রংপুরের পীরগাছায় রাতের আঁধারে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলার রামগোপাল এলাকার বাসিন্দা জাফর হোসেন।
বুধবার (০৮ অক্টোবর) ভোরে ওই এলাকার একটি রাস্তার ধারে তিনটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা সেগুলো আটক করে। পরে ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দিলে তিনি গ্রামপুলিশ পাঠিয়ে কাটা গাছগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যান।
অভিযুক্ত জাফর হোসেন ওই গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে সংঘবদ্ধ চক্রটি গভীর রাতে রাস্তার দুই পাশের গাছ কেটে বিক্রি করে আসছে। বুধবার ভোরে রামগোপাল আনন্দবাজারের দক্ষিণ পাশে রামগোপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যাওয়ার কাঁচা রাস্তার ধারে বড় আকারের তিনটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলা হয়। এসব গাছের বাজারমূল্য আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ভোরে জাফর হোসেনসহ কয়েকজনকে গাছ কাটতে দেখা গেছে। এই গাছগুলো ছিল সরকারি সম্পদ। প্রশাসন যেন দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
অভিযোগের বিষয়ে জাফর হোসেন জানান, তিনি নিয়ম মেনেই গাছগুলো কেটেছেন। তাম্বুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বজলুর রশিদ মুকুল বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার করা গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে রাখা হয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল বলেন, সরকারি গাছ কাটা একটি গুরুতর অপরাধ। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
‘২ কোটি টাকার কমে নড়ব না’, ‘সব সই করে দেব’—আর্থিক লেনদেন নিয়ে এমন বিস্ফোরক কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভিডিওটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পিডিবির তদন্ত ও শৃঙ্খলা পরিদপ্তরের এক দপ্তরাদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কয়েকটি অংশে মো. নুরুল আমিনকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি দুই কোটি টাকা থেকে নড়ব না। দুই কোটি টাকার কমে নড়ব না। চেয়ারম্যানের কাছে যেতে হলে যাব। দেখি চেয়ারম্যান কী কয়।”
কথোপকথনের আরেক অংশে একটি বিলের বিপরীতে দুই কোটি টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। এ সময় তিন লাখ টাকার কাজের বিপরীতে ৩০ লাখ টাকার মালামাল লাগার কথা উল্লেখ করে পাঁচ কোটি টাকার মালামাল আত্মসাতের হিসাবের কথাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। ওই অর্থ থেকে দুই কোটি টাকা দেওয়ার বিনিময়ে সবকিছুতে সই করে দেওয়ার কথাও উঠে আসে ভিডিওতে।
ভিডিওর এসব বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট কাজের হিসাব, বিল অনুমোদন এবং কথিত আর্থিক লেনদেন নিয়ে। তবে ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা গ্রহণের দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে টাকার পরিমাণ নিয়ে কথোপকথনও শোনা যায়।
একপর্যায়ে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে ৩৫ স্যার।’ জবাবে নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলতে শোনা যায়, ‘এক লাখ ৩৫।’ পরে ওই ব্যক্তি আগে এক লাখ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
তবে ভিডিওতে যাঁদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতে দেখা গেছে, তাঁদের মুখ স্পষ্ট নয়। তাঁদের পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পিডিবির দপ্তরাদেশে বলা হয়েছে, আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত কথোপকথনের ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা, ১৯৮২-এর ১৪১(১) বিধি অনুযায়ী মো. নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই বিধি অনুসারে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভিডিওটির বিষয়ে জানার পরপরই তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার পর তাঁর চাকরির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “প্রতিষ্ঠানের ভেতরে থাকা কোনো অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিডিবি পিছপা হবে না।”
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর এখন মূল প্রশ্ন—কথোপকথনে উঠে আসা কোটি টাকার হিসাবের সঙ্গে বাস্তব কোনো অনিয়মের যোগসূত্র রয়েছে কি না, কথিত লেনদেনের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং সংশ্লিষ্ট কাজের বিল ও মালামালের হিসাব কতটা সঠিক।
এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে তদন্তের মাধ্যমে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।'
‘২ কোটি টাকার কমে নড়ব না’, ‘সব সই করে দেব’—আর্থিক লেনদেন নিয়ে এমন বিস্ফোরক কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভিডিওটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পিডিবির তদন্ত ও শৃঙ্খলা পরিদপ্তরের এক দপ্তরাদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির কয়েকটি অংশে মো. নুরুল আমিনকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়।
ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি দুই কোটি টাকা থেকে নড়ব না। দুই কোটি টাকার কমে নড়ব না। চেয়ারম্যানের কাছে যেতে হলে যাব। দেখি চেয়ারম্যান কী কয়।”
কথোপকথনের আরেক অংশে একটি বিলের বিপরীতে দুই কোটি টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। এ সময় তিন লাখ টাকার কাজের বিপরীতে ৩০ লাখ টাকার মালামাল লাগার কথা উল্লেখ করে পাঁচ কোটি টাকার মালামাল আত্মসাতের হিসাবের কথাও বলতে শোনা যায় তাঁকে। ওই অর্থ থেকে দুই কোটি টাকা দেওয়ার বিনিময়ে সবকিছুতে সই করে দেওয়ার কথাও উঠে আসে ভিডিওতে।
ভিডিওর এসব বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট কাজের হিসাব, বিল অনুমোদন এবং কথিত আর্থিক লেনদেন নিয়ে। তবে ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভিডিওর আরেকটি অংশে কয়েকজন ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা গ্রহণের দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে টাকার পরিমাণ নিয়ে কথোপকথনও শোনা যায়।
একপর্যায়ে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে ৩৫ স্যার।’ জবাবে নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলতে শোনা যায়, ‘এক লাখ ৩৫।’ পরে ওই ব্যক্তি আগে এক লাখ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
তবে ভিডিওতে যাঁদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতে দেখা গেছে, তাঁদের মুখ স্পষ্ট নয়। তাঁদের পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পিডিবির দপ্তরাদেশে বলা হয়েছে, আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত কথোপকথনের ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা, ১৯৮২-এর ১৪১(১) বিধি অনুযায়ী মো. নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই বিধি অনুসারে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভিডিওটির বিষয়ে জানার পরপরই তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার পর তাঁর চাকরির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “প্রতিষ্ঠানের ভেতরে থাকা কোনো অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পিডিবি পিছপা হবে না।”
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর এখন মূল প্রশ্ন—কথোপকথনে উঠে আসা কোটি টাকার হিসাবের সঙ্গে বাস্তব কোনো অনিয়মের যোগসূত্র রয়েছে কি না, কথিত লেনদেনের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং সংশ্লিষ্ট কাজের বিল ও মালামালের হিসাব কতটা সঠিক।
এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে তদন্তের মাধ্যমে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।'

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩০
গাজীপুরে আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে বিস্ফোরক মামলার আসামি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিটিএসবির উপকমিশনার মহিউল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার আদালতে হাজিরা শেষে ৩০ আসামিকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে ফিরছিল প্রিজন ভ্যানটি। বিকেলে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে রাজা টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে চিৎকার শুরু করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে টয়লেটে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকের চেষ্টা করলেও ল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকার ময়লার ভাগাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাজা বিস্ফোরক আইনের মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ বন্দি ছিলেন।
জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
গাজীপুরে আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে বিস্ফোরক মামলার আসামি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে অবহেলা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান। তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিটিএসবির উপকমিশনার মহিউল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার আদালতে হাজিরা শেষে ৩০ আসামিকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারে ফিরছিল প্রিজন ভ্যানটি। বিকেলে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে রাজা টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে চিৎকার শুরু করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে টয়লেটে নেওয়ার সময় সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালিয়ে যান তিনি।
ঘটনার পর পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকের চেষ্টা করলেও ল মহাসড়কের বাইমাইল এলাকার ময়লার ভাগাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাজা বিস্ফোরক আইনের মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ বন্দি ছিলেন।
জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, তদন্তে দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৩৬
আগামী অক্টোবর ও নভেম্বরে জাপান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য এসব সফর নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, জাপানের আমন্ত্রণে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সরকারি সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সফরে গুরুত্ব পেতে পারে।
এদিকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে নভেম্বরে সৌদি আরব সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে সফরের তারিখ চূড়ান্ত হতে পারে। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।
অন্যদিকে ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তুরস্ক। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর বাইরে নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। তবে এ সফরের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, হাইতি, ভুটান ও থাইল্যান্ডের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী অক্টোবর ও নভেম্বরে জাপান, সৌদি আরব ও তুরস্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য এসব সফর নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো সফরের তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, জাপানের আমন্ত্রণে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সরকারি সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সফরে গুরুত্ব পেতে পারে।
এদিকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে নভেম্বরে সৌদি আরব সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে সফরের তারিখ চূড়ান্ত হতে পারে। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হতে পারে।
অন্যদিকে ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় কপ-৩১ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তুরস্ক। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর বাইরে নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। তবে এ সফরের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি নিউইয়র্কে চার কর্মদিবসে তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, হাইতি, ভুটান ও থাইল্যান্ডের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:৪৬
রংপুরের পীরগাছায় রাতের আঁধারে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলার রামগোপাল এলাকার বাসিন্দা জাফর হোসেন।
বুধবার (০৮ অক্টোবর) ভোরে ওই এলাকার একটি রাস্তার ধারে তিনটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা সেগুলো আটক করে। পরে ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দিলে তিনি গ্রামপুলিশ পাঠিয়ে কাটা গাছগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যান।
অভিযুক্ত জাফর হোসেন ওই গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে সংঘবদ্ধ চক্রটি গভীর রাতে রাস্তার দুই পাশের গাছ কেটে বিক্রি করে আসছে। বুধবার ভোরে রামগোপাল আনন্দবাজারের দক্ষিণ পাশে রামগোপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যাওয়ার কাঁচা রাস্তার ধারে বড় আকারের তিনটি ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলা হয়। এসব গাছের বাজারমূল্য আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ভোরে জাফর হোসেনসহ কয়েকজনকে গাছ কাটতে দেখা গেছে। এই গাছগুলো ছিল সরকারি সম্পদ। প্রশাসন যেন দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
অভিযোগের বিষয়ে জাফর হোসেন জানান, তিনি নিয়ম মেনেই গাছগুলো কেটেছেন। তাম্বুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বজলুর রশিদ মুকুল বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার করা গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে রাখা হয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল বলেন, সরকারি গাছ কাটা একটি গুরুতর অপরাধ। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২২
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০