
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
রংপুর-৩ (মহানগর-সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আর রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এ দুই শীর্ষ নেতা সেখানে ভোট দিতে পারছেন না। কারণ, দুজনই ঢাকার ভোটার তালিকাভুক্ত।
নির্বাচনি হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাসা নং-৯/এ, সড়ক নং-৩৩, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
অন্যদিকে আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে ঢাকার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তার ভোটকেন্দ্র ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন তিনি। তার দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন তাকে সহযোগিতা করেনি।
আখতার হোসেন জানান, ভোটার আবেদনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতেই তার নাম ঢাকার ওই এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ও দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
রংপুর-৩ (মহানগর-সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আর রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এ দুই শীর্ষ নেতা সেখানে ভোট দিতে পারছেন না। কারণ, দুজনই ঢাকার ভোটার তালিকাভুক্ত।
নির্বাচনি হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাসা নং-৯/এ, সড়ক নং-৩৩, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
অন্যদিকে আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে ঢাকার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তার ভোটকেন্দ্র ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন তিনি। তার দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন তাকে সহযোগিতা করেনি।
আখতার হোসেন জানান, ভোটার আবেদনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতেই তার নাম ঢাকার ওই এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ও দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ২২:৩১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’