বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির নবগঠিত কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় কলসকাঠী বাজারে ইউনিয়ন বিএনপির নতুন কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন মোল্লা এবং পদবঞ্চিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এইচএম হাসান ইমাম খোকন ও সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আবুল বাশার বকুলের অনুসারীদের মধ্যেকার এই সংঘাতে উভয়গ্রুপের অন্তত ৫ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন সজল তালুকদার, তিনি ঘোষিত কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান নাসিমের অনুসারী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ২২ নভেম্বর উপজেলা বিএনপি কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির ৭১ সদস্যের কমিটির অনুমোদন করে উপজেলার শীর্ষ নেতৃত্ব। এতে মিজানুর রহমান নাসিমকে সভাপতি এবং আল-আমিন মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কলসকাঠী বাজারে শুক্রবার বিকেলে নবগঠিত কমিটি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করে। একই সময় পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা কমিটি বাতিলের দাবিতে পাল্টা বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন। একপর্যায়ে উভয়গ্রুপের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে মহড়া দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জনসাধারণের মধ্যেকার আতঙ্ক বিরাজ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নবগঠিত কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান নাসিমের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ঢাপরকাঠী বাজার থেকে কলসকাঠী বাজারে আসার পথে গোডাউনসংলগ্ন রোডে তাদের ওপর হামলা চালায় পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে দু’গ্রুপ ব্যাপক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষে বিএনপি নেতা সজল তালুকদারসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন।
কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন মোল্লা বলেন, শুক্রবার বিকেলে কলসকাঠী বাজারে ধানের শীষের সমর্থনে প্রচার মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় পদবঞ্চিত কয়েকজন কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে বিএনপি নেতা সজলসহ ৫জন আহত হন।
তবে পদবঞ্চিত এইচ এম হাসান ইমাম খোকন বলছেন, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পকেট কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে তারা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন। এ খবর শুনে ঘোষিত কমিটির লোকজন আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেন। দলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা তাদের সেই আনন্দ মিছিল প্রতিহত করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বরিশালটাইমসকে বলেন, কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ঘোষণা নিয়ে একই সময় এক পক্ষ আনন্দ মিছিল এবং অপর পক্ষ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় পুলিশের দুটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে।’

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বালিয়াতলী ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম মোল্লা (৬৭), তিনি উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকে গাছের গুঁড়ি দিয়ে পিটিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে।
শাহ আলম মোল্লার পুত্রবধূ রুনা বেগম জানান, ‘রোববার আমার ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী, এ জন্য বাড়িতে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়। আমার শ্বশুর দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য কেনাকাটা করতে বালিয়াতলীর চৌরাস্তা বাজারে যান। এর মধ্যে বিএনপির কর্মী রুম্মান, তৌহিদ এবং দীন ইসলামসহ সাত থেকে আটজন খবর পেয়ে চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে প্রথমে আমার শ্বশুরকে মারধর করেন। এরপর একটি গাছের গুঁড়ি দিয়ে আমার শ্বশুরের ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। মারধরে আমার শ্বশুরের শরীর ও মাথায় জখম হয়েছে।’
অভিযোগ, যারা এই হামলা করেছেন, তারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমানের লোক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মজিবুর রহমান বলছেন,‘আমার কোনো লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা আমি জানি না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য শাহ আলম মোল্লা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা পলি সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই রোগীকে আমরা যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছি। তার শরীর এবং মাথায় জখম হয়েছে। তবে ডান পায়ের আঘাত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে শাহ আলম মোল্লাকে দেখার জন্য পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। শাহ আলমের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বালিয়াতলী ইউনিয়নের চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহ আলম মোল্লা (৬৭), তিনি উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। তার পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, তাকে গাছের গুঁড়ি দিয়ে পিটিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়া মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে।
শাহ আলম মোল্লার পুত্রবধূ রুনা বেগম জানান, ‘রোববার আমার ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী, এ জন্য বাড়িতে দোয়া-মিলাদের আয়োজন করা হয়। আমার শ্বশুর দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য কেনাকাটা করতে বালিয়াতলীর চৌরাস্তা বাজারে যান। এর মধ্যে বিএনপির কর্মী রুম্মান, তৌহিদ এবং দীন ইসলামসহ সাত থেকে আটজন খবর পেয়ে চৌরাস্তা এলাকায় গিয়ে প্রথমে আমার শ্বশুরকে মারধর করেন। এরপর একটি গাছের গুঁড়ি দিয়ে আমার শ্বশুরের ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে দেওয়া হয়। মারধরে আমার শ্বশুরের শরীর ও মাথায় জখম হয়েছে।’
অভিযোগ, যারা এই হামলা করেছেন, তারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমানের লোক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মজিবুর রহমান বলছেন,‘আমার কোনো লোক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কে বা কারা এই হামলা করেছে, তা আমি জানি না। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য শাহ আলম মোল্লা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা পলি সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই রোগীকে আমরা যথাযথ চিকিৎসা দিয়েছি। তার শরীর এবং মাথায় জখম হয়েছে। তবে ডান পায়ের আঘাত গুরুতর। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে শাহ আলম মোল্লাকে দেখার জন্য পুলিশ পাঠিয়েছিলেন। শাহ আলমের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১১
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।

২৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০১:০৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির নবগঠিত কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় কলসকাঠী বাজারে ইউনিয়ন বিএনপির নতুন কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন মোল্লা এবং পদবঞ্চিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এইচএম হাসান ইমাম খোকন ও সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আবুল বাশার বকুলের অনুসারীদের মধ্যেকার এই সংঘাতে উভয়গ্রুপের অন্তত ৫ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন সজল তালুকদার, তিনি ঘোষিত কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান নাসিমের অনুসারী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ২২ নভেম্বর উপজেলা বিএনপি কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির ৭১ সদস্যের কমিটির অনুমোদন করে উপজেলার শীর্ষ নেতৃত্ব। এতে মিজানুর রহমান নাসিমকে সভাপতি এবং আল-আমিন মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কলসকাঠী বাজারে শুক্রবার বিকেলে নবগঠিত কমিটি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করে। একই সময় পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা কমিটি বাতিলের দাবিতে পাল্টা বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন। একপর্যায়ে উভয়গ্রুপের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে মহড়া দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জনসাধারণের মধ্যেকার আতঙ্ক বিরাজ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নবগঠিত কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান নাসিমের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ঢাপরকাঠী বাজার থেকে কলসকাঠী বাজারে আসার পথে গোডাউনসংলগ্ন রোডে তাদের ওপর হামলা চালায় পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে দু’গ্রুপ ব্যাপক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষে বিএনপি নেতা সজল তালুকদারসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন।
কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন মোল্লা বলেন, শুক্রবার বিকেলে কলসকাঠী বাজারে ধানের শীষের সমর্থনে প্রচার মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় পদবঞ্চিত কয়েকজন কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে বিএনপি নেতা সজলসহ ৫জন আহত হন।
তবে পদবঞ্চিত এইচ এম হাসান ইমাম খোকন বলছেন, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পকেট কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে তারা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন। এ খবর শুনে ঘোষিত কমিটির লোকজন আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেন। দলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা তাদের সেই আনন্দ মিছিল প্রতিহত করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বরিশালটাইমসকে বলেন, কলসকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ঘোষণা নিয়ে একই সময় এক পক্ষ আনন্দ মিছিল এবং অপর পক্ষ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় পুলিশের দুটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬