
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৬
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। শেষ পরীক্ষা পর্যন্ত খেয়া পারাপারে তাদের দিতে হবে না ট্রলারভাড়া। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। এদিকে প্রশাসনের এই শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী নাগরিক সংগঠন সুজন।
জানা যায়, উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে সরকারি আবুল কালাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে প্রতিদিন কয়েকশো শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা রাহুতকাঠী খেয়াঘাট থেকে পারাপার হন। এই সুযোগে খেয়াঘাটে বাড়তি ভাড়া আদায় ও হয়রানি অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে খেয়াভাড়া মওকুফ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন ছাত্রপক্ষের নেতা রাকিব সিকদার।
মঙ্গলবার ওই লিখিত আবেদন নিয়ে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী নেতৃত্বে ছাত্রপক্ষের আহবায়ক আইয়ুব নবীসহ ছাত্রনেতাদের একটি প্রতিনিধি দল বাবুগঞ্জের ইউএনওর সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। এসময় ছাত্রনেতাদের অনুরোধে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ট্রলারভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত নেন ইউএনও আসমা উল হুসনা। রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ইজারাদারকে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনাও দেন তিনি।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে ট্রলারভাড়া মওকুফ, মাদক প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনার জন্য এবি পার্টির ছাত্রপক্ষের প্রতিনিধি দলের সাথে ইউএনওর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও মহোদয় সার্বিক বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ছাত্রদের দাবির বিষয়ে তার কুইক রেসপন্সসহ অন্যান্য বিষয়েও তার নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।'
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের খেয়াভাড়া মওকুফের ঘটনায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও স্বার্থরক্ষায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁর নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ অসাধারণ। তিনি উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। মাদক উদ্ধার, বালু উত্তোলন এবং মাটি চুরির ঘটনায় তার পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযান প্রশংসার দাবি রাখে। প্রশাসনের একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর এসব মানবিক ও জনহিতৈষী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকুক।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ছাত্রদের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করার দাবি জানান। তারা এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদনও করেন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়া পারাপারে ট্রলারভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং খেয়াঘাটের ইজারাদারকে সাথেসাথেই তা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরীক্ষা দিতে আসা-যাওয়া করা শিক্ষার্থীরা তাদের এডমিট কার্ড বা পরীক্ষার প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে খেয়া পারাপার হতে পারবেন।' #
বাবুগঞ্জের ইউএনও আসমা উল হুসনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করছেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের একটি প্রতিনিধি দল।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। শেষ পরীক্ষা পর্যন্ত খেয়া পারাপারে তাদের দিতে হবে না ট্রলারভাড়া। আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। এদিকে প্রশাসনের এই শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী নাগরিক সংগঠন সুজন।
জানা যায়, উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নে সরকারি আবুল কালাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে প্রতিদিন কয়েকশো শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা রাহুতকাঠী খেয়াঘাট থেকে পারাপার হন। এই সুযোগে খেয়াঘাটে বাড়তি ভাড়া আদায় ও হয়রানি অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে খেয়াভাড়া মওকুফ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন ছাত্রপক্ষের নেতা রাকিব সিকদার।
মঙ্গলবার ওই লিখিত আবেদন নিয়ে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী নেতৃত্বে ছাত্রপক্ষের আহবায়ক আইয়ুব নবীসহ ছাত্রনেতাদের একটি প্রতিনিধি দল বাবুগঞ্জের ইউএনওর সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। এসময় ছাত্রনেতাদের অনুরোধে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ট্রলারভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত নেন ইউএনও আসমা উল হুসনা। রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ইজারাদারকে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনাও দেন তিনি।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী বলেন, 'এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে ট্রলারভাড়া মওকুফ, মাদক প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনার জন্য এবি পার্টির ছাত্রপক্ষের প্রতিনিধি দলের সাথে ইউএনওর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও মহোদয় সার্বিক বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার্থীদের জন্য রাহুতকাঠী খেয়াঘাটের ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ছাত্রদের দাবির বিষয়ে তার কুইক রেসপন্সসহ অন্যান্য বিষয়েও তার নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।'
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের খেয়াভাড়া মওকুফের ঘটনায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও স্বার্থরক্ষায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁর নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ অসাধারণ। তিনি উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। মাদক উদ্ধার, বালু উত্তোলন এবং মাটি চুরির ঘটনায় তার পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযান প্রশংসার দাবি রাখে। প্রশাসনের একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর এসব মানবিক ও জনহিতৈষী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকুক।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'ছাত্রদের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে রাহুতকাঠী খেয়াঘাটে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়াভাড়া মওকুফ করার দাবি জানান। তারা এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদনও করেন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষার্থীদের জন্য খেয়া পারাপারে ট্রলারভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং খেয়াঘাটের ইজারাদারকে সাথেসাথেই তা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরীক্ষা দিতে আসা-যাওয়া করা শিক্ষার্থীরা তাদের এডমিট কার্ড বা পরীক্ষার প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে খেয়া পারাপার হতে পারবেন।' #

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৫
বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। শহরের মড়কখোলার পুলসংলগ্ন ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণে ইতিমধ্যে সকল প্রকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেদনের বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এমন উদ্যোগ নেন। এবং তিনি মানবিক এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদনের অপেক্ষা রেখেছিলেন।
বিসিসি সূত্র জানায়, শহরের মড়কখোলা পুলের কাছাকাছি স্থানে ভবনটি নির্মাণসংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া কিছুদিন পূর্বে শেষ হয়। শুধু বাকি ছিল সরকার প্রধানের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের বিষয়টি।
সূত্র জানিয়েছে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে বরিশালে আসলে একান্তে আলোচনার এক ফাঁকে বিসিসি প্রশাসক শিরিক বিভিন্ন সম্ভব্য প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করেন। তখন বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকটের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারেক রহমান একটি ভবন করে দেওয়ার অনুমোদন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। অনেকে এ ইস্যুতে তারেক রহমান এবং শিরিনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিসিসি প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সহকারি মুসফিকুল হাসান মাসুম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। বিসিসি প্রশাসক শিরিন গতকাল সোমবার বরিশাল শিল্পকলায় সাংগঠনিক সভায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করলে তিনি এতে সায় দেন। ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকল না। খুব শিগগিরই ভবনটি নির্মাণকাজে উদ্যোগ নেবে সিটি কর্পোরেশন।
অবশ্য প্রশাসক শিরিনও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এবং তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই প্রকল্পটি বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গাড়ি লক্ষ্য করে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মাদারীপুরের সাধুরব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷ এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাচ্ছে। তাঁকে বহন করা বাসটির সামনে ও পেছনে একাধিক গাড়ি আছে। মহাসড়কের পাশে লোকজন ভিড় করেছেন। তারেক রহমান বাসের ভেতর দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তাঁকে বহন করা বাসটির পেছনে থাকা তৃতীয় গাড়িটির গাড়ির সামনে একটি ইটের টুকরা এসে পড়ে।
এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, নাকি দুর্বৃত্তদের কাজ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বহরের গাড়িতে একটি ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি টায়ার থেকে আসছে, নাকি কেউ নিক্ষেপ করেছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা অ্যানালাইসিস (অনুসন্ধান) করছি। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর কিছু নেই। কী ঘটনা, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান। বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে বরিশাল ত্যাগ করেন।'

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। শহরের মড়কখোলার পুলসংলগ্ন ৬ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণে ইতিমধ্যে সকল প্রকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেদনের বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এমন উদ্যোগ নেন। এবং তিনি মানবিক এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদনের অপেক্ষা রেখেছিলেন।
বিসিসি সূত্র জানায়, শহরের মড়কখোলা পুলের কাছাকাছি স্থানে ভবনটি নির্মাণসংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া কিছুদিন পূর্বে শেষ হয়। শুধু বাকি ছিল সরকার প্রধানের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের বিষয়টি।
সূত্র জানিয়েছে, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে বরিশালে আসলে একান্তে আলোচনার এক ফাঁকে বিসিসি প্রশাসক শিরিক বিভিন্ন সম্ভব্য প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করেন। তখন বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের অর্থাৎ ডোমদের আবাসন সংকটের বিষয়টি অবহিত করা হলে তারেক রহমান একটি ভবন করে দেওয়ার অনুমোদন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তে বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। অনেকে এ ইস্যুতে তারেক রহমান এবং শিরিনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিসিসি প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সহকারি মুসফিকুল হাসান মাসুম বরিশালটাইমসকে জানান, প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। বিসিসি প্রশাসক শিরিন গতকাল সোমবার বরিশাল শিল্পকলায় সাংগঠনিক সভায় বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করলে তিনি এতে সায় দেন। ফলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকল না। খুব শিগগিরই ভবনটি নির্মাণকাজে উদ্যোগ নেবে সিটি কর্পোরেশন।
অবশ্য প্রশাসক শিরিনও এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এবং তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, বরিশালে মৃতদেহ ব্যবচ্ছেকারীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই প্রকল্পটি বাস্তবে রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গাড়ি লক্ষ্য করে ইটের টুকরা নিক্ষেপ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মাদারীপুরের সাধুরব্রিজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷ এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাচ্ছে। তাঁকে বহন করা বাসটির সামনে ও পেছনে একাধিক গাড়ি আছে। মহাসড়কের পাশে লোকজন ভিড় করেছেন। তারেক রহমান বাসের ভেতর দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। তাঁকে বহন করা বাসটির পেছনে থাকা তৃতীয় গাড়িটির গাড়ির সামনে একটি ইটের টুকরা এসে পড়ে।
এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, নাকি দুর্বৃত্তদের কাজ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বহরের গাড়িতে একটি ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি টায়ার থেকে আসছে, নাকি কেউ নিক্ষেপ করেছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা অ্যানালাইসিস (অনুসন্ধান) করছি। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর কিছু নেই। কী ঘটনা, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান। বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে বরিশাল ত্যাগ করেন।'
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
আগামী বরিশাল সিটি নির্বাচনে বর্তমান প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনই কি বিএনপি তথা ধানের শীষের প্রার্থী হচ্ছেন এমন একটি গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা তৈরি করেছে। সোমবার বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালে সরকারি সফরে আসলে বড় একটি সময়জুড়ে নারী নেত্রী শিরিনকে কাছাকাছি দেখা যায়। এবং দুজনের মধ্যেকার আলোচনার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বরিশালের রাজনৈতিকদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়ে গেছে।
কারও কারও মতে বরিশাল সিটির প্রশাসক শিরিন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন। বরিশালে সোমবার তারেক রহমানের সফর সফল করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। সম্ভবত এইসব বিষয়াদী নিয়ে দুজনের মধ্যেকার দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়।
তবে আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে নেত্রী শিরিন বহুবার হামলা-মামলায় নিপীড়িত হয়েছেন। বিএনপির শীর্ষনেতৃত্ব তারেক রহমান তার এই ত্যাগকে মূল্যায়ন করতে ভুল করেননি, প্রতিদানস্বরূপ শিরিনকে বরিশাল সিটির প্রশাসক করেছেন। অল্প কদিনে প্রশাসক শিরিন বরিশাল শহরের চিত্র পাল্টে দিয়েছেন উন্নয়নের মধ্যদিয়ে, তাকে নিয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় দৈনিকগুলো প্রতিনিয়ত ইতিবাচক সংবাদ মোটাদাগে প্রকাশ করছে।
সবকিছু মিলিয়ে এই অঞ্চলের সৎ ও পরিচ্ছন্ন নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন প্রশাসক শিরিন। এবং আগামী সিটি নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছেন, কর্মীরাও তাতে সায় দিয়েছেন। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা।
সোমবারের আলাপচারিতায় শিরিনকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিটি নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো নির্দেশনা দিলেন কী না- এমন আলোচনায় হচ্ছে সর্বত্র। যদিও শিরিন এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
নারী নেত্রীর দাবি, নেতার সাথে বরিশালের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক আলোচনা হয়েছে। তিনি বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন, বিশেষ করে সাংগঠনিক দুর্বলতাগুলোর ব্যাপারে।
এই বাইরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সিটি নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে শিরিন প্রশ্নটি এড়িয়ে যান। এবং বলেন, বর্তমানে যেহেতু সিটির প্রশাসক আছেন, পরবর্তীতে মেয়র প্রার্থীও হওয়ার ইচ্ছে, যদি দলীয় সমর্থন প্রাপ্ত হন, তাহলে অবশ্যই ইলেকশন করবেন।
তবে শিরিন অনুসারীদের বড় অংশ দাবি করছেন, তাদের নেত্রীকে আগামী সিটি নির্বাচন করতে অনেক আগেই বিএনপির হাইকমান্ড থেকে গ্রীণ সিগনাল দেওয়া হয়। সেই লক্ষে তিনি এগিয়েও যাচ্ছেন। কিন্তু দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনে নৈতিবাচক কথা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিন্দুকদের এই মন্তব্যে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, যোগ্য শিরিনকে দল মূল্যায়ন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে কী না জানতে চাইলে একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব বলেন, অনেক কিছু নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরেও অনেকের সাথে পারসনাল আলাপ হয়, বিশেষ করে প্রশাসক শিরিন প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি ছিলেন। তাকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছু বলেছে কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে সিটি নির্বাচন যেহেতু আসন্ন এবং এরই মধ্যে তারেক রহমান বরিশাল সফরে এসে প্রশাসক শিরিনের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন, সেখানে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা কমবেশি হবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত না হওয়ার আগপর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।’
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৫
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩