
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৪
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দেশের কোথাও আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিষয়টি সরকার চায়নি এবং এ বিষয়ে আইনগতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি গত ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, গণমাধ্যম সবসময় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে।
বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দলটি সরকার পরিচালনায় কাজ করছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, আইনগত কারণে আপাতত প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে শিগগিরই নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
এছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হবে বলেও উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। দলের সঙ্গে দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে যুক্ত ও অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দেশের কোথাও আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিষয়টি সরকার চায়নি এবং এ বিষয়ে আইনগতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি গত ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, গণমাধ্যম সবসময় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে।
বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দলটি সরকার পরিচালনায় কাজ করছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, আইনগত কারণে আপাতত প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে শিগগিরই নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
এছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হবে বলেও উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। দলের সঙ্গে দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে যুক্ত ও অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি।

০১ মে, ২০২৬ ১৭:২৬
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।

০১ মে, ২০২৬ ১৬:৫৩
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নাহিদ ইসলামরা রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে পছন্দের লোককে বসাতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে তাদের সবাইকে।’ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে আনিস আলমগীর লেখেন, ‘নাহিদ ইসলামরা চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের কাউকে সেই পদে বসাতে। ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে পালের গোদা মোহাম্মদ ইউনূসসহ তাদের সবাইকে।’
তিনি লেখেন, ‘‘রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়েছে- উদ্দেশ্য তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া, উগ্র ইসলামী রাষ্ট্র বানানো।
সেখানেও ব্যর্থতা- সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে। তারা চেয়েছিলেন ডক্টর ইউনুসের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ জারি করতে- সেই আগ্রহ ইউনূসেরও ছিল। কিন্তু আইনি ভিত্তি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কাছেই যেতে হয়েছে- আসিফ নজরুলের মাধ্যমে, কারণ ততক্ষণে রাষ্ট্রপতি নাহিদদের আপত্তির অজুহাতে স্বাক্ষর করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
আনিস আলমগীর লেখেন, ‘তিন বছর ধরে রাষ্ট্রপতি তার পদে বহাল আছেন। তিনি মেয়াদ পূর্ণ করবেন কি না- সেটি রাষ্ট্রপতি ও বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। বিরোধীদলের দাবিতে রাষ্ট্রপতি সরে যাবেন- এটি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কারণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরকারের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই- বরং অভ্যন্তরীণভাবে কিছু সিনিয়র ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষাই এখানে আলোচনার কেন্দ্র।’
তিনি লেখেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে সংসদে ব্যক্তি আক্রমণ, অসভ্য ভাষায় বক্তৃতা দেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়- কারণ সেখানে লাগামহীন অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকেন না।
রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন- তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করলে শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয় রাষ্ট্রই।’

০১ মে, ২০২৬ ১৩:৩২
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে তাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এ সময় সাদিক কায়েম সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নাহিদ ইসলামরা রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে পছন্দের লোককে বসাতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে তাদের সবাইকে।’ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে আনিস আলমগীর লেখেন, ‘নাহিদ ইসলামরা চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের কাউকে সেই পদে বসাতে। ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে পালের গোদা মোহাম্মদ ইউনূসসহ তাদের সবাইকে।’
তিনি লেখেন, ‘‘রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়েছে- উদ্দেশ্য তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া, উগ্র ইসলামী রাষ্ট্র বানানো।
সেখানেও ব্যর্থতা- সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে। তারা চেয়েছিলেন ডক্টর ইউনুসের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ জারি করতে- সেই আগ্রহ ইউনূসেরও ছিল। কিন্তু আইনি ভিত্তি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কাছেই যেতে হয়েছে- আসিফ নজরুলের মাধ্যমে, কারণ ততক্ষণে রাষ্ট্রপতি নাহিদদের আপত্তির অজুহাতে স্বাক্ষর করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
আনিস আলমগীর লেখেন, ‘তিন বছর ধরে রাষ্ট্রপতি তার পদে বহাল আছেন। তিনি মেয়াদ পূর্ণ করবেন কি না- সেটি রাষ্ট্রপতি ও বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। বিরোধীদলের দাবিতে রাষ্ট্রপতি সরে যাবেন- এটি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কারণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরকারের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই- বরং অভ্যন্তরীণভাবে কিছু সিনিয়র ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষাই এখানে আলোচনার কেন্দ্র।’
তিনি লেখেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে সংসদে ব্যক্তি আক্রমণ, অসভ্য ভাষায় বক্তৃতা দেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়- কারণ সেখানে লাগামহীন অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকেন না।
রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন- তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করলে শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয় রাষ্ট্রই।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে তাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এ সময় সাদিক কায়েম সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।