
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৭
কুড়িগ্রাম-১ সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে। শিশু ও শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করার অভিযোগে এই নোটিশ দেওয়া হয়।
কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সিভিল জজ মুহাম্মদ আয়াজ জামায়াতের ওই প্রার্থীকে শোকজ নোটিশ প্রদান করেন।
জানা যায় , কুড়িগ্রাম-১ দাঁড়িপাল্লা ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মিছিল ও প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন আনোয়ারুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত জনসমক্ষে এলে আলোচনা শুরু হলে তা নির্বাচন প্রশাসনের নজরে আসে।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, শিশু ও শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, নাগেশ্বরী পৌরসভার হাশেম বাজার পশ্চিম পয়রাডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে স্লোগান দেওয়া হয়েছে। সেখানে আপনি (জামায়াত প্রার্থী) স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আপনার উপস্থিততে বিভিন্ন সমাবেশ, মিছিল ও সভায় রঙ্গিন ব্যানার ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরণের কার্যক্রম সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন। এমতাবস্থায় বর্ণিত অভিযোগের প্রেক্ষিত আপনার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে
আগামীকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে কারণ দর্শাতে হবে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম শোকজপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই ভিডিওটি প্রতীক পাওয়ার আগের ছিল। সম্প্রতি কেউ একজন সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শোকজ পত্র পেয়েছি, দেখা যাক সেখানে গিয়ে এর ব্যাখ্যা দেব।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য ও সিভিল জজ মুহাম্মদ আয়াজ জানান, দুইটি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম-১ সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে। শিশু ও শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করার অভিযোগে এই নোটিশ দেওয়া হয়।
কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সিভিল জজ মুহাম্মদ আয়াজ জামায়াতের ওই প্রার্থীকে শোকজ নোটিশ প্রদান করেন।
জানা যায় , কুড়িগ্রাম-১ দাঁড়িপাল্লা ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মিছিল ও প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন আনোয়ারুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত জনসমক্ষে এলে আলোচনা শুরু হলে তা নির্বাচন প্রশাসনের নজরে আসে।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, শিশু ও শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, নাগেশ্বরী পৌরসভার হাশেম বাজার পশ্চিম পয়রাডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে স্লোগান দেওয়া হয়েছে। সেখানে আপনি (জামায়াত প্রার্থী) স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আপনার উপস্থিততে বিভিন্ন সমাবেশ, মিছিল ও সভায় রঙ্গিন ব্যানার ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরণের কার্যক্রম সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন। এমতাবস্থায় বর্ণিত অভিযোগের প্রেক্ষিত আপনার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে
আগামীকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে কারণ দর্শাতে হবে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম শোকজপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই ভিডিওটি প্রতীক পাওয়ার আগের ছিল। সম্প্রতি কেউ একজন সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শোকজ পত্র পেয়েছি, দেখা যাক সেখানে গিয়ে এর ব্যাখ্যা দেব।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য ও সিভিল জজ মুহাম্মদ আয়াজ জানান, দুইটি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.