
০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:৫৯
খুব দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কিছু সংগত কারণে এখনো দেশে ফেরা সম্ভব হয়নি, তবে সময় এসে গেছে। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগির দেশে ফিরব।
সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব বিবিসি বাংলার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়েছে। যেখানে দেশে ফেরা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের আগে দেশে ফেরার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, রাজনীতি যখন করি, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক, নির্বাচনের সঙ্গে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক কর্মীর একটি ওতপ্রত সম্পর্ক।
কাজেই যেখানে একটি প্রত্যাশিত, জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনের সময় কেমন করে দূরে থাকবো? আমি তো আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, ইচ্ছা থাকবে, আগ্রহ থাকবে সেই প্রত্যাশিত যে প্রত্যাশিত নির্বাচন জনগণ চাইছে। সেই প্রত্যাশিত নির্বাচন যখন অনুষ্ঠিত হবে জনগণের সঙ্গে জনগণের মাঝেই থাকবো ইনশাআল্লাহ।
জুলাই আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখি না। জুলাই আন্দোলন বলে যেটি বিখ্যাত বা যেটি সবার কাছে গৃহীত এই আন্দোলনটি সফল হয়েছে জুলাই মাসে। কিন্তু এই আন্দোলনটি প্রেক্ষাপট শুরু হয়েছে কিন্তু বহু বছর আগে থেকে।
তারেক রহমান আরও বলেন, এই আন্দোলনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা, যারা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছে।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট মাসের আন্দোলনে জনগণ সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে। সেদিন শুধু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই মাঠে ছিল না। আমরা দেখেছি সেদিন মাদ্রাসাছাত্ররা ছিলেন আন্দোলনের মাঠে।
আমরা দেখেছি গৃহিনীরা পর্যন্ত রাস্তায় নেমে এসেছেন সন্তানের পেছনে। কৃষক, শ্রমিক, সিএনজিচালক, ছোট দোকান কর্মচারী বা দোকান মালিক থেকে শুরু করে গার্মেন্টস কর্মীরাও নেমে এসেছিলেন। আমরা দেখেছিলাম সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীরাও নেমে এসেছিলেন এই আন্দোলনে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, অনেক সাংবাদিক- যারা স্বৈরাচারের অত্যাচারে নির্যাতিত হয়ে দেশ থেকে বাইরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, তারা সম্পৃক্ত হয়েছিলেন এই আন্দোলনে। ফলে কারো ভূমিকাকেই আমরা ছোট করে দেখতে চাই না। সমাজের দল মত নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের অবদান আছে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড। কোনো দল বা কোনো ব্যক্তি নয়, এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।
খুব দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কিছু সংগত কারণে এখনো দেশে ফেরা সম্ভব হয়নি, তবে সময় এসে গেছে। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগির দেশে ফিরব।
সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব বিবিসি বাংলার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়েছে। যেখানে দেশে ফেরা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনের আগে দেশে ফেরার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, রাজনীতি যখন করি, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক, নির্বাচনের সঙ্গে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক কর্মীর একটি ওতপ্রত সম্পর্ক।
কাজেই যেখানে একটি প্রত্যাশিত, জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনের সময় কেমন করে দূরে থাকবো? আমি তো আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, ইচ্ছা থাকবে, আগ্রহ থাকবে সেই প্রত্যাশিত যে প্রত্যাশিত নির্বাচন জনগণ চাইছে। সেই প্রত্যাশিত নির্বাচন যখন অনুষ্ঠিত হবে জনগণের সঙ্গে জনগণের মাঝেই থাকবো ইনশাআল্লাহ।
জুলাই আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আমাকে কখনোই মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখি না। জুলাই আন্দোলন বলে যেটি বিখ্যাত বা যেটি সবার কাছে গৃহীত এই আন্দোলনটি সফল হয়েছে জুলাই মাসে। কিন্তু এই আন্দোলনটি প্রেক্ষাপট শুরু হয়েছে কিন্তু বহু বছর আগে থেকে।
তারেক রহমান আরও বলেন, এই আন্দোলনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা, যারা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছে।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট মাসের আন্দোলনে জনগণ সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে। সেদিন শুধু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই মাঠে ছিল না। আমরা দেখেছি সেদিন মাদ্রাসাছাত্ররা ছিলেন আন্দোলনের মাঠে।
আমরা দেখেছি গৃহিনীরা পর্যন্ত রাস্তায় নেমে এসেছেন সন্তানের পেছনে। কৃষক, শ্রমিক, সিএনজিচালক, ছোট দোকান কর্মচারী বা দোকান মালিক থেকে শুরু করে গার্মেন্টস কর্মীরাও নেমে এসেছিলেন। আমরা দেখেছিলাম সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মচারীরাও নেমে এসেছিলেন এই আন্দোলনে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, অনেক সাংবাদিক- যারা স্বৈরাচারের অত্যাচারে নির্যাতিত হয়ে দেশ থেকে বাইরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, তারা সম্পৃক্ত হয়েছিলেন এই আন্দোলনে। ফলে কারো ভূমিকাকেই আমরা ছোট করে দেখতে চাই না। সমাজের দল মত নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের অবদান আছে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড। কোনো দল বা কোনো ব্যক্তি নয়, এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৬
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৪
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৮
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন আলোচিত মডেল ও অ্যাক্টিভিস্ট ফারজানা সিঁথি। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নয়াপল্টনে দলটির কার্যালয় থেকে তিনি এ ফরম সংগ্রহ করেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ফারজানা সিঁথি বলেন, ‘আমি অফিসিয়ালি একটি ব্রিফ করবো, তখন বিস্তারিত জানাবো। নড়াইল-২ আসন থেকে ফরম নিয়েছি। আমি আশাবাদী, চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন পাবো।’
যশোরের বাসিন্দা ফারজানা সিঁথি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট, বাংলাদেশ’-এর বরগুনা সদর শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট শাহবাগ থানার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে।
তিনি জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের একটি মিউজিক ভিডিওর মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। গানটির শিরোনাম ‘ইচ্ছেরা’ (বাংলা সংস্করণ) এবং হিন্দি সংস্করণের শিরোনাম ‘বেপানা দিল’। বর্তমানে তাকে অনেকেই অ্যাক্টিভিস্ট ও মডেল উভয় পরিচয়েই চেনেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন আলোচিত মডেল ও অ্যাক্টিভিস্ট ফারজানা সিঁথি। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নয়াপল্টনে দলটির কার্যালয় থেকে তিনি এ ফরম সংগ্রহ করেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ফারজানা সিঁথি বলেন, ‘আমি অফিসিয়ালি একটি ব্রিফ করবো, তখন বিস্তারিত জানাবো। নড়াইল-২ আসন থেকে ফরম নিয়েছি। আমি আশাবাদী, চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন পাবো।’
যশোরের বাসিন্দা ফারজানা সিঁথি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট, বাংলাদেশ’-এর বরগুনা সদর শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
এর আগে ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট শাহবাগ থানার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে।
তিনি জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের একটি মিউজিক ভিডিওর মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। গানটির শিরোনাম ‘ইচ্ছেরা’ (বাংলা সংস্করণ) এবং হিন্দি সংস্করণের শিরোনাম ‘বেপানা দিল’। বর্তমানে তাকে অনেকেই অ্যাক্টিভিস্ট ও মডেল উভয় পরিচয়েই চেনেন।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০০
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.