
০৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৪২
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এবং বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নের হঠাৎ করে ভূমিদস্যু একটি গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চরকরমজীর বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদারের নেতৃত্বে চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামের আইয়ুব আলীসহ অন্তত ৫/৬ জনের গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে দুই ইউনিয়নের ২০টির বেশি পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। বিশেষ করে কারও জমি দখলে ব্যর্থ হলে জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে মামলা-মোকাদ্দমা করাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। এবং জমি নিয়ে আদালতে মামলা করে পরাস্ত হয়েছেন, পরবর্তীতে একই জমি নিজের দাবি করে ভূমি অফিসসহ পুলিশের কাছে অভিযোগ করারও উদাহরণ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার লতিফ বাহিনী হয়রানি করেছে, এমন অন্তত ১৫ টি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরমজী এবং চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামে। দুটি গ্রামের মাঝখান দিয়ে নদী বয়ে গেছে এবং নদীর তীরবর্তী সরকারি ভূমি রয়েছে। এই ভূমি সরকারের তরফ থেকে পূর্বে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার পাশে বরিশাল সদর উপজেলার অংশে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতার ইটভাটা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার বিগত সময়ে সরকারি খাস জমি থেকে ইটভাটার মাটি কেটে নিয়েছেন। ওই সময় তার দল ক্ষমতায় থাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি। আ’লীগের পতন হলে তিনি আড়ালে থেকে চরামদ্দির সঠিখোলার বাসিন্দা আইয়ুব আলীকে সামনে ফেলে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন। তাদের কয়েকজনের ভূমিদস্যুতায় দুটি গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মো. হান্নান জানান, চরসঠিখোলা মৌজায় ২৫ বছর আগে সরকার তাকে ২০ ভূমি বন্দোবস্ত দেয়। এই ভূমিতে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এই ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যার নেপথ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার। একই বছরের ২৪ জুলাই আদালত হান্নানের পক্ষে রায় দেন, যার অনুলিপি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে পাঠানো হয়।
হান্নানের অভিযোগ, মামলা দিয়ে হয়রানির পরে সেই আইয়ুব আলী কিছুদিন পূর্বে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে অভিযোগ করেছেন। এবং মাঝে মধ্যে হুমকিও দিচ্ছেন, হয় জমি ছেড়ে দিবি, নয়তো প্রাণ যাবে।
অনুরুপ অভিযোগ করেছেন, কামরুল ইসলাম নান্টু, গিয়াস, নজরুল, সবুজ, পিন্টু, শাহীন, তোফাজ্জেল এবং সিরাজসহ অন্তত ১৫ জন বাসিন্দা। তারা জানান, প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৈয়দ ফয়জুল করিম (রহ:) ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জমিও এখন আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এনিয়ে তিনি একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করেন। কিন্তু সবখানেই তার দুই নম্বরি ধরা পড়ছে, তারপরেও হয়রানি করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যেকার আরেকজন সিরাজ অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পাওয়া তার ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এবং ভূমিটি সরকার তাকে নতুন করে বন্দোবস্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এর স্বপক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না। এমনকি তিনি প্রশাসনের যে সব স্থানে অভিযোগ করেছেন, সেখানে গিয়েও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এই লতিফ সিকদার এবং সহযোগী আইয়ুব আলীর হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ঐক্যবব্ধ হয়েছে। তারা পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামী লীগ নেতা লতিফসহ তার গ্রুপের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে।
তবে লতিফ সিকদার জমি নিয়ে কারও সাথে বিরোধ নেই দাবি করলেও চতুর আইয়ুব আলী বলছেন, কাগজপত্র আছে বিধায় আমালতে যাচ্ছি, মামলা করছি। কিন্তু আপনিতো মামলায় হেরেছেন প্রশ্নে তিনি বলেন একটি আদালতে হারলে, আরেকটিতে মামলা করার সুযোগ আছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জের এসিল্যান্ড তন্ময় হালদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তেমন একটা জানা নেই। তবে আইয়ুব আলী নামের জনৈক ব্যক্তি সঠিখোলা এলাকার একটি জমি নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। এবং তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।’
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এবং বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি ইউনিয়নের হঠাৎ করে ভূমিদস্যু একটি গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চরকরমজীর বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদারের নেতৃত্বে চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামের আইয়ুব আলীসহ অন্তত ৫/৬ জনের গ্রুপটি দীর্ঘদিন ধরে দুই ইউনিয়নের ২০টির বেশি পরিবারকে হয়রানি করে আসছে। বিশেষ করে কারও জমি দখলে ব্যর্থ হলে জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে মামলা-মোকাদ্দমা করাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করার অভিযোগ আছে। এবং জমি নিয়ে আদালতে মামলা করে পরাস্ত হয়েছেন, পরবর্তীতে একই জমি নিজের দাবি করে ভূমি অফিসসহ পুলিশের কাছে অভিযোগ করারও উদাহরণ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার লতিফ বাহিনী হয়রানি করেছে, এমন অন্তত ১৫ টি পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে বরিশালের চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরমজী এবং চরামদ্দির সঠিখোলা গ্রামে। দুটি গ্রামের মাঝখান দিয়ে নদী বয়ে গেছে এবং নদীর তীরবর্তী সরকারি ভূমি রয়েছে। এই ভূমি সরকারের তরফ থেকে পূর্বে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার পাশে বরিশাল সদর উপজেলার অংশে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতার ইটভাটা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার বিগত সময়ে সরকারি খাস জমি থেকে ইটভাটার মাটি কেটে নিয়েছেন। ওই সময় তার দল ক্ষমতায় থাকায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি। আ’লীগের পতন হলে তিনি আড়ালে থেকে চরামদ্দির সঠিখোলার বাসিন্দা আইয়ুব আলীকে সামনে ফেলে হয়রানি অব্যাহত রেখেছেন। তাদের কয়েকজনের ভূমিদস্যুতায় দুটি গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মো. হান্নান জানান, চরসঠিখোলা মৌজায় ২৫ বছর আগে সরকার তাকে ২০ ভূমি বন্দোবস্ত দেয়। এই ভূমিতে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে এই ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যার নেপথ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিকদার। একই বছরের ২৪ জুলাই আদালত হান্নানের পক্ষে রায় দেন, যার অনুলিপি বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে পাঠানো হয়।
হান্নানের অভিযোগ, মামলা দিয়ে হয়রানির পরে সেই আইয়ুব আলী কিছুদিন পূর্বে বাকেরগঞ্জ ভূমি অফিসে অভিযোগ করেছেন। এবং মাঝে মধ্যে হুমকিও দিচ্ছেন, হয় জমি ছেড়ে দিবি, নয়তো প্রাণ যাবে।
অনুরুপ অভিযোগ করেছেন, কামরুল ইসলাম নান্টু, গিয়াস, নজরুল, সবুজ, পিন্টু, শাহীন, তোফাজ্জেল এবং সিরাজসহ অন্তত ১৫ জন বাসিন্দা। তারা জানান, প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সৈয়দ ফয়জুল করিম (রহ:) ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার জমিও এখন আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এনিয়ে তিনি একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করেন। কিন্তু সবখানেই তার দুই নম্বরি ধরা পড়ছে, তারপরেও হয়রানি করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের মধ্যেকার আরেকজন সিরাজ অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পাওয়া তার ভূমিটি আইয়ুব আলী নিজের দাবি করেন। এবং ভূমিটি সরকার তাকে নতুন করে বন্দোবস্ত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এর স্বপক্ষে তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না। এমনকি তিনি প্রশাসনের যে সব স্থানে অভিযোগ করেছেন, সেখানে গিয়েও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এই লতিফ সিকদার এবং সহযোগী আইয়ুব আলীর হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ঐক্যবব্ধ হয়েছে। তারা পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামী লীগ নেতা লতিফসহ তার গ্রুপের সদস্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছে।
তবে লতিফ সিকদার জমি নিয়ে কারও সাথে বিরোধ নেই দাবি করলেও চতুর আইয়ুব আলী বলছেন, কাগজপত্র আছে বিধায় আমালতে যাচ্ছি, মামলা করছি। কিন্তু আপনিতো মামলায় হেরেছেন প্রশ্নে তিনি বলেন একটি আদালতে হারলে, আরেকটিতে মামলা করার সুযোগ আছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জের এসিল্যান্ড তন্ময় হালদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তেমন একটা জানা নেই। তবে আইয়ুব আলী নামের জনৈক ব্যক্তি সঠিখোলা এলাকার একটি জমি নিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। এবং তার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.