রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করে বিশেষায়িত চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে তারা এ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ‘স্বতন্ত্রতা দাও, শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাও’; ‘ইঞ্জিনিয়ারস ডিজার্ভ এডুকেশন, নট এক্সপ্লোয়েশন’; ‘রিফর্ম দ্য সিস্টেম, সেভ লাইফ’; ‘যে নীতিতে ছাত্র মরে, সেই নীতি চলবে না’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডের লেখাগুলো স্লোগানে স্লোগানেও তুলে ধরছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত টানা ছয় মাস আন্দোলন করেন এই চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা আমরণ অনশনে বসেন। টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনের পর গত ১৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এরপর তারা কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরেন। তবে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত জিয়াস বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের শুরু থেকে টানা ছয় মাস আন্দোলন করেছি। অনশন এবং অধিদপ্তর ঘেরাওর পর সরকার আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেয়। বিষয়টি সমাধানে একটি কমিটিও গঠন করে দেয়। ওই কমিটি সংকট নিরসনে সুপারিশ করেছে। তবে সরকার সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে না। আমরা মনে করছি, চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি অবহেলা থেকে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। এজন্য আজ আবার আমরা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছি। দাবি পূর না হলে আমরা ফিরবো না।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা নিয়ে একটা কমিটি হয়েছিল। সেই কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করছে।’
জানা যায়, দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও সিলেট দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক জটিলতায় ভুগছে। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত শিক্ষাকাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সিলেবাসসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। সংকট কাটিয়ে কলেজগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
সবশেষ গত বছরের ১২ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তারা টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনও করেন। মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে শিক্ষার্থীরা ১৩ আগস্ট ‘আপাতত কর্মসূচি স্থগিত’ ঘোষণা করে ক্লাসে ফিরে যান। তবে দাবি পূরণ ও সংকট নিরসনে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আবারও মাঠে নেমেছেন চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী এসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানান ভুল করায় তিনশো বার নিজের নাম লিখিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনা। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ঐ শিক্ষার্থী নিজের ফেসবুক ওয়ালে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। এর পরেই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার নাম এসাইনমেন্টে ভুল করায় তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের সাইদুল ইসলাম সাইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে এমন অভিনব কাজ দেন ওই শিক্ষক।
অভিনব এই এসাইনমেন্টের পিকচার নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে সাইদুল নামের ঐ শিক্ষার্থী লিখেছেন, "গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অতিরিক্ত অক্ষর"Morium"এর পরিবর্তে "Morioum" লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।"
অভিনব এসাইনমেন্টের বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, "কত কত অযাচিত assignment করছি তার হিসেব নাই, ক্রিয়েটিভিটি বলতে দেখে দেখে এ্যাসাইনমেন্ট এর এই ধরনের র্যাগিং ই হয় এখানে, শিক্ষক কর্তৃক নানান র্যাগিং এর সম্মুখীন হওয়া খুবই মামুলি বিষয় এই বিভাগে।"
ইসরাত জাহান নামে এক শিক্ষার্থী কমেন্টে শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছেন, "তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বারের নাম ভুল করেন, তাও আবার পোস্ট করেন নূন্যতম বিবেক বোধ থাকা উচিত।"
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকার কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।’
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘আপনারা যারা বহুদিন নৌকা মার্কা বা অন্য কোনো মার্কায় ভোট দিয়েছেন, তারা বিশ্বাস করেছেন যে আপনাদের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক অধিকারের জন্য এটা করা উচিত, তাহলে আপনারা কোনো ভুল করেননি। যেমনটি গত নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে, স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।’
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মানিক মুখাজী কুডুর সভাপতিত্বে এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষ খ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে. সহ পূজা উদ্যাপন পরিষদের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও প্রধান বক্তা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মৃনাল কান্তি সাহা, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যান ফ্রন্টের আহ্বায়ক এলবার্ট রিপন বল্লভ এবং সদস্যসচিব লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু প্রমুখ।

২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করে বিশেষায়িত চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে তারা এ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ‘স্বতন্ত্রতা দাও, শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাও’; ‘ইঞ্জিনিয়ারস ডিজার্ভ এডুকেশন, নট এক্সপ্লোয়েশন’; ‘রিফর্ম দ্য সিস্টেম, সেভ লাইফ’; ‘যে নীতিতে ছাত্র মরে, সেই নীতি চলবে না’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডের লেখাগুলো স্লোগানে স্লোগানেও তুলে ধরছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত টানা ছয় মাস আন্দোলন করেন এই চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা আমরণ অনশনে বসেন। টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনের পর গত ১৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এরপর তারা কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরেন। তবে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত জিয়াস বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের শুরু থেকে টানা ছয় মাস আন্দোলন করেছি। অনশন এবং অধিদপ্তর ঘেরাওর পর সরকার আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেয়। বিষয়টি সমাধানে একটি কমিটিও গঠন করে দেয়। ওই কমিটি সংকট নিরসনে সুপারিশ করেছে। তবে সরকার সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে না। আমরা মনে করছি, চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি অবহেলা থেকে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। এজন্য আজ আবার আমরা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছি। দাবি পূর না হলে আমরা ফিরবো না।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা নিয়ে একটা কমিটি হয়েছিল। সেই কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করছে।’
জানা যায়, দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও সিলেট দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক জটিলতায় ভুগছে। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত শিক্ষাকাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সিলেবাসসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। সংকট কাটিয়ে কলেজগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
সবশেষ গত বছরের ১২ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তারা টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনও করেন। মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে শিক্ষার্থীরা ১৩ আগস্ট ‘আপাতত কর্মসূচি স্থগিত’ ঘোষণা করে ক্লাসে ফিরে যান। তবে দাবি পূরণ ও সংকট নিরসনে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আবারও মাঠে নেমেছেন চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মানবপাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরী এবং স্থানীয়দের নিরাপদ রাখতে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে সচেতনতামূলক পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কাশিপুর ইউনিয়নের নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক পদযাত্রা শুরু হয়। এ সময় মানব পাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন, অনলাইন প্রতারণা এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করা হয়। পদযাত্রা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক অপরাধ। এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও কমিউনিটির সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, পাচারকারীরা চাকরি, উচ্চ বেতন, বিদেশে কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে পাচারের ফাঁদে ফেলছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও প্রলোভনের মাধ্যমে মানুষকে পাচারের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। তাই অনলাইনে বা সরাসরি পাওয়া কোনো চাকরি কিংবা বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব গ্রহণের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পরিচয়পত্র বা গুরুত্বপূর্ণ নথি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অনলাইনে কোনো সন্দেহজনক প্রস্তাব বা চাকরির সুযোগ পেলে পরিবারের সদস্য, শিক্ষক অথবা বিশ্বস্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।
জাতিসংঘ ঘোষিত World Day Against Trafficking in Persons প্রতি বছর ৩০ জুলাই পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “Trapped Behind the Scam”। এবারের প্রতিপাদ্যে অনলাইন স্ক্যাম ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষকে পাচার এবং জোরপূর্বক যুক্ত করার ঝুঁকির বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিদ্যালয়ের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ইপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি কাশিপুর ইউনিয়নাধীন নব আদর্শ কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটি-এর উদ্যোগে এবং Empowering Communities for Children Rights (ECCR) Project, World Concern Bangladesh-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজক সংগঠন ও উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মানবপাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরী এবং স্থানীয়দের নিরাপদ রাখতে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে সচেতনতামূলক পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কাশিপুর ইউনিয়নের নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক পদযাত্রা শুরু হয়। এ সময় মানব পাচার প্রতিরোধ, নিরাপদ অভিবাসন, অনলাইন প্রতারণা এবং শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করা হয়। পদযাত্রা শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও নব আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, মানব পাচার একটি গুরুতর সামাজিক অপরাধ। এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও কমিউনিটির সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, পাচারকারীরা চাকরি, উচ্চ বেতন, বিদেশে কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে পাচারের ফাঁদে ফেলছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও প্রলোভনের মাধ্যমে মানুষকে পাচারের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে। তাই অনলাইনে বা সরাসরি পাওয়া কোনো চাকরি কিংবা বিদেশে যাওয়ার প্রস্তাব গ্রহণের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কিশোর-কিশোরীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, পরিচয়পত্র বা গুরুত্বপূর্ণ নথি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অনলাইনে কোনো সন্দেহজনক প্রস্তাব বা চাকরির সুযোগ পেলে পরিবারের সদস্য, শিক্ষক অথবা বিশ্বস্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।
জাতিসংঘ ঘোষিত World Day Against Trafficking in Persons প্রতি বছর ৩০ জুলাই পালিত হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “Trapped Behind the Scam”। এবারের প্রতিপাদ্যে অনলাইন স্ক্যাম ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে মানুষকে পাচার এবং জোরপূর্বক যুক্ত করার ঝুঁকির বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটির সদস্য, বিদ্যালয়ের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ইপি সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং কমিউনিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি কাশিপুর ইউনিয়নাধীন নব আদর্শ কিশোর-কিশোরী ক্লাব ও আদর্শ সামাজিক সুরক্ষা কমিটি-এর উদ্যোগে এবং Empowering Communities for Children Rights (ECCR) Project, World Concern Bangladesh-এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজক সংগঠন ও উপস্থিত অতিথিরা বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক শিক্ষার্থী এসাইনমেন্টে শিক্ষকের নামের বানান ভুল করায় তিনশো বার নিজের নাম লিখিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনা। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ঐ শিক্ষার্থী নিজের ফেসবুক ওয়ালে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। এর পরেই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার নাম এসাইনমেন্টে ভুল করায় তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের সাইদুল ইসলাম সাইদ নামের এক শিক্ষার্থীকে এমন অভিনব কাজ দেন ওই শিক্ষক।
অভিনব এই এসাইনমেন্টের পিকচার নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে সাইদুল নামের ঐ শিক্ষার্থী লিখেছেন, "গত রাতটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অন্যতম স্মরণীয় একটি অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। একটি শব্দের বানানে মাত্র একটি অতিরিক্ত অক্ষর"Morium"এর পরিবর্তে "Morioum" লেখার কারণে আমাকে পুরো লেখাটি ৩০০ বার সংশোধন করতে হয়েছে।"
অভিনব এসাইনমেন্টের বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে ফাইনান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রেদোয়ান সরকার এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, "কত কত অযাচিত assignment করছি তার হিসেব নাই, ক্রিয়েটিভিটি বলতে দেখে দেখে এ্যাসাইনমেন্ট এর এই ধরনের র্যাগিং ই হয় এখানে, শিক্ষক কর্তৃক নানান র্যাগিং এর সম্মুখীন হওয়া খুবই মামুলি বিষয় এই বিভাগে।"
ইসরাত জাহান নামে এক শিক্ষার্থী কমেন্টে শিক্ষকের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করেছেন, "তৃতীয় বর্ষে পড়ে একজন ফ্যাকাল্টি মেম্বারের নাম ভুল করেন, তাও আবার পোস্ট করেন নূন্যতম বিবেক বোধ থাকা উচিত।"
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য সহকারী অধ্যাপক মরিয়ম হাসনার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকার কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।’
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘আপনারা যারা বহুদিন নৌকা মার্কা বা অন্য কোনো মার্কায় ভোট দিয়েছেন, তারা বিশ্বাস করেছেন যে আপনাদের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক অধিকারের জন্য এটা করা উচিত, তাহলে আপনারা কোনো ভুল করেননি। যেমনটি গত নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের প্রয়োজনে, স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন।’
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মানিক মুখাজী কুডুর সভাপতিত্বে এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষ খ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে. সহ পূজা উদ্যাপন পরিষদের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও প্রধান বক্তা ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
সম্মেলনে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মৃনাল কান্তি সাহা, বরিশাল মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যান ফ্রন্টের আহ্বায়ক এলবার্ট রিপন বল্লভ এবং সদস্যসচিব লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু প্রমুখ।
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪০
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬