Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ জুন, ২০২৫ ১৩:১১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পশ্চিম মধুখালী গ্রামের নিজ ঘর থেকে নাসিমা আক্তার (১৫) নামের এক শিক্ষার্থী ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নাসিমা আক্তার এ বছর মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন নাসিমার বাবা মোজাম্মেল হক নিজ কাজে বরিশাল যান। দুপুরে মা নাজমা বেগম সবাইকে নিয়ে দুপুরের খাওয়ার পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে মেয়েকে একটু বকাঝকা করেন। এরপর সন্ধ্যার একটু আগে ছোট ছেলে ইয়াসিনকে নিয়ে পাশের বাড়িতে যান।
ঘণ্টাখানিক পরে বাড়িতে ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়। জানালার ফাঁক দিয়ে দেখেন তার মেয়ে বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। মা ও ভাইয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের উদ্ধার করে সুরতহাল করে কলাপাড়া থানা-পুলিশ।
এলাকাবাসী জানান, নাফিসা আক্তার নিজেই তার মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইলিয়াস তালুকদার বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পশ্চিম মধুখালী গ্রামের নিজ ঘর থেকে নাসিমা আক্তার (১৫) নামের এক শিক্ষার্থী ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। নাসিমা আক্তার এ বছর মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
জানা গেছে, ঘটনার দিন নাসিমার বাবা মোজাম্মেল হক নিজ কাজে বরিশাল যান। দুপুরে মা নাজমা বেগম সবাইকে নিয়ে দুপুরের খাওয়ার পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে মেয়েকে একটু বকাঝকা করেন। এরপর সন্ধ্যার একটু আগে ছোট ছেলে ইয়াসিনকে নিয়ে পাশের বাড়িতে যান।
ঘণ্টাখানিক পরে বাড়িতে ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়। জানালার ফাঁক দিয়ে দেখেন তার মেয়ে বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। মা ও ভাইয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের উদ্ধার করে সুরতহাল করে কলাপাড়া থানা-পুলিশ।
এলাকাবাসী জানান, নাফিসা আক্তার নিজেই তার মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইলিয়াস তালুকদার বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও গোটা দক্ষিণাঞ্চলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘুষকাণ্ডে ভাইরাল হওয়া ওই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নাম হাফেজ আব্দুর রহিম। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম খালি গায়ে বসে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় ভিডিওর বিপরীতে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার বান্ডিল নিচ্ছেন।
এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, বোর্ডে থাকমু আমি, ইউএনও আর ওসি। এর বাইরেও তিন চারজন আছে। এছাড়াও ইউএনও অফিসে থাহে (থাকে) ক্লার্ক বশার এবং মামুন হেরে দেওয়া লাগবে, বলতে শোনা যায়। ৬ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য প্রার্থী তালিমের কাছ থেকে নিয়োগের বিষয়ে ঘুষের টাকার বান্ডিল নেওয়া হয়েছিল বলে একটি সূত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছে। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তার চাকরি না হওয়ায় পরবর্তীতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান জানান, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি অবগত না হওয়ার পাশাপাশি শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউএনও কাউসার হামিদ।
তিনি বলেন, ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরালের বিষয়ে চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর শোকজ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তাকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন স্পিকারকে শপথ পড়াবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্যদের নিয়ে আজ বুধবার (১১ মার্চ) বৈঠক করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পশ্চিম ব্লকে এ বৈঠক হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। আগামীকাল সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সদস্য নিয়োগে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও গোটা দক্ষিণাঞ্চলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘুষকাণ্ডে ভাইরাল হওয়া ওই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নাম হাফেজ আব্দুর রহিম। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম খালি গায়ে বসে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় ভিডিওর বিপরীতে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকার বান্ডিল নিচ্ছেন।
এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, বোর্ডে থাকমু আমি, ইউএনও আর ওসি। এর বাইরেও তিন চারজন আছে। এছাড়াও ইউএনও অফিসে থাহে (থাকে) ক্লার্ক বশার এবং মামুন হেরে দেওয়া লাগবে, বলতে শোনা যায়। ৬ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সদস্য প্রার্থী তালিমের কাছ থেকে নিয়োগের বিষয়ে ঘুষের টাকার বান্ডিল নেওয়া হয়েছিল বলে একটি সূত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছে। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তার চাকরি না হওয়ায় পরবর্তীতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান জানান, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি অবগত না হওয়ার পাশাপাশি শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউএনও কাউসার হামিদ।
তিনি বলেন, ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরালের বিষয়ে চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর শোকজ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে তাকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে বাড়ি তৈরি করার নকশা আটকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ২০০১ সালে বিএনপি সময় চাকুরিতে যোগদান করলেও পরবর্তীতে বনে যান আওয়ামী লীগের সমর্থক। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আবারও বোল পাল্টে অন্য সংগঠনের কর্মী হওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। সে চেষ্টায় তিনি সফল হবেন হয়তো কিন্তু স্থানীয়দের দাবি ইঞ্জিনিয়ার আতিকের অপসারণ।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুল ইসলাম ২০০১ সালে চাকুরিতে যোগদান করেন। যোগদানের ২৫ বছরে মধ্যে বাউফল পৌরসভাতেই প্রায় ১৮ বছর কর্মরত আছেন। পৌরসভার বিল্ডিং প্লানিংয়ের অনুমোদনের দায়িত্ব তার হাতে। কিন্তু বাহিরের কোন আর্কিটেকচারের করা নকশা তার হাতে পাশ হয় না বলে অভিযোগে রয়েছে। বিধান রয়েছে, প্লান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সাথে পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ কোনভাবেই জড়িত থাকতে পারবেন না। কিন্তু নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের মাধ্যমে নকশা তৈরি করে পাশ করাতে বাধ্য করা হয় গ্রাহককে। না হলে প্ল্যান পাশ করাতে পারেন না ভবন নির্মাণ মালিকগণ।
তাছাড়া নিজের করা প্লান পাশ করাতে গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা। ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন ফি ১০০০ টাকা, ৫০০ বর্গফিট একটি একতলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য ২০০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি বর্গফিটের জন্য ২০০০ করে সরকারী ভাবে জমা দিতে হয়। পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহককে দুইগুণ, তিনগুণ ক্ষেত্রবিশেষ তারচেয়েও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।
অথচ নিয়ম রয়েছে, প্রতি তিন মাস অন্তর বিল্ডিং প্ল্যানিং কমিটির সভা করতে হবে। কিন্তু ২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ১টি সভাও অনুষ্ঠিত হয়নি। ৫ আগস্টের পর দেড় বছরে মাত্র ২টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে নিজেই নিজের মত করে তার দপ্তর পরিচালনা করে আসছেন গত ১৯ বছর ধরে।
অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের সাথে আঁতাত করে একই উপজেলায় বহু বছর কর্মরত রয়েছেন। একজন কর্মকর্তা এত বছর একই উপজেলায় কর্মরত থাকতে পারেন কিনা সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে প্ল্যান তৈরি করার কারণে বর্তমানে পৌরসভা ইঞ্জিনিয়ারের কাছে ২৫-৩০টি প্ল্যান পেন্ডিং রয়েছে। পৌরসভার শুরু থেকেই ভবন নির্মাণের নকশা বাধ্যতামূলক। এ সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। ভবন নির্মাণ মালিকদের কাছ থেকে নানা টালবাহানা পাকিয়ে অনৈতিক ভাবে অর্থ হাতিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএননিসি) এর নিয়ম অনুসারে ডিজাইনকৃত প্রকৌশলী ওই সাইট সুপারভাইস বা দেখাশোনা করবেন এবং অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। কাগজে কলমে সব ঠিক থাকলেও নকশা করা প্রকৌশলীরা বাউফল উপজেলায় কোন দিন আসে নাই বা তারা চিনেনও না।
মুঠোফোনে কথা হয় প্রকৌশলী মো ফয়েজউল্লাহর সাথে। তিনি জানান, ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে দিয়ে নকশার সকল কাজ করিয়ে থাকেন। প্লানের তদারকি তারা করেন না। তিনি বাউফল উপজেলায় অসেননি এবং চিনেনও না।
ইঞ্জিনিয়ার নাঈম নামের অপর এক প্রকৌশলী জানান, তিনি আগে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের সকল কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি ভান্ডারিয়া পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। কোন কাজের তদারকি তিনি বাউফলে এসে করেননি।
ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় নামের পটুয়াখালীর একজন প্রকৌশলী জানান, তাকে দিয়ে নামমাত্র পারিশ্রমিক দিয়ে নকশার ডিজাইনের কাজ করাতেন। ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে বলতেন, বাউফল পৌরসভার সকল নাগরিকের নকসার কাজ আতিক সাহেব বিনামূল্যে করে থাকেন। তাই তাকে নামমাত্র পারিশ্রমিক পরিশোধ করতেন।
মো. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আতিকের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ সত্য। আমি নিজে একজন ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের করা কোন নকসার কাজের অনুমোদন দেয়া হয় না। আমি এর আগে পৌর প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলাম।
পৌর প্রশাসক আমাদেরকে এক সাথে নিয়ে বসে সকল নকশা পাশ করার নির্দেশ দেন আতিক সাহেবকে। কিন্তু এর পরও সে আমাদের কোন নকসা অনুমোদন দেন না। বর্তমান ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করলে তিনি কিছুটা তাড়িয়ে দেয়ার মত আচারণ করেছেন।
এবিষয়ে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ‘আমি ২৪ সালের ৫ আগস্টের ৩ মাস আগে প্লান অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। এখনও অনুমোদন পাইনি। আমার কাছ থেকে কয়েক ধাপে মোট ৬০ হাজার টাকার বেশি নেয়া হয়েছে। টাকাও ফেরৎ দেয় না আর নকসা অনুমোদনও দেয় না।
পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহাগ বলেন, ‘চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্লান অনুমোদনের জন্য যাবতীয় সকল কাগজ-পত্র দিয়েছি কিন্তু কবে অনুমোদন হবে জানিনা। আমার কাছ থেকে ২৬-২৮হাজার টাকা নিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের একজন সরকারী কর্মকর্তা জানান, আমার কাছ থেকে ২৩ হাজার টাকা নিয়েছে নকসা অনুমোদনের জন্য। ১বছর হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত অনুমোদন হয়নি। তার প্লানটি বাহিরের ইঞ্জিয়ার দিয়ে করিয়েছেন।
পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নির্মাণ ভবন মালিক তাসলিমা বেগম বলেন, ‘আমি বাহিরে একজন ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা নকশা তৈরি করেছি। প্রায় ৬মাস হয়েছে অনুমোদন দিচ্ছে না। কাজ শুরু করতে মালামাল এনে রেখেছি অনুমোদনের কারণে কাজ শুরু করতে পারছি না। অনেক মাল নষ্ট হয়ে গেছে।
পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মহিলা কলেজ রোডের বাসিন্দা মো. ফয়সাল বলেন, ‘আমি ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে আমার বিল্ডিং প্লান ও সয়েল স্টেস্টের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। এখনও পর্যন্ত প্লান পাশ হয়নি। সম্প্রতি তিনি আবার নতুন করে টাকা দাবি করছেন।’
পৌরসভার ২নংওয়ার্ডে বাসিন্দা মো আনিক জানান, তার নিজস্ব সম্পত্তিতে একটি বাউন্ডারি ওয়াল করতে আতিক তার কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। ১ বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও কোন ধরনের প্লান অনুমোদন না দিয়ে নানা অজুহাতে আজ-কাল করে সময় ক্ষেপণ করছেন।
অভিযুক্ত প্রকৌশলী মো আতিকুল ইসলাম সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোন অনিয়মের সাথে জড়িত নই। এমনকি জানুয়ারী পর্যন্ত কোন প্লান পেইন্ডিং নেই। তিনি কোন প্লানের সাথে জড়িত না বলেও জানান তিনি।’
এবিষয়ে ডেপুটি ডিরেক্টর অব লোকাল গভার্নমেন্ট (ডিডিএলজি) জুয়েল রানা বলেন, ‘পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগে আমরা তদন্ত করেছি তার বিরুযদ্ধে কোন অভিযোগ পাইনি। এক ব্যক্তি এক উপজেলায় ১৮/১৯ বছর থাকতে পারেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়।’
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে বাড়ি তৈরি করার নকশা আটকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ২০০১ সালে বিএনপি সময় চাকুরিতে যোগদান করলেও পরবর্তীতে বনে যান আওয়ামী লীগের সমর্থক। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আবারও বোল পাল্টে অন্য সংগঠনের কর্মী হওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। সে চেষ্টায় তিনি সফল হবেন হয়তো কিন্তু স্থানীয়দের দাবি ইঞ্জিনিয়ার আতিকের অপসারণ।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুল ইসলাম ২০০১ সালে চাকুরিতে যোগদান করেন। যোগদানের ২৫ বছরে মধ্যে বাউফল পৌরসভাতেই প্রায় ১৮ বছর কর্মরত আছেন। পৌরসভার বিল্ডিং প্লানিংয়ের অনুমোদনের দায়িত্ব তার হাতে। কিন্তু বাহিরের কোন আর্কিটেকচারের করা নকশা তার হাতে পাশ হয় না বলে অভিযোগে রয়েছে। বিধান রয়েছে, প্লান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সাথে পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ কোনভাবেই জড়িত থাকতে পারবেন না। কিন্তু নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের মাধ্যমে নকশা তৈরি করে পাশ করাতে বাধ্য করা হয় গ্রাহককে। না হলে প্ল্যান পাশ করাতে পারেন না ভবন নির্মাণ মালিকগণ।
তাছাড়া নিজের করা প্লান পাশ করাতে গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা। ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন ফি ১০০০ টাকা, ৫০০ বর্গফিট একটি একতলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য ২০০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি বর্গফিটের জন্য ২০০০ করে সরকারী ভাবে জমা দিতে হয়। পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহককে দুইগুণ, তিনগুণ ক্ষেত্রবিশেষ তারচেয়েও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।
অথচ নিয়ম রয়েছে, প্রতি তিন মাস অন্তর বিল্ডিং প্ল্যানিং কমিটির সভা করতে হবে। কিন্তু ২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ১টি সভাও অনুষ্ঠিত হয়নি। ৫ আগস্টের পর দেড় বছরে মাত্র ২টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে নিজেই নিজের মত করে তার দপ্তর পরিচালনা করে আসছেন গত ১৯ বছর ধরে।
অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের সাথে আঁতাত করে একই উপজেলায় বহু বছর কর্মরত রয়েছেন। একজন কর্মকর্তা এত বছর একই উপজেলায় কর্মরত থাকতে পারেন কিনা সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে প্ল্যান তৈরি করার কারণে বর্তমানে পৌরসভা ইঞ্জিনিয়ারের কাছে ২৫-৩০টি প্ল্যান পেন্ডিং রয়েছে। পৌরসভার শুরু থেকেই ভবন নির্মাণের নকশা বাধ্যতামূলক। এ সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। ভবন নির্মাণ মালিকদের কাছ থেকে নানা টালবাহানা পাকিয়ে অনৈতিক ভাবে অর্থ হাতিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএননিসি) এর নিয়ম অনুসারে ডিজাইনকৃত প্রকৌশলী ওই সাইট সুপারভাইস বা দেখাশোনা করবেন এবং অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। কাগজে কলমে সব ঠিক থাকলেও নকশা করা প্রকৌশলীরা বাউফল উপজেলায় কোন দিন আসে নাই বা তারা চিনেনও না।
মুঠোফোনে কথা হয় প্রকৌশলী মো ফয়েজউল্লাহর সাথে। তিনি জানান, ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে দিয়ে নকশার সকল কাজ করিয়ে থাকেন। প্লানের তদারকি তারা করেন না। তিনি বাউফল উপজেলায় অসেননি এবং চিনেনও না।
ইঞ্জিনিয়ার নাঈম নামের অপর এক প্রকৌশলী জানান, তিনি আগে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের সকল কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি ভান্ডারিয়া পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। কোন কাজের তদারকি তিনি বাউফলে এসে করেননি।
ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় নামের পটুয়াখালীর একজন প্রকৌশলী জানান, তাকে দিয়ে নামমাত্র পারিশ্রমিক দিয়ে নকশার ডিজাইনের কাজ করাতেন। ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে বলতেন, বাউফল পৌরসভার সকল নাগরিকের নকসার কাজ আতিক সাহেব বিনামূল্যে করে থাকেন। তাই তাকে নামমাত্র পারিশ্রমিক পরিশোধ করতেন।
মো. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আতিকের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ সত্য। আমি নিজে একজন ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের করা কোন নকসার কাজের অনুমোদন দেয়া হয় না। আমি এর আগে পৌর প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলাম।
পৌর প্রশাসক আমাদেরকে এক সাথে নিয়ে বসে সকল নকশা পাশ করার নির্দেশ দেন আতিক সাহেবকে। কিন্তু এর পরও সে আমাদের কোন নকসা অনুমোদন দেন না। বর্তমান ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করলে তিনি কিছুটা তাড়িয়ে দেয়ার মত আচারণ করেছেন।
এবিষয়ে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ‘আমি ২৪ সালের ৫ আগস্টের ৩ মাস আগে প্লান অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। এখনও অনুমোদন পাইনি। আমার কাছ থেকে কয়েক ধাপে মোট ৬০ হাজার টাকার বেশি নেয়া হয়েছে। টাকাও ফেরৎ দেয় না আর নকসা অনুমোদনও দেয় না।
পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহাগ বলেন, ‘চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্লান অনুমোদনের জন্য যাবতীয় সকল কাগজ-পত্র দিয়েছি কিন্তু কবে অনুমোদন হবে জানিনা। আমার কাছ থেকে ২৬-২৮হাজার টাকা নিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের একজন সরকারী কর্মকর্তা জানান, আমার কাছ থেকে ২৩ হাজার টাকা নিয়েছে নকসা অনুমোদনের জন্য। ১বছর হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত অনুমোদন হয়নি। তার প্লানটি বাহিরের ইঞ্জিয়ার দিয়ে করিয়েছেন।
পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নির্মাণ ভবন মালিক তাসলিমা বেগম বলেন, ‘আমি বাহিরে একজন ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা নকশা তৈরি করেছি। প্রায় ৬মাস হয়েছে অনুমোদন দিচ্ছে না। কাজ শুরু করতে মালামাল এনে রেখেছি অনুমোদনের কারণে কাজ শুরু করতে পারছি না। অনেক মাল নষ্ট হয়ে গেছে।
পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মহিলা কলেজ রোডের বাসিন্দা মো. ফয়সাল বলেন, ‘আমি ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে আমার বিল্ডিং প্লান ও সয়েল স্টেস্টের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। এখনও পর্যন্ত প্লান পাশ হয়নি। সম্প্রতি তিনি আবার নতুন করে টাকা দাবি করছেন।’
পৌরসভার ২নংওয়ার্ডে বাসিন্দা মো আনিক জানান, তার নিজস্ব সম্পত্তিতে একটি বাউন্ডারি ওয়াল করতে আতিক তার কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। ১ বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও কোন ধরনের প্লান অনুমোদন না দিয়ে নানা অজুহাতে আজ-কাল করে সময় ক্ষেপণ করছেন।
অভিযুক্ত প্রকৌশলী মো আতিকুল ইসলাম সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোন অনিয়মের সাথে জড়িত নই। এমনকি জানুয়ারী পর্যন্ত কোন প্লান পেইন্ডিং নেই। তিনি কোন প্লানের সাথে জড়িত না বলেও জানান তিনি।’
এবিষয়ে ডেপুটি ডিরেক্টর অব লোকাল গভার্নমেন্ট (ডিডিএলজি) জুয়েল রানা বলেন, ‘পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগে আমরা তদন্ত করেছি তার বিরুযদ্ধে কোন অভিযোগ পাইনি। এক ব্যক্তি এক উপজেলায় ১৮/১৯ বছর থাকতে পারেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন স্পিকারকে শপথ পড়াবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্যদের নিয়ে আজ বুধবার (১১ মার্চ) বৈঠক করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পশ্চিম ব্লকে এ বৈঠক হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। আগামীকাল সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে।