Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:০৪
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচরিতার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৪০ জন মাঠকর্মীরা নানা অভিযোগ তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে মাঠকর্মীদের বিভিন্ন কারণে অকারণে হয়রানি করছেন। তিনি বিভিন্ন অজুহতে মাঠকর্মীদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে তাদের ফাইল আটকে হয়রানি করছেন। তাকে খুশি করতে পারলেই বৈধ-অবৈধ সব ঠিক হয়ে যায়।
কর্মচারীরা নিজের পারিশ্রমিকের বিল দাখিল করলে যেমন ভ্রমণ ভাতা বিল পেতে হলে তাকে ৩৫% হারে কমিশন দিতে হয়। না হলে তাদের ভ্রমণভাতা বিল পাশ হয় না।
২৪-২৫ গত অর্থ বছরের অফিসের অসবাবপত্র ক্রয় বাবদ সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি মাঠকর্মীদের অভিযোগের পরে একটি চেয়ার ও দুটি পর্দা কিনে অসবাবপত্রের সকল টাকা আত্মসাৎ করেন।
স্থায়ীকরণ আদেশ জেলা কর্মকর্তার নির্দেশ থাকলেও তার চাহিদামতো অর্থ প্রদান না করলে তার আদেশ সার্ভিস বুকের মাধ্যমে উঠানো হয় না। নির্ধারিত ফি পেলেই তিনি তখন সার্ভিস বুক তুলে দেন।
নিরাপত্তা প্রহরী শাহ আলম নামের এক কর্মচারী লাম্পগ্রান্ড ও জিপিএফ কাগজপত্র তৈরির নামে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। ওই কর্মচারী অর্ধ লক্ষ টাকা প্রদান করলেও বাকী টাকার জন্য দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের চাপে পড়ে বিল প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী মাঠকর্মীরা অভিযোগ করেন, উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এ উপজেলায় যোগদানের পর তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প ও বিভিন্ন ইউনিয়নে পাক্ষিক সভার নামে সেখানে উপজেলার সকল স্টাফদের দুপুরে লাঞ্চ করার চাপ প্রয়োগ করেন।
লাঞ্চের জন্য তার নির্ধারিত আইটেমের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়, যেখানে ১০-১২ আইটেমের ভর্তা, মাছ, মুরগী, হাঁস, খাশির মাংস ও লেগ পিস সাইজে বড় হতে হবে বাধ্যতামূলক। ইউনিয়নের এসব খাবারের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিদর্শককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিদর্শক ও সকল মাঠকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে এই খাবারের আয়োজনের নির্দেশ দেন।
চার সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাসে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা হল রুমে উপজেলা মাসিক সভায় তিনি সকল মাঠকর্মী ও কর্মচারীদের হুমকি প্রদান করে বলেন, ‘যাঁরা মাসিক চাঁদা দেবেন না তারা পেনশন নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন না’। হল রুমে বসে স্টাফরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি মাইক ছুড়ে ফেলে দেন। যা সকল কর্মচারী দেখেছেন ও ভিডিও করে রেখেছেন।
২৪-২৫ অর্থ বছরের কোন কিছু না কিনে শুধু কাগজ কলমে ভাউচার দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। স্থায়ী পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির টাকা-পয়সা নিয়ে মাঠকর্মীদের হয়রানি ও কর্মচারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছেন।
উপজেলার তেলিখালী পরিদর্শক সোহাগ হাওলাদার চাকুরি বাণিজ্য করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ভিটাবাড়ীয়ার পরিদর্শক আবদুল মতিন কর্মকর্তার চাহিদা পূরণের জন্য কর্মচারীদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে টাকা তুলে দেন, তিনি আদায়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভিটাবাড়ীয়া পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আয়া সালমা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আ. মতিনের হাতে লঞ্চিত হয় ওই আয়া। এ দুই পরিদর্শক দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস সহকারী ও কর্মকর্তার সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে দুইজন কর্মকর্তা আছেন, তারা আমার বিষয়ে ভালো জানেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে’।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শরণদীপ হাওলাদার সন্দীপ (অ.দা) সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিল, ভাউচার ও হিসাব-নিকাশের দায়িত্বে নেই; এ বিষয়ে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই’।
অভিযুক্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অফিসের জন্য মালামাল ক্রয় করা হয়েছে, এখানে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়নি। তবে একজন কর্মচারী প্রশাসনিক কারণে বদলী করা হয়েছে। তিনি পুনরায় আসতে চাচ্ছেন; এ কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এবং পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচরিতার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৪০ জন মাঠকর্মীরা নানা অভিযোগ তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে মাঠকর্মীদের বিভিন্ন কারণে অকারণে হয়রানি করছেন। তিনি বিভিন্ন অজুহতে মাঠকর্মীদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে তাদের ফাইল আটকে হয়রানি করছেন। তাকে খুশি করতে পারলেই বৈধ-অবৈধ সব ঠিক হয়ে যায়।
কর্মচারীরা নিজের পারিশ্রমিকের বিল দাখিল করলে যেমন ভ্রমণ ভাতা বিল পেতে হলে তাকে ৩৫% হারে কমিশন দিতে হয়। না হলে তাদের ভ্রমণভাতা বিল পাশ হয় না।
২৪-২৫ গত অর্থ বছরের অফিসের অসবাবপত্র ক্রয় বাবদ সকল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি মাঠকর্মীদের অভিযোগের পরে একটি চেয়ার ও দুটি পর্দা কিনে অসবাবপত্রের সকল টাকা আত্মসাৎ করেন।
স্থায়ীকরণ আদেশ জেলা কর্মকর্তার নির্দেশ থাকলেও তার চাহিদামতো অর্থ প্রদান না করলে তার আদেশ সার্ভিস বুকের মাধ্যমে উঠানো হয় না। নির্ধারিত ফি পেলেই তিনি তখন সার্ভিস বুক তুলে দেন।
নিরাপত্তা প্রহরী শাহ আলম নামের এক কর্মচারী লাম্পগ্রান্ড ও জিপিএফ কাগজপত্র তৈরির নামে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। ওই কর্মচারী অর্ধ লক্ষ টাকা প্রদান করলেও বাকী টাকার জন্য দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের চাপে পড়ে বিল প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী মাঠকর্মীরা অভিযোগ করেন, উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালদার এ উপজেলায় যোগদানের পর তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প ও বিভিন্ন ইউনিয়নে পাক্ষিক সভার নামে সেখানে উপজেলার সকল স্টাফদের দুপুরে লাঞ্চ করার চাপ প্রয়োগ করেন।
লাঞ্চের জন্য তার নির্ধারিত আইটেমের খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়, যেখানে ১০-১২ আইটেমের ভর্তা, মাছ, মুরগী, হাঁস, খাশির মাংস ও লেগ পিস সাইজে বড় হতে হবে বাধ্যতামূলক। ইউনিয়নের এসব খাবারের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিদর্শককে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিদর্শক ও সকল মাঠকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে এই খাবারের আয়োজনের নির্দেশ দেন।
চার সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাসে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা হল রুমে উপজেলা মাসিক সভায় তিনি সকল মাঠকর্মী ও কর্মচারীদের হুমকি প্রদান করে বলেন, ‘যাঁরা মাসিক চাঁদা দেবেন না তারা পেনশন নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন না’। হল রুমে বসে স্টাফরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি মাইক ছুড়ে ফেলে দেন। যা সকল কর্মচারী দেখেছেন ও ভিডিও করে রেখেছেন।
২৪-২৫ অর্থ বছরের কোন কিছু না কিনে শুধু কাগজ কলমে ভাউচার দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। স্থায়ী পদ্ধতি ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির টাকা-পয়সা নিয়ে মাঠকর্মীদের হয়রানি ও কর্মচারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছেন।
উপজেলার তেলিখালী পরিদর্শক সোহাগ হাওলাদার চাকুরি বাণিজ্য করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ভিটাবাড়ীয়ার পরিদর্শক আবদুল মতিন কর্মকর্তার চাহিদা পূরণের জন্য কর্মচারীদের কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে টাকা তুলে দেন, তিনি আদায়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ভিটাবাড়ীয়া পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আয়া সালমা বেগম চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আ. মতিনের হাতে লঞ্চিত হয় ওই আয়া। এ দুই পরিদর্শক দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস সহকারী ও কর্মকর্তার সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন।
পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হাসিনা খানম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে দুইজন কর্মকর্তা আছেন, তারা আমার বিষয়ে ভালো জানেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে’।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. শরণদীপ হাওলাদার সন্দীপ (অ.দা) সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিল, ভাউচার ও হিসাব-নিকাশের দায়িত্বে নেই; এ বিষয়ে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই’।
অভিযুক্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা শিল্পী হালদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অফিসের জন্য মালামাল ক্রয় করা হয়েছে, এখানে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম হয়নি। তবে একজন কর্মচারী প্রশাসনিক কারণে বদলী করা হয়েছে। তিনি পুনরায় আসতে চাচ্ছেন; এ কারণে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে পুনরায় আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৫
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫