
১২ জুন, ২০২৫ ১৯:০০
সদ্য সমাপ্ত পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ছুটি শেষে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বিআরটিএ ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১২ জুন রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান সেতু সংলগ্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ।
পরিবহনে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগে সাকুরা, বলেশ্বর, বরিশাল এক্সপ্রেসসহ মোট ৪ টি পরিবহনকে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ধারা অনুযায়ী ৮০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ্য কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে চালকদের সচেতনতা মূলক প্রচার প্রচারণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিআরটিএ লাইসেন্স পরিদর্শক সৌরভ কুমার সাহা।
এ বিষয় অভিযান পরিচালনা করা ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, চালক যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন করার পাশাপাশি আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।
এরই ধারাবাহিকতায় অতিরিক্ত ভাড়া ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে ৪ টি পরিবহনকে জরিমানা করা হয়েছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এই কার্যক্রম আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।
সদ্য সমাপ্ত পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ছুটি শেষে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বিআরটিএ ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১২ জুন রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান সেতু সংলগ্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ।
পরিবহনে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে যাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগে সাকুরা, বলেশ্বর, বরিশাল এক্সপ্রেসসহ মোট ৪ টি পরিবহনকে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ধারা অনুযায়ী ৮০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ্য কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে চালকদের সচেতনতা মূলক প্রচার প্রচারণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিআরটিএ লাইসেন্স পরিদর্শক সৌরভ কুমার সাহা।
এ বিষয় অভিযান পরিচালনা করা ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, চালক যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন করার পাশাপাশি আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।
এরই ধারাবাহিকতায় অতিরিক্ত ভাড়া ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে ৪ টি পরিবহনকে জরিমানা করা হয়েছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এই কার্যক্রম আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৪৬
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
ঝালকাঠির রাজাপুরে নৌ কর্মকর্তার প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দেড় বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গাড়িতে থাকা স্বামী-স্ত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে ঝালকাঠি -পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি বাজার ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম। পুলিশ জানায়, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম (৩৫) বরিশাল নৌবাহিনীতে কর্মরত। তিনি নিজেই প্রাইভেট কার চালিয়ে মংলা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে বাগড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
এ সময় গাড়িতে থাকা তার দেড় বছর বয়সী মেয়ে মেহেরিনা গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম ও তার স্ত্রী আতিয়া রাতু রুমানা (৩৩) আহত হয়েছেন।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলার বাগড়ি বাজার এলাকায় একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা এক শিশু মারা গেছে এবং দুজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমি পুলিশ ঘটনাস্থলে যাই। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ঝালকাঠির রাজাপুরে নৌ কর্মকর্তার প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দেড় বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গাড়িতে থাকা স্বামী-স্ত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে ঝালকাঠি -পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি বাজার ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম। পুলিশ জানায়, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম (৩৫) বরিশাল নৌবাহিনীতে কর্মরত। তিনি নিজেই প্রাইভেট কার চালিয়ে মংলা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে বাগড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
এ সময় গাড়িতে থাকা তার দেড় বছর বয়সী মেয়ে মেহেরিনা গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম ও তার স্ত্রী আতিয়া রাতু রুমানা (৩৩) আহত হয়েছেন।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলার বাগড়ি বাজার এলাকায় একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা এক শিশু মারা গেছে এবং দুজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমি পুলিশ ঘটনাস্থলে যাই। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫৩
ঝালকাঠির গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পুরোনো সড়কের দুই পাশে প্রায় ২ হাজার গাছ কাটার কাজ শুরু করেছে বন বিভাগ। গত এক সপ্তাহে ইতোমধ্যে অন্তত ১২০টি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে আপাতত গাছ কাটা স্থগিত করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় নদীর পাড়ঘেঁষা পুরোনো সড়কের দুই পাশে থাকা গাছগুলো কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে এই কাজ শুরু করা হয়।
প্রকল্প অনুযায়ী মোট ৪৭টি লটে ১৮১৫টি গাছ কাটার জন্য চিহ্নিত করা হয়। প্রতিটি লটে গড়ে প্রায় ৪০টি করে গাছ ধরা হলেও বন বিভাগের একটি সূত্র জানায়, বাস্তবে প্রতি লটে প্রায় ৫০টি করে গাছ কাটার পরিকল্পনা রয়েছে। সে হিসেবে গাছের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি হতে পারে।
ইতোমধ্যে তিনটি লটের প্রায় ১২০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কাটা গাছগুলোর মধ্যে রাজ কড়ই, অর্জুন, শিশু, তুলা, নিম ও বাবলাসহ অন্তত ১৫ প্রজাতির মূল্যবান গাছ রয়েছে।
গাছ কাটার বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু হয়। পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়ে গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান।
একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন।
এরপর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে আবারও গাছ কাটার তথ্য জানানো হলে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকারকে গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি ব্লক স্থাপনের প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদীর দক্ষিণ পাড়ে নতুন ও পুরোনো দুটি সড়ক রয়েছে।
গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত বেশিরভাগ স্থানে নদীর পাড় থেকে পুরোনো সড়কের দূরত্ব গড়ে ২০ ফুটের বেশি এবং অনেক জায়গায় এর চেয়েও বেশি।
কোথাও কোথাও জিও ব্যাগ পর্যন্ত পাড়ের প্রস্থ ৫০ ফুটেরও বেশি। এত জায়গা থাকার পরও পুরোনো সড়কের অংশেও ব্লক ফেলার পরিকল্পনা নেওয়ায় সড়কের দুই পাশে থাকা গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, মোট গাছের একটি অংশের হিসাব বিশ্লেষণ করেই অন্তত ২৬ প্রজাতির গাছ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজ কড়ই, কাঞ্চন, তুলা, অর্জুন, শিশু, বাবলা, তেঁতুল, জারুল, কড়ই, জাম, নিম, কাঁঠাল, গামার ও সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
বন বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, ৪৭টি লটের মধ্যে ৩৭টি লটের ঠিকাদারি পেয়েছেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নজরুল মেম্বারসহ চারজন ঠিকাদার।
বাকি ১০টি লট পেয়েছেন ঝালকাঠি সদর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার তিনজন ঠিকাদার। ১৮১৫টি গাছের বিপরীতে প্রায় ৬০ লাখ টাকায় দরপত্র অনুমোদন করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঝালকাঠির সিনিয়র আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী নাসির উদ্দীন কবীর বলেন, সংখ্যা ২ হাজার হোক বা তার বেশি—এত বিপুল সংখ্যক গাছ কাটার চিন্তা কীভাবে করা হলো সেটিই প্রশ্ন।
এখানে সামাজিক বনায়নের একটি বড় অংশ রয়েছে। কমপক্ষে শতাধিক প্রজাতির পাখি ও নানা সরীসৃপ প্রাণীর আবাসস্থল এটি। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই গাছ কোনোভাবেই কাটা উচিত নয়। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশ পাওয়ার পর গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছে। আমি বলা ছাড়া কেউ একটি ডালও কাটতে পারবে না।
গাছের প্রতি বন বিভাগেরই সবচেয়ে বেশি মায়া। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘদিন ধরে বলার পর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ব্লক স্থাপন করা হলে গাছগুলো এমনিতেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এভাবে গাছ কাটা যাবে না। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে তাদের সুপারিশ ছাড়া কোনোভাবেই গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। গাছ কাটার সময় ওই রায়টি ছিল না। এখন আপাতত গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তী সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
ঝালকাঠির গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পুরোনো সড়কের দুই পাশে প্রায় ২ হাজার গাছ কাটার কাজ শুরু করেছে বন বিভাগ। গত এক সপ্তাহে ইতোমধ্যে অন্তত ১২০টি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে আপাতত গাছ কাটা স্থগিত করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় নদীর পাড়ঘেঁষা পুরোনো সড়কের দুই পাশে থাকা গাছগুলো কাটার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে এই কাজ শুরু করা হয়।
প্রকল্প অনুযায়ী মোট ৪৭টি লটে ১৮১৫টি গাছ কাটার জন্য চিহ্নিত করা হয়। প্রতিটি লটে গড়ে প্রায় ৪০টি করে গাছ ধরা হলেও বন বিভাগের একটি সূত্র জানায়, বাস্তবে প্রতি লটে প্রায় ৫০টি করে গাছ কাটার পরিকল্পনা রয়েছে। সে হিসেবে গাছের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি হতে পারে।
ইতোমধ্যে তিনটি লটের প্রায় ১২০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। কাটা গাছগুলোর মধ্যে রাজ কড়ই, অর্জুন, শিশু, তুলা, নিম ও বাবলাসহ অন্তত ১৫ প্রজাতির মূল্যবান গাছ রয়েছে।
গাছ কাটার বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু হয়। পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়ে গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান।
একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন।
এরপর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে আবারও গাছ কাটার তথ্য জানানো হলে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকারকে গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গাবখান চ্যানেলের পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি ব্লক স্থাপনের প্রকল্প চলমান রয়েছে। নদীর দক্ষিণ পাড়ে নতুন ও পুরোনো দুটি সড়ক রয়েছে।
গাবখান বাজার থেকে বারুহার পর্যন্ত বেশিরভাগ স্থানে নদীর পাড় থেকে পুরোনো সড়কের দূরত্ব গড়ে ২০ ফুটের বেশি এবং অনেক জায়গায় এর চেয়েও বেশি।
কোথাও কোথাও জিও ব্যাগ পর্যন্ত পাড়ের প্রস্থ ৫০ ফুটেরও বেশি। এত জায়গা থাকার পরও পুরোনো সড়কের অংশেও ব্লক ফেলার পরিকল্পনা নেওয়ায় সড়কের দুই পাশে থাকা গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, মোট গাছের একটি অংশের হিসাব বিশ্লেষণ করেই অন্তত ২৬ প্রজাতির গাছ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজ কড়ই, কাঞ্চন, তুলা, অর্জুন, শিশু, বাবলা, তেঁতুল, জারুল, কড়ই, জাম, নিম, কাঁঠাল, গামার ও সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
বন বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, ৪৭টি লটের মধ্যে ৩৭টি লটের ঠিকাদারি পেয়েছেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নজরুল মেম্বারসহ চারজন ঠিকাদার।
বাকি ১০টি লট পেয়েছেন ঝালকাঠি সদর ও কাঁঠালিয়া উপজেলার তিনজন ঠিকাদার। ১৮১৫টি গাছের বিপরীতে প্রায় ৬০ লাখ টাকায় দরপত্র অনুমোদন করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঝালকাঠির সিনিয়র আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী নাসির উদ্দীন কবীর বলেন, সংখ্যা ২ হাজার হোক বা তার বেশি—এত বিপুল সংখ্যক গাছ কাটার চিন্তা কীভাবে করা হলো সেটিই প্রশ্ন।
এখানে সামাজিক বনায়নের একটি বড় অংশ রয়েছে। কমপক্ষে শতাধিক প্রজাতির পাখি ও নানা সরীসৃপ প্রাণীর আবাসস্থল এটি। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই গাছ কোনোভাবেই কাটা উচিত নয়। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
ঝালকাঠি জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশ পাওয়ার পর গাছ কাটা বন্ধ করা হয়েছে। আমি বলা ছাড়া কেউ একটি ডালও কাটতে পারবে না।
গাছের প্রতি বন বিভাগেরই সবচেয়ে বেশি মায়া। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘদিন ধরে বলার পর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ব্লক স্থাপন করা হলে গাছগুলো এমনিতেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এভাবে গাছ কাটা যাবে না। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে তাদের সুপারিশ ছাড়া কোনোভাবেই গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ উচ্চ আদালতের একটি রায়ের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। গাছ কাটার সময় ওই রায়টি ছিল না। এখন আপাতত গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পরবর্তী সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬