
০৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৪২
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এবং বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নের হঠাৎ করে ভূমিদস্যু একটি গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চরকরমজীর বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদারের নেতৃত্বে চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামের আইয়ুব আলীসহ অন্তত ৫/৬ জনের গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে দুই ইউনিয়নের ২০টির বেশি পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। বিশেষ করে কারও জমি দখলে ব্যর্থ হলে জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে মামলা-মোকাদ্দমা করাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। এবং জমি নিয়ে আদালতে মামলা করে পরাস্ত হয়েছেন, পরবর্তীতে একই জমি নিজের দাবি করে ভূমি অফিসসহ পুলিশের কাছে অভিযোগ করারও উদাহরণ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার লতিফ বাহিনী হয়রানি করেছে, এমন অন্তত ১৫ টি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরমজী এবং চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামে। দুটি গ্রামের মাঝখান দিয়ে নদী বয়ে গেছে এবং নদীর তীরবর্তী সরকারি ভূমি রয়েছে। এই ভূমি সরকারের তরফ থেকে পূর্বে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার পাশে বরিশাল সদর উপজেলার অংশে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতার ইটভাটা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার বিগত সময়ে সরকারি খাস জমি থেকে ইটভাটার মাটি কেটে নিয়েছেন। ওই সময় তার দল ক্ষমতায় থাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি। আ’লীগের পতন হলে তিনি আড়ালে থেকে চরামদ্দির সঠিখোলার বাসিন্দা আইয়ুব আলীকে সামনে ফেলে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন। তাদের কয়েকজনের ভূমিদস্যুতায় দুটি গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মো. হান্নান জানান, চরসঠিখোলা মৌজায় ২৫ বছর আগে সরকার তাকে ২০ ভূমি বন্দোবস্ত দেয়। এই ভূমিতে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এই ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যার নেপথ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার। একই বছরের ২৪ জুলাই আদালত হান্নানের পক্ষে রায় দেন, যার অনুলিপি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে পাঠানো হয়।
হান্নানের অভিযোগ, মামলা দিয়ে হয়রানির পরে সেই আইয়ুব আলী কিছুদিন পূর্বে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে অভিযোগ করেছেন। এবং মাঝে মধ্যে হুমকিও দিচ্ছেন, হয় জমি ছেড়ে দিবি, নয়তো প্রাণ যাবে।
অনুরুপ অভিযোগ করেছেন, কামরুল ইসলাম নান্টু, গিয়াস, নজরুল, সবুজ, পিন্টু, শাহীন, তোফাজ্জেল এবং সিরাজসহ অন্তত ১৫ জন বাসিন্দা। তারা জানান, প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৈয়দ ফয়জুল করিম (রহ:) ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জমিও এখন আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এনিয়ে তিনি একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করেন। কিন্তু সবখানেই তার দুই নম্বরি ধরা পড়ছে, তারপরেও হয়রানি করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যেকার আরেকজন সিরাজ অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পাওয়া তার ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এবং ভূমিটি সরকার তাকে নতুন করে বন্দোবস্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এর স্বপক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না। এমনকি তিনি প্রশাসনের যে সব স্থানে অভিযোগ করেছেন, সেখানে গিয়েও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এই লতিফ সিকদার এবং সহযোগী আইয়ুব আলীর হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ঐক্যবব্ধ হয়েছে। তারা পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামী লীগ নেতা লতিফসহ তার গ্রুপের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে।
তবে লতিফ সিকদার জমি নিয়ে কারও সাথে বিরোধ নেই দাবি করলেও চতুর আইয়ুব আলী বলছেন, কাগজপত্র আছে বিধায় আমালতে যাচ্ছি, মামলা করছি। কিন্তু আপনিতো মামলায় হেরেছেন প্রশ্নে তিনি বলেন একটি আদালতে হারলে, আরেকটিতে মামলা করার সুযোগ আছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জের এসিল্যান্ড তন্ময় হালদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তেমন একটা জানা নেই। তবে আইয়ুব আলী নামের জনৈক ব্যক্তি সঠিখোলা এলাকার একটি জমি নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। এবং তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।’
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এবং বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নের হঠাৎ করে ভূমিদস্যু একটি গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চরকরমজীর বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদারের নেতৃত্বে চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামের আইয়ুব আলীসহ অন্তত ৫/৬ জনের গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে দুই ইউনিয়নের ২০টির বেশি পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। বিশেষ করে কারও জমি দখলে ব্যর্থ হলে জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে মামলা-মোকাদ্দমা করাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। এবং জমি নিয়ে আদালতে মামলা করে পরাস্ত হয়েছেন, পরবর্তীতে একই জমি নিজের দাবি করে ভূমি অফিসসহ পুলিশের কাছে অভিযোগ করারও উদাহরণ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার লতিফ বাহিনী হয়রানি করেছে, এমন অন্তত ১৫ টি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরমজী এবং চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামে। দুটি গ্রামের মাঝখান দিয়ে নদী বয়ে গেছে এবং নদীর তীরবর্তী সরকারি ভূমি রয়েছে। এই ভূমি সরকারের তরফ থেকে পূর্বে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার পাশে বরিশাল সদর উপজেলার অংশে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতার ইটভাটা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার বিগত সময়ে সরকারি খাস জমি থেকে ইটভাটার মাটি কেটে নিয়েছেন। ওই সময় তার দল ক্ষমতায় থাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি। আ’লীগের পতন হলে তিনি আড়ালে থেকে চরামদ্দির সঠিখোলার বাসিন্দা আইয়ুব আলীকে সামনে ফেলে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন। তাদের কয়েকজনের ভূমিদস্যুতায় দুটি গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মো. হান্নান জানান, চরসঠিখোলা মৌজায় ২৫ বছর আগে সরকার তাকে ২০ ভূমি বন্দোবস্ত দেয়। এই ভূমিতে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এই ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যার নেপথ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার। একই বছরের ২৪ জুলাই আদালত হান্নানের পক্ষে রায় দেন, যার অনুলিপি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে পাঠানো হয়।
হান্নানের অভিযোগ, মামলা দিয়ে হয়রানির পরে সেই আইয়ুব আলী কিছুদিন পূর্বে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে অভিযোগ করেছেন। এবং মাঝে মধ্যে হুমকিও দিচ্ছেন, হয় জমি ছেড়ে দিবি, নয়তো প্রাণ যাবে।
অনুরুপ অভিযোগ করেছেন, কামরুল ইসলাম নান্টু, গিয়াস, নজরুল, সবুজ, পিন্টু, শাহীন, তোফাজ্জেল এবং সিরাজসহ অন্তত ১৫ জন বাসিন্দা। তারা জানান, প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৈয়দ ফয়জুল করিম (রহ:) ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জমিও এখন আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এনিয়ে তিনি একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করেন। কিন্তু সবখানেই তার দুই নম্বরি ধরা পড়ছে, তারপরেও হয়রানি করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যেকার আরেকজন সিরাজ অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পাওয়া তার ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এবং ভূমিটি সরকার তাকে নতুন করে বন্দোবস্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এর স্বপক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না। এমনকি তিনি প্রশাসনের যে সব স্থানে অভিযোগ করেছেন, সেখানে গিয়েও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এই লতিফ সিকদার এবং সহযোগী আইয়ুব আলীর হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ঐক্যবব্ধ হয়েছে। তারা পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামী লীগ নেতা লতিফসহ তার গ্রুপের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে।
তবে লতিফ সিকদার জমি নিয়ে কারও সাথে বিরোধ নেই দাবি করলেও চতুর আইয়ুব আলী বলছেন, কাগজপত্র আছে বিধায় আমালতে যাচ্ছি, মামলা করছি। কিন্তু আপনিতো মামলায় হেরেছেন প্রশ্নে তিনি বলেন একটি আদালতে হারলে, আরেকটিতে মামলা করার সুযোগ আছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জের এসিল্যান্ড তন্ময় হালদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তেমন একটা জানা নেই। তবে আইয়ুব আলী নামের জনৈক ব্যক্তি সঠিখোলা এলাকার একটি জমি নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। এবং তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।’
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.