Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৪২
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এবং বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নের হঠাৎ করে ভূমিদস্যু একটি গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চরকরমজীর বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদারের নেতৃত্বে চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামের আইয়ুব আলীসহ অন্তত ৫/৬ জনের গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে দুই ইউনিয়নের ২০টির বেশি পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। বিশেষ করে কারও জমি দখলে ব্যর্থ হলে জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে মামলা-মোকাদ্দমা করাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। এবং জমি নিয়ে আদালতে মামলা করে পরাস্ত হয়েছেন, পরবর্তীতে একই জমি নিজের দাবি করে ভূমি অফিসসহ পুলিশের কাছে অভিযোগ করারও উদাহরণ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার লতিফ বাহিনী হয়রানি করেছে, এমন অন্তত ১৫ টি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরমজী এবং চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামে। দুটি গ্রামের মাঝখান দিয়ে নদী বয়ে গেছে এবং নদীর তীরবর্তী সরকারি ভূমি রয়েছে। এই ভূমি সরকারের তরফ থেকে পূর্বে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার পাশে বরিশাল সদর উপজেলার অংশে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতার ইটভাটা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার বিগত সময়ে সরকারি খাস জমি থেকে ইটভাটার মাটি কেটে নিয়েছেন। ওই সময় তার দল ক্ষমতায় থাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি। আ’লীগের পতন হলে তিনি আড়ালে থেকে চরামদ্দির সঠিখোলার বাসিন্দা আইয়ুব আলীকে সামনে ফেলে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন। তাদের কয়েকজনের ভূমিদস্যুতায় দুটি গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মো. হান্নান জানান, চরসঠিখোলা মৌজায় ২৫ বছর আগে সরকার তাকে ২০ ভূমি বন্দোবস্ত দেয়। এই ভূমিতে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এই ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যার নেপথ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার। একই বছরের ২৪ জুলাই আদালত হান্নানের পক্ষে রায় দেন, যার অনুলিপি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে পাঠানো হয়।
হান্নানের অভিযোগ, মামলা দিয়ে হয়রানির পরে সেই আইয়ুব আলী কিছুদিন পূর্বে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে অভিযোগ করেছেন। এবং মাঝে মধ্যে হুমকিও দিচ্ছেন, হয় জমি ছেড়ে দিবি, নয়তো প্রাণ যাবে।
অনুরুপ অভিযোগ করেছেন, কামরুল ইসলাম নান্টু, গিয়াস, নজরুল, সবুজ, পিন্টু, শাহীন, তোফাজ্জেল এবং সিরাজসহ অন্তত ১৫ জন বাসিন্দা। তারা জানান, প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৈয়দ ফয়জুল করিম (রহ:) ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জমিও এখন আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এনিয়ে তিনি একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করেন। কিন্তু সবখানেই তার দুই নম্বরি ধরা পড়ছে, তারপরেও হয়রানি করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যেকার আরেকজন সিরাজ অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পাওয়া তার ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এবং ভূমিটি সরকার তাকে নতুন করে বন্দোবস্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এর স্বপক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না। এমনকি তিনি প্রশাসনের যে সব স্থানে অভিযোগ করেছেন, সেখানে গিয়েও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এই লতিফ সিকদার এবং সহযোগী আইয়ুব আলীর হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ঐক্যবব্ধ হয়েছে। তারা পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামী লীগ নেতা লতিফসহ তার গ্রুপের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে।
তবে লতিফ সিকদার জমি নিয়ে কারও সাথে বিরোধ নেই দাবি করলেও চতুর আইয়ুব আলী বলছেন, কাগজপত্র আছে বিধায় আমালতে যাচ্ছি, মামলা করছি। কিন্তু আপনিতো মামলায় হেরেছেন প্রশ্নে তিনি বলেন একটি আদালতে হারলে, আরেকটিতে মামলা করার সুযোগ আছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জের এসিল্যান্ড তন্ময় হালদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তেমন একটা জানা নেই। তবে আইয়ুব আলী নামের জনৈক ব্যক্তি সঠিখোলা এলাকার একটি জমি নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। এবং তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।’
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এবং বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নের হঠাৎ করে ভূমিদস্যু একটি গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চরকরমজীর বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদারের নেতৃত্বে চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামের আইয়ুব আলীসহ অন্তত ৫/৬ জনের গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে দুই ইউনিয়নের ২০টির বেশি পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। বিশেষ করে কারও জমি দখলে ব্যর্থ হলে জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে মামলা-মোকাদ্দমা করাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। এবং জমি নিয়ে আদালতে মামলা করে পরাস্ত হয়েছেন, পরবর্তীতে একই জমি নিজের দাবি করে ভূমি অফিসসহ পুলিশের কাছে অভিযোগ করারও উদাহরণ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার লতিফ বাহিনী হয়রানি করেছে, এমন অন্তত ১৫ টি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরমজী এবং চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামে। দুটি গ্রামের মাঝখান দিয়ে নদী বয়ে গেছে এবং নদীর তীরবর্তী সরকারি ভূমি রয়েছে। এই ভূমি সরকারের তরফ থেকে পূর্বে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার পাশে বরিশাল সদর উপজেলার অংশে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতার ইটভাটা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার বিগত সময়ে সরকারি খাস জমি থেকে ইটভাটার মাটি কেটে নিয়েছেন। ওই সময় তার দল ক্ষমতায় থাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি। আ’লীগের পতন হলে তিনি আড়ালে থেকে চরামদ্দির সঠিখোলার বাসিন্দা আইয়ুব আলীকে সামনে ফেলে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন। তাদের কয়েকজনের ভূমিদস্যুতায় দুটি গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মো. হান্নান জানান, চরসঠিখোলা মৌজায় ২৫ বছর আগে সরকার তাকে ২০ ভূমি বন্দোবস্ত দেয়। এই ভূমিতে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এই ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যার নেপথ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার। একই বছরের ২৪ জুলাই আদালত হান্নানের পক্ষে রায় দেন, যার অনুলিপি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে পাঠানো হয়।
হান্নানের অভিযোগ, মামলা দিয়ে হয়রানির পরে সেই আইয়ুব আলী কিছুদিন পূর্বে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে অভিযোগ করেছেন। এবং মাঝে মধ্যে হুমকিও দিচ্ছেন, হয় জমি ছেড়ে দিবি, নয়তো প্রাণ যাবে।
অনুরুপ অভিযোগ করেছেন, কামরুল ইসলাম নান্টু, গিয়াস, নজরুল, সবুজ, পিন্টু, শাহীন, তোফাজ্জেল এবং সিরাজসহ অন্তত ১৫ জন বাসিন্দা। তারা জানান, প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৈয়দ ফয়জুল করিম (রহ:) ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জমিও এখন আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এনিয়ে তিনি একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করেন। কিন্তু সবখানেই তার দুই নম্বরি ধরা পড়ছে, তারপরেও হয়রানি করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যেকার আরেকজন সিরাজ অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পাওয়া তার ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এবং ভূমিটি সরকার তাকে নতুন করে বন্দোবস্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এর স্বপক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না। এমনকি তিনি প্রশাসনের যে সব স্থানে অভিযোগ করেছেন, সেখানে গিয়েও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এই লতিফ সিকদার এবং সহযোগী আইয়ুব আলীর হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ঐক্যবব্ধ হয়েছে। তারা পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামী লীগ নেতা লতিফসহ তার গ্রুপের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে।
তবে লতিফ সিকদার জমি নিয়ে কারও সাথে বিরোধ নেই দাবি করলেও চতুর আইয়ুব আলী বলছেন, কাগজপত্র আছে বিধায় আমালতে যাচ্ছি, মামলা করছি। কিন্তু আপনিতো মামলায় হেরেছেন প্রশ্নে তিনি বলেন একটি আদালতে হারলে, আরেকটিতে মামলা করার সুযোগ আছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জের এসিল্যান্ড তন্ময় হালদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তেমন একটা জানা নেই। তবে আইয়ুব আলী নামের জনৈক ব্যক্তি সঠিখোলা এলাকার একটি জমি নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। এবং তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।’
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১