
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৪
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী (৫২) নামে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইউসুফ উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পারিবারিক হতাশা থেকে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোনো সময় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হয়েছে।
এরআগে ইউসুফ ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন, ‘যদি ভুলবশত কারো সাথে অন্যায়-অবিচার করে থাকি, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।’
বাবুরহাট এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে পরিবারের টানাপড়েন শুরু হয়। এ নিয়ে পারিবারিকভাবে সালিশ বৈঠকও হয়। এর জের ধরে হতাশা থেকে ইউসুফ সোমবার রাতে আত্মহত্যা করেন।
উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কবির সরকার বলেন, খবর পেয়ে আমিও তার বাড়িতে দেখতে এসেছি। কয়েকদিন ধরে ইউসুফ সবার সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। গতরাতে একটি ছুরি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে তিনি এ ঘটনা ঘটান।
হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে। পরকীয়ার জের ধরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী (৫২) নামে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইউসুফ উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পারিবারিক হতাশা থেকে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোনো সময় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হয়েছে।
এরআগে ইউসুফ ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন, ‘যদি ভুলবশত কারো সাথে অন্যায়-অবিচার করে থাকি, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।’
বাবুরহাট এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে পরিবারের টানাপড়েন শুরু হয়। এ নিয়ে পারিবারিকভাবে সালিশ বৈঠকও হয়। এর জের ধরে হতাশা থেকে ইউসুফ সোমবার রাতে আত্মহত্যা করেন।
উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কবির সরকার বলেন, খবর পেয়ে আমিও তার বাড়িতে দেখতে এসেছি। কয়েকদিন ধরে ইউসুফ সবার সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। গতরাতে একটি ছুরি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে তিনি এ ঘটনা ঘটান।
হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে। পরকীয়ার জের ধরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০১
পিরোজপুরে ইন্দুরকানীতে পৃথক জায়গায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক বৃদ্ধ ও এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১টার দিকে আবু হানিফ মৃধা (৭২) ভবানীপুর এলাকার সড়ক পার হওয়ার সময় একটি বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আবু হানিফ মৃধা পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চরহোগলা বুনিয়া গ্রামের মৃত এসাহাক আলী মৃধার ছেলে।
এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে একই উপজেলার ইন্দুরকানী গ্রামের ইসমাইল গাজীর স্ত্রী (৫০) পিরোজপুরের ধুপপাশা এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পরপর দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বুধবার জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহত আবু হানিফের ভাইপো সাব্বির হোসেন বাবু বলেন, ‘আমার চাচা সকাল ১১টার দিকে বাড়ির সামনের সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। বেপরোয়া অটোরিকশাচালকদের আইনের আওতায় আনা দরকার।’
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. মাহমুদ হাসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুরে ইন্দুরকানীতে পৃথক জায়গায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক বৃদ্ধ ও এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১টার দিকে আবু হানিফ মৃধা (৭২) ভবানীপুর এলাকার সড়ক পার হওয়ার সময় একটি বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আবু হানিফ মৃধা পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চরহোগলা বুনিয়া গ্রামের মৃত এসাহাক আলী মৃধার ছেলে।
এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে একই উপজেলার ইন্দুরকানী গ্রামের ইসমাইল গাজীর স্ত্রী (৫০) পিরোজপুরের ধুপপাশা এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পরপর দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বুধবার জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহত আবু হানিফের ভাইপো সাব্বির হোসেন বাবু বলেন, ‘আমার চাচা সকাল ১১টার দিকে বাড়ির সামনের সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। বেপরোয়া অটোরিকশাচালকদের আইনের আওতায় আনা দরকার।’
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. মাহমুদ হাসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৮
পাবনার আটঘরিয়ায় নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম লোকমান হোসেন (৫৫)। তিনি মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। ঘটনার দিন নেশার টাকা চেয়ে বাবা লোকমান হোসেনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিজ ঘরের ভেতর ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা লোকমান হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পাবনার আটঘরিয়ায় নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম লোকমান হোসেন (৫৫)। তিনি মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। ঘটনার দিন নেশার টাকা চেয়ে বাবা লোকমান হোসেনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিজ ঘরের ভেতর ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা লোকমান হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৩
যশোরে মাসুদ রানা (২০) নামে এক যুবকের পেটের ভেতর থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে শহরের মণিহার বাসস্ট্যান্ড থেকে র্যাব সদস্যরা তাকে আটক করেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পঙ্গু হাসপাতালে তার এক্স-রে করার পর পেটে ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাসুদ রানা শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া কলোনিপাড়ার হোসেন আলীর ছেলে।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ. টি. এম. ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন এক যুবক ইয়াবাসহ যশোর হয়ে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয় এবং মাসুদ রানাকে আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ রানা স্বীকার করেন, তার পেটের ভেতরে আনুমানিক ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। এসব ইয়াবা তিনি কক্সবাজার থেকে যশোরে নিয়ে আসছিলেন। চিকিৎসকের সহায়তায় তার পেট থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো বের করা হয়েছে। র্যাব সদস্যদের পাহারায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে মাসুদ রানার চিকিৎসা চলছে।
যশোরে মাসুদ রানা (২০) নামে এক যুবকের পেটের ভেতর থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে শহরের মণিহার বাসস্ট্যান্ড থেকে র্যাব সদস্যরা তাকে আটক করেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পঙ্গু হাসপাতালে তার এক্স-রে করার পর পেটে ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাসুদ রানা শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া কলোনিপাড়ার হোসেন আলীর ছেলে।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ. টি. এম. ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন এক যুবক ইয়াবাসহ যশোর হয়ে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয় এবং মাসুদ রানাকে আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ রানা স্বীকার করেন, তার পেটের ভেতরে আনুমানিক ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। এসব ইয়াবা তিনি কক্সবাজার থেকে যশোরে নিয়ে আসছিলেন। চিকিৎসকের সহায়তায় তার পেট থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো বের করা হয়েছে। র্যাব সদস্যদের পাহারায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে মাসুদ রানার চিকিৎসা চলছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.