
১৭ মে, ২০২৬ ১৮:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কথিত চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও হানি ট্র্যাপ চক্রের মূলহোতা আজহার খানকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় তার পুনরায় গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
রোববার (১৭ মে) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অভিযোগ, আজহার খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
তারা জানান, সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিনে মুক্তি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার বাদীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
বক্তারা বলেন, ‘দ্রুত আজহার খানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। মামলার বাদীকে হত্যার হুমকির ঘটনাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
এ সময় তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কথিত চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও হানি ট্র্যাপ চক্রের মূলহোতা আজহার খানকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় তার পুনরায় গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
রোববার (১৭ মে) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অভিযোগ, আজহার খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
তারা জানান, সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিনে মুক্তি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার বাদীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
বক্তারা বলেন, ‘দ্রুত আজহার খানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। মামলার বাদীকে হত্যার হুমকির ঘটনাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
এ সময় তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

১৭ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এক জেলেকে পিটিয়ে আহত ও মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে রোববার (১৭ মে) সকালে আহত জেলে মো. মনির হাওলাদার (৩৬) বাদী হয়ে বাউফল থানায় এ অভিযোগ করেন। তিনি উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের বাদ্যপাশা চর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনির হাওলাদার তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। রোববার সকাল ৬টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় একই এলাকার বেল্লাল মোসলমান (৪৫) ও কামরুল মোসলমান (৩৫) তার কাছে আসেন। তারা জোরপূর্বক মাছ ক্রয় করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন মনির।
পরে মাছের ন্যায্যমূল্য দাবি করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা ও লগি-বৈঠা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো দা-ছেনা নিয়ে তেড়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় মনিরের মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত কামরুল হাওলাদার একসময় ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ছিলেন। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হন।
ভুক্তভোগী মনির হাওলাদার অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নদীতে মাছ ধরতে গেলে জাল ও ট্রলার ছিনিয়ে নেওয়া এবং তাকে গুম কিংবা হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর তেঁতুলিয়া নদী তীরবর্তী জেলে পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় জেলেরা নদীতে নিরাপদে মাছ ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এক জেলেকে পিটিয়ে আহত ও মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে রোববার (১৭ মে) সকালে আহত জেলে মো. মনির হাওলাদার (৩৬) বাদী হয়ে বাউফল থানায় এ অভিযোগ করেন। তিনি উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের বাদ্যপাশা চর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনির হাওলাদার তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। রোববার সকাল ৬টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় একই এলাকার বেল্লাল মোসলমান (৪৫) ও কামরুল মোসলমান (৩৫) তার কাছে আসেন। তারা জোরপূর্বক মাছ ক্রয় করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন মনির।
পরে মাছের ন্যায্যমূল্য দাবি করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা ও লগি-বৈঠা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো দা-ছেনা নিয়ে তেড়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় মনিরের মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত কামরুল হাওলাদার একসময় ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ছিলেন। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হন।
ভুক্তভোগী মনির হাওলাদার অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নদীতে মাছ ধরতে গেলে জাল ও ট্রলার ছিনিয়ে নেওয়া এবং তাকে গুম কিংবা হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর তেঁতুলিয়া নদী তীরবর্তী জেলে পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় জেলেরা নদীতে নিরাপদে মাছ ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৬ মে, ২০২৬ ২১:০৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গরু চোরকে ক্ষমা করেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মসজিদের ইমাম ও খতিবের। প্রকাশ্য হাটের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেছে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর সহযোগী।
ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১৫ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপির অফিস সংলগ্ন কাঁচা বাজার এলাকায়।
আহত ব্যক্তি মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর (৫৫), তিনি দেউলী আবাসনের বাসিন্দা এবং স্থানীয় খান বাড়ির মসজিদের ইমাম ও খতিব। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের পবিত্র রমজান মাসে। সে সময় ইমাম জাহিদুল ইসলামের ঘর থেকে একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেউলী গ্রামের আনসার গাজীর ছেলে জসিম (৩২) হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং ইমাম মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলা দায়েরের পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য ইমামকে চাপ দিতে থাকেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও সমাজের শান্তি ও স্থানীয়দের অনুরোধে অবশেষে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু সেই উদারতার প্রতিদান হিসেবে উল্টো হয়রানির শিকার হতে থাকেন তিনি।
ইমামের কন্যা মিসেস তানিয়া জানান, মামলা তুলে নেওয়ার পর থেকেই জসিম বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাঁর বাবাকে অপমান ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব এড়িয়ে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি তিনি।
সর্বশেষ ঘটনার দিন দেউলী হাটে কেনাকাটা করতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জসিম এবং তাঁর সহযোগী নজরুল ইসলামের ছেলে শাওন (২৭) ইমামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। লাঠি ও ঝাড়ু দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তাঁরা।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় আহত ইমাম বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় জসিম ও শাওনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা সমাজকে সঠিক পথ দেখান, সেই সম্মানিত ইমামের ওপর এমন নৃশংস হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তাঁরা বলেন,প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই অপরাধীরা এ ধরণের সাহস পেয়েছে। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, “ঘটনার তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গরু চোরকে ক্ষমা করেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মসজিদের ইমাম ও খতিবের। প্রকাশ্য হাটের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেছে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর সহযোগী।
ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১৫ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপির অফিস সংলগ্ন কাঁচা বাজার এলাকায়।
আহত ব্যক্তি মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর (৫৫), তিনি দেউলী আবাসনের বাসিন্দা এবং স্থানীয় খান বাড়ির মসজিদের ইমাম ও খতিব। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের পবিত্র রমজান মাসে। সে সময় ইমাম জাহিদুল ইসলামের ঘর থেকে একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেউলী গ্রামের আনসার গাজীর ছেলে জসিম (৩২) হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং ইমাম মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলা দায়েরের পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য ইমামকে চাপ দিতে থাকেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও সমাজের শান্তি ও স্থানীয়দের অনুরোধে অবশেষে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু সেই উদারতার প্রতিদান হিসেবে উল্টো হয়রানির শিকার হতে থাকেন তিনি।
ইমামের কন্যা মিসেস তানিয়া জানান, মামলা তুলে নেওয়ার পর থেকেই জসিম বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাঁর বাবাকে অপমান ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব এড়িয়ে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি তিনি।
সর্বশেষ ঘটনার দিন দেউলী হাটে কেনাকাটা করতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জসিম এবং তাঁর সহযোগী নজরুল ইসলামের ছেলে শাওন (২৭) ইমামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। লাঠি ও ঝাড়ু দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তাঁরা।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় আহত ইমাম বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় জসিম ও শাওনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা সমাজকে সঠিক পথ দেখান, সেই সম্মানিত ইমামের ওপর এমন নৃশংস হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তাঁরা বলেন,প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই অপরাধীরা এ ধরণের সাহস পেয়েছে। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, “ঘটনার তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

১৬ মে, ২০২৬ ২০:২৬
পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।
পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.