পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৩

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বালিয়াতলী ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম মোল্লা (৬৭), তিনি উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকে গাছের গুঁড়ি দিয়ে পিটিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে।
শাহ আলম মোল্লার পুত্রবধূ রুনা বেগম জানান, ‘রোববার আমার ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী, এ জন্য বাড়িতে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়। আমার শ্বশুর দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য কেনাকাটা করতে বালিয়াতলীর চৌরাস্তা বাজারে যান। এর মধ্যে বিএনপির কর্মী রুম্মান, তৌহিদ এবং দীন ইসলামসহ সাত থেকে আটজন খবর পেয়ে চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে প্রথমে আমার শ্বশুরকে মারধর করেন। এরপর একটি গাছের গুঁড়ি দিয়ে আমার শ্বশুরের ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। মারধরে আমার শ্বশুরের শরীর ও মাথায় জখম হয়েছে।’
অভিযোগ, যারা এই হামলা করেছেন, তারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমানের লোক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মজিবুর রহমান বলছেন,‘আমার কোনো লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা আমি জানি না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য শাহ আলম মোল্লা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা পলি সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই রোগীকে আমরা যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছি। তার শরীর এবং মাথায় জখম হয়েছে। তবে ডান পায়ের আঘাত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে শাহ আলম মোল্লাকে দেখার জন্য পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। শাহ আলমের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১১
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বালিয়াতলী ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম মোল্লা (৬৭), তিনি উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকে গাছের গুঁড়ি দিয়ে পিটিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে।
শাহ আলম মোল্লার পুত্রবধূ রুনা বেগম জানান, ‘রোববার আমার ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী, এ জন্য বাড়িতে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়। আমার শ্বশুর দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য কেনাকাটা করতে বালিয়াতলীর চৌরাস্তা বাজারে যান। এর মধ্যে বিএনপির কর্মী রুম্মান, তৌহিদ এবং দীন ইসলামসহ সাত থেকে আটজন খবর পেয়ে চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে প্রথমে আমার শ্বশুরকে মারধর করেন। এরপর একটি গাছের গুঁড়ি দিয়ে আমার শ্বশুরের ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। মারধরে আমার শ্বশুরের শরীর ও মাথায় জখম হয়েছে।’
অভিযোগ, যারা এই হামলা করেছেন, তারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমানের লোক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মজিবুর রহমান বলছেন,‘আমার কোনো লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা আমি জানি না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য শাহ আলম মোল্লা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা পলি সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই রোগীকে আমরা যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছি। তার শরীর এবং মাথায় জখম হয়েছে। তবে ডান পায়ের আঘাত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে শাহ আলম মোল্লাকে দেখার জন্য পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। শাহ আলমের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬