ঝালকাঠিতে এসএ পরিবহন পার্সেল সার্ভিসের অফিস থেকে ম্যানেজার শেখর বিশ্বাসের (৪৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে অফিসের স্টাফ নাঈম হাসান প্রথমে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
শেখর বিশ্বাস গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মাছকান্দি গ্রামের মৃত শরৎ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। জানা যায়, দীর্ঘ আট বছর ধরে শেখর বিশ্বাস এস.এ পরিবহনের ঝালকাঠি শাখায় কর্মরত ছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি ঝালকাঠিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন।
তার এক ছেলে এক মেয়ে এখানকার স্কুলে পড়াশোনা করে। সম্প্রতি হঠাৎ করে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবার ও স্থানীয়রা বলছেন, বদলির চাপ ও সময় না দেওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শেখর।
শেখরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী বদলির অর্ডার পান। তিনি অফিসে আরও ছয় মাস সময় চেয়েছিলেন, কারণ আমাদের ছেলে-মেয়েরা এখানে পড়াশোনা করছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ রাজি হয়নি। হঠাৎ বদলির চাপে তিনি ভীষণ হতাশ ছিলেন। কোম্পানির ঊর্ধ্বতনদের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
সহকারী ম্যানেজার জাহিদ হাসান বলেন, ভোরে হঠাৎ অফিস থেকে খবর পাই শেখর ভাই নেই। পরে স্টাফ নাঈম ভেতরে গিয়ে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। আমরা হতবাক হয়ে যাই। এটা খুবই কষ্টের ঘটনা।
এসএ পরিবহনের বরিশাল বিভাগীয় অফিসের ম্যানেজার মো. শাহদাত হোসেন বলেন, গত আগস্ট মাসের ২৮ তারিখ শেখর সাহেবের বদলির নোটিশ আসে। এরপর তিনি সময় চেয়ে কোনো আবেদন করেননি। তাছাড়া তিনি এখানে প্রায় আট বছর যাবত কর্মরত ছিলেন। তাই অফিসের নিয়মাবলী মেনেই তাকে বাদলির চিঠি দেয়া হয়েছিল।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৫
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দোকান মালিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে উপজেলার কাঁঠালিয়া কৈখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ‘দোকানটি ছিল আমাদের সংসার চালানোর একমাত্র ভরসা। আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে আবার ব্যবসা শুরু করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুর রব খান মন্টু বলেন, ‘সকালে এসে দেখি দোকানে কিছুই নেই। সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে।’

কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর আগেই আটটি দোকান পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দোকান মালিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে উপজেলার কাঁঠালিয়া কৈখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ‘দোকানটি ছিল আমাদের সংসার চালানোর একমাত্র ভরসা। আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে আবার ব্যবসা শুরু করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুর রব খান মন্টু বলেন, ‘সকালে এসে দেখি দোকানে কিছুই নেই। সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে।’

কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর আগেই আটটি দোকান পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৬
বর্ষা এলেই জমিতে পানি জমে থাকত। আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির জন্য কৃষকদের ছুটতে হতো অন্য উৎসের কাছে। পলি ও মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পাঁচটি খাল দিয়ে ঠিকমতো পানি চলাচল করছিল না। এতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই ভোগান্তিতে ছিলেন কৃষকেরা।
দীর্ঘদিন পর খালগুলো পুনঃখনন করায় সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে কয়েক হাজার কৃষকের মধ্যে। তাঁরা বলছেন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকটও অনেকটা কমবে।
পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন দিয়াকুল ড্রেনেজ উপ প্রকল্পের মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। পাঁচটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ২৫ কিলোমিটার।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন পলি জমে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতো না। ফলে কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকত। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হতো। পুনঃখননের পর খালে পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকেরা দুই ধরনের সমস্যারই সমাধান আশা করছেন।
রাজাপুর এলাকার কৃষক আবদুর রব হাওলাদার বলেন, ‘আগে বৃষ্টি হলে জমির পানি সহজে নামত না। খাল ভরাট থাকায় পানি আটকে থাকত। এখন খাল পুনঃখনন হওয়ায় পানি দ্রুত নামবে। এতে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি কমবে।’
মহাদিপুর এলাকার কৃষক বাদল খান বলেন, সেচের জন্য অনেক সময় বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়েছে। খালে পানি থাকলে সেই খরচ কমবে। সময়মতো জমিতে পানি দেওয়া যাবে। এতে কৃষিকাজ সহজ হবে।
নাগপাড়া এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার খাল সচল হয়েছে। বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত বের হয়ে যাবে, আর শুকনো মৌসুমে সেচের পানিও পাওয়া যাবে। এতে আমরা কৃষকেরা উপকৃত হব।’
দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, পলি জমে খালগুলো দীর্ঘদিন ভরাট থাকায় পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই কৃষকেরা সমস্যায় ছিলেন। পুনঃখননের ফলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রয়োজনের সময় কৃষকেরা সেচের পানি পাবেন এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। তবে এই সুফল ধরে রাখতে খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
পোনাবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান মাস্টার বলেন, কৃষির জন্য পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালগুলো পুনঃখননের ফলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা কমবে। এর সুফল ধরে রাখতে খালগুলো দখল ও ভরাট হওয়া থেকে রক্ষা করা দরকার।
সদর উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী সনজিৎ কুমার বলেন, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কৃষকদের পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেই খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে বর্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। খালগুলোর সুফল দীর্ঘদিন ধরে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ প্রয়োজন।
বর্ষা এলেই জমিতে পানি জমে থাকত। আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির জন্য কৃষকদের ছুটতে হতো অন্য উৎসের কাছে। পলি ও মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পাঁচটি খাল দিয়ে ঠিকমতো পানি চলাচল করছিল না। এতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই ভোগান্তিতে ছিলেন কৃষকেরা।
দীর্ঘদিন পর খালগুলো পুনঃখনন করায় সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে কয়েক হাজার কৃষকের মধ্যে। তাঁরা বলছেন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকটও অনেকটা কমবে।
পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন দিয়াকুল ড্রেনেজ উপ প্রকল্পের মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। পাঁচটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ২৫ কিলোমিটার।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন পলি জমে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতো না। ফলে কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকত। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হতো। পুনঃখননের পর খালে পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকেরা দুই ধরনের সমস্যারই সমাধান আশা করছেন।
রাজাপুর এলাকার কৃষক আবদুর রব হাওলাদার বলেন, ‘আগে বৃষ্টি হলে জমির পানি সহজে নামত না। খাল ভরাট থাকায় পানি আটকে থাকত। এখন খাল পুনঃখনন হওয়ায় পানি দ্রুত নামবে। এতে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি কমবে।’
মহাদিপুর এলাকার কৃষক বাদল খান বলেন, সেচের জন্য অনেক সময় বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়েছে। খালে পানি থাকলে সেই খরচ কমবে। সময়মতো জমিতে পানি দেওয়া যাবে। এতে কৃষিকাজ সহজ হবে।
নাগপাড়া এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার খাল সচল হয়েছে। বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত বের হয়ে যাবে, আর শুকনো মৌসুমে সেচের পানিও পাওয়া যাবে। এতে আমরা কৃষকেরা উপকৃত হব।’
দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, পলি জমে খালগুলো দীর্ঘদিন ভরাট থাকায় পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই কৃষকেরা সমস্যায় ছিলেন। পুনঃখননের ফলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রয়োজনের সময় কৃষকেরা সেচের পানি পাবেন এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। তবে এই সুফল ধরে রাখতে খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
পোনাবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান মাস্টার বলেন, কৃষির জন্য পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালগুলো পুনঃখননের ফলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা কমবে। এর সুফল ধরে রাখতে খালগুলো দখল ও ভরাট হওয়া থেকে রক্ষা করা দরকার।
সদর উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী সনজিৎ কুমার বলেন, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কৃষকদের পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেই খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে বর্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। খালগুলোর সুফল দীর্ঘদিন ধরে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ প্রয়োজন।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:২৫
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় স্ত্রীর ঋণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী খায়রুল ইসলাম পলাশের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজা হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে আঘাত করলে পলাশের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে—চার বছর বয়সী জায়ান ও দুই মাস বয়সী রুকাইয়া।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশ ইসরাত জাহান লিজাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় লিজার কোলে দুই মাস বয়সী রুকাইয়া ও পাশে চার বছর বয়সী জায়ানকে দেখা যায়।
এ ঘটনায় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনের বিরুদ্ধে কাঠালিয়া থানায় হত্যা মামলা করেছেন পলাশের চাচাতো ভাই মিরাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কাঠালিয়া উপজেলার দক্ষিণ আউড়া গ্রামে পলাশের শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ পেশায় একজন ওষুধ ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে। কিছুদিন আগে দ্বিতীয় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে নিয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউড়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফার্মেসিও চালু করেন তিনি।
অনেক দিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। স্বামী পলাশকে না জানিয়ে স্ত্রী লিজা যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি ঋণ গ্রহণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার লিজা ও পলাশের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লিজা প্রথমে হাতুড়ি এবং পরে শাবল দিয়ে পলাশকে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ঝালকাঠির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম সাংবাদিকদের জানান, ইসরাত জাহান লিজাকে গ্রেপ্তার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার সঙ্গে দুটি অবুঝ কন্যাসন্তান রয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় স্ত্রীর ঋণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী খায়রুল ইসলাম পলাশের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজা হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে আঘাত করলে পলাশের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে—চার বছর বয়সী জায়ান ও দুই মাস বয়সী রুকাইয়া।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশ ইসরাত জাহান লিজাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় লিজার কোলে দুই মাস বয়সী রুকাইয়া ও পাশে চার বছর বয়সী জায়ানকে দেখা যায়।
এ ঘটনায় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনের বিরুদ্ধে কাঠালিয়া থানায় হত্যা মামলা করেছেন পলাশের চাচাতো ভাই মিরাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কাঠালিয়া উপজেলার দক্ষিণ আউড়া গ্রামে পলাশের শ্বশুরবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত খায়রুল ইসলাম পলাশ পেশায় একজন ওষুধ ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে। কিছুদিন আগে দ্বিতীয় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজাকে নিয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউড়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফার্মেসিও চালু করেন তিনি।
অনেক দিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। স্বামী পলাশকে না জানিয়ে স্ত্রী লিজা যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি ঋণ গ্রহণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার লিজা ও পলাশের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লিজা প্রথমে হাতুড়ি এবং পরে শাবল দিয়ে পলাশকে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ঝালকাঠির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহ আলম সাংবাদিকদের জানান, ইসরাত জাহান লিজাকে গ্রেপ্তার করে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার সঙ্গে দুটি অবুঝ কন্যাসন্তান রয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:৪১
ঝালকাঠিতে এসএ পরিবহন পার্সেল সার্ভিসের অফিস থেকে ম্যানেজার শেখর বিশ্বাসের (৪৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে অফিসের স্টাফ নাঈম হাসান প্রথমে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
শেখর বিশ্বাস গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মাছকান্দি গ্রামের মৃত শরৎ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। জানা যায়, দীর্ঘ আট বছর ধরে শেখর বিশ্বাস এস.এ পরিবহনের ঝালকাঠি শাখায় কর্মরত ছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি ঝালকাঠিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন।
তার এক ছেলে এক মেয়ে এখানকার স্কুলে পড়াশোনা করে। সম্প্রতি হঠাৎ করে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবার ও স্থানীয়রা বলছেন, বদলির চাপ ও সময় না দেওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শেখর।
শেখরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী বদলির অর্ডার পান। তিনি অফিসে আরও ছয় মাস সময় চেয়েছিলেন, কারণ আমাদের ছেলে-মেয়েরা এখানে পড়াশোনা করছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ রাজি হয়নি। হঠাৎ বদলির চাপে তিনি ভীষণ হতাশ ছিলেন। কোম্পানির ঊর্ধ্বতনদের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
সহকারী ম্যানেজার জাহিদ হাসান বলেন, ভোরে হঠাৎ অফিস থেকে খবর পাই শেখর ভাই নেই। পরে স্টাফ নাঈম ভেতরে গিয়ে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। আমরা হতবাক হয়ে যাই। এটা খুবই কষ্টের ঘটনা।
এসএ পরিবহনের বরিশাল বিভাগীয় অফিসের ম্যানেজার মো. শাহদাত হোসেন বলেন, গত আগস্ট মাসের ২৮ তারিখ শেখর সাহেবের বদলির নোটিশ আসে। এরপর তিনি সময় চেয়ে কোনো আবেদন করেননি। তাছাড়া তিনি এখানে প্রায় আট বছর যাবত কর্মরত ছিলেন। তাই অফিসের নিয়মাবলী মেনেই তাকে বাদলির চিঠি দেয়া হয়েছিল।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫