Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:২৯
পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বহুদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। জীবনের শুরুতে সমুদ্র থেকে পোনা মাছ ধরে এবং হকারির মতো পেশায় যুক্ত থেকে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পরে জাতীয় পার্টির শীর্ষ এক নেতার আর্শীবাদে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তার হাত ধরেই জমি কেনাবেচার দালালি শুরু করে ধীরে ধীরে কোটিপতি হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে মহিপুর থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি হন।
২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল অর্থ খরচ করে ও প্রভাব খাটিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনী মাঠে তার প্রভাব ও অর্থের ছাপ ছিল সুস্পষ্ট। ২০২৩ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকায় বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
সে সময় তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণে কাজ করাই তার একমাত্র লক্ষ্য। আর কুয়াকাটাবাসীর উন্নয়ন হবে তার অগ্রাধিকার।
কিন্তু আওয়ামী লীগে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। গরীব ও অসহায় মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া, কুয়াকাটায় লুটপাট, দখল ও সালিশবাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকা, পৌরসভার ইজারার নামে ডিম, ডাব, গোস্ত ও কাঁচাবাজার থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ, আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে টেন্ডারবাণিজ্য এবং নিয়োগে দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের মুখে মুখে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের আগেই তিনি আন্দোলন দমনে সশস্ত্র মহড়া এবং বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। অভিযোগ রয়েছে, ফেসবুকে ছাত্র-জনতার পক্ষে পোস্ট দেওয়ায় সাধারণ মানুষকে মারধর, দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায়ও তিনি জড়িত ছিলেন।
এসব ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে কুয়াকাটা পৌর বিএনপি ও বিএনপি নেতাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গত ৯ আগস্ট ঢাকার গুলশানে জাতীয় পার্টির কাউন্সিলে সামনের সারির আসনে আনোয়ার হাওলাদারের উপস্থিতি নতুন করে দলবদলের গুঞ্জন তোলে। বিষয়টি নিয়ে আনোয়ার হাওলাদার বলেন, তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেননি, বরং দাওয়াত পেয়ে সেখানে গিয়েছেন।
এবিষয়ে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আনোয়ার বড় সুবিধাবাদী; স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপির ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়ে পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন, আর দালালি, টেন্ডারবাজি ও অর্থ আত্মসাতের একাধিক অভিযোগের পাশাপাশি তিনি একাধিক মামলার আসামি।
এদিকে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আনোয়ার আগে জাতীয় পার্টিতে ছিলেন, তবে এবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।
পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বহুদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। জীবনের শুরুতে সমুদ্র থেকে পোনা মাছ ধরে এবং হকারির মতো পেশায় যুক্ত থেকে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পরে জাতীয় পার্টির শীর্ষ এক নেতার আর্শীবাদে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তার হাত ধরেই জমি কেনাবেচার দালালি শুরু করে ধীরে ধীরে কোটিপতি হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে মহিপুর থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি হন।
২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল অর্থ খরচ করে ও প্রভাব খাটিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনী মাঠে তার প্রভাব ও অর্থের ছাপ ছিল সুস্পষ্ট। ২০২৩ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকায় বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
সে সময় তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণে কাজ করাই তার একমাত্র লক্ষ্য। আর কুয়াকাটাবাসীর উন্নয়ন হবে তার অগ্রাধিকার।
কিন্তু আওয়ামী লীগে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। গরীব ও অসহায় মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া, কুয়াকাটায় লুটপাট, দখল ও সালিশবাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকা, পৌরসভার ইজারার নামে ডিম, ডাব, গোস্ত ও কাঁচাবাজার থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ, আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে টেন্ডারবাণিজ্য এবং নিয়োগে দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের মুখে মুখে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের আগেই তিনি আন্দোলন দমনে সশস্ত্র মহড়া এবং বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। অভিযোগ রয়েছে, ফেসবুকে ছাত্র-জনতার পক্ষে পোস্ট দেওয়ায় সাধারণ মানুষকে মারধর, দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায়ও তিনি জড়িত ছিলেন।
এসব ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে কুয়াকাটা পৌর বিএনপি ও বিএনপি নেতাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গত ৯ আগস্ট ঢাকার গুলশানে জাতীয় পার্টির কাউন্সিলে সামনের সারির আসনে আনোয়ার হাওলাদারের উপস্থিতি নতুন করে দলবদলের গুঞ্জন তোলে। বিষয়টি নিয়ে আনোয়ার হাওলাদার বলেন, তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেননি, বরং দাওয়াত পেয়ে সেখানে গিয়েছেন।
এবিষয়ে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আনোয়ার বড় সুবিধাবাদী; স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপির ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়ে পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন, আর দালালি, টেন্ডারবাজি ও অর্থ আত্মসাতের একাধিক অভিযোগের পাশাপাশি তিনি একাধিক মামলার আসামি।
এদিকে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আনোয়ার আগে জাতীয় পার্টিতে ছিলেন, তবে এবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
পটুয়াখালীর দুমকিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ আনন্দ মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাব দুমকির উদ্যোগে উপজেলার পায়রা সেতুর নিচে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১৯মার্চ বেলা ১১টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাব দুমকির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন ও দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির শরীফ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লেবুখালি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ খালেক হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইউনুস ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ অহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুছা ফরাজি এবং উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিরা। আয়োজকরা জানান, মেলায় বিনোদনমূলক বিভিন্ন আয়োজনের পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৯

১৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৫
পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সাকুরা পরিবহনসহ চারটি পরিবহনের সুপারভাইজারকে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত লেবুখালীর পাগলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সাকুরা পরিবহনকে ৪ হাজার টাকা, ইমরান ট্রাভেলস ও নারায়ণগঞ্জ ট্রাভেলসকে ২ হাজার টাকা করে এবং ডলফিন পরিবহনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পটুয়াখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত ৭৫০ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে এক যাত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে চলাচলকারী অন্যান্য পরিবহনের কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফ বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই যাত্রীদের হয়রানি বরদাশত করা হবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ আনন্দ মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাব দুমকির উদ্যোগে উপজেলার পায়রা সেতুর নিচে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ১৯মার্চ বেলা ১১টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাব দুমকির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন ও দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান খান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির শরীফ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লেবুখালি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ খালেক হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইউনুস ফরাজি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ অহিদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মুছা ফরাজি এবং উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহিদ খানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিরা। আয়োজকরা জানান, মেলায় বিনোদনমূলক বিভিন্ন আয়োজনের পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে নিষিদ্ধ পণ্যের সন্দেহে বিপুল পরিমান বস্তা ভর্তি মালামাল জব্দ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে আলগী নদী সংলগ্ন কালাইয়া বন্দরের ধানহাটা ট্রাকস্ট্যান্ডে একটি কার্গো থেকে বস্তা গুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ) রাতের অন্ধকারে পণ্য কালাউয়া বন্দরের ধানহাট সংলগ্ন খাল থেকে খালাসের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা কয়েকটি বস্তা খুলে দেখেন, সেখানে এক ধরনের বীজ রয়েছে, যা তাদের ধারণা অনুযায়ী পপি সিড (পেস্তা দানা) হতে পারে। এছাড়াও কিছু বস্তায় সুপারি পাওয়া গেছে। তবে বাকি বস্তাগুলোতে আরও অবৈধ পণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই সংবাদকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এক পর্যায়ে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। শেষে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বস্তা গুলো স্থানীয়দের হাতে আটকের পর কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) মধু সুদন দাস ওরফে মধু মেম্বারের দুই ছেলে উত্তম দাস ও আশিস দাস ঘটনাস্থলে এসে পণ্যগুলো নিজেদের বলে দাবি করেন।
তারা স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ নিয়ে দেনদরবার চলে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব পণ্য কালাইয়া ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মধু সুধন দাসের ছোট মেয়ে জামাই জয়দেব দাসের হতে পারে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মিয়ানমার ও ভারত থেকে অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে তেঁতুলিয়া নদীতে চন্দন কাঠের একটি চালান জেলেদের হাতে ধরা পড়লেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি রক্ষা পান। এছাড়া ২০২১ সালে কালাইয়া বন্দরের আলগী নদী এলাকায় প্রায় ৩ হাজার বস্তা অবৈধ পণ্যসহ দুটি কার্গো স্থানীয়দের হাতে আটক হলেও একইভাবে তিনি পার পেয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত জয়দেব দাসের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বিকার করে জয়দেব দাসের শ্যালক আশিষ দাস বলেন, কোন কারণ ছাড়াই বস্তা গুলো জব্দ করেছে।
কিছু বস্তায় পোস্তদানা ও সুপারি আছে। কোন অবৈধ মালামাল নাই। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৪৪৪ বস্তা ট্রাকে তোলা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ বস্তা পন্য হতে পারে। জব্দকৃত পণ্যের প্রকৃতি যাচাই করে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, কোন ধরণের লুকোচুরি হওয়ার সুযোগ নাই। সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা নিয়ে প্রয়োজনয়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে নিষিদ্ধ পণ্যের সন্দেহে বিপুল পরিমান বস্তা ভর্তি মালামাল জব্দ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে আলগী নদী সংলগ্ন কালাইয়া বন্দরের ধানহাটা ট্রাকস্ট্যান্ডে একটি কার্গো থেকে বস্তা গুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৮ মার্চ) রাতের অন্ধকারে পণ্য কালাউয়া বন্দরের ধানহাট সংলগ্ন খাল থেকে খালাসের সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্টরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা কয়েকটি বস্তা খুলে দেখেন, সেখানে এক ধরনের বীজ রয়েছে, যা তাদের ধারণা অনুযায়ী পপি সিড (পেস্তা দানা) হতে পারে। এছাড়াও কিছু বস্তায় সুপারি পাওয়া গেছে। তবে বাকি বস্তাগুলোতে আরও অবৈধ পণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই সংবাদকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এক পর্যায়ে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। শেষে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বস্তা গুলো স্থানীয়দের হাতে আটকের পর কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) মধু সুদন দাস ওরফে মধু মেম্বারের দুই ছেলে উত্তম দাস ও আশিস দাস ঘটনাস্থলে এসে পণ্যগুলো নিজেদের বলে দাবি করেন।
তারা স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ নিয়ে দেনদরবার চলে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব পণ্য কালাইয়া ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মধু সুধন দাসের ছোট মেয়ে জামাই জয়দেব দাসের হতে পারে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মিয়ানমার ও ভারত থেকে অবৈধ পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে তেঁতুলিয়া নদীতে চন্দন কাঠের একটি চালান জেলেদের হাতে ধরা পড়লেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি রক্ষা পান। এছাড়া ২০২১ সালে কালাইয়া বন্দরের আলগী নদী এলাকায় প্রায় ৩ হাজার বস্তা অবৈধ পণ্যসহ দুটি কার্গো স্থানীয়দের হাতে আটক হলেও একইভাবে তিনি পার পেয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে অভিযুক্ত জয়দেব দাসের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বিকার করে জয়দেব দাসের শ্যালক আশিষ দাস বলেন, কোন কারণ ছাড়াই বস্তা গুলো জব্দ করেছে।
কিছু বস্তায় পোস্তদানা ও সুপারি আছে। কোন অবৈধ মালামাল নাই। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৪৪৪ বস্তা ট্রাকে তোলা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ বস্তা পন্য হতে পারে। জব্দকৃত পণ্যের প্রকৃতি যাচাই করে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহম্মেদ বলেন, কোন ধরণের লুকোচুরি হওয়ার সুযোগ নাই। সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা নিয়ে প্রয়োজনয়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সাকুরা পরিবহনসহ চারটি পরিবহনের সুপারভাইজারকে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত লেবুখালীর পাগলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সাকুরা পরিবহনকে ৪ হাজার টাকা, ইমরান ট্রাভেলস ও নারায়ণগঞ্জ ট্রাভেলসকে ২ হাজার টাকা করে এবং ডলফিন পরিবহনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পটুয়াখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত ৭৫০ টাকার ভাড়ার পরিবর্তে এক যাত্রীর কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে চলাচলকারী অন্যান্য পরিবহনের কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমানুল আশরাফ বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই যাত্রীদের হয়রানি বরদাশত করা হবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।