাউন কবির বলেন, বিদ্যালয়ের সামনে থাকা মাঠের প্রায় অর্ধেক অংশ দখল করে বেড়া দেওয়া হয়েছে। গাছও কেটে নেওয়া হচ্ছে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। যদি তাঁর (তৈয়ব হোসেন) জমির দাবি থাকে, তাহলে সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জমি মেপে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়ের শুভাকাঙ্ক্ষী মো. মিজানুর রহমান বলেন, জমিটি বিদ্যালয়ের নামে। তিনি (তৈয়ব হোসেন) দাবি করছেন মামলার মাধ্যমে জমি পেয়েছেন। যদি সত্যিই রায় পেয়ে থাকেন, তাহলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। কিন্তু তিনি প্রভাব খাঁটিয়ে গাছ কেটে নিচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘আমি আদালতের মাধ্যমে এই জমি পেয়েছি। তাই আমার জমির গাছ আমি কাটছি।’ বিদ্যালয়ের পাশের বাসিন্দা লিটন হোসেন বলেন, ‘একসময় তৈয়ব হোসেন বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে চেয়েছিলেন। পরে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রতিবাদ করায় স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধেও মামলা দিয়েছিলেন। এখন তিনি বিদ্যালয়ের জমি দখল করে গাছ কাটছেন।’
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গাছগুলো বিদ্যালয় থেকেই রোপণ করা হয়েছিল এবং জমিটিও বিদ্যালয়ের দখলে ছিল। যদি তৈয়ব হোসেন মামলায় জমি পেয়ে থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ে জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করা উচিত ছিল। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘বিষয়টি এইমাত্র শুনলাম। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৮
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.