
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করে বিশেষায়িত চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে তারা এ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ‘স্বতন্ত্রতা দাও, শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাও’; ‘ইঞ্জিনিয়ারস ডিজার্ভ এডুকেশন, নট এক্সপ্লোয়েশন’; ‘রিফর্ম দ্য সিস্টেম, সেভ লাইফ’; ‘যে নীতিতে ছাত্র মরে, সেই নীতি চলবে না’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডের লেখাগুলো স্লোগানে স্লোগানেও তুলে ধরছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত টানা ছয় মাস আন্দোলন করেন এই চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা আমরণ অনশনে বসেন। টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনের পর গত ১৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এরপর তারা কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরেন। তবে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত জিয়াস বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের শুরু থেকে টানা ছয় মাস আন্দোলন করেছি। অনশন এবং অধিদপ্তর ঘেরাওর পর সরকার আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেয়। বিষয়টি সমাধানে একটি কমিটিও গঠন করে দেয়। ওই কমিটি সংকট নিরসনে সুপারিশ করেছে। তবে সরকার সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে না। আমরা মনে করছি, চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি অবহেলা থেকে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। এজন্য আজ আবার আমরা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছি। দাবি পূর না হলে আমরা ফিরবো না।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা নিয়ে একটা কমিটি হয়েছিল। সেই কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করছে।’
জানা যায়, দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও সিলেট দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক জটিলতায় ভুগছে। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত শিক্ষাকাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সিলেবাসসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। সংকট কাটিয়ে কলেজগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
সবশেষ গত বছরের ১২ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তারা টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনও করেন। মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে শিক্ষার্থীরা ১৩ আগস্ট ‘আপাতত কর্মসূচি স্থগিত’ ঘোষণা করে ক্লাসে ফিরে যান। তবে দাবি পূরণ ও সংকট নিরসনে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আবারও মাঠে নেমেছেন চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করে বিশেষায়িত চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে তারা এ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ‘স্বতন্ত্রতা দাও, শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাও’; ‘ইঞ্জিনিয়ারস ডিজার্ভ এডুকেশন, নট এক্সপ্লোয়েশন’; ‘রিফর্ম দ্য সিস্টেম, সেভ লাইফ’; ‘যে নীতিতে ছাত্র মরে, সেই নীতি চলবে না’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডের লেখাগুলো স্লোগানে স্লোগানেও তুলে ধরছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত টানা ছয় মাস আন্দোলন করেন এই চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা আমরণ অনশনে বসেন। টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনের পর গত ১৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এরপর তারা কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরেন। তবে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত জিয়াস বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের শুরু থেকে টানা ছয় মাস আন্দোলন করেছি। অনশন এবং অধিদপ্তর ঘেরাওর পর সরকার আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেয়। বিষয়টি সমাধানে একটি কমিটিও গঠন করে দেয়। ওই কমিটি সংকট নিরসনে সুপারিশ করেছে। তবে সরকার সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে না। আমরা মনে করছি, চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি অবহেলা থেকে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। এজন্য আজ আবার আমরা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছি। দাবি পূর না হলে আমরা ফিরবো না।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা নিয়ে একটা কমিটি হয়েছিল। সেই কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করছে।’
জানা যায়, দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও সিলেট দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক জটিলতায় ভুগছে। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত শিক্ষাকাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সিলেবাসসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। সংকট কাটিয়ে কলেজগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
সবশেষ গত বছরের ১২ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তারা টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনও করেন। মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে শিক্ষার্থীরা ১৩ আগস্ট ‘আপাতত কর্মসূচি স্থগিত’ ঘোষণা করে ক্লাসে ফিরে যান। তবে দাবি পূরণ ও সংকট নিরসনে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আবারও মাঠে নেমেছেন চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৯ জুন, ২০২৬ ১৮:০৫
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
০৯ জুন, ২০২৬ ২১:৪৭