
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:৪১
ঝালকাঠিতে এসএ পরিবহন পার্সেল সার্ভিসের অফিস থেকে ম্যানেজার শেখর বিশ্বাসের (৪৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে অফিসের স্টাফ নাঈম হাসান প্রথমে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
শেখর বিশ্বাস গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মাছকান্দি গ্রামের মৃত শরৎ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। জানা যায়, দীর্ঘ আট বছর ধরে শেখর বিশ্বাস এস.এ পরিবহনের ঝালকাঠি শাখায় কর্মরত ছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি ঝালকাঠিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন।
তার এক ছেলে এক মেয়ে এখানকার স্কুলে পড়াশোনা করে। সম্প্রতি হঠাৎ করে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবার ও স্থানীয়রা বলছেন, বদলির চাপ ও সময় না দেওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শেখর।
শেখরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী বদলির অর্ডার পান। তিনি অফিসে আরও ছয় মাস সময় চেয়েছিলেন, কারণ আমাদের ছেলে-মেয়েরা এখানে পড়াশোনা করছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ রাজি হয়নি। হঠাৎ বদলির চাপে তিনি ভীষণ হতাশ ছিলেন। কোম্পানির ঊর্ধ্বতনদের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
সহকারী ম্যানেজার জাহিদ হাসান বলেন, ভোরে হঠাৎ অফিস থেকে খবর পাই শেখর ভাই নেই। পরে স্টাফ নাঈম ভেতরে গিয়ে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। আমরা হতবাক হয়ে যাই। এটা খুবই কষ্টের ঘটনা।
এসএ পরিবহনের বরিশাল বিভাগীয় অফিসের ম্যানেজার মো. শাহদাত হোসেন বলেন, গত আগস্ট মাসের ২৮ তারিখ শেখর সাহেবের বদলির নোটিশ আসে। এরপর তিনি সময় চেয়ে কোনো আবেদন করেননি। তাছাড়া তিনি এখানে প্রায় আট বছর যাবত কর্মরত ছিলেন। তাই অফিসের নিয়মাবলী মেনেই তাকে বাদলির চিঠি দেয়া হয়েছিল।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে।
ঝালকাঠিতে এসএ পরিবহন পার্সেল সার্ভিসের অফিস থেকে ম্যানেজার শেখর বিশ্বাসের (৪৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে অফিসের স্টাফ নাঈম হাসান প্রথমে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
শেখর বিশ্বাস গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মাছকান্দি গ্রামের মৃত শরৎ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে। জানা যায়, দীর্ঘ আট বছর ধরে শেখর বিশ্বাস এস.এ পরিবহনের ঝালকাঠি শাখায় কর্মরত ছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি ঝালকাঠিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন।
তার এক ছেলে এক মেয়ে এখানকার স্কুলে পড়াশোনা করে। সম্প্রতি হঠাৎ করে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবার ও স্থানীয়রা বলছেন, বদলির চাপ ও সময় না দেওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন শেখর।
শেখরের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী বদলির অর্ডার পান। তিনি অফিসে আরও ছয় মাস সময় চেয়েছিলেন, কারণ আমাদের ছেলে-মেয়েরা এখানে পড়াশোনা করছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ রাজি হয়নি। হঠাৎ বদলির চাপে তিনি ভীষণ হতাশ ছিলেন। কোম্পানির ঊর্ধ্বতনদের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
সহকারী ম্যানেজার জাহিদ হাসান বলেন, ভোরে হঠাৎ অফিস থেকে খবর পাই শেখর ভাই নেই। পরে স্টাফ নাঈম ভেতরে গিয়ে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। আমরা হতবাক হয়ে যাই। এটা খুবই কষ্টের ঘটনা।
এসএ পরিবহনের বরিশাল বিভাগীয় অফিসের ম্যানেজার মো. শাহদাত হোসেন বলেন, গত আগস্ট মাসের ২৮ তারিখ শেখর সাহেবের বদলির নোটিশ আসে। এরপর তিনি সময় চেয়ে কোনো আবেদন করেননি। তাছাড়া তিনি এখানে প্রায় আট বছর যাবত কর্মরত ছিলেন। তাই অফিসের নিয়মাবলী মেনেই তাকে বাদলির চিঠি দেয়া হয়েছিল।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৫:৫৫
ঝালকাঠির রাজাপুরে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় মো. সিহাব উদ্দীন নামে ব্রাকের এক মাঠ কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার খন্দকার বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিহাব উদ্দীন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের মো. মাকসুদুর রহমানের ছেলে। তিনি ব্রাকের ভান্ডারিয়া শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খন্দকার বাড়ির পাশে খাল খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন খালের পাশ থেকে মহাসড়কে উঠছিল। একই সময় মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন সিহাব উদ্দীন। এ সময় ভেকু মেশিনের সামনের হাতা ঘুরে সিহাবের মাথায় সজোরে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তার হেলমেট ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা নিয়ম না মেনেই কোন সংকেত ছাড়াই ড্রাইভার ভেকু মেশিনটি মহাসড়কে তুলছিলেন। তাদের দাবি, ভেকু ড্রাইভারের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পর ভেকু ড্রাইভার পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির রাজাপুরে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় মো. সিহাব উদ্দীন নামে ব্রাকের এক মাঠ কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার খন্দকার বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিহাব উদ্দীন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের মো. মাকসুদুর রহমানের ছেলে। তিনি ব্রাকের ভান্ডারিয়া শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খন্দকার বাড়ির পাশে খাল খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন খালের পাশ থেকে মহাসড়কে উঠছিল। একই সময় মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন সিহাব উদ্দীন। এ সময় ভেকু মেশিনের সামনের হাতা ঘুরে সিহাবের মাথায় সজোরে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তার হেলমেট ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা নিয়ম না মেনেই কোন সংকেত ছাড়াই ড্রাইভার ভেকু মেশিনটি মহাসড়কে তুলছিলেন। তাদের দাবি, ভেকু ড্রাইভারের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পর ভেকু ড্রাইভার পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.